নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৫০ পিএম

নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের তিনটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।



বুধবার সকাল থেকে ভিডিওগুলো ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় এমপিকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়।



একদিকে ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় এমপিপুত্র গ্রেফতার, অন্যদিকে এমপির অশ্লীল ভিডিও— সব মিলিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।



সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি আব্দুল আজিজ খাটের উপর লুঙ্গি পরে খালি গায়ে শুয়ে আছেন। আর এক নারী কণ্ঠে বিভিন্ন অশ্লীল কথাবার্তায় তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন।



নিজের ভিডিও ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন, ‘এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট। আমার রাজনৈতিক একটি পক্ষ উঠেপড়ে লেগেছে। এখন ইন্টারনেটের যুগ। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা যেতে পারে। প্রতিপক্ষ আমার সুনাম-সুখ্যাতি বিনষ্ট করার জন্য এগুলো করছে।’



এদিকে বুধবার সকালে ফেসবুকে এমপির অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে দুই উপজেলার বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ এলাকার নানা শ্রেণির মানুষের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।



দলের বিভিন্ন পদধারী নেতাকর্মীরা ফেসবুকে তাকে দল ও সংসদ থেকে বহিষ্কার করার পাশাপাশি পদত্যাগের দাবি জানান।



এছাড়া একাধিক নেতাকর্মী এ ঘটনার প্রতিবাদে দল থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দেন।



বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাইপাসসহ একাধিক জায়গায় দলের নেতাকর্মীদেরই আব্দুল আজিজকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লাগানো তার ছবি সংবলিত বিলবোর্ড ভাঙচুর করতে দেখা যায়।



সংসদ সদস্যের অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে নাটোর জেলা সনাকের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য দেশের আইন প্রণেতা। তিনি যদি এমন অপকর্ম করেন, তাহলে আমাদের সমাজের কী হবে। একজন সংসদ সদস্যের এমন নৈতিক স্খলন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রধানমন্ত্রী এগুলো যেন টলারেট না করেন, সেজন্য আমি আহ্বান জানাব।’



এ বিষয়ে নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘দলের কোনো সদস্যের নৈতিক স্খলন হলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চলতি মাসের আহ্বায়ক কমিটির সভায় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ দলের ঊর্ধ্বে নন।’



এমপিপুত্র রিমান্ডে ও বহিষ্কার, ওসি প্রত্যাহার



গুরুদাসপুরে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের (৩২) মৃত্যুর ঘটনায় যুবদল নেতা ও এমপিপুত্র নুরুজ্জামান মিন্টুকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার পরপরই দায়িত্ব অবহেলার কারণে থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি মিন্টুকে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে দল।



গত ১৪ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে গুরুদাসপুর পৌর শহরের চাঁচকৈড় বাজারপাড়া এলাকায় হেলমেট পরা কয়েকজনের সশস্ত্র হামলার শিকার হন শাকিল। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ দিন পর সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শাকিলের বাবা রবিউল মিস্ত্রি হত্যাচেষ্টা মামলা করলে সোমবার রাতে মিন্টুকে আটক করে পুলিশ।



ছাত্রদল সূত্রে জানা যায়, এমপি আজিজের দুই ছেলের পৃথক সমর্থক গোষ্ঠী আছে। নিহত শাকিল এমপির ছোট ছেলে মাহমুদুজ্জামান সোহাগের অনুসারী। অন্যদিকে মিন্টু উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ছোট ভাই সোহাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক। দুই ভাইয়ের সমর্থক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে তাদের ধারণা।



কেন্দ্রীয় যুবদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সহযোদ্ধার প্রাণহানির মতো গুরুতর কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নুরুজ্জামান মিন্টুকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।



এদিকে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানকে জনস্বার্থে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করে অফিস আদেশ দেওয়া হয়েছে।



জানাজায় এমপিকে ‘ভুয়া’ স্লোগান ও শপিংমলে হামলা



শাকিলের বাবা রবিউল মিস্ত্রির অভিযোগ, তার ছেলেকে কুপিয়ে আহত করার পর মামলার এজাহারে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রাসেল হোসাইনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তবে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের নির্দেশে পরে সেই নাম বাদ দেওয়া হয়। মিন্টুর পাশাপাশি রাসেলও তার ছেলের হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে তার ধারণা।



মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুরুদাসপুর সরকারি কলেজ মাঠে শাকিলের দ্বিতীয় জানাজায় নাটোর-২ আসনের এমপি রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং নাটোর-৪ আসনের এমপি আব্দুল আজিজ অংশ নেন। জানাজায় এমপি আজিজ বক্তব্য দেওয়ার সময় নিহতের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় উপস্থিত লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে হৈচৈ শুরু করেন।



জানাজা শেষে রাত ১১টার দিকে মুসল্লিদের একাংশ মিছিল নিয়ে চাঁচকৈড় বাজারে আমেরিকা প্রবাসী রাসেলের ‘রাস আরবান স্টাইল’ নামের শপিংমলে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।



এ বিষয়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার বলেন, ‘কিছু সুযোগসন্ধানী লোক মব সৃষ্টি করে একজন প্রবাসীর ক্ষতিসাধন করেছেন। পুলিশকে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।’



খুনিদের বিচারের দাবিতে বুধবার বিকালে নাটোর জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।




মাসুদ রানা ও তার শ্যালিকা (দ্বিতীয় স্ত্রী) পূর্ণিমা।

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৭ পিএম

নওগাঁর মহাদেবপুরে শ্যালিকাকে বিয়ে করা কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার পর গ্রামবাসীর সামনে ক্ষমা চেয়েছেন মাসুদ রানার শ্যালিকা (দ্বিতীয় স্ত্রী) পূর্ণিমা এবং কান ধরে ও নাকে মাটি দিয়ে তওবা করেছেন শ্বশুর মান্নান সাপুড়ে।



মঙ্গলবার উপজেলার রাইগাঁ ইউনিয়নের নারায়ণপুরে (বিরামগ্রাম) মাসুদের শ্বশুরবাড়ির উঠানে এক সালিশ বৈঠকে তারা গ্রামবাসীর সামনে হাতজোড় করে ক্ষমা চান।



মাসুদ রানা নওগাঁ সদর উপজেলার বাছারীগ্রামের মৃত আনিছুর রহমানের ছেলে।



বৈঠকে মাসুদের শ্যালিকা (দ্বিতীয় স্ত্রী) সবার সামনে জানান, তার চিন্তা এটাই যে তার বোন এতদিন সংসার করেছে। তার (বোনের) যদি হাদিস অনুযায়ী তালাক হয়ে যায়, তাহলে হাদিস অনুযায়ী আবার বিয়ে করে নিক। তিনি মাসুদকে ছেড়ে দেবেন।



এ সময় তিনি সবার কাছে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে জানান, তিনি ভুল করেছেন। তিনি মাসুদের সঙ্গে কোনো সম্পর্কই রাখবেন না এবং মাসুদের সঙ্গে টিকটক বা কোনো অনুষ্ঠানও করবেন না। তবুও তাদের এলাকা থেকে উচ্ছেদ না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি তার মতো হয়ে থাকবেন বলে স্থানীয়দের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন।



সালিশ বৈঠকে রাইগাঁ ইউনিয়নের সাবেক ২ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার আশরাফুল ইসলাম, স্থানীয় মেম্বার আখতার হোসেন, লোকমান রেজোয়ান আরিফসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।



অপরদিকে মাসুদের শ্বশুর মান্নান সাপুড়ে সবার কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা এবং কান ধরে নাকে মাটি দিয়ে তওবা করে অনুরোধ করেন, তাদের বসতবাড়ি থেকে যেন তুলে না দেওয়া হয়।



তিনি বলেন, তার মেয়েরা আর টিকটক করবেন না এবং তিনিও আর গান-বাজনার সঙ্গে জড়িত না থেকে আগের সেই সাপুড়ে পেশায় ফিরে যাবেন।



নওগাঁর বদলগাছী সদর ইউনিয়নের বৈরাগীপাড়ায় প্রথম স্ত্রী মৌসুমীকে সঙ্গে নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন মাসুদ রানা। গত ২৪ অক্টোবর ওই বাসায় তাদের গায়েহলুদ এবং এর পরদিন ২৫ অক্টোবর প্রথম স্ত্রীর আপন ছোট বোন পূর্ণিমাকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর দুই স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং দেশজুড়ে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।



ভাইরাল হওয়া এ ঘটনার জেরে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজিহাট বিরামগ্রাম এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। প্রথম স্ত্রীর উপস্থিতিতে শ্যালিকাকে বিয়ে করার প্রতিবাদে স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা ওই টিকটকার ও আইনজীবীর সহকারীকে (মাসুদ রানা) মুখভর্তি চুনকালি মাখিয়ে এলাকা থেকে বের করে দেয়। পরে ২৭ অক্টোবর ফেসবুক লাইভে এসে তিনি জাতির কাছে ক্ষমা চান এবং প্রথম স্ত্রী মৌসুমীকে রেখে দ্বিতীয় স্ত্রী পূর্ণিমাকে তালাক দেওয়ার ঘোষণা দেন।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৯ পিএম

ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত করে সংস্থাটির সব দায়িত্ব এককভাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মুহা. মনিরুজ্জামানকে দেওয়া হয়েছে।


গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ শাখা-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ এর ধারা ৪২ (খ) অনুযায়ী ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের অপসারণকালীন সময়ের জন্য বোর্ডের সকল দায়িত্ব বর্তমান ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মুহা. মনিরুজ্জামানকে প্রদান করা হলো।’স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তাহলিমা শিরিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।তবে বোর্ড বাতিলের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি।


এর আগে গত ২৫ আগস্ট মনিরুজ্জামানকে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।


প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক সাব্বির মোস্তফা খানকে গত ২ আগস্ট তিন বছর মেয়াদে ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। ঢাকা ওয়াসা রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে।


নুরুজ্জামান মিন্টু ও ওসি আব্দুল হান্না

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:১৬ পিএম

নাটোরের গুরুদাসপুরে পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে যুবদল। একই ঘটনায় গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নানকে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।


গতকাল মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় যুবদল মিন্টুকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সহযোদ্ধার প্রাণহানির মতো গুরুতর কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গুরুদাসপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান মিন্টুকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। 


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না। যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তাঁর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


এদিকে শাকিল হত্যা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওসি আব্দুল হান্নানকে জনস্বার্থে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম।


অফিস আদেশ নম্বর ৯৭৭-এ বলা হয়েছে, পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নাটোর জেলায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল হান্নান রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকবেন। গত মঙ্গলবার রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ আদেশে স্বাক্ষর করেন।


বিদ্যুৎ সরবরাহ। ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:০৭ পিএম

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের জন্য বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত টানা সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে ঢাকার ধামরাইয়ের বেশ কয়েকটি এলাকায়।


বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর ধামরাই জোনাল অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাড়াড়িয়া (একমি) ৩৩ কেভি লাইন ও ধামরাই উপকেন্দ্রের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।


বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকা এলাকাগুলো হলো—ছোট চন্দ্রাইল, বড়চন্দ্রাইল, খাত্রা, ছয়বাড়ীয়া, বাড়ীগাঁও, বাশাইল, কুল্লা, জলসীন, তালতলা, ইসলামপুর, কুমড়াইল, হাসপাতাল রোড, নতুন দক্ষিণপাড়া, থানা কমপ্লেক্স, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আমিন মডেল টাউন, বরাতনগর, বরাত সেন্টার, ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকা ও ঢুলিভিটা।


ধামরাই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার লিপিয়া খাতুন জানান, ৩৩ কেভি লাইনের তার উন্নীতকরণ ও জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

কোনো অবস্থাতেই যেন কোনো বিচারপ্রার্থী যেন হয়রানির শিকার না হয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের দিন ব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত


সনদপত্র ও বিশেষ পুরস্কার বিতরণকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন জাহান।

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৩০ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, শুদ্ধাচার ও কাজের মানোন্নয়ন বিষয়ক দিন ব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। 




কর্মশালা প্রশিক্ষণ শেষে বিকেলে প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র ও বিশেষ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।


সনদপত্র ও বিশেষ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন জাহান।


প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন সিনিয়র জুডিসিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেজবাহ উদ্দিন ভূইয়া, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফনান সুমী, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক।


সনদ বিতরণকালে সভাপতির বক্তব্যে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন জাহান বলেন, কাজে গতিশীলতা ও সততা মামলার জট কমাতে এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। নথি ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা ভুল এড়াতে সাহায্য করে, আমি আপনাদের আহ্বান জানাব ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সততা, নিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন। কোনো অবস্থাতেই যেন কোনো বিচারপ্রার্থী হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখবেন। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান সবসময় ‘জিরো টলারেন্স।'


  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:২৫ পিএম

সিলেট শাহী ঈদগাহকে আরও দৃষ্টিনন্দন করতে ৫ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় সিলেট শাহী ঈদগাহ পরিদর্শনে এসে সিলেট  সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী  এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সিলেটের ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহকে দৃষ্টিনন্দন ও সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর ঐতিহ্য ও পবিত্রতা অক্ষুণ্ন রেখে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে। দূর থেকে দেখলেও যেন মানুষের ভালো লাগে, সেভাবেই শাহী ঈদগাহকে সাজানো হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরো বলেন, শাহী ঈদগাহ সিলেটের ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এর ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি এটিকে আরও সুন্দর করে রাখা হবে। শাহী ঈদগাহকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে, যাতে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও অটুট থাকে।

তিনি বলেন, ঈদগাহের পবিত্রতা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সভা-সমাবেশ বা মেলা আয়োজনের মতো কোনো কার্যক্রম হবে না। ঈদগাহের পরিবেশ ও পবিত্রতা বজায় রেখে শুধু প্রয়োজনীয় সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, শাহী ঈদগাহের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হবে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, শাহী ঈদগাহের ইতিহাসে এই প্রথম প্রায় ৫ কোটি টাকার উন্নয়নকাজের টেন্ডার হয়েছে। এর আগে এ ধরনের বড় পরিসরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ হয়নি। তারা শাহী ঈদগাহের উন্নয়ন উদ্যোগের জন্য সিসিক প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান এবং বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।