পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ড
পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ড। দৈনন্দিন ও অন্যান্য সেবামূলক কার্য পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নগরকে করা হয়েছে। এ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬০ নং আইন) এর ধারা ৪৭-এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্ত নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ।
অঞ্চল-১ঃ ১, ২, ৩, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-১ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-১ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: দরগা মহল্লা, ঝর্ণারপাড়, দর্শনদেউড়ি, আম্বরখানা (পশ্চিম), চৌহাট্টা, রাজারগলি, মিয়া ফাজিলচিশত, মিরের ময়দান, দাঁড়িয়া পাড়া, কাজি ইলিয়াছ, পুলেরপার, সরষপুর, কুরিটুলা, মির্জা জাঙ্গাল (উত্তর), জল্লারপাড়, জিন্দাবাজার, ক্ষেত্রীপাড়া, বারইপাড়া, পুরাতন মেডিকেল এলাকা, কাজলশাহ, পুলিশ লাইন, কাজল শাহ আ/এ, মুন্সিপাড়া, কেওয়াপাড়া, সুবিদবাজার, পশ্চিম কাজলশাহ, ওসমানী মেডিকেল এলাকা, রিকাবীবাজার, বাগবাড়ী, সাগর দীঘিরপাড়, আখালীঘাট (অংশ), নিহারীপাড়া, নরশিংটিলা, এতিম স্কুল রোড, নগর, খুলিয়াপাড়া, ধানুহাঁটা, আখালিয়া বাজার, কানিশাইল, ঘাসিটুলা, মজুমদারপাড়া, ওয়াপদা, ডহর, কলাপাড়া, হিয়াবরন, মধুশহীদ, লালাদীঘির পাড়, নোয়াপাড়া, কাজলশাহ, ভাতালিয়া, বিলপাড়, লামাবাজার, সচিলাপুর, শেখঘাট প্রথম অংশ, ইটাখলা, ভাংগাটিকর, শেখঘাট দ্বিতীয় অংশ, শেখঘাট তৃতীয় অংশ, শেখঘাট ৪র্থ অংশ, সওদাগরটুলা, শেখঘাট কলোনি, কুয়ারপাড়, তোপখানা, গির্জার পশ্চিম, রামের দীঘির পাড়, লামাবাজার, খুলিয়াটুলা, মনিপুরী রাজবাড়ী, মাছুদীঘির পাড়, তালতলা (দক্ষিণ), তেলিহাওর, কাজিরবাজার, যুগলটিলা, চাঁদনীঘাট, শেখ নাসির আলী, ছড়ারপাড়, ধোপাদীঘির দক্ষিণপাড়, ব্রহ্মময়ী বাজার, লাল দীঘিরপাড়, আমজাদ আলী রোড, কালীঘাট, কাষ্ঠঘর, চালিবন্দর পশ্চিম, বন্দরবাজার, মহাজনপট্টি, কামালগড়, তালতলা (উত্তর), জামতলী, জল্লারপাড়, মির্জাজাঙ্গাল দক্ষিণ, জেলা জজ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, শেখ জিয়াউল্লাহ, কারপাসটুলা, পুরানলেন, বারুতখানা, জেলরোড, বেতবারটুলা, পঞ্চখানা, নন্দাইপট্টি, পর্বতখানা, লাল বাজার, ধোপাদীঘির পূর্বপাড়, চন্দানীটুলা, মিরাবাজার দক্ষিণ, চালিবন্দর পূর্ব, সুপানিঘাট, যতরপুর, নাইওরপুল, জয়নগর ও নয়াপাড়া ।
অঞ্চল-২ঃ ২১, ২২, ২৩, ২৪, ৩১, ৩২ ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-২ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-২ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: গোপালটিলা, ভাটাটিকর, কালাপিন, টিকরিপাড়া, নিষ্করপাড়া, রাজপাড়া, কল্যাণপুর, শাপলাবাগ, বাদুরলটকা পূর্ব, লাকড়িপাড়া পূর্ব, গঙ্গাদাস, ব্রাহ্মণপাড়া, শিবগঞ্জ, সাদিপুর, উপশহর, টিলাবাড়ি, মাছিমপুর, মেন্দিবাগ, দুবড়িহাওর, দেওয়ানবাগ, উপকন্ঠ, দক্ষিণ সাদিপুর, টুলটিকর, মিরাপাড়া পশ্চিম, তেররতন, সৈদানীবাগ, মাদারপাড়া, নোয়াবাজার, তৈয়াটিকর (গোলাপবাগ), গঙ্গাদাস (হাতিমবাগ), কল্যাণপুর (শাপলাবাগ), লামাপাড়া পূর্ব, কুশিঘাট, সাদাটিকর, উত্তর সাদিপুর, কুইটুক, নয়াবস্তি, মুরাদপুর, পেশনেওয়াজ (মুক্তিরচক), পীরেরচক, মিরেরচক (আংশিক), সোনাপুর, বেতার কেন্দ্র, ইসলামপুর (আংশিক), ইসলামপুর (কলোনী) ইসলামপুর দক্ষিণ (ফাল্গুনী), মুসলিম নগর, মুগীরপাড়া, মুড়িলা, নূরপুর, নাথপাঁড়া, আটালু, পূর্ব ভাটপাড়া, পশ্চিম ভাটপাড়া, কান্দিহুতা, মীরাপাড়া, পূর্ব শাপলাভাগ, টুলটিকর আ/এ, পূর্ব কুশিঘাট, শাহপরান উপশহর আ/এ, কৃষিখামার, কৃষি খামারের (আংশিক), খাদিমপাড়া (আংশিক), কালাটিকর (আংশিক), নিপবন, মনিপুরি পাড়া বস্তি, বহর দাসপাড়া, ধনকান্দি, পাঁচগরী, লালখাটংগী, শাহপরান আ/এ, বহর নোয়াগাঁও, এ.টি.আই, ভাওয়াল টিলা, ইসলামাবাদ, কল্পগ্রাম।
অঞ্চল-৩ঃ ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৩৪, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৩ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৩ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: হাওয়াপাড়া, তাতিপাড়া, খন্দকারটুলা, নয়াসড়ক, চারাদীঘিরপাড়, মজলিস আমীন, কুমারপাড়া পশ্চিম, সওদাগরটুলা, খান্দাউড়া, ধোপাদীঘির উত্তরপাড়, নাইওরপুল, খ্রিষ্টান মিশন, কাজীটুলা, কাজী জালাল উদ্দিন, মহলে আব্দুল্লাহ, ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই (শাহ চান গলি), আম্বরখানা পূর্ব, চন্দনটুলা, চৌহাট্টা, মিরবক্সটুলা, বেতবারটুলা (পূর্ব জিন্দাবাজার), মানিকপীর রোড, শাহী ঈদগাহ, উত্তর মিরাবাজার, আগপাড়া, ব্রজনাথটিলা, ঝরনারপার, নয়াপাড়া, ঝেরঝেরি পাড়া, কুমারপাড়া (পূর্ব) মুক্তারখাকিমানী (পশ্চিম), শাখারীপাড়া, ভাইয়ারপাড়া, সুনাতলা, দর্জিপাড়া, সোনারপাড়া, দর্জিবন্দ, আলমটুলা, দপ্তরীপাড়া, রায়নগর, মুক্তারখাকিমানী (পূর্ব), খারপাড়া, ধুনিশাহী ঈদগাহ, মজুমদারপাড়া, সোনারপাড়া লাল মঞ্জিল, ছাপার বনপাড়া, খন্ডিকরপাড়া, ঠাকুরপাড়া, লামাপাড়া (উত্তর-পশ্চিম), রায়নগর, সেনপাড়া, নাথপাড়া, দক্ষিণ বালুচর, খরাদিপাড়া, ধোপার, ব্রাহ্মণপাড়া, আদিত্যপাড়া, দাসপাড়া, দেবপাড়া, লাকড়িপাড়া পশ্চিম, বাদুলটকা পশ্চিম, শিবগঞ্জ, ব্ৰাহ্মণপাড়া (খন্ডিকরপাড়া), খাদিমপাড়া (আংশিক), মীরমহল্লা, বহর কলোনী, বাহুবল আ/এ, বাহুবল, কলোনী, উদ্দিন টিলা, কালাটিকর (আংশিক) (শান্তিভাগ), জাহানপুর, সৈয়দপুর (আংশিক), মোহাম্মদ পুর, চামেলীবাগ (গোয়াল গাঁও), শ্যামলী আ/এ (আংশিক), ইসলামপুর পূর্ব, সরকারি কলেজের (আংশিক), সিলেট টেক্সটাইল (আংশিক), প্রকৌশলী কলেজ, দুগ্ধ খামার, শ্যামলী আ/এ (আংশিক), সৈয়দপুর (আংশিক), জাহানপুর উত্তর, (বুড়িবস্তি), আলুরতল, উত্তর বালুচর, আরামভাগ, দুর্গাবাড়ী, এম.সি.কলেজ আ/এ, টি.ভি.গেইট হাসপাতাল এলাকা, বন বিভাগ টিলা, ইকো পার্ক, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
অঞ্চল-৪ঃ ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৪ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৪ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: হাউজিং এস্টেট, মনিপুরীপাড়া, দত্তপাড়া, কোনাপাড়া, গড়দোয়ার, হানিটুলা, ৩৭, ৩৮, ৩৯ আম্বরখানা বড়বাজার রাস্তার পশ্চিম অংশ, আম্বরখানা বড় বাজার রাস্তার পূর্বাংশ, ওয়াপদা কলোনি, গোয়াইপাড়া, রায় হোসেন, কলবাখানী, হাজারীবাগ, খাসদবীর, পীরমহল্লা, চৌকিদেখি পূর্ব, মালীপাড়া, বাদাম বাগিচা, চৌকিদেখি পশ্চিম, সৈয়দ মুগনী, জালালাবাদ আ/এ, পশ্চিম পীর মহল্লা, ফাজিল চিশত, সুবিদবাজার পূর্ব, বানিয়ামহল, হাতর হাওর (উত্তর পীর মহল্লা), উমর কাটিগড়, মুগলীটুলা, সুবিদবাজার নয়াবস্তি, সুবিদবাজার ছয়েফ খান রোড, ব্রাহ্মণশাসন, পনিটুলা, পাঠানটুলা পূর্ব, পাঠানটুলা পশ্চিম, করেরপাড়া, কুচারপাড়া, চান্দাই গির্দা, নোয়াপাড়া এক, কলোনি দুই, কলোনি তিন, ভট্টপাড়া, পানতলা, আড়খাই, চুড়ারপাড়া, কালিবাড়ী, হাওলাদারপাড়া (অংশ), দর্জিপাড়া, কারীপাড়া, টিলারগাঁও, ডলিয়া, বড়গুল, দুসকী, বিশ্ববিদ্যালয়, আখালিয়া নতুন বাজার আ/এ, যুগীপাড়া, দামালীপাড়া, খাদরা মডেল টাউন, ক্বারীপাড়া, খলাপাড়া, চান্দিয়ালা, নোয়াপাড়া, বিজিবি এলাকা, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, আখালিয়া ঘাট, নাজিরের গাঁও, টিওরবাড়ী, খালিগাঁও হায়দরপুর, চরুগাঁও, সাহেবেরগাঁও, শেখপাড়া, ওয়াবদা, কুমারগাঁও, শাহপুর, নোয়াগাঁও (আংশিক), নয়া খুরুমখলা, শাহপুর খুরুমখলা, পীরপুর (আংশিক), টুকেরগাঁও (আংশিক), খুরুমখলা, নোয়াপাড়া, তালুকদারপাড়া, মইয়ারচর, পীরপুর (আংশিক), নোয়াগাঁও (আংশিক), নোয়াগাঁও হিন্দু পাড়া, গৌরিপুর।
অঞ্চল-৫ঃ ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৫ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৫ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: খোজারখলা, গাংগু দক্ষিণ-পশ্চিম (অর্ধাংশ), বারখলা, ভার্থখলা, কায়স্তরাইল, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১। মোমিনখলা পশ্চিম, কাজীরখলা, দাউদপুর, ঝালোপাড়া, গাংগু (রেল লাইনের উত্তর), সাধুরবাজার, কদমতলী, আলমপুর, গোটাটিকর, পাঠানপাড়া, পৈত্যপাড়া, বাটঘর, হরিনন্দী, আচার্যপাড়া, কিষাণপাড়া, যোগীশাসন, মোমিনখলা পূৰ্ব, সামাল হাসান, মজলিসপুর, গাংগু, কাজীরখলা, রিয়াছতপুর, মাজপাড়া, সুনামপুর, পশ্চিম বরইকান্দি, কামুশেনা, তেলিরাই, নিয়ামতপুর, মজিদপুর, সিরাজগঞ্জ, পিরিজপুর, পর্বতপুর, বদিকোনা (আংশিক), ধরাধরপুর, উম্মুর কবুল, লাউয়াই, মোহাম্মদপুর, রায়েরগাঁও, জৈনপুর, চান্দাই, তেলীপাড়া, চান্দাই পশ্চিমপাড়া, টিয়রগাঁও, তালুকদারপাড়া, নজরপুর, বকশীপুর, গালিমপুর, দাউদপুর (আংশিক), কুচাই, পালপুর, দক্ষিণ কুশিঘাট, চিটা শ্রীরামপুর, রুগনপুর, সামাল হাসান, মজলিশপুর (আংশিক), গংগানগর, মনিপুর (আংশিক), আলমপুর (আংশিক) ছিটা গোটাটিকর, গংগা রায়েরচক, পশ্চিমভাগ, পশ্চিমভাগ আ/এ, সারপিং, সুলতানপুর, তৈয়ব কামাল (আংশিক), শেখপাড়া (আংশিক) ও শ্রীরামপুর।
অঞ্চলসমূহের প্রতিটিতে নিম্নোক্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হবে- ক) প্রশাসনিক কাজ খ) হিসাব রক্ষণ (কর্মচারীদের বেতন, অফিস পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচ), পূর্ত কাজসমূহ ও রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, দাতব্য চিকিৎসালয়, ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, স্যানিটেশন ভেটেরিনারি কার্যক্রম, জবাইখানা ব্যবস্থাপনা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনকরণ, মশক নিধন, পাবলিক টয়লেট, শিশু কেন্দ্র, কবরস্থান এবং শ্মশানঘাট রক্ষণাবেক্ষণ, সিটি কর নির্ধারণ ও আদায়, লাইসেন্স প্রদান ও ফি আদায়, বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত, বাজার ফি আদায়, আবর্জনা পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নকরণ, স্যানিটারী ল্যান্ডফিলিং, ডাম্পিং গ্রাউন্ড রক্ষণাবেক্ষণ, সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি (কমিউনিটি সেন্টার, পার্ক, পাঠাগার), ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, আত্ম-কর্মসংস্থানে সহায়তা প্রদান, উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রশিক্ষণ।
প্রজ্ঞাপনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে অবিলম্বে এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে
উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত সড়ক, মহাসড়ক, রাস্তার দু’পাশ, নদী, খাল, হাওর-বাঁওড় ও বাঁধের পাড় সুরক্ষায় ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গঠিত কারিগরি কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ অংশগ্রহণ করেন।
সভায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের নদী, খাল, হাওর-বাঁওড় ও বাঁধের পাড়ের ভাঙন এবং মাটির ক্ষয়রোধে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপযোগী ঘাস ও উদ্ভিদভিত্তিক সবুজায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন মাটির ক্ষয় ও ভাঙন কমানো সম্ভব, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা করা যাবে।
তিনি বলেন, ভূমি রক্ষায় ব্যয় সাশ্রয়ী বিন্না ঘাস রোপণের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হলো রোপণের পর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা। তাই বিন্না ঘাস রোপণের নীতিমালা প্রণয়নের সময় রোপণ-পরবর্তী পরিচর্যার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ফরহাদ হোসেন আজাদ আরও বলেন, সড়ক, বাঁধ ও নদীতীরবর্তী এলাকার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে স্থানীয় ভৌগোলিক ও মাটির বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর ও ব্যয়সাশ্রয়ী প্রযুক্তি নির্বাচন করতে হবে। ঘাস রোপণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদ্যমান অভিজ্ঞতা, মাটির ধরন, পানি প্রবাহ, জলবায়ু ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কারিগরি দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিমন্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, সেতু বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় দেশের অবকাঠামো, নদী ও বাঁধের পাড় সুরক্ষায় পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই পদ্ধতি হিসেবে ঘাস রোপণের সম্ভাবনা, কার্যকারিতা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সৈনিক আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস
চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ চলাকালে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন সৈনিক আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস। মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি সন্তানের বাবা হয়েছিলেন। সদ্যজাত সন্তানকে পৃথিবীতে রেখে তার এমন আকস্মিক চলে যাওয়া শোকের ছায়া ফেলেছে পরিবার, স্বজন ও পুরো এলাকায়।
নিহত সৈনিক আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের একপর্যায়ে আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে পিয়াসসহ দুই সেনাসদস্য নিহত হন। এ ঘটনায় এক সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পিয়াস ছিলেন পরিবারের তিন বোনের একমাত্র ভাই। ছোটবেলা থেকেই শান্ত, ভদ্র ও অমায়িক স্বভাবের মানুষ হিসেবে এলাকায় তার পরিচিতি ছিল। সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা এবং সহজ-সরল ব্যবহারের কারণে স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। চাকরির সুবাদে পরিবার-পরিজন নিয়ে চট্টগ্রামের সেনা কোয়ার্টারে বসবাস করতেন পিয়াস। দেশের সেবায় নিয়োজিত এই তরুণ সৈনিকের জীবন হঠাৎ করেই থমকে গেল একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, কয়েকদিন আগেই পিয়াসের ঘর আলো করে এসেছিল একটি নবজাতক সন্তান। সন্তানকে ঘিরে যখন পরিবারের আনন্দ-উচ্ছ্বাস, ঠিক তখনই এলো তার মৃত্যুর খবর। বাবার স্নেহ-ভালোবাসা বোঝার আগেই বাবাকে হারাল সদ্য পৃথিবীতে আসা সেই সন্তান। পরিবারের তিন বোনের একমাত্র ভাই এবং কয়েকদিন আগে বাবা হওয়ার আনন্দে থাকা পিয়াসের নিথর দেহের অপেক্ষায় এখন স্বজনদের প্রহর গোনা।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায়ও নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। তাকে শেষবারের মতো দেখতে এবং পরিবারের পাশে দাঁড়াতে স্বজন, প্রতিবেশীসহ স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পিয়াস ছিলেন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। তার এমন অকাল মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। বিশেষ করে সদ্যোজাত সন্তানকে রেখে তার চলে যাওয়া পুরো ঘটনাটিকে আরও হৃদয়বিদারক করে তুলেছে।
কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পূদম পুষ্প চাকমা বলেন, দেশের সেবায় নিয়োজিত একজন তরুণের এভাবে অকালে চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সৈনিক আবু বকর সিদ্দিক পিয়াসের আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
পূর্বশত্রুতার জেরে যুবদল নেতা রাসেলসহ তিনজনের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণের আংটি, হাতঘড়ি ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রূপগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগবেড় সিটি মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত রাসেল (৪৪) রূপগঞ্জ থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে জানান, তিনি তাঁর ভাগিনা জসিম (৩৯) ও বন্ধু শামীম ভূঁইয়াকে (৪৯) সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে গোলাকান্দাইলের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।
বাগবেড় সিটি মার্কেটের সামনে পৌঁছালে সাব্বির (২৩), কামরুল (৪৫), সোহান (২৩), ইয়ামিন (২৪), জিহাদ (২৪) ও রাব্বিসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন।
অভিযোগে রাসেল দাবি করেন, অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁকে লোহার রড ও স্টিলের পাইপ দিয়ে মারধর করা হয়। হামলায় তাঁর মাথা ও হাতে গুরুতর জখম হয়। তাঁর ভাগিনা জসিমকে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা এবং মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। একই ঘটনায় শামীম ভূঁইয়াও আহত হন।
রাসেলের অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তাঁর হাত থেকে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের আংটি ও ১৫ হাজার টাকা মূল্যের হাতঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া জসিমের কাছে থাকা ড্রেজার ব্যবসার ১ লাখ টাকা এবং শামীমের ব্যবহৃত প্রায় ২৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্যামসাং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত তিনজনকে উদ্ধার করে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় রাসেল রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, “হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
ছবি : সংগৃহীত
সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের হোসেনপুরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাসভবনের প্রধান ফটকে বজ্রপাতের পর গ্যাসের রাইজারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। আজ বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে আল মাহমুদ এভিনিউয়ে মন্ত্রীর বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বৃষ্টির সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বাসভবনের প্রধান ফটকে বজ্রপাত হয়। এতে গেটের পাশে থাকা ডাবল চেইন গ্যাসলাইনের রাইজারে মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়।
আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে বাসভবনের নিরাপত্তাকর্মী মো. শফিকুল ইসলাম দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও ফায়ার সার্ভিসের স্থানীয় কন্ট্রোল রুমে খবর দেন। খবর পেয়ে সিরাজগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট দুপুর ১টা ১৭ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় পাঁচ মিনিটের চেষ্টায় দুপুর ১টা ২৩ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
সিরাজগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতের আঘাতে গ্যাসের রাইজারে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোয় বাসভবন ও আশপাশের প্রায় দুই লাখ টাকার সম্পদ অক্ষত অবস্থায় রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। এতে সামান্য অবকাঠামোগত ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
প্রতীকী ছবি
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ছাগলে শিমগাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে কুলছুমা (৩০) নামে এক নারীর শরীরে ফুটন্ত গরম ভাতের মাড় ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। গুরুতর আহত কুলছুমা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভুক্তভোগীর বাবা মো. জামসেদ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আব্দুল গনি কুলছুমাকে বিয়ে করেন। গনির আগের সংসারের ছেলে সাইফুলের একটি ছাগল কয়েকদিন আগে কুলছুমার রোপণ করা একটি শিমগাছ খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে কুলছুমা প্রতিবাদ করলে সাইফুল ও তার বোনদের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে কুলছুমার শরীরে ফুটন্ত গরম ভাতের মাড় ঢেলে দেয় সাইফুল ও তার বোনেরা। এতে তার পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়।
ঘটনার পর অভিযুক্তরা বিষয়টি কৌশলে পুলিশ বা স্থানীয় কাউকে না জানিয়ে গোপন রাখার চেষ্টা করেন। তারা গোপনে চিকিৎসা করানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে ৫ হাজার টাকা দেয় এবং পরে আরও ২০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘটনাটি চেপে যেতে বলে। তবে প্রতিশ্রুত টাকা না দেওয়া এবং কুলছুমার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, ঘটনার কয়েকদিন পার হলেও বিষয়টি পুলিশকে জানিয়ে গোপন রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে নাজমা ও আকলিমা নামে দুই অভিযুক্ত নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ মামলায় পারভেজ মো. আবুল কালাম নামে একজনকে যাব্বজ্জীবন দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত-১ এর বিচারক আবু হানিফ এ রায় প্রদান করেন।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ইফতেখার মাহমুদ জানিয়েছেন, '২০২৫ সালের ১৫ জুলাই রাতে চকরিয়া থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর বাড়িতে হানা দেয় পারভেজরা। এসময় সবকিছু লুটে নেয়ার পর স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হলে পুলিশ আসামীদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে।
দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক পারভেজকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ১০ বছরের কারাদন্ড দেন।
সট:- ইফতেখার মাহমুদ এপিপি, কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত-১।
এদিকে, আদালতের রায়ে সস্তুষ্টি প্রকাশ করেছে বাদীপক্ষ। একই সঙ্গে মামলার বাদীর প্রত্যাশা অন্যকোন পরিবারে যেন এমন জুলুম না হয়।