তরুণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, বিশ্বাস ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে দেশের শক্তি ও সক্ষমতা বাড়াতে আরও বেশি প্রচেষ্টা চালানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠানো চিঠির জবাবে এসব কথা বলেন মোজতবা খামেনি। ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের দৃঢ় সংকল্প, দায়িত্ববোধ ও অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া জবাবে মোজতবা খামেনি বলেন, জ্ঞান ও বিশ্বাসের পাশাপাশি আত্মশুদ্ধি, স্রষ্টার সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং পবিত্র কোরআন ও আহলে বাইতের শিক্ষার গভীর উপলব্ধি অর্জনে তরুণদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত।
তিনি বলেন, আরও বেশি পরিশ্রম ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে প্রিয় ইরানের শক্তি ও সক্ষমতা বাড়াতে তরুণদের ভূমিকা রাখতে হবে।চিঠিতে মোজতবা খামেনি বলেন, তরুণ ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া চিঠিগুলো ভবিষ্যৎ নির্মাণে তাদের দৃঢ় সংকল্প ও দায়িত্ববোধের প্রতিফলন। এই অঙ্গীকার পবিত্র ইসলামের শিক্ষা এবং ইমাম খোমেনি ও শহীদ খামেনির উত্তরাধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি নেতৃত্ব ও তরুণদের একই লক্ষ্যে যুক্ত করেছে।
তিনি আরও বলেন, ইমাম মাহদির দোয়া ও অনুগ্রহে উন্নতি এবং ইসলামি-ইরানি সভ্যতা গড়ে তোলার পথে এই অঙ্গীকারবদ্ধ শক্তির অগ্রযাত্রা আরও কার্যকর ও দ্রুত হবে বলে তিনি আশা করেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক উত্তেজনা নিরসনে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতার ইতিবাচক আভাসে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ দীর্ঘমেয়াদে বিঘ্নিত হওয়ার যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা স্তিমিত হওয়ায় সোমবার এক দিনেই পণ্যটির দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে।গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) বেলা ২টার বাজারদর অনুযায়ী, বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের অন্যতম মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬ দশমিক ৯০ ডলার বা ৬ শতাংশ কমে ১০৬ ডলার ৫০ সেন্টে নেমে এসেছে। একই সময়ে মার্কিন মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ব্যারেলপ্রতি ৬ ডলার ২৫ সেন্ট বা ৬ শতাংশ কমে অবস্থান করছে ৯৭ ডলার ৮৭ সেন্টে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-এর বরাতে জানা গেছে, সংকট নিরসনে সরকারের কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগে নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
সোমবার তেহরানে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের কাছে সরাসরি কূটনৈতিক বার্তা পৌঁছাতে দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বর্তমানে দোহা সফর করছেন। মুখপাত্র স্পষ্ট করেন, ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন সামরিক ও নৌ অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার করার শর্তের সঙ্গেই কেবল হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার প্রস্তাবকে যুক্ত করেছে তেহরান।এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক ফোনালাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক অভিযানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও কিছুটা সময় দিতে চান।
এর আগে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মন্তব্য করেছিলেন, রক্তক্ষয়ী সামরিক সংঘাতের চেয়ে ওয়াশিংটন একটি টেকসই কূটনৈতিক সমাধানকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও নতুন কোনো সামরিক হামলার চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি।
আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যের এই নাটকীয় ওঠানামার মধ্যেই তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর প্রভাবশালী জোট ওপেক প্লাসের সাতটি প্রধান সদস্য দেশ রোববার ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়। বৈঠকে আগামী ডিসেম্বর মাসেও নতুন করে তেল উৎপাদন না বাড়িয়ে বর্তমান উত্তোলন হারই অপরিবর্তিত রাখার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে গত অক্টোবর থেকে তেল উৎপাদন বৃদ্ধি স্থগিত রাখার গৃহীত পদক্ষেপটি আরও এক মাসের জন্য কার্যকর বহাল থাকল।
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ব্যস্ত সড়কে ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আছড়ে পড়েছে একটি উড়োজাহাজ। এতে থাকা ৯ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। খবর এনবিসি মিয়ামির।
দুর্ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে গাড়িতে থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শীর রেকর্ডকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, বাহামাসগামী উড়োজাহাজটি আকাশ থেকে খাড়া নিচে নেমে এসে সড়কের কাছে আছড়ে পড়ে এবং বিস্ফোরণ ঘটে। দুর্ঘটনাস্থলের সৃষ্ট গর্তের চারপাশে ছিটকে পড়া পিচ ও ইট-পাথরের টুকরোগুলোতে আগুন জ্বলছিল।
ঘটনাস্থলে ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিস সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রলয়ংকরী এক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনা। মনে হচ্ছিল একটি ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসছে। রাস্তার পাশে বিশাল এক গর্ত তৈরি হয়েছে।’
রোববার ওই অঞ্চলে তুমুল বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। দেশটির জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সোমবার দুপুর পর্যন্ত সেখানে বন্যা সতর্কবার্তা কার্যকর ছিল।
ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) তথ্যমতে, উড়োজাহাজটি টেক্সাসের অস্টিন-বার্গস্ট্রম আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজবন্দর থেকে বাহামাসের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। তবে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ কিংবা আরোহীদের পরিচয় সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানায়নি।
উড়োজাহাজটি ৩৫ জাহাজ ফুট উচ্চতায় উড়ে যাচ্ছিল। ঠিক তখনই পাইলটরা প্রচণ্ড ঝাঁকুনি, বরফ জমা এবং বৃষ্টিপাতের কথা জানিয়ে উচ্চতা ২ হাজার ফুট বাড়ানোর অনুরোধ জানান।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের রেকর্ডিং ও ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, এর কিছুক্ষণ পরই উড়োজাহাজটি দ্রুত গতিতে নিচে নামতে শুরু করে। প্রথমে প্রতি মিনিটে ১০ হাজার ফুট, তারপর প্রতি মিনিটে ২০ হাজার ফুট এবং শেষ পর্যন্ত প্রতি মিনিটে ৩০ হাজার ফুট গতিতে খাড়াভাবে নিচে নেমে আসে।
এ সময় পাইলট জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সাহায্যের জন্য বিপদসংকেত পাঠান। খাড়াভাবে মাটিতে আছড়ে পড়ার ঠিক পূর্বে উড়োজাহাজটি মারাত্মকভাবে ডানদিকে বাঁক নেয়।
লাইভএটিসি ডট নেট-এর সংরক্ষিত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের রেকর্ডিং থেকে জানা যায়, উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার কয়েক মিনিট আগে পাইলট উড়োজাহাজে বরফ জমা এবং তীব্র ঝাঁকুনির কথা রিপোর্ট করেছিলেন। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলকে পাইলট বলেন, ‘আমাদের উড়োজাহাজে হালকা ও স্বচ্ছ বরফ জমেছে যা নিয়ন্ত্রণযোগ্য, তবে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি হচ্ছে।’
রেডিও বার্তায় পাইলটকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছি, প্রতি মিনিটে ৮,০০০ ফুট—মে ডে, মে ডে—আমরা প্রতি মিনিটে ১০,০০০ ফুট নিচে নেমে যাচ্ছি।’
বিপদ আরও চরম রূপ নিলে পাইলট আসন্ন বিপর্যয়ের ভয়াবহতা জানিয়ে শেষ রেডিও বার্তায় বলেন, ‘আমরা ওভারস্পিডে আছি এবং প্রতি মিনিটে ২০,০০০ ফুট নিচে নামছি। আমরা মাটিতে বিধ্বস্ত হতে যাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ফ্লোরিডার যে এলাকায় উড়োজাহাজটি আছড়ে পড়েছে, সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত প্রাসাদ মার-এ-লাগো দূরত্ব মাত্র ১৪ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার (৯ মাইল)।
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পাম বিচ শহরের কাছে একটি ব্যক্তিগত জেট উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে চালকসহ ৯ আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাস্থল থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বাসভবন মার-এ-লাগোর দূরত্ব প্রায় ৯ মাইল বা ১৪ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার।
শনিবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটি টেক্সাসের অস্টিন শহরের বার্গস্ট্রম বিমানবন্দর থেকে বাহামাসের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।
এফএএর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৯ আরোহী নিয়ে উড়োজাহাজটি দক্ষিণ ফ্লোরিডার পাম বিচ শহরের ক্রেস্টহেভেন এলাকার কাছে একটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এফএএ ও যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) যৌথভাবে দুর্ঘটনার তদন্ত করবে। তদন্তের নেতৃত্ব দেবে এনটিএসবি।
এ বিষয়ে পরবর্তী তথ্যও সংস্থাটি জানাবে।
দুর্ঘটনার পর জরুরি সেবাদানকারী দলগুলো ক্রেস্টহেভেন বুলেভার্ড ও টেনথ অ্যাভিনিউ নর্থের মধ্যবর্তী মিলিটারি ট্রেইল সড়ক বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি জনসাধারণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।
পাম বিচ কাউন্টি ফায়ার সার্ভিস তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, এলাকায় বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে বলে সতর্ক করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে উড়োজাহাজটিকে দ্রুত নিচে নেমে আসতে দেখা যায়। এরপর বিস্ফোরণের মতো একটি ঘটনা ঘটে এবং আকাশে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে।
বিমান চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, লিয়ারজেট মডেলের উড়োজাহাজটি শনিবার বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে অস্টিন থেকে বাহামাসের উদ্দেশে যাত্রা করে। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এটি ৪১ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল বলে ওয়েবসাইটটির তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
সূত্র : ফক্স নিউজ
ছবি : সংগৃহীত
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের একটি শিল্প কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর সেখানে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। রোববার (১ নভেম্বর) এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন বলছে, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেয়া এক পোস্টে ইরনা বলেছে, “ইয়েমেন থেকে চালানো হামলায় সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে দাম্মামের একটি শিল্প কমপ্লেক্সে আঘাত হানা হয়েছে। এতে স্থাপনাটিতে বড় ধরনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে।”
ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দেয়া সৌদি আরবের মধ্যে সংঘাত বাড়তে থাকার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল। গত জুলাইয়ে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে দুই পক্ষ প্রতিদিনই পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার হুতিরা জানিয়েছিল, পশ্চিম ইয়েমেনের আবাসিক এলাকায় সৌদি হামলায় ১২ জন নিহত এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। গোষ্ঠীটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, মাকবানা জেলার আল-বারাহ এলাকায় দুই পরিবারের বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এর আগে গত বুধবার একটি পেট্রল স্টেশন ও বাজারে সৌদি হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছিল হুতিরা। অন্যদিকে, গোষ্ঠীটি ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এডেনের বিমানবন্দরেও হামলা চালায়। এতে বেসামরিক লোকজন আহত হন।
২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সংঘাতের সর্বশেষ এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জুলাইয়ে সৌদি আরবের নিয়ন্ত্রণাধীন ইয়েমেনের আকাশসীমা অমান্য করে হুতিরা ইরানের একটি বিমানকে সানায় অবতরণের অনুমতি দেয়। এর জেরে নতুন করে হামলা শুরু হয়। পরে হুতিরা সৌদি ভূখণ্ড, নৌযান ও তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
সংঘাতের জেরে সৌদি আরবে হামলা আরও জোরদার করেছে হুতিরা। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার কারণে গত অক্টোবরে দুই সপ্তাহ সেটি বন্ধ রাখতে হয়েছিল এবং বড় কয়েকটি সম্মেলনও বাতিল করা হয়। এতে সৌদি আরবের অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনাও হুমকির মুখে পড়েছে।
২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনে সংঘাত চলছে। ওই বছর হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এর পরের বছর সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করে। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং ২ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
এদিকে রোববার ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল দুটি ডিক্রি জারি করে দেশটির মধ্যাঞ্চলের আল-বাইদা এবং উত্তরাঞ্চলের আল-জাওফ প্রদেশে নতুন গভর্নর নিয়োগ দিয়েছে। প্রদেশ দুটি আংশিকভাবে হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সরকার-পরিচালিত সাবা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মেজর জেনারেল হুসেইন আল-আজি আলী আল-আওয়াধিকে আল-বাইদার গভর্নর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মেজর জেনারেল আমিন আলী আল-আকিমিকে আল-জাওফের গভর্নর এবং ওই অঞ্চলের সামরিক কমান্ডের প্রধান করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আল-বাইদার সাবেক গভর্নর নাসের আল-সাওয়াদির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আল-আওয়াধি। আর আল-জাওফের গভর্নর হিসেবে আল-আওয়াধির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আল-আকিমি।
দুই প্রদেশেই জটিল সামরিক পরিস্থিতির মধ্যে এ নিয়োগ দেয়া হলো। কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।
মূলত আল-বাইদার বেশির ভাগ এলাকা হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে, আল-জাওফের নিয়ন্ত্রণ হুতি গোষ্ঠী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে বিভক্ত।
ইয়েমেনের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত আল-বাইদা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রদেশটির সীমান্ত রয়েছে আরও আটটি প্রদেশের সঙ্গে—এর মধ্যে চারটি উত্তরে এবং চারটি দক্ষিণে।
আল-জাওফও সামরিক ও ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। প্রদেশটির সঙ্গে সৌদি আরবের স্থলসীমান্ত রয়েছে। এ ছাড়া হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সাদা, আমরান ও সানা প্রদেশের কাছাকাছি এর অবস্থান। সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকা মারিব ও হাদরামাউত প্রদেশের সঙ্গেও এর সীমান্ত রয়েছে।
‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ সিনেমায় ইয়টে ধাক্কা দেওয়া সেই বিধ্বস্ত গাড়িটি ২৫ হাজার ডলারে কিনে পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছেন ইউটিউবার স্যাম হার্ড।
হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা সিরিজ ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এর দ্বিতীয় কিস্তি ‘টু ফাস্ট টু ফিউরিয়াস’-এ ব্যবহৃত একটি গাড়ি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সিনেমায় অভিনেতা পল ওয়াকারের চালানো সেই ইয়েনকো ক্যামারো গাড়িটি একসময় ইয়টে ধাক্কা খেয়ে বিধ্বস্ত হয়েছিল। এরপর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অবহেলায় পড়ে ছিল গাড়িটি। অবশেষে গাড়িটি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছেন ব্রিটিশ ইউটিউবার ও গাড়িপ্রেমী স্যাম হার্ড। গাড়িটি কেনার অর্থ জোগাড় করতে নিজের দুটি গাড়িও বিক্রি করেছেন তিনি।
স্যাম হার্ড নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘হার্ড আপ গ্যারেজ’-এ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি মেরামত ও পরিবর্তনের কাজ তুলে ধরেন। এর আগে টয়োটা ক্রাউন গাড়িতে ব্যতিক্রমী পরিবর্তন আনা এবং ইউটিউবার কেএসআইয়ের পুরোনো ভক্সওয়াগন লুপোকে অফ-রোড গাড়িতে রূপান্তর করে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি।
যেভাবে পেলেন পল ওয়াকারের গাড়িটি
২০১৯ সালে নিজের ডজ চার্জার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে সেমা (SEMA) প্রদর্শনীতে যাওয়ার পথে জর্জিয়ার গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইয়ারওয়ানে (YEARONE) থামেন স্যাম হার্ড। সেখানে ঘুরতে গিয়ে তাঁর চোখে পড়ে ‘টু ফাস্ট টু ফিউরিয়াস’ সিনেমায় ব্যবহৃত সেই বিধ্বস্ত ইয়েনকো ক্যামারো।
গাড়িটি দেখেই কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। তবে শুরুতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, গাড়িটি বিক্রির জন্য নয়।
গাড়িটি সম্পর্কে সুপারকার ব্লন্ডিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হার্ড বলেন, তিনি প্রথম দেখাতেই বুঝতে পেরেছিলেন এটি সেই গাড়ি, যা সিনেমায় পল ওয়াকার চালিয়েছিলেন।
তিনি জানান, এরপর প্রায় ছয় থেকে সাত বছর ধরে প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে গেলে প্রতিষ্ঠানটিতে যেতেন। সঙ্গে নিয়ে যেতেন ইংলিশ চায়ের ব্যাগ ও বিস্কুট। এভাবে গাড়িটির মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখেন তিনি।
অবশেষে গত বছর সেমা প্রদর্শনীর ঠিক আগে গাড়িটি কেনার প্রস্তাব পান। দাম চাওয়া হয়েছিল ২৫ হাজার ডলার। প্রস্তাবটি গ্রহণ করতে নিজের আলটিমা ও ডজ চার্জার বিক্রি করে দেন হার্ড। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে গাড়িটি কিনে নেন।
গাড়িটির প্রতি তাঁর বিশেষ আবেগের কারণও রয়েছে। হার্ডের ভাষ্য, ১৫ বছর বয়সে বাবার সঙ্গে প্রেক্ষাগৃহে দেখা প্রথম সিনেমা ছিল ‘টু ফাস্ট টু ফিউরিয়াস’। তাই গাড়িটি দেখামাত্রই চিনতে পেরেছিলেন তিনি।
১০ দিনের পরিশ্রমে সচল হলো বিধ্বস্ত গাড়ি
২০২৬ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় গিয়ে গাড়িটি মেরামতের কাজ শুরু করেন হার্ড। এ কাজে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ক্রিস উইগলি ও ডেভ টার্নার।
টানা ১০ দিনের পরিশ্রমে তাঁরা গাড়িটির বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করেন। একপর্যায়ে গাড়িটি আবার চালু ও চলাচলের উপযোগী করে তোলেন।
কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে হার্ড বলেন, শুরুতে গাড়িটি দেখতে জোড়াতালি দেওয়া কাপড়ের মতো লাগছিল। কাজ অসম্পূর্ণ থাকলেও দীর্ঘ সময় পর প্রথমবারের মতো সেটিকে আবার একটি গাড়ির মতো দেখাচ্ছিল।
পরবর্তী সময়ে ফোর্ট লডারডেলের ‘গ্লাস স্কিলস’ নামের একটি বডি শপে গাড়িটি পাঠানো হয়। সেখানে রং করা, ওয়েল্ডিং ও বিভিন্ন প্যানেলের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
গাড়িটি পুনরুদ্ধারের কাজে প্রায় সব ধরনের যন্ত্রাংশ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উপহার হিসেবে দিয়েছে। এর মধ্যে ডব্লিউসিএইচ রেসিং ইঞ্জিনস থেকে দেওয়া হয়েছে ইঞ্জিন।
এই পুরো প্রক্রিয়ায় হার্ডকে প্রতিদিন প্রায় ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হয়েছে। স্ত্রী ও সন্তানদের কাছ থেকে দূরে থেকে কাজ করাও তাঁর জন্য ছিল কঠিন। তবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় কাজটি এগিয়ে নিতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
হার্ড বলেন, বিনা মূল্যে যন্ত্রাংশ চাওয়া এবং অন্যরা সেগুলো পাঠাবেন—এমন বিশ্বাস রাখাটা ছিল তাঁর জন্য সবচেয়ে কঠিন বিষয়গুলোর একটি।
সেমা প্রদর্শনীতে উন্মোচন হবে গাড়িটি
গাড়িটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের সেমা শোতে প্রদর্শনের প্রস্তুতি চলছে। সেখানে এসেস ফুয়েল ইনজেকশনের বুথে (বুথ নম্বর ২৩৫৯১) গাড়িটি প্রদর্শন করা হবে।
পল ওয়াকারের স্মৃতি এবং সিনেমার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গাড়িটি পুনরুদ্ধারের কাজ নিয়ে বেশ চাপের মধ্যেও রয়েছেন হার্ড। কারণ, গাড়িটি উন্মোচনের সময় অটোমোবাইল ও চলচ্চিত্রজগতের পরিচিত ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
হার্ড বলেন, গাড়িটির সঙ্গে সিনেমার ইতিহাস জড়িয়ে থাকায় কাজটি তাঁর কাছে অনেক বেশি দায়িত্বের ছিল। এ বিষয়ে তিনি গাড়ি নির্মাতা ও ডিজাইনার চিপ ফুজের পরামর্শও নিয়েছেন। ফুজ তাঁকে গাড়িটি শুধু বিধ্বস্ত অবস্থায় ফেলে না রেখে সচল করে আবার রাস্তায় ফিরিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
এদিকে গাড়িটি মেরামতের সময় খুলে রাখা কোনো যন্ত্রাংশ বা ঐতিহাসিক উপাদান ফেলে দেওয়া হয়নি বলেও জানিয়েছেন হার্ড। তাঁর ভাষ্য, গাড়ির হেডরেস্ট থেকে শুরু করে ধাতব অংশ পর্যন্ত প্রতিটি খুলে রাখা যন্ত্রাংশ সংরক্ষণ করা হয়েছে। আগামী বছর শুরু হতে যাওয়া তাঁর আরেকটি প্রকল্পে এসব যন্ত্রাংশ পুনরায় ব্যবহার করা হবে।
সুত্রঃ সুপারকার ব্লন্ডি ডট কম।
ভারতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ভোটার তালিকা কারচুপি ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।
রোববার রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় দেওয়া ভাষণে ভারতের শীর্ষ বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী মোদী ও অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে স্পষ্টভাবে বলেন, ইন্ডিয়া জোট ভারতের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হতে দেবে না। ভোট চুরি করে আপনারা কোথাও পালাতে পারবেন না।
নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে হাজার হাজার সমর্থকের উপস্থিতিতে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদচ্যুত করা এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সঠিক পথে ফেরানোই ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রধান লক্ষ্য।
সম্প্রতি বিজেপি নেতৃত্বের মন্তব্যের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, তারা বলছে নরেন্দ্র মোদী নাকি কোথাও যাবেন না। আসল কথা হলো, ওনাকে কোথাও পালাতে দেয়া হবে না! সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পর আমরা আপনাদের কাছে আসব এবং আপনাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর ভোটার তালিকা থেকে সাড়ে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, দেশের প্রতি সাতজন ভোটারের মধ্যে একজনের (প্রায় ১৫ শতাংশ) ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে শাসকদল এনডিএ ও বিরোধী জোটের ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। ফলে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম কাটার এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, গত নির্বাচনটি ছিল পুরোপুরি অবৈধ। এ ধরনের কারচুপিকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের প্রত্যক্ষ সহায়তা ছাড়া নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না।
ভাষণে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ও বিজেপির তীব্র সমালোচনা করে বিরোধী নেতা বলেন, দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান দখল করে গুটিকয়েক শিল্পপতি- আম্বানি ও আদানিদের হাতে সুবিধা তুলে দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে কৃষকদের সামান্য ঋণ মওকুফ না করে জেলে পাঠানো হচ্ছে।
রাহুল গান্ধী স্পষ্ট করেন যে, নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ বা জ্ঞানেশ কুমারের প্রতি তাঁর কোনো ব্যক্তিগত ঘৃণা নেই। তবে বিজেপি-আরএসএস যে ঘৃণার রাজনীতি ছড়িয়ে দেশের ক্ষতি করছে, তার বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষাই বিরোধীদের প্রধান ধর্ম বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
তথ্যসূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস