পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, বিএনপি সরকারের অর্জনকে বিনাশ করতে রোড মার্চ নামে বিভিন্ন রকম কর্মসূচি দিয়ে বাংলাদেশ মানুষকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বিরোধীদল। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে জেলা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির দলীয় কর্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই বাংলাদেশে যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, যারা একাত্তরকে বিশ্বাস করে না, যারা ২৪ কে বিশ্বাস করে না, যারা ৯০ কে বিশ্বাস করে না, এইরকম ফ্যাসিস্ট, এইরকম স্বৈরাচার এবং গুপ্তসূপ্তরা আজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই তারেক রহমানের সরকার,যেই ক্রমবর্ধমান তাদের উন্নয়নের ধারাকে আজকের তৃণমূল পর্যায়ে প্রত্যেকটা গ্রামীণগঞ্জে, পাড়ায় মহল্লায় মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিচ্ছেন। এটাকে তারা বিনাশ করতে চান, ভিনিষ্ট করতে চান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন,গতকাল ঠাকুরগাঁও উপ নির্বাচন হয়েছে। সে নির্বাচনে ছোট খাটো ভুল ছাড়া সুষ্ঠ নিরপেক্ষ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ১২ ফ্রেব্রুয়ারির নির্বাচনে যা ভোট পেয়েছিল, কালকের উপ নির্বাচনে তার চেয়ে অর্থেক ভোট পেয়েছে। তারেক রহমানের সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আর বিএনপির কর্মকান্ড মনে প্রানে বিশ্বাস করার কারনে বিএনপির এ বিজয় হয়েছে।
যুবদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে যদি নেতৃত্ব দিতে চাই, সেই নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নিজের ইমেজ তৈরি করতে হবে। এইখানে কোন কর্মীর অপকর্মের দায়ভার কিন্তু আমরা যুবদল নিব না। কাজেই আমি মনে করি সেই ক্ষেত্রে আমাদের কোন ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড যেন দল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, দল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সেই বিষয়ে কিন্তু তোমাদেরকে মাথায় রাখতে হবে। নতুবা তুমি যত রকম তদবির করা না কেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে সেইখানে, আমি মনে করি তোমার কোন যোগ্যতা নাই। কারণ দল যদি তোমার কর্মকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেখানে তোমাকে মাথায় নিয়ে আমরা নাচবো।
এর আগে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই জায়গায় আসে।পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এ সময়
জেলা যুবদলর সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবুর সঞ্চালনায়, জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেলের সভাপতিত্বে, উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু,আব্দুল্লাহ আল মামুন রনিক, ইউনুস শেখসহ যুবদলের নেতাকর্মীরা ।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ কম থাকবে। এ সময়ে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করবে।
রোববার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তারিকুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে।
অর্থাৎ, টার্মিনালটির রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কম হবে। এর প্রভাবে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্প চাপের সমস্যায় পড়তে পারেন।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বর মাসে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
যুবদলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
পঞ্চগড়ের বোদায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বোদা উপজেলা যুবদলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পঞ্চগড় জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান বাবু।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোদা পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোঃ অলিয়ার রহমান অলি এবং সদস্য সচিব মোঃ আফসারুল ইসলাম।
এ সময় বোদা উপজেলা ও পৌর যুবদলের সকল যুগ্ম আহ্বায়কসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বোদা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ সোহেল রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি এলাহী কুদরতই আমিন সাগর।
আলোচনা সভায় বক্তারা যুবদলের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন।
ছবি : সংগৃহীত
সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে গুলি ছুড়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিজেদের সীমান্তের অভ্যন্তরে সমান সংখ্যক গুলি ছুড়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশও (বিজিবি)।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে সীমান্তের ১২৮৭/১ এস পিলার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৯ বিজিবির মিডিয়া উইংয়ের এক কর্মকর্তা।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের দুই রাউন্ড গুলিবর্ষণের পরপরই বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নিজেদের সীমান্তের অভ্যন্তরে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। এতে সীমান্তে বিজিবির সতর্ক অবস্থানের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। তবে বিএসএফের গুলিবর্ষণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
বিজিবির মিডিয়া উইংয়ের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফ দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় পরিস্থিতি বিবেচনায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে নিজেদের সীমান্তের অভ্যন্তরে ফাঁকা গুলি ছোড়ে বিজিবি। বিজিবির এই গুলিবর্ষণ কোনো পাল্টা আক্রমণ ছিল না। বরং সীমান্তে সতর্কতামূলক অবস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তবে বিএসএফ কী কারণে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। গুলিবর্ষণের সময় সীমান্তে কোনো অনুপ্রবেশ, চোরাচালানবিরোধী অভিযান কিংবা অন্য কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ছবিঃ সংগৃহীত
সৌদি আরবে হত্যার শিকার চাঁদপুরের মতলব উত্তরের প্রবাসী জসিম উদ্দিনের মরদেহ অবশেষে দেশে আনা হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়। ইতোমধ্যে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহত জসিম উদ্দিন মতলব উত্তর উপজেলার ঘাসিরচর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে।
স্বজনরা জানায়, ১৯ সেপ্টেম্বর প্রায় চার লাখ টাকা পাঠানোর উদ্দেশ্যে এক সহকর্মীর সঙ্গে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি। কয়েক দিন পর সৌদি আরবের আল কাসিম এলাকার একটি মরুভূমি থেকে বালুচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সাব্বির নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি পুলিশ।
জসিমের মরদেহ দেশে আনা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে স্থানীয় সাংবাদিক মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এর সহযোগিতায় মরদেহ দেশে আনা হয়।
এদিকে জানাজা শেষে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বজনের মরদেহ ফিরে পেয়ে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে জসিমের পরিবার।
ছবি : সংগৃহীত
শ্রমিক আন্দোলনের কারণে প্রায় ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) দিনভর উত্তেজনার পর দুপুরের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
এর আগে বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে সকাল থেকেই উত্তাল ছিল গাজীপুরের কোনাবাড়ি, শফিপুর, পল্লীবিদ্যুৎসহ আশপাশের এলাকা। বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে, রণক্ষেত্র রূপ নেয় এসব এলাকা। উত্তেজিত শ্রমিকরা আগুন দিয়েছে পুলিশ বক্সে, ভাংচুর করা হয়েছে কয়েকটি গাড়িও। ফলে মহাসড়কে ৬ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
এদিকে মাহসড়কে প্রচুর যানবাহন থাকায় যান চলাচলে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে কাজে যোগ না দিয়ে সড়কে নেমে আসেন বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে আন্দোলনকারীর সংখ্যা। লাঠিসোঁটা ও লোহার পাইপ হাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন হাজারো শ্রমিক। সড়কের মাঝখানে কাঠের বিভিন্ন জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন তারা। একপর্যায়ে কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা পুলিশ বক্সেও আগুন দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে পড়েন সংবাদকর্মীরাও।
শ্রমিক অসন্তোষের কারণে চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক, কোনাবাড়ী ও কাশিমপুর এলাকার অধিকাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এদিকে, মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন চালকরা। পরে পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার সেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, শ্রমিকরা মহাসড়ক ছেড়ে চলে যাওয়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আশপাশের পরিস্থিতিও স্বাভাবিক আছে। পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
"ফিরিয়ে দাও ঘাতক কাঁটা,এবার আমি গোলাপ নেবো" প্রতিপাদ্য কে ধারণ করে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে উদযাপন করা হয়েছে উদীচীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। গতকাল বিকেলে অপরাজেয়'৭১এ এই আয়োজন করে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ঠাকুরগাঁও জেলা সংসদ। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন সানাই বাদক মিলন দাস।
জেলা সংদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি সেতারা বেগমের সভাপতিত্ব বক্তব্য দেন, জেলা সংসদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হোসেন মোতাহার,আবু মহিউদ্দিন,সহসভাপতি অমল টিক্কু,সহসাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক,সংগঠন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাফি প্রমূখ। সঞ্চালনা করেন অনুষ্ঠান সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রিজু।
পরে গণসংগীত শিল্পী জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মনের নেতৃত্বে দলীয় ও একক গণসংগীত পরিবেশন এবং সংগঠনের আবৃত্তি শিল্পীরা আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এসময় চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য যে,গত ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।