• প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:১১ পিএম

ফুটবল মাঠে লাল কার্ড দেখার ঘটনা নতুন নয়। তবে একই ম্যাচে ৫৩টি লাল কার্ড! অবিশ্বাস্য মনে হলেও ব্রাজিলে ঘটেছে এমনই ঘটনা। অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের একটি ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাসহ মোট ৫৩ জনকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। ইএসপিএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক ম্যাচে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখানোর নতুন বিশ্বরেকর্ড এটি।


বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ব্রাজিলের মিনাস জেরাইস রাজ্যে স্থানীয় অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল মামোরে ও উবেরলান্দিয়া। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মামোরে ৩-১ গোলে এগিয়ে থাকার সময় দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক দ্রোশগিচ মোদেস্তোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনায় দুই দলের ৪০ জন খেলোয়াড় ও আটজন টিম কর্মকর্তা লাল কার্ড দেখেছেন। এর আগে ম্যাচে আরও তিনজন খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করেছিলেন রেফারি। পাশাপাশি উবেরলান্দিয়ার পরিচালনা পর্ষদের দুই সদস্যকেও মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে লাল কার্ডের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৩।


এত দিন এক ম্যাচে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখানোর রেকর্ড ছিল ৩৬টি। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের দুই দল আতলেতিকো ক্লায়পোলে ও ভিক্টোরিয়ানো আরেনাসের ম্যাচে এই ঘটনা ঘটেছিল। এবার সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের ম্যাচটি।


রেফারির প্রতিবেদনে সংঘর্ষের সূত্রপাতের কারণও উঠে এসেছে। মামোরের খেলোয়াড় দাভি দলের তৃতীয় গোল উদ্‌যাপনের সময় প্রতিপক্ষের ডাগআউটের দিকে কটাক্ষ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উবেরলান্দিয়ার গোলকিপিং কোচ পাওলো সার্জিও দিয়াস দোস সান্তোস মাঠে ঢুকে তার মুখোমুখি হন। এরপর দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।


ঘটনার সময় রেফারিকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার দাবি, কয়েকজন ব্যক্তি তাকে হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার ভয় দেখিয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি।


উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে প্রায় ৪০ মিনিট খেলা বন্ধ রাখতে হয়। পরে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সংঘর্ষের পর দুই দলের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। উবেরলান্দিয়ার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামোরের সরঞ্জাম নষ্ট করার অভিযোগ করেছে প্রতিপক্ষ। অন্যদিকে মামোরের দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে উবেরলান্দিয়ার ড্রেসিংরুমে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে।





  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩০ পিএম

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগাল জাতীয় দলের জার্সিতে ২৩ বছরের দীর্ঘ পথচলার ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই মহাতারকা। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।


পর্তুগালের সাত নম্বর জার্সিকে বিদায় জানিয়ে রোনালদো লিখেছেন, ‘আমাদের জাতীয় দলের সাত নম্বর জার্সিটি তুলে রাখার সময় এসেছে। জার্সিটি কখনোই শুধু আমার ছিল বলে মনে করিনি। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার, রক্ষা করার এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেডিয়ামে বয়ে নিয়ে যাওয়ার সৌভাগ্য ও দায়িত্ব আমার হয়েছে।’


সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না জানিয়ে রোনালদো আরও লিখেছেন, ‘আজ সেই জার্সি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার সময় এসেছে। সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। কারণ কিছু সিদ্ধান্ত শুধু মাথা দিয়ে নেওয়া যায় না, হৃদয়েরও ভূমিকা থাকে।’


২০০৩ সালের আগস্টে পর্তুগাল জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল রোনালদোর। এরপর ২৩ বছরের পথচলায় নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩৪ ম্যাচ খেলার পাশাপাশি করেছেন রেকর্ড ১৪৬ গোল। পুরুষ ফুটবলে আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও গোলের সংখ্যায় তার ধারেকাছেও নেই কেউ।জাতীয় দলের হয়ে রোনালদোর সবচেয়ে বড় সাফল্য ২০১৬ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়। এ ছাড়া পর্তুগালের হয়ে দুবার উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপাও জিতেছেন তিনি। দীর্ঘ এই যাত্রায় পেয়েছেন অসংখ্য ব্যক্তিগত ও দলীয় সাফল্য।


বিদায়বার্তায় নিজের ক্যারিয়ারের স্মৃতিও তুলে ধরেছেন রোনালদো। তিনি বলেন, ‘২০০৩ সালের আগস্টে শুরু হওয়া যে যাত্রা আমার জীবন চিরতরে বদলে দিয়েছে, তার সমাপ্তি ঘটল। জাতীয় দলের হয়ে সবকিছু ফিরে দেখলে শুধু ম্যাচ, গোল, রেকর্ড কিংবা ট্রফি চোখে পড়ে না। মনে পড়ে মানুষগুলোর কথা। বিদেশে থাকা পর্তুগিজদের কথা, যারা ৯০ মিনিটের জন্য হলেও নিজেদের মাতৃভূমির আরও কাছে অনুভব করেছেন। এমন লাখো পর্তুগিজের কথা, যাদের কখনো দেখিনি, অথচ তারা আমার জীবনের অংশ হয়ে উঠেছেন। কারণ ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, ফুটবল মানুষের গল্প।’


জাতীয় দলের হয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন রোনালদো। তার ভাষায়, ‘পুরো ক্যারিয়ারে আমি নিজের সামর্থ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। জিততে চেয়েছি, আরও ভালো হতে চেয়েছি, ইতিহাস গড়তে চেয়েছি। সব সময় নিজের কাছে সর্বোচ্চ প্রত্যাশা রেখেছি। এই জার্সির জন্য আমার সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি।’


আন্তর্জাতিক ফুটবলে যেমন স্মরণীয় জয় এসেছে, তেমনি আছে হতাশার মুহূর্তও। সেসব স্মৃতিও আড়াল করেননি পর্তুগিজ অধিনায়ক। রোনালদো বলেন, ‘এমন কিছু বিকেল ও রাত ছিল, যা কখনো ভুলব না। এমন কিছু জয় ছিল, যা চিরকাল মনে থাকবে। আবার কিছু পরাজয় আছে, যেগুলো মনে করলেও এখনো কষ্ট হয়। ভুল করেছি, কষ্ট পেয়েছি। কখনো কখনো পর্তুগালের মানুষ যা চেয়েছে, তা দিতে পারিনি। কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি। আর সবচেয়ে বড় কথা, পর্তুগালের প্রতিনিধিত্ব করার গর্ব কখনো হারাইনি।’


রোনালদোর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল গত সেপ্টেম্বরে ওয়েলসের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল পর্তুগাল। এরপরের ম্যাচে তাকে বদলি খেলোয়াড়ের তালিকায় রাখা হলেও মাঠে নামানো হয়নি। পরে পর্তুগাল দলের ক্যাম্প আগেভাগে ছেড়ে যাওয়ায় জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়েন তিনি। যদিও তখন দেওয়া দীর্ঘ বিবৃতিতে অবসরের কথা অস্বীকার করেছিলেন এই ফরোয়ার্ড। তবে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তই নিলেন রোনালদো।


জাতীয় দলের হয়ে অবসর নিলেও ক্লাব ফুটবলে খেলা চালিয়ে যাবেন কি না, সে বিষয়ে এই ঘোষণায় কিছু জানাননি তিনি।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:০৪ পিএম

ফেনেরবাচে ৩ : ২ লিভারপুল


সেই ২০০৮ সালের পর থেকে অপেক্ষা। বাছাইপর্ব খেলে মূল পর্বে ওঠার লড়াই, মূল পর্বে উঠতে পারলে আবার ম্যাচ জেতার লড়াই—এভাবেই গত দেড় যুগ কাটল ফেনেরবাচের। তুরস্কের ক্লাবটি অবশেষে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যাচ জিতল আজ। ইস্তাম্বুলে নিজেদের মাঠে ইংলিশ পরাশক্তি লিভারপুলকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ফেনেরবাচে।


কাকতালীয়ভাবে ইস্তাম্বুলের ক্লাবটির সর্বশেষ জয়ও ছিল এক ইংলিশ ক্লাবের বিপক্ষে। ২০০৭-০৮ মৌসুমের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ফেনেরবাচে ২-১ গোলে হারিয়েছিল চেলসিকে। সেই জয়ের ১৮ বছর পর আজই পরের জয়টি পেল তুর্কি ক্লাবটি।


লিভারপুলের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল ফেনেরবাচের। তবে ২৫ মিনিটে মিডফিল্ডার ট্রে নিয়োনির গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নেওয়া ভলি ফেনেরবাচের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। ১৯ বছর বয়সী নিয়োনির লিভারপুলের জার্সিতে এটি প্রথম গোল।


তবে লিভারপুলের সেই আনন্দ স্থায়ী হয় মাত্র চার মিনিট। ২৯ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সমতা ফেরান মেসন গ্রিনউড। তাঁর নেওয়া শট ফেনেরবাচের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করায় কিছুই করার ছিল না লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের।


বিরতির পরও দুই দলের লড়াই ছিল জমজমাট। ৬৬ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন লিভারপুল কোচ আন্দোনি ইরাওলা। মাঠে নামেন ফ্লোরিয়ান ভির্টৎজ, আলেক্সান্দার ইসাক ও কোডি গাকপো। তিন মিনিট পরই তাঁদের যৌথ প্রচেষ্টায় আবার এগিয়ে যায় লিভারপুল। গাকপোর ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ইসাক। লিভারপুলের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি তাঁর প্রথম গোল।


তবে শেষ ১৭ মিনিটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ফেনেরবাচে। ৭৩ মিনিটে সমতা ফেরান আর্চি ব্রাউন। ডান দিক থেকে এনগোলো কান্তের বাড়ানো বল বক্সে পেয়ে যান ব্রাউন। কোডি গাকপোর গায়ে লেগে বলের দিক পরিবর্তন হলে সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি তিনি।


এরপর ৭৯ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন বদলি নামা ভেদাত মুরিকি। ব্রাউনের ক্রসে উঁচুতে লাফিয়ে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান এই কসোভান স্ট্রাইকার। চ্যাম্পিয়নস লিগে এটিই তাঁর প্রথম গোল।


এই জয়ে ১০ ম্যাচের জয়হীন ধারারও অবসান ঘটাল ফেনেরবাচে। অন্যদিকে চ্যাম্পিয়নস লিগে এবার চার ম্যাচে ১০ গোল হজম করল লিভারপুল। সর্বশেষ তিন ম্যাচেই অন্তত তিনটি করে গোল খেয়েছে তারা।


ক্লাবটির ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার ইতিহাসে টানা তিন ম্যাচে তিন বা তার বেশি গোল হজমের ঘটনা এই প্রথম। তুরস্কের কোনো ক্লাবের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা পাঁচ অ্যাওয়ে ম্যাচেও হারল তারা।


তবে কোচ ইরাওলাকে সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণা দিতে পারে অন্য একটি তথ্য। বড় ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় মাত্র তৃতীয়বার কোনো ম্যাচে দুবার এগিয়ে গিয়েও হেরেছে লিভারপুল। এর আগে রোমা (২০১৮) ও পিএসভির (২০২৫) বিপক্ষে দলটির এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল।


সাকিব আল হাসান, নাহিদ রানা ও শামীম হোসেন

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৫ পিএম

দুবাইতে অনুষ্ঠিত আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টির (এপিএল) খেলোয়াড় ড্রাফটে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে দল পেয়েছেন বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার। তারা হলেন সাকিব আল হাসান, নাহিদ রানা ও শামীম হোসেন।


মঙ্গলবার ডায়মন্ড ক্যাটাগরি থেকে তরুণ গতিময় পেসার নাহিদ রানাকে দলে ভিড়িয়েছে পাক্তিয়া। একই ক্যাটাগরিতে থাকা অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে বেছে নিয়েছে নানগারহার কসমিক। আর গোল্ড ক্যাটাগরি থেকে শামীম হোসেনকে দলে নিয়েছে অ্যাকসেল ইউনাইটেড কাবুল।


প্লাটিনাম, ডায়মন্ড, গোল্ড, সিলভার ও ইমার্জিং— এই পাঁচ ক্যাটাগরিতে মোট ৪৬২ জন খেলোয়াড় এপিএলের ড্রাফটে নাম লিখিয়েছিলেন।


লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, শরিফুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, হাসান মাহমুদ, জাকের আলী, শেখ মেহেদী হাসান, তাইজুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ড্রাফটে ছিলেন। তবে তারা দল পাননি।


নতুন আঙ্গিকে পাঁচ দল নিয়ে এবারের এপিএল আগামী ২৭ ডিসেম্বর মাঠে গড়ানোর কথা রয়েছে। দলগুলো হলো পাক্তিয়া, নানগারহার, কাবুল, বাল্খ জওয়ান ও কান্দাহার ওয়ারিয়র্স।


টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, আফগানিস্তানের পরিবর্তে পুরো এপিএল সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে।


আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি) এর আগে ২০১৮ সালে একবার এপিএল চালু করেছিল। তবে ক্রিস গেইল, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও শহীদ আফ্রিদির মতো টি-টোয়েন্টি সংস্করণের তারকা ক্রিকেটারদের আকর্ষণ করলেও মাত্র এক মৌসুম চলার পরই টুর্নামেন্টটি বন্ধ হয়ে যায়।


পারিশ্রমিক সংক্রান্ত তীব্র বিতর্ক এবং টুর্নামেন্টের স্বচ্ছতা নিয়ে সংশয় তৈরি হওয়ার কারণেই মূলত সেসময় প্রতিযোগিতাটি বাতিল করা হয়েছিল।


  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৩৪ পিএম

প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগে শুরুতেই বার্সেলোনাকে এগিয়ে নিলেন লামিন ইয়ামাল। পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার সমতায় ফেরার খুব কাছে গেল অ্যাস্টন ভিলা। জমে উঠল লড়াই। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আরেকটি গোল হজমের পর আর পাত্তা পেল না ইংলিশ ক্লাবটি। দারুণ জয়ের আনন্দে মাঠ ছাড়ল হান্সি ফ্লিকের দল। কাম্প নউয়ে মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচটি ৩-০ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা। দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করেছেন অধিনায়ক হাফিনিয়া।


আগের রাউন্ডে পিএসজির মাঠে ৪-২ গোলে হেরেছিল বার্সেলোনা। পরে লা লিগায় ফিরে তারা ক্লাসিকোয় হেরে যায় রেয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে। দুই দিন আগে আলাভেসকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে ঘরোয়া লিগে জয়ে ফেরার পর, এবার ইউরোপ সেরার মঞ্চেও জয়ের পথে ফিরল স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা।


এই জয়ে পয়েন্ট তালিকায় নবম থেকে এল লাফে দ্বিতীয় স্থানে উঠেছে বার্সেলোনা। চার ম্যাচে তিন জয়ে আরও পাঁচ দলের সমান ৯ পয়েন্ট তাদের।


সমান পয়েন্ট নিয়ে বার্সেলোনার পরই আছে ভিলা। টানা তিন জয়ের পর আসরে প্রথম হারের স্বাদ পেল উনাই এমেরির দল।


ম্যাচে বল দখলের পাশাপাশি আক্রমণেও এগিয়ে ছিল বার্সেলোনা। গোলের জন্য ১৫ শটের ছয়টি লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা। ভিলার সাত শটের চারটি লক্ষ্যে ছিল।


স্পেনে সম্প্রতি ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ও সোমবার দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর হাসপাতালে মারা যাওয়া ফুটবলার হেসুস দে মিয়েলের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় ম্যাচ শুরুর আগে।


ম্যাচ শুরুর আগে থেকে ছিল বৃষ্টি। পঞ্চম মিনিটে প্রথম আক্রমণ শাণায় বার্সেলোনা। ইয়ামালের চমৎকার পাস খুঁজে নেয় ফের্মিন লোপেসকে। তার পাসে বক্সে অ্যান্থনি গর্ডনের শট আটকে দেন ভিলার এক ডিফেন্ডার।


পরের মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে হাফিনিয়ার ফ্রি-কিক লক্ষ্যে থাকেনি। এরপরই বার্সেলোনার তীব্র চাপের মুখে পড়ে বক্সে ইয়ামালকে বল দিয়ে বসেন ভিলার মিডফিল্ডার জুয়াও গোমেজ। একটু জায়গা বানিয়ে প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে বাঁ পায়ের শটে জালে পাঠান বিশ্বকাপজয়ী তারকা।


এর মধ্য দিয়ে কিলিয়ান এমবাপেকে (১৩) ছাড়িয়ে ২০ বছর বয়সের আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের করে নিলেন ইয়ামাল (১৪টি)। এই তালিকায় তিন নম্বরে আছে আর্লিং হলান্ড (১০টি)।


নবম মিনিটে দুটি ভালো সুযোগ পায় ভিলা। প্রথমে ম্যাটি ক্যাশের জোরাল ভলি পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়, এরপর গোমেজের প্রচেষ্টা রুখে দেন বার্সেলোনা ডিফেন্ডার জুয়াও কান্সেলো।


অষ্টাদশ মিনিটে আরেকটি সুযোগ নষ্ট করে সফরকারীরা। নিকোলাস জ্যাকসনের পাস পেনাল্টি স্পটের কাছাকাছি পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন জোয়ান মানজাম্বি। দুই মিনিট পর পোস্ট ছেড়ে ডি-বক্সের অনেকটা বাইরে এসে জ্যাকসনের সামনে থেকে বল বিপদমুক্ত করেন বার্সেলোনা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া।


২৫তম মিনিটে গোলরক্ষক সুজুকির ভুলে বিপদে পড়তে বসেছিল ভিলা। ছোট পাসের চেষ্টায় প্রতিপক্ষের পায়ে বল তুলে দেন তিনি। কাছ থেকে গর্ডনের নেওয়া শট অবশ্য আটকে দেন জাপানের এই গোলরক্ষক।


৩১তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে মানজাম্বির শট ফিরিয়ে দেন গার্সিয়া। প্রথমার্ধের শেষ দিকে পাউ কুবার্সির পা মাড়িয়ে দিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন জ্যাকসন।


দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হাফিনিয়া। লোপেসের পাস বক্সের মুখে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ভেতরে ঢুকে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের বাধা এড়িয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।


৬৪তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান আরও বাড়ান হাফিনিয়া। বাঁ দিকে প্রতিপক্ষের একজনের চ্যালেঞ্জ সামলে এগিয়ে চমৎকার এক পাস দেন কান্সেলো, আর ছুটে গিয়ে ছয় গজ বক্সের মুখ থেকে প্রথম স্পর্শে জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।


এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তিন ম্যাচে হাফিনিয়ার গোল হলো চারটি। আর মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৩ ম্যাচে তার গোল এখন ১৯টি।


শেষ দিকে ইয়ামালের চমৎকার শট ঝাঁপিয়ে পড়া গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে বাইরে গেলে ব্যবধান আর বাড়েনি।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:১৬ পিএম

৯-১৭, ঘড়ির কাঁটায় এই আট মিনিট ভিয়ারেয়ালের জন্য যেন অভিশাপ হয়ে আসে। এই সময়েই চার গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ মুঠোয় নেয় পিএসজি। ম্যাচের গতিপথে বদল আনার মতো কিছুই করতে পারেনি স্প্যানিশ দলটি। বরং পরে আরও দুটি গোল করে বিশাল জয় তুলে নেয় ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা।


প্রতিপক্ষের মাঠে মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ৬-০ গোলে জিতেছে পিএসজি। ফাবিয়া রুইস করেন জোড়া গোল। একবার করে জালের দেখা পান জুয়াও নেভ্স, দেজিরে দুয়ে, সেনি মায়ুলু ও ডেভিড বুলি।


এবারের আসরে প্রথম চার রাউন্ডের প্রতিটিতে অন্তত চারটি করে গোল করল পিএসজি। স্লোভান ব্রাতিস্লাভাকে ৬-১ গোলে হারিয়ে আসর শুরুর পর, তারা ম্যানচেস্টার সিটি ও বার্সেলোনার বিপক্ষে দুই ম্যাচেই জিতে ৪-২ ব্যবধানে।


চার ম্যাচেই তারা করল ২০টি গোল!


টেবিলে শীর্ষস্থানও আরও মজবুত হলো পিএসজির, চার ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১২।


আরও পাঁচ দলের সমান ৯ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে দুইয়ে আছে বার্সেলোনা।


আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রথম পাঁচ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণে বল ধরে রাখল ভিয়ারেয়াল। এরপরই সবকিছু দ্রুত বদলে গেল। পরের মিনিটে প্রথম আক্রমণে ওঠে পিএসজি এবং পরের কয়েক মিনিটে গোলের ঝড় বইয়ে দেয় তারা।


প্রথম গোলটি হয় নবম মিনিটে, সেটপিসে। কর্নারে উড়ে আসা বল ছয় গজ বক্সে জটলার মধ্যে পেয়েই জোরাল শটে দলকে এগিয়ে নেন জুয়াও নেভ্স। এরপর এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো, ভিয়ারেয়ালের ডি-বক্সে বল ঢুকলেই জড়াচ্ছিল জালে!


দ্বাদশ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটির পুরো দায় ভিয়ারেয়াল গোলরক্ষক গুলাসির। হাস্যকরভাবে তিনি বল তুলে দেন ডি-বক্সের মুখে মাহনেস আকিউসের পায়ে, এই মিডফিল্ডার বল বাড়ান সেনি মায়ুলুকে এবং তার থেকে কাটব্যাক পেয়ে আকিউস কাটব্যাক করেন দুয়েকে, আর অরক্ষিত এই ফরোয়ার্ড জোরাল শটে খুঁজে নেন ঠিকানা।


পরের মিনিটে আবার গোল! নেভ্সের জোরাল শট ডি-বক্সে প্রতিহত হওয়ার পর, ছয় গজ বক্সের মুখে ফাঁকায় বল পেয়ে, জোরাল শটে জালে পাঠান তরুণ মিডফিল্ডার মায়ুলু।


দিশেহারা ভিয়ারেয়াল আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ে ১৭তম মিনিটে। এবার তাদের রক্ষণ গড়বড় পাকায়। তাদের অর্ধে তাদের ভুলে পজেশন পেয়ে আক্রমণ শাণায় পিএসজি। ডি-বক্সে আকিউসের পাস একদম ফাঁকায় পেয়ে জোরাল শটে চতুর্থ গোলটি করেন রুইস।


চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে ম্যাচের শুরু থেকে সবচেয়ে কম সময়ের মধ্যে চার গোল করার রেকর্ড গড়ল পিএসজি, ১৬ মিনিট দুই সেকেন্ডে।


দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ে। বাঁ দিক থেকে ভিতিনিয়ার লম্বা করে বাড়ানো বল ধরে, ডি-বক্সে দারুণ এক ছোঁয়ায় একজনকে কাটিয়ে আলতো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রুইস।


এরপর মাঝেমধ্যেই পাল্টা আক্রমণে উঠতে থাকে ভিয়ারেয়াল। ভালো কিছু সুযোগও তৈরি করে তারা; কিন্তু কাজের কাজ কিছু করতে পারেনি।


উল্টো শেষদিকে আরেকটি গোল হজম করে দলটি। ৭৪তম মিনিটে আশরাফ হাকিমির বদলি নামার চার মিনিটের মধ্যে স্কোরলাইনে নাম লেখান ডেভিড বুলি। নেভ্সের পাস ধরে ডান দিক দিয়ে এগিয়ে জোরাল শট নেন ১৭ বছর বয়সি এই সেন্টার-ব্যাক, বল ভেইগার পায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়ায়।


দাপুটে জয়ে দারুণ এক কীর্তিও গড়ল পিএসজি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এই নিয়ে ১৪ ম্যাচ (৯ জয় ও ৪ ড্র) অপরাজিত রইল তারা, স্পর্শ করল ইউরোপিয়ান কাপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে কোনো ফরাসি ক্লাবের টানা সর্বাধিক ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড। ২০০৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে টানা ১৪ ম্যাচ অপরাজিত থেকে প্রথম রেকর্ডটি গড়েছিল লিওঁ।


আর্জেন্টিনা দল

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২১ এএম

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের পর প্রথম স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। উরুগুয়ে ও কোস্টা রিকার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য দলে ফিরেছেন গন্সালো মনতিয়েল ও মারিয়ানো ত্রোলিও। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন চেলসির ডিফেন্ডার আরন আনসেলমিনো।


বছরের শেষ আন্তর্জাতিক বিরতির দুটি ম্যাচের জন্য মঙ্গলবার ২৮ সদস্যের দল দিয়েছেন স্কালোনি। চোটের কারণে দলে নেই নতুন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লাউতারো মার্তিনেস ও নিকোলা হন্সালেস। রদ্রিগো দে পল ও শিওভানি লো সোলসোকে দলে রাখা হয়নি। দলে পরিচিত অনেক নামের ভিড়ে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এমিলিয়ানো মার্তিনেসের উপস্থিতি। গত মাসে চোয়ালের ভয়াবহ চোটের কারণে অস্ত্রোপচারের পর ক্লাব চেলসির হয়ে এখনও মাঠে নামার সুযোগ পাননি এই গোলরক্ষক। তাকে না পাওয়ার সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই হয়তো স্কালোনি আরও তিন জন গোলরক্ষককে দলে ডেকেছেন- খেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো ও সান্তিয়াগো বেলত্রান।


দলের একমাত্র নতুন মুখ ২১ বছর বয়সি আনসেলমিনো। বোকা জুনিয়র্সের যুব পর্যায় থেকে উঠে আসা এই সেন্টার-ব্যাককে আর্জেন্টিনার ফুটবলের উজ্জ্বল প্রতিভাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্বদেশের ক্লাবটির হয়ে ২০টিরও কম ম্যাচ খেলার পরই, ২০২৪ সালের অগাস্টে সাত বছরের চুক্তিতে চেলসিতে যোগ দেন তিনি।


তবে চোটের কারণে নিজের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেননি এই তরুণ। ইংলিশ ক্লাবটি থেকে ধারে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে গিয়ে তিনি ভালো পারফরম্যান্স উপহার দেন। পরবর্তীতে স্ত্রাসবুর আরও একটি সংক্ষিপ্ত সময় ধারে কাটানোর পর চেলসিতে ফিরে আসেন। কিন্তু মালয়েশিয়ার জোহরের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে তিনি আবারও চোটে পড়েন এবং এখন পর্যন্ত শাবি আলোন্সোর দলের হয়ে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।


আরেক সেন্টার-ব্যাক ২৩ বছর বয়সি ত্রোলিও দ্বিতীয়বার জাতীয় দলে ডাক পেলেন। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে চিলি ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচের জন্য তাকে দলে ডেকেছিলেন স্কালোনি; তবে সেবার কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।


আর ২৯ বছর বয়সি রাইট-ব্যাক মনতিয়েল গত বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর এই প্রথম দলে জায়গা পেলেন। সোমবার সুপারক্লাসিকোতে রিবার প্লেইতের হারের ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন বিশ্বকাপজয়ী এই ডিফেন্ডার।


২০২২ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মেসি গত ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় যাত্রার ইতি টানেন। তারপর প্রথমবার খেলতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা।


আগামী ১৩ নভেম্বর বুয়েনস আইরেসের লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে তিনবারের বিশ্বকাপজয়ীরা। আর কর্দোবায় মারিও আলবের্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে কোস্টা রিকার বিপক্ষে ম্যাচটি হবে ১৭ নভেম্বর।


আর্জেন্টিনা স্কোয়াড:


গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেস, খেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো, সান্তিয়াগো বেলত্রান


ডিফেন্ডার: গন্সালো মনতিয়েল, আগুস্তিন চিয়াই, আরন আনসেলমিনো, মারিয়ানো ত্রোলিও, লিওনার্দো বালের্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ফাকুন্দো মেদিনা, নিকোলাস তালিয়াফিকো, রোমান ভেগা


মিডফিল্ডার: এসেকিয়েল ফের্নান্দেস, মাক্সিমো পেরোনে, এসেকিয়েল পালাসিওস, ভালেন্তিন বার্কো, আলেক্সিস মাক আলিস্তের, এন্সো ফের্নান্দেস, নিকো পাহ, মাতিয়াস সুলে, ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো, থিয়াগো আলমাদা


ফরোয়ার্ড: জুলিয়ানো সিমেওনে, জানলুকা প্রেস্তিয়ানি, হোসে মানুয়েল লোপেস, সান্তিয়াগো কাস্ত্রো, হুলিয়ান আলভারেস।