ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:২৭ পিএম

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের জয়রামপুর ও নিজামপুর ইউনিয়নের নিতাইরচক গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুইদিন আগে নিতাইরচক গ্রামের নানু মিয়ার বাড়ি থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। চুরির ঘটনার সঙ্গে রাজিউড়া ইউনিয়নের জয়রামপুর গ্রামের জালাল মিয়া জড়িত রয়েছেন এমন অভিযোগ উঠে। পরে এ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য আজ শুক্রবার এলাকার স্থানীয় মুরুব্বিরা সালিশ বৈঠকের আয়োজন করে। পরে সকাল ১০টার দিকে দুইপক্ষের লোকজন সালিশে উপস্থিত না হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।


পরে সংঘর্ষের খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশকয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক লোকজন আহত হয়েছেন। 


আহতদের মধ্যে তোফাজ্জুল মিয়া, জিতু মিয়া, আব্দুল আহাদ, আদম আলী, সোহেল মিয়া, সানু মিয়া, নানু মিয়া লিটন মিয়া, নুরুজ মিয়া, মারাজ মিয়া, হাবিবুর রহমান, এমদাদুল মিয়া, শিষ আলী, পারভেজ মিয়া, বিলাল মিয়া, আক্কাস মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 


হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।




  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩১ পিএম

ওপার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে ফ্যাসিবাদীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।


মীর সরফত আলী সপু বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। কোনো শ্রমিক নিজের কর্মস্থলে অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারেন না। কারণ, সেটিই তাঁর রুটি-রুজির জায়গা। অথচ একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে।


তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকার। এই সরকারের বয়স মাত্র আট মাস। একটি মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কীভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসা যায়, সেই চেষ্টা করছে। তবে তাদের সেই আশা কখনোই পূরণ হবে না। কারণ, জনগণ ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে।


শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শ্রীনগর ডাকবাংলো সংলগ্ন এলাকায় এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।


শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, মুন্সীগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা, শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম কানন, সাখাওয়াত হোসেন মুকুল, সৈয়দ শামশুল আলম খোকন, যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মামুন, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান ফাহাদ, শ্রীনগর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জহুরুল ইসলাম মাসুদ,  যুগ্ম আহবায়ক সেলিম ভূঁইয়া,  জহিরুল ইসলাম বাদশা, ১ নং সদস্য রাজু আহমেদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।


গাইবান্ধা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আঞ্চলিক সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নাহিদ ইসলাম

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫১ পিএম

বিএনপি যে সরকারে আছে সেটা গায়ের জোরে আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি গায়ের জোরে বাংলাদেশে অনেকেই ক্ষমতায় ছিল। অনেক সিদ্ধান্ত পাশ করিয়েও নিয়েছে। কিন্তু সেগুলো কিন্তু স্থায়ী হয়নি, ক্ষমতায় থাকতে পারেনি।


শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এনসিপির আঞ্চলিক সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।


নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আমরা ইতিমধ্যেই সারা দেশব্যাপী জোটগতভাবে এবং দলীয়ভাবে কর্মসূচি দিয়েছি। পার্লামেন্টে আমাদের বিরোধীদলীয় একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করেছি। কারণ যেহেতু আমরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য আছি, আমরা শপথ নিয়েছি, আমরা শপথবদ্ধ সংসদ সদস্য। জুলাই সনদ বাস্তবায়ের আদেশেও এটা উল্লেখিত ছিল বরং বিএনপির যারা সংসদ সদস্য রয়েছে তারা এই শপথ না দিয়ে এই গণঅভ্যুত্থান এবং গণভোটের গণরায়ের সাথে প্রতারণা করেছে। ফলে আমরা মনে করি, এখন বিএনপি যে সরকারে আছে সেটা গায়ের জোরে আছে এবং তারা যে গণভোটের গণরায় মানছে না এটা গায়ের জোরে মানছে না। 


অতীতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘অতীতেও আমরা দেখেছি গায়ের জোরে বাংলাদেশে অনেকেই ক্ষমতায় ছিল। অনেক সিদ্ধান্ত পাশ করিয়েও নিয়েছে। কিন্তু সেগুলো কিন্তু স্থায়ী হয়নি, ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। বিএনপি গায়ের জোরে বেশিদিন ক্ষমতায় এভাবে থাকতে পারবে না। তাকে ক্ষমতায় থাকতে হলে পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ করতে হলে অবশ্যই গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। জুলাই সনদ তাদেরকে বাস্তবায়ন করতে হবে।’


নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছে। তারা মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার ওপর আওয়ামী লীগের অত্যাচার-নির্যাতনের কথা ভুলে গেছে। আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের নির্যাতনের ইতিহাস কীভাবে এত সহজে ভুলে যাচ্ছে তারা? আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনে জিয়াউর রহমান যে ঐতিহাসিক ভুলের মাশুল দিয়েছেন, একই ভুলের মাশুল যেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিতে না হয়।


জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের বিষয়ে তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে তাদের এজেন্ডাভিত্তিক জোট হলেও এটি কোনো আদর্শিক জোট নয়।


আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, সারা দেশে এককভাবে প্রার্থী দেবে এনসিপি।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম দর্পনসহ স্থানীয় নেতারা।


এর আগে গাইবান্ধায় পৌঁছালে কেন্দ্রীয় নেতাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।


  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৮ পিএম

পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরশহরের পশ্চিম বাদুরতলী এলাকার সহায়-সম্বলহীন অসহায় বৃদ্ধ আয়েজ উদ্দিন তালুকদার (৮০)-এর চিকিৎসাসেবায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব।


বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই বৃদ্ধের খোঁজখবর নেন প্রেসক্লাবের সদস্যরা। এ সময় তাঁর প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করে দেন তাঁরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আসলাম শিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রেহান উদদীন রেহান, সদস্য আরিফ শিকদার, এ কে আজাদ ও মো. আলমগীর হোসেনসহ অন্যরা।


এ বিষয়ে প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আসলাম শিকদার বলেন, লোকমুখে জানতে পারেন, কলাপাড়া হাসপাতালে একজন অসহায় বৃদ্ধ ভর্তি হয়েছেন। তিনি কলাপাড়া পৌরশহরের রাস্তার পাশের ফুটপাতে সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বর্তমানে কর্মহীন তার আয়ের কোন উৎস নাই এবং সক্ষম কোন স্বজন নাই। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রয়োজন হয়, যা কেনার সামর্থ্য তাঁর নেই। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যরা মিলে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁর প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করেছেন।


তিনি আরও বলেন, আমরা নিয়মিত তাঁর খোঁজখবর রাখছি। ভবিষ্যতেও তাঁর ওষুধের প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করা হবে। শুধু এই রোগীই নন, অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে আমরা সব সময় থাকতে চাই। এটি উপজেলা প্রেসক্লাবের সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


টাঙ্গাইল জেলা ব্যাপী তালবীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪১ পিএম

বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "মূর্খ সংঘ"এর আয়োজনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজ প্রকৃতি ফিরিয়ে আনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে ভয়াবহ বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় টাঙ্গাইল জেলা ব্যাপী তালবীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। 


 বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে তাল বীজ বপনের মাধ্যমে  কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: আশেক পারভেজ।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই সকলকে যার যার অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাড়াতে কাজ করতে হবে। 


তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বজ্রপাত রোধে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "মূর্খ সংঘ" এর উদ্যোগে তাল বীজ লাগানোর যে কার্যক্রম শুরু করেছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।


এ সময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ হাসান খান টিটন, মোঃ চঞ্চল চৌধুরী, শামীম আলম মামুন,"মূর্খ সংঘ"এর উদ্যোক্তা মোস্তাক আহমেদ রানা উপস্থিত ছিলেন।



দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৮ পিএম

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বর্তমান সরকার আগের সরকারের গতানুগতিক ধারায় পরিচালিত হচ্ছে না, ভবিষ্যতেও হবে না। কিছুটা সময় লাগলেও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার কাজ করছে। বৃহস্পতিবার রাতে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


মন্ত্রী বলেন, আগে দেশে অরাজকতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে স্বাভাবিকভাবে অনেক কাজ করা সম্ভব হতো না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। তবে এখন আর এসব চলতে দেওয়া হবে না। সরকার দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে কাজ করছে।


তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচন প্রমাণ করেছে, আগের মতো নির্বাচন আর হচ্ছে না, ভবিষ্যতেও হবে না। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের মধ্য দিয়েও এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।


দেশের সার্বিক উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা খাতকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতের ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি, আহাজারি ও অভিযোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।


তিনি বলেন, সরকারি অফিস-আদালত, হাসপাতালসহ সব প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সবার সদিচ্ছা থাকলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। এ জন্য সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।


সভায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এমপি মির্জা ফয়সল আমিন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের এমপি ডাক্তার আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও -৩ আসনের এমপি জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৩১ পিএম

গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, আর্থিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও চাকরির প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামীকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে যোগ দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন নাটোরের লালপুর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।


জানা গেছে, ঈশ্বরদী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ প্রধান মুকুল হোসেন এবং বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ প্রধান আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে লালপুরের ৯৪ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য এ সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন।


মুকুল জানান, সমাবেশের নতুন ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে ঢাকার তেজগাঁওয়ের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ড। শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে নির্ধারিত পোশাকে সমাবেশস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


এ মহাসমাবেশে দেশের ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ৪৭ হাজার দফাদার ও মহল্লাদার গ্রাম পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।


গ্রাম পুলিশ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি, বর্তমান বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, আর্থিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ এবং চাকরির যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা নিশ্চিত করা। স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা ও সরকারি বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাঁদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


তাই এবারের মহাসমাবেশ থেকে তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ ও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসবে—এমন প্রত্যাশা করছেন গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।


লালপুরের অংশগ্রহণকারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা আশা করছেন, তাঁদের সম্মিলিত দাবিগুলো যথাযথ গুরুত্ব পাবে এবং দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।