আয় ব্যয়ের জবাবদিহিতার আওতায় আসছে শাহজালাল (রঃ) ও শাহপরান (রঃ) মাজার
সাতশো বছরেরও বেশি সময় ধরে সিলেটের আকাশে-বাতাসে মিশে আছে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর নাম। যুগে যুগে লাখো মানুষের বিশ্বাস, ভালোবাসা আর আত্মিক আশ্রয়ের কেন্দ্র হয়ে ওঠা এই দুই মাজার। শুধু ধর্মীয় স্থাপনা নয়, সিলেটের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক।
প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্ত থেকে, এমনকি বিদেশ থেকেও মানুষ ছুটে আসেন এখানে; কেউ প্রার্থনা নিয়ে, কেউ মানত নিয়ে, কেউবা হৃদয়ের গভীর আকাঙ্ক্ষা পূরণের আশায়। সেই সঙ্গে দান করেন অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, গবাদিপশু ও নানা মূল্যবান সামগ্রী। কিন্তু শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে জমে ওঠা সেই বিপুল দানের অর্থের হিসাব কোথায়? কীভাবে ব্যয় হয় কোটি টাকার এই সম্পদ? দীর্ঘদিনের সেই অনুচ্চারিত প্রশ্ন এবার নতুন করে আলোচনায় এনেছে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর সিলেটের ঐতিহাসিক দরগাহ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে নতুন উদ্যোগ। সম্প্রতি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিকল্পনা কমিশনের উদ্যোগে ও সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসনের সভায় মাজারের আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অস্পষ্টতার বিষয়টি সামনে আসে। এরপর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সিলেট জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। সিলেটে আগত প্রায় প্রতিটি দর্শনার্থীই অন্তত একবার শাহজালাল ও শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে মানত, দান ও নজরানা প্রদান করেন। নগদ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণালঙ্কার, গবাদিপশু, খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের দানও জমা পড়ে মাজারে।
স্থানীয়দের মতে, প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার দান আসে এসব মাজারে। কিন্তু সেই অর্থ কীভাবে পরিচালিত হয়, কোথায় ব্যয় করা হয় কিংবা কত টাকা আয় হচ্ছে; এসব বিষয়ে কখনোই জনসম্মুখে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
২০০৩ সালে শাহজালাল (রহ.) মাজারের ঐতিহ্যবাহী গজার মাছের মৃত্যুর ঘটনায় জাতীয়ভাবে আলোচনায় আসে দরগাহ ব্যবস্থাপনার বিষয়টি। সে সময় সংবাদমাধ্যমে মাজারের বিপুল আয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তখন মাজার কর্তৃপক্ষ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল, মাজারের দানের অর্থের একটি অংশ বংশানুক্রমিক উত্তরাধিকারীদের ব্যয়ে ব্যবহৃত হয় এবং অবশিষ্ট অর্থ মাজারের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হয়। কিন্তু সেই ব্যয়ের কোনো সুসংগঠিত ও জনসম্মুখে উপস্থাপিত হিসাব কখনো দেখা যায়নি। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল ছিল। বুধবার সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এক সভা। সভায় সিলেট সিটি করপোরেশন, ওয়াক্ফ এস্টেট, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, মাজার ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দরগাহ দুটির বর্তমান আয়-ব্যয়, দান-অনুদান, প্রশাসনিক কাঠামো, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সনভায় উপস্থিত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন কমিটির পক্ষ থেকে সুসংগঠিত আর্থিক রেকর্ড ও নির্ভরযোগ্য হিসাবপত্র উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ঘাটতির বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাজার কর্তৃপক্ষের কাছে হিসাবপত্র চাওয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণাঙ্গ হিসাব উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি বলেও জানা গেছে।
সভায় বক্তারা বলেন, শাহজালাল (রহঃ) ও শাহপরান (রহ.)-এর দরগাহ শুধু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সিলেটবাসীর ঐতিহ্য, ইতিহাস ও গৌরবের অংশ। তাই এর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
এসময় বক্তরা আরও উল্লেখ করেন, এসব দরগাহ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; বরং এটি সমগ্র সিলেটবাসীর সম্পদ। ফলে আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ, প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিচালনা করা জরুরি।সভায় অংশগ্রহণকারীরা মাজারের আয়-ব্যয়ের হিসাব ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ, নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় পরিচালনা এবং নিয়মিত অডিটের বিষয়েও মতামত দেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব। তিনি বলেন, ‘মাজারের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। এতে ভক্তদের আস্থা আরও বাড়বে এবং দানের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম আয় ব্যয়ের হিসাব বিষয়ে জানান, আয় ব্যয়ের মধ্যে কোনো সচ্ছতাও নেই। ওদের কাছে কোনো হিসাব নেই। তিনি বলেন, আগামী এক মাস জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে ওয়াক্ফ এস্টেট এবং মাজার কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে হিসাব সংরক্ষণ করবে। এই সময়ের মধ্যে আয়-ব্যয়ের সঠিক চিত্র, দানের উৎস, ব্যয়ের খাত এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সভায় উপস্থিত একজন দায়িত্বশীল প্রতিনিধি জানান, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কাউকে বিব্রত করা নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে প্রশাসনের এই উদ্যোগে কিছুটা বিস্মিত হয়েছেন মাজার কর্তৃপক্ষ। শাহজালাল (রহ.) মাজারের মোতোয়াল্লি ফতেহ উল্লাহ আল আমান জানান, প্রশাসন কেন হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট ধারণা পাননি। সভায় অংশগ্রহণের জন্যও পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি। আমাদের কথাও শোনতে রাজি হননি জেলা প্রশাসক। আমরা এটা কিভাবে পেলাম এটাও শোনতে রাজি নন। আমাদের একটা কোর্টের রায় আছে। একটা মামলাও চলমান আছে। কিন্তু তিনি আমাদেরকে কথা বলারও সুযোগ দেন নি। আমরা অসহায় হয়ে বসে আছি। তিনি বলেন, ‘আমাদের হিসাবপত্র রয়েছে, তবে সেগুলো উপস্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ পাইনি। তাই কিছু বিষয়ে অসঙ্গতি বা অসম্পূর্ণতা থাকতে পারে। তবে আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।’
মাজারে আগত ভক্ত ও আশেকানদের অনেকেই মনে করেন, দানের অর্থ শুধু মাজারের উন্নয়নেই নয়, সমাজকল্যাণমূলক কাজেও ব্যয় হওয়া উচিত। আগামী এক মাসের যৌথ হিসাব সংরক্ষণ কার্যক্রম শেষে কী ধরনের সিদ্ধান্ত আসে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট; সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দরগাহ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার দাবি এখন আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলে মাজারে আসা ভক্ত আশেকানদের প্রত্যাশা।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ছবি: সংগৃহীত
গ্রাম পর্যায়ে শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা পালনকারী ‘দফাদার’ পদবি পরিবর্তন করে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ করা হয়েছে। এছাড়া ‘মহল্লাদার’ পদ পরিবর্তন করে ‘গ্রাম পুলিশ’ করা হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনী সংক্রান্ত বিধিমালায় সংশোধন এনে নতুন পদবি নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব আতিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬১ নং আইন)-এর ধারা ৯৬ ও ধারা ৪৮-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) গ্রাম পুলিশ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও চাকরির শর্তাবলি সম্পর্কিত বিধিমালা, ২০১৫’-এর অধিকতর সংশোধন করেছে।
সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে উপরি-উক্ত বিধিমালার সর্বত্র উল্লিখিত ‘দফাদার’ শব্দের পরিবর্তে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ এবং ‘মহল্লাদার’ শব্দের পরিবর্তে ‘গ্রাম পুলিশ’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
খুলনার দিঘলিয়ায় পড়ে থাকা মুড়ির প্যাকেট খুলতে গিয়ে বিস্ফোরণে এম এম মনিরুল ইসলাম (৬৩) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার সেনহাটি কলের পুকুরের পশ্চিম পাশে এ ঘটনা ঘটে।
মনিরুল দিঘলিয়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। স্থানীয়রা জানান, ভোর পৌনে ৬টার দিকে ফজরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে ফিরছিলেন তিনি। এ সময় তার বাড়ির দরজার সামনে পলিথিনের প্যাকেটে মুড়ি দেখতে পান। কেউ ভুল করে বাইরে রেখেছে ভেবে প্যাকেটটি ঘরের ভেতরে নিয়ে রাখেন। মুড়ির প্যাকেটটি ঘরের ভেতর মেঝেতে রাখার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে।
তারা জানান, এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায় এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্রে আগুন ধরে। স্থানীয়রা খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাকে উদ্ধার করে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
দিঘলিয়া থানার ওসি অরুপ কুমার চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য দূর্বৃত্তরা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ অভিমুখে এলজিইডির বাস্তবায়নে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তা পাকাকরণের কাজ চলছে।
দীর্ঘদিন থেকে খানাখন্দে ভরপুর রাস্তা যেন যৌবন ফিরে পেল এমনটা মনে করছেন স্থানীয়রা। বর্ষাকালে এই পথ দিয়ে প্রায় হাঁটু পরিমাণ কাঁদা হতো৷ ইদিলপুর থেকে ধাপের হাট যেতে ঘুরতে হতো ১০ কিলোমিটার রাস্তা। এতে করে উৎপাদিত কৃষিজাত পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত অর্থের পাশাপাশি নষ্ট হতো পণ্যও৷ সেইসাথে শিক্ষার্থীদেরও পড়তে হতো চরম বিপাকে। এমনকি রাস্তা খারাপ থাকায় বিয়ে পর্যন্ত ভেঙ্গে যেত।
বর্তমানে এলজিইডি সাদুল্লাপুরের নিবিড় তদারকিতে রাস্তার কাজ স্টিমেট অনুযায়ী হচ্ছে এমনটাই জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
রাস্তা উন্নয়নের বিষয়ে ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ রহমান জানান, রাস্তার কাজে ব্যবহৃত সকল মালামাল মানসম্মত দেখেছি। তবে আমার ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হবে এটা ভেবেই অনেক ভালো লাগছে।
ধান,হলুদ,মরিচ,পেঁয়াজসহ বহু কৃষিজাত পণ্যের সমাহার ধাপেরহাট ও ইদিলপুর এলাকায়। উর্বর মাটিতে যেন সোনা ফলে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নীতকরণের ফলে এখানকার কৃষি একধাপ এগিয়ে যাবে এমনটাই দাবি সচেতন মহলের।
রাস্তা নির্মাণ নিয়ে কথা হয় সাদুল্লাপুর এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মেনাজ এর সাথে তিনি জানান, ইদিলপুরে আমাদের ২ কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। রাস্তায় প্রতিটা লেয়ারে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ভালোভাবে করা হয়েছে। আমাদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট সকলে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
রাস্তা উন্নয়ন মানেই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। তবে কাজের মান ভালো হলেই স্থায়িত্ব ভালো হবে। ভালো কাজে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে এমনটা প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। ছবি: সংগৃহীত
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ সালের বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার( ৩ নভেম্বর) সকাল এগারোটায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি- ২ আসনের সাংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) প্রতীক কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ,নলছিটি পাবলিক লাইব্রেরি এন্ড সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম বাহার,নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান হেলাল খান,ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ নলছিটি উপজেলার সভাপতি মাওলানা শাহজালাল হোসাইন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তৌহিদুল আলম মান্না, সদস্য সচিব সাইদুল কবির রানা প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাজমুল হায়দার বাদল। এসময় উপজেলার ১০৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সারাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা প্রতিরোধ এবং নাশকতা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থানে থেকে ময়মনসিংহের ভালুকায় দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ও পৌর যুবদল।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি শুরু হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে উপজেলা ও পৌর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় নেতাকর্মীদের সড়কের পাশে অবস্থান নিতে এবং বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিতে দেখা যায়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজুল কবির মো. মামুন, সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম খান রাজু, ভালুকা উপজেলা যুবদলের সভাপতি তারেক উল্লাহ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান খান রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজমুল হক মন্ডল এবং ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টন। এ ছাড়া জেলা, উপজেলা ও পৌর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনে অংশ নিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে তারা মনে করেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।
তারা আরও বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনের প্রতি তাদের সমর্থন রয়েছে। তবে শ্রমিকদের যৌক্তিক আন্দোলনকে কোনো পক্ষ যেন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে দেশে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
বক্তারা বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক রয়েছেন। যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, নাশকতা ও নৈরাজ্য মোকাবিলায় তারা রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে সতর্ক অবস্থানে থাকা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।