ছবি : সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে রাতের আঁধারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে চার ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা। এতে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারসহ (এএসপি) অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এ সংঘর্ষ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সদরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে মালিগাঁও ও সাগরদীঘি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ১০টায় টর্চলাইটের আলো জ্বালিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় এএসপিসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে মালিগাঁও ও সাগরদীঘি গ্রামের লোকজনের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি), সরাইল থানার ওসিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে।
এদিকে সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মাস্টারের নেতৃত্বে বিএনপির একটি অংশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাইকযোগে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষকে সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। তারাও পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
রাত ১০টার দিকে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা টহল ও নজরদারি জোরদার করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ জানান, সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৩০ জন রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে এখানে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সরাইল থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের ওপরও হামলা হয়েছে। আমাদের সার্কেল স্যার আহত হয়েছেন। তিনি পায়ে ইটের আঘাত পেয়েছেন। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
সভাপতি ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক শরাফত উল্লাহ সোহাগ
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অব পেনসিলভানিয়া ইউএসএ ইনকের ২০২৭-২০২৯ মেয়াদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শরাফত উল্লাহ সোহাগ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয় ৬২ রিচফিল্ড রোড, আপার ডারবি, পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচন কমিশন নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করে।
কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন টিপু এবং সহসভাপতি হয়েছেন মো. সাহিদ কামাল সবুজ।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সহসাধারণ সম্পাদক নূর করিম রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন এরশাদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউসুফ নবী, সহকারী কোষাধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক জহিরুল আলম নয়ন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মেদ আরিফুর রহমান তারেক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাইনুর রহমান জনি এবং ক্রীড়া সম্পাদক বেলাল হোসাইন রতন।
এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য হয়েছেন ইকবাল চৌধুরী রিপন, ইউসুফ নবী, সালেহ উদ্দিন, আরিফুল হক রনি ও নূরুল আফসার রাজিব।
কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহফুজুল হক চৌধুরীর ছেলে ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন। তার নেতৃত্বে প্রবাসে কোম্পানীগঞ্জের মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রবাসীদের কল্যাণে নতুন কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে প্রবাসীরা।
সোহেল শেখ
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় সোহেল শেখ (৩৪) নামে ছাত্রদলের এক সাবেক নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বড় কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সোহেলকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোহেল শেখ বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বড় কড়িয়া গ্রামের গনি শেখের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাতে বড় কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেলে বসে ছিলেন সোহেল। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে তার ডান হাত ও পেটের ডান পাশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সার্জারি ইউনিট-১-এর ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডে তাকে ভর্তি করা হয়।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। খবর পেয়ে বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও স্থানীয় বাইনতলা ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্বৃত্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
পুলিশ জানায়, সোহেল শেখ ওরফে সোহেল পারভেজের বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা রয়েছে।
দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাস
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের বড়কুমিরা কিং অব কুমিরা কনভেনশন হলের দক্ষিণ পাশে গত ঢাকামুখী লেনে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ধাক্কায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত ২টার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী, একজন পুরুষ ও এক শিশু রয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ জন বাসের ভিতরে ও ৩ জন বাইরে ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতরা সবাই দাঁড়িয়ে থাকা বাসের যাত্রী ছিলেন। বাসটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে সার্ভিসিংয়ের কাজ চলছিল। বাস থেকে অধিকাংশ যাত্রী নেমে পাশে একটি গাছের ডালের ওপর বসেছিলেন। এ সময় একইমুখী লেনে একটি লরি এসে বাসটিকে ধাক্কা দেয়। লরিটি বাসের পেছনে ধাক্কা দিলে তা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে বাসের ভিতরে থাকা ও বাইরে থাকা অনেক যাত্রী হতাহত হন।
খবর পেয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিস টিম উদ্ধার অভিযানে নামে। ঘটনাস্থল থেকে আহত-নিহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হতাহতের অধিকাংশের বাড়ি নেত্রকোনা এলাকায়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন—নেত্রকোনা জেলার সীবাশ্রম এলাকার ফাতেমা (৪০), আজহারুল (৪২), রাকিব (৮) ও বড়কান্দার আবুল হোসেন (৫০)।
কুমিরা ফায়ার স্টেশনের ফায়ার ফিটার হাবিবুর ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় তিনজন নারী, একজন পুরুষ ও একটি শিশু নিহত হয়েছে। আহত রয়েছে ২০ জনের অধিক। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আগুনের প্রবাহ বেশি হওয়ায় আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়
কক্সবাজারের উখিয়ায় নলকূপ (টিউবওয়েল) বসাতে গিয়ে মাটির নিচ থেকে গ্যাস বের হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ছোট ইনানী এলাকায় মোস্তফা সিকদারের বাড়ির আঙিনায় এ ঘটনা ঘটে। গ্যাস বের হওয়ার পরপরই আগুন জ্বলে ওঠে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির আঙিনায় নলকূপ বসানোর জন্য মাটি খনন করা হচ্ছিল। এ সময় মাটির নিচ থেকে গ্যাস বের হতে শুরু করে। একপর্যায়ে সেই গ্যাসে আগুন জ্বলে ওঠে। আগুনের প্রবাহ বেশি হওয়ায় আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।
ইনানীতে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচকর্মীদের সুপারভাইজার বেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ করছেন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ করছেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাটির নিচে গ্যাস থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত
বিরোধ মেটাতে থানায় এসে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত দুজন আহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পাঁচজনকে আটক করেছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন, মো.আলা উদ্দিন ওরফে সহেল, ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো.আজগর আলী, জাহিদুল ইসলাম সাব্বির ও মাইন উদ্দিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর ছোটধলী গ্রামের দুবাই প্রবাসী মো. আলাউদ্দিন ওরফে সোহেল প্রায় এক বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লামছি প্রসাদ গ্রামের মাশরুপা আক্তারকে (১৯) বিয়ে করেন। প্রায় তিন মাস আগে সহেল প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ ঘটনায় একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা থানায় আসেন। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়দাস গুপ্ত বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য উভয় পক্ষকে পরামর্শ দেন। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে উভয় পক্ষ থানার বাইরে যাওয়ার সময় থানার গেটসংলগ্ন সড়কে দুই পক্ষের লোকজন বাকবিতন্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষের পাঁচজনকে আটক করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, একটি পারিবারিক বৈঠক শেষে চলে যাওয়ার পথে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাথে সাথে উভয় পক্ষের পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলায় আটকদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
সাতক্ষীরার এডিসি রিপন বিশ্বাসকে অপসারণ দাবি
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে তাকে দ্রুত অপসারণের দাবিতে আগামী (২৮ অক্টোবর) মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাড. আকবর আলীর সভাপতিত্বে আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠিত সভা সঞ্চালনা করেন, সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাড. নুরুল আমিন।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, অ্যাড. এবিএম সেলিম, অ্যাড. শহীদ হাসান, অ্যাড. আবু সাঈদ রাজা, অ্যাড. শাহরিয়ার হাসিব, অ্যাড. জি এম ফিরোজ আহমেদ, অ্যাড. মিজানুর রহমান বাপ্পি, অ্যাড. ওলিউল্লাহ, অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম (৫), অ্যাড. সোহরাব হোসেন বাবলু ও অ্যাড. সরদার সাইফসহ সংগঠনের নেতারা। আলোচনা সভায় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গত (১৯ অক্টোবর) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলার আদেশকে কেন্দ্র করে সিনি: আইনজীবী অ্যাড. আকরাম আলী এবং আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাড. আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আমিনের সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাস অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ ঘটনায় আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
এ সময় তারা আরো বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে কোনো বিষয়ে যেকারো মতপার্থক্য দেখা দিলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে আগামী (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন সহ এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে, এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাস জানান, তার সাথে কোন প্রকার খারাপ আচরন করা হয়নি বলে দাবি করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাস। তিনি বলেন, ভিপি “ল” ইয়ার অ্যাড. নুরুল আমিন কর্তৃক সরকারের স্বার্থ পরিপন্থী কাজ করায় আইনমন্ত্রালয়ে তার বিষয়ে পত্র প্রেরন করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছেন। তার সাথে যা আলাপ আলোচনা হয়েছে তার ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে।