মো. সাইমুম রেজা তালুকদার। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২৪ পিএম

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার এক আসামির জামিন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১ কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ওঠা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার দেশ ছেড়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।


ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক অভিযোগ তুলে প্রশ্ন করেন, গত ৩১ অক্টোবর সাইমুম রেজা দেশ ছেড়ে ইতালি চলে গেছেন; অথচ আট মাস পেরিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেনি। এই দীর্ঘসূত্রতার সুযোগেই তিনি পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেন কি না—এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর তা সরাসরি নাকচ করে দেন।


আমিনুল ইসলাম বলেন, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কার্যক্রম চলমান এবং তা বর্তমানে একেবারেই শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি দাবি করেন, ট্রাইব্যুনালে যোগদানের এক মাসের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে তার দেশত্যাগের ওপর আদালতের কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা না থাকায় তিনি কোথায় যাচ্ছেন বা যাবেন না, সে বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ ছিল না।


তদন্ত প্রতিবেদনে আট মাস সময় লাগার যৌক্তিকতা তুলে ধরে চিফ প্রসিকিউটর জানান, কমিটির একজন সদস্য দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন, তিনি নিজেও কিছুদিন বিদেশে ছিলেন এবং আরেকজন প্রসিকিউটরের মা মারা যাওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলেন। এসব নানা বাস্তব জটিলতার কারণেই তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বিলম্ব হয়েছে। তবে খুব দ্রুতই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ঘুষ চাওয়া এবং দেওয়া দুটোই সমান অপরাধ; ফলে যারা ঘুষের প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলেন, তারাও সমভাবে দায়ী।


ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রাম শহরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হন সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। তাকে জামিনে মুক্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিবারের কাছে ১ কোটি টাকা ঘুষ দাবি করেন তৎকালীন প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার।


এ বিষয়ে গত ১০ মার্চ একটি যৌথ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রথম আলো ও নেত্র নিউজ।


প্রতিবেদন প্রকাশের ঠিক আগের দিন অর্থাৎ গত ৯ মার্চ পদত্যাগ করেন সাইমুম রেজা তালুকদার। প্রতিবেদনটি প্রকাশের দিনই অভিযোগ তদন্তে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষ।




  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৭ পিএম

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ওয়াই-আকৃতিতে নির্মাণ এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।


বৈঠকে জানানো হয়, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেতু দুটির অবস্থান, নকশা ও প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে ওয়াই-আকৃতির সংযোগব্যবস্থা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সেতু নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে।অন্যদিকে, দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে।


বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের বিষয়েও আলোচনা হয়। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ব্যারেজের ওপর দিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন সংশ্লিষ্টরা।


এ ছাড়া প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন, জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়েও আলোচনা হয়।


বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন।


এ ছাড়া অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কর্মকর্তারাও।


ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১২ পিএম

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব যানবাহনের জন্য ছয় ঘণ্টা টোল মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

ওই দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলাচলে কোনো টোল দিতে হবে না।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জনসাধারণের সুবিধার্থে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ছয় ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত রাখা হবে।

এ সময়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী কোনো যানবাহনকেই টোল পরিশোধ করতে হবে না। 

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:০৪ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:০৪ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের হত্যা করা হয় মুজিবনগর সরকারের চার নেতাকে। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:০৪ পিএম

আজ ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে দিনটি গভীর শোক ও বেদনার। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের চার গুরুত্বপূর্ণ নেতা- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।


এর আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ওই হত্যাকাণ্ডের পর তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহকর্মী জাতীয় চার নেতাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় কারাগারের মতো নিরাপদ স্থানেও রক্ষা পাননি তারা। ৩ নভেম্বর রাতের অন্ধকারে তাদের হত্যা করা হয়।


জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি ‘জেলহত্যা মামলা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। দীর্ঘ ২১ বছর মামলাটির তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া কার্যত স্থবির ছিল। ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ক্ষমতায় ফেরার পর মামলাটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৯ বছর পর, ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।


আদালতের রায়ে ১১ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। তবে সাজাপ্রাপ্তদের অধিকাংশই এখনো পলাতক রয়েছেন। ১১ আসামির মধ্যে মাত্র একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।


যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের একজন ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাতেও তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর ২০২০ সালের এপ্রিলে দেশে ফেরার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই মাসে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।


কালবেলা/এফএফ/এমএইচ

কারাগারজেলহত্যা দিবসআদালতমামলা


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৯ পিএম

আগামী বছর জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, খরচও কমাতে চায় সরকার।’মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিগত সরকারগুলোর ব্যর্থতা কিংবা ভূমিকা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করে সময় নষ্ট করার পরিবর্তে আমি মনে করি, আগামী দিনগুলোতে কীভাবে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো যায়, বাসাবাড়ি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, বর্তমান সরকারের কাছে সেটাই অগ্রাধিকার।’


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মিরানা মাহরুখ।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৬ পিএম

রাস্তায় বর্তমানে যারা আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে একটি মহল অপচেষ্টা চালাচ্ছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে চিংড়ি মহাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন্ধ থাকা কারখানাগুলো শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষ উভয়েই এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।


তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এ খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।


মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৩২ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে অশোভন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া থেকে মাদরাসা শিক্ষকদের বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ফেসবুকে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে অশোভন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া থেকে মাদরাসা শিক্ষকদের বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।


সোমবার (২ নভেম্বর) অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে অধিদপ্তরের আওতাধীন মাদরাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। 


বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি কয়েকজন শিক্ষক ফেসবুকের ব্যক্তিগত ওয়াল ও বিভিন্ন গ্রুপে কর্তৃপক্ষের নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তিকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য করছেন। এসব পোস্টের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকার মাদরাসা শিক্ষকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি মাদরাসা শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে এবং অধিদপ্তরের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।


অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯’-এর ১০ (ঙ), ১০ (ছ) ও ১০ (ঝ) অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। একই সঙ্গে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’-এর ১৮ (গ) অনুযায়ী এসব কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য। এ অবস্থায় মাদ্রাসায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের পোস্ট ও কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।


মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিটি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও ইবতেদায়ি প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে।