• প্রকাশ : শুক্রবার ১৯ জুন, ২০২৬, সময় : ১১:৫২ এএম

আমাদের সংস্কৃতিতে একটা প্রকট মানে প্রচণ্ড বাস্তব বিরোধ যেটা এই মুহূর্তে দেখাযাচ্ছে। সেটা হচ্ছে যে আমাদের একদিকেযেমন ধর্মনিরপেক্ষতার একটা সংস্কৃতি, আরেক দিকে একটা ইসলামের সংস্কৃতি। আবার মাঝখানে আমরা যারা সুবিধাবাদী আছি কিছু, যারা আমরা ইসলামটাকেও ধারণ করতে চাই আবার একই সঙ্গে অন্য সংস্কৃতিটাকেও ধারণ করতে চাই। এটা আরেকটা সংস্কৃতি। 


বাংলাদেশে এই তিন সংস্কৃতির টানাপোড়েন এই মুহূর্তে দেখাযাচ্ছে এবং সবাই আমরা সবারটা আরেকজনের উপরে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। এটা হচ্ছে আমাদের একটা সবচেয়ে বড় সমস্যা। এইজায়গাটা থেকে আমাদের উত্তরণের প্রয়োজন। পঞ্চগড় ১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয়  নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যারিস্টার মুহম্মদ জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনসস্টিটিউটের ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধনী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। 


এসময় তিনি বলেন আমাদের সময়ে সকলে শিক্ষকদের দ্বারা অনুপ্রাণীত হয়েছেন। তাদের কথা আমাদের সবার মনে আছে। এবং শিক্ষকদের আদলে শিক্ষকদের চিন্তাভাবনায় কিন্তু আমরা আস্তে আস্তে বেড়ে উঠেছি। কাজেই আমাদের শিক্ষকরা যদি সঠিকভাবে প্রশিক্ষিত হয়, তারা যদি তাদের যে জ্ঞান, তারাযে জ্ঞানটা আহরণ করবে সেটা যদি সঠিকভাবে আমাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিলিয়ে দিতে পারে তাহলে  দেশেরএকটা অগ্রগতি হবে। তবে এটা অবশ্যই সময়ের সাপেক্ষে। আমি যখন শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া দেখি বিভিন্ন জায়গায়, আমার কাছে এটা একটু খারাপ লাগে এইজন্য যে শিক্ষকদের কেন দাবি করতে হবে? তবে এটার অনেক কারণ আছে, কিছু ঐতিহাসিক কারণ আছে, একটা প্রতিষ্ঠান যেভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, শিক্ষক যেভাবে নিয়োগ পাওয়া যায়, এই সবকিছু মিলিয়েআমাদের বিভিন্ন রকম শিক্ষা ব্যবস্থা। আমাদের এখানে কয়েক রকম শিক্ষা ব্যবস্থা আছে। আমাদের যারা সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করছেন, বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করছেন, আমাদের এই শিক্ষা ব্যবস্থাটাএকরকম। 


আবার যদি শহরগুলোতে যান, ঢাকাতে বিশেষ করে যেখানে ইংরেজি মিডিয়াম শিক্ষা আছে। ইংরেজি মিডিয়ামের মধ্যে আবার তিন চার ভাগ আছে। কেউ কেউ লন্ডন ইউনিভার্সিটি যে কারিকুলাম সেটাকেঅনুসরণ করে, কেউ কেউ ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালরিয়েট যেটাকে সংক্ষেপে আইবি বলে সেটা অনুসরণ করে, কেউ কেউ আমেরিকানটা করে, কেউ ইন্ডিয়ানটা করে। ইদানিং কিন্তু আরও দেখলাম আপনার ইরানিয়ান ইন্টারন্যাশনাল আছে, ইন্ডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল, টার্কিশ ইন্টারন্যাশনাল, অনেক রকম। ইংলিশ মিডিয়ামের মধ্যে অনেক রকম ভাগ আছে। বাংলা মিডিয়ামে আমাদের যেটা সরকারি সেটা একরকম, বেসরকারি যারা তারা আমাদের একই যে পাঠ্যক্রম সেটাঅনুসরণ করলেও দেখা যায় যে শিক্ষার যেতাদের যে কার্যক্রম সেটাএকরকম সরকারি স্কুলগুলোতে আরেক রকম। তারপর আমাদের মাদ্রাসা শিক্ষা। মাদ্রাসা শিক্ষার মধ্যেও আবার ভাগ আছে। 


কাজেই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে এত রকমউপসমষ্টি আছে, এটা আস্তে আস্তে মনে হয় আমাদের এইস্বাধীনতার এত বছর পরেআমাদের চিন্তা করার প্রয়োজন । আমাদের এই  শিক্ষাব্যবস্থাকে নিয়ে একটা জাতি হিসেবে আমরা কতটুকু এগোতে পারব? এটা এখন আমার মনে হয় একটা ডিবেটবা আমাদের আলোচনা অন্তত শুরু করার সময়। কারণ আমি জানি যে আমাদের অর্থনৈতিকবাস্তবতা যেটা সারা বাংলাদেশে, আমাদের অর্থনৈতিক বাস্তবতা আমাদেরকে বিভিন্ন শিক্ষা খাতের দিকে ধাবিত করে। আমরা স্বাভাবিকভাবে যেটা দেখেছি যে আমাদের যারাসুবিধাবঞ্চিত তারা সাধারণত মাদ্রাসা শিক্ষার দিকে ঝুঁকেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আগে দেখেছি, এখন যদিও মাদ্রাসা শিক্ষা অনেক এগিয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষায় বিভিন্ন ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হচ্ছে, আপনার আমাদের ছেলেমেয়েরা যাচ্ছে সেখানে, ভালো ভালো তাদের ফলাফলও ভালো। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আমাদের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা অনেক ভালো অংশগ্রহণ করছে, এগুলো আমরা দেখতে পাচ্ছি। আসলে যেটা বলতে চাচ্ছি যে একটা জাতিকেএকই ইতিহাস জেনে বড় হওয়া, একইসংস্কৃতির মধ্য থেকে বড় হওয়া প্রয়োজন।এই জায়গাটাতে আমাদের একটা বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। যেমন আরও সহজ করে বলি, আমরা যারা আমাদের সময়কার, আমরা খুবই ব্রিটিশ বিরোধী। সাংঘাতিকভাবে। কারণ আমরা যে ইতিহাসটা পড়েবড় হয়েছি, আমাদের সমাজপাঠ থেকে শুরু করে ইতিহাসের যে জিনিসগুলো আমরাশিখেছি, দেখা যায় যে ঐতিহাসিকভাবে আমরাএকরকম বেড়ে উঠেছি। তার কারণ হচ্ছে আমাদের ইতিহাসের শিক্ষাটা। যারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করছে, তাদের সংস্কৃতিটাও দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন রকমের হচ্ছে। আমরা এ পর্যন্ত কিন্তুএকটা জাতি হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারিনি। আমাদেরকে একই শিক্ষায় আসতে হবে। 


আমাদের সমস্ত রাজনীতিবিদের, আমাদের যারা বুদ্ধিজীবী আছেন, আমাদের যারা চিন্তাশীল যারা ব্যক্তিরা আছেন, তাদের সবাইকে বাংলাদেশের একটা সংস্কৃতির দিকে আমাদেরকে নিয়ে আসতে হবে। এবং এই উত্তরণটা আসবেতখনই যখন আমাদের পরমতসহিষ্ণুতাটাকে আমরা জেনে আমরা নিজেদের মধ্যে আমরা নিয়ে আসতে পারব। কারণ আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমরা মনে করি আমি যেটা চিন্তা করছি, আমি যেটা ভাবছি, আমি যেটা বলছি এটাই চূড়ান্ত এবং এটাই সবচেয়ে সত্য। আমাদের যেটা হওয়া উচিত সেটা হচ্ছে যে অন্যের মতামতটাকেগুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, অন্যের চিন্তাভাবনাটাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন এবং আমাদেরকে একটা জায়গায় আসতে হবে যে আমরা অন্যেরমতামতের সঙ্গে একমত নাও হতে পারি। তাদের একটা মতামতকে রেখে আমাদের প্রত্যেকের মতামতকে এক জায়গায় রেখেআমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব। এটাই আমাদের শেষ লক্ষ্য হওয়া উচিত। কাজেই আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ আজকে জানাতে চাই এই প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারেআমাকে আপনারা বলতে বলেছেন, এই প্রতিষ্ঠানের জন্যআমাদের সরকারের কাছ থেকে যত রকম সুবিধাআদায় করা প্রয়োজন আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টাটা করব।


ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী মো. কায়েদ-ই-আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা সুলতানা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইনস্টিটিউটের গভর্নিং বডির সভাপতি এম এ মজিদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল ও নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।



সর্বশেষ সব খবর

গ্রাম পুলিশ। লোগো

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৪ পিএম

গ্রাম পর্যায়ে শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা পালনকারী ‘দফাদার’ পদবি পরিবর্তন করে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ করা হয়েছে। এছাড়া ‘মহল্লাদার’ পদ পরিবর্তন করে ‘গ্রাম পুলিশ’ করা হয়েছে। 


ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনী সংক্রান্ত বিধিমালায় সংশোধন এনে নতুন পদবি নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।


রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব আতিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬১ নং আইন)-এর ধারা ৯৬ ও ধারা ৪৮-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) গ্রাম পুলিশ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও চাকরির শর্তাবলি সম্পর্কিত বিধিমালা, ২০১৫’-এর অধিকতর সংশোধন করেছে।


সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে উপরি-উক্ত বিধিমালার সর্বত্র উল্লিখিত ‘দফাদার’ শব্দের পরিবর্তে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ এবং ‘মহল্লাদার’ শব্দের পরিবর্তে ‘গ্রাম পুলিশ’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪১ পিএম

খুলনার দিঘলিয়ায় পড়ে থাকা মুড়ির প্যাকেট খুলতে গিয়ে বিস্ফোরণে এম এম মনিরুল ইসলাম (৬৩) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার সেনহাটি কলের পুকুরের পশ্চিম পাশে এ ঘটনা ঘটে। 


মনিরুল দিঘলিয়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। স্থানীয়রা জানান, ভোর পৌনে ৬টার দিকে ফজরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে ফিরছিলেন তিনি। এ সময় তার বাড়ির দরজার সামনে পলিথিনের প্যাকেটে মুড়ি দেখতে পান। কেউ ভুল করে বাইরে রেখেছে ভেবে প্যাকেটটি ঘরের ভেতরে নিয়ে রাখেন। মুড়ির প‍্যাকেটটি ঘরের ভেতর মেঝেতে রাখার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে। 


তারা জানান, এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায় এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্রে আগুন ধরে। স্থানীয়রা খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাকে উদ্ধার করে দিঘলিয়া উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। 


দিঘলিয়া থানার ওসি অরুপ কুমার চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে  ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য দূর্বৃত্তরা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৭ পিএম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ অভিমুখে এলজিইডির বাস্তবায়নে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তা পাকাকরণের কাজ চলছে।


দীর্ঘদিন থেকে খানাখন্দে ভরপুর রাস্তা যেন যৌবন ফিরে পেল এমনটা মনে করছেন স্থানীয়রা। বর্ষাকালে এই পথ দিয়ে প্রায় হাঁটু পরিমাণ কাঁদা হতো৷ ইদিলপুর থেকে ধাপের হাট যেতে ঘুরতে হতো ১০ কিলোমিটার রাস্তা। এতে করে উৎপাদিত কৃষিজাত পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত অর্থের পাশাপাশি নষ্ট হতো পণ্যও৷ সেইসাথে শিক্ষার্থীদেরও পড়তে হতো চরম বিপাকে। এমনকি রাস্তা খারাপ থাকায় বিয়ে পর্যন্ত ভেঙ্গে যেত।


বর্তমানে এলজিইডি সাদুল্লাপুরের নিবিড় তদারকিতে রাস্তার কাজ স্টিমেট অনুযায়ী হচ্ছে এমনটাই জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।


রাস্তা উন্নয়নের বিষয়ে ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ রহমান জানান, রাস্তার কাজে ব্যবহৃত সকল মালামাল মানসম্মত দেখেছি। তবে আমার ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হবে এটা ভেবেই অনেক ভালো লাগছে।


ধান,হলুদ,মরিচ,পেঁয়াজসহ বহু কৃষিজাত পণ্যের সমাহার ধাপেরহাট ও ইদিলপুর এলাকায়। উর্বর মাটিতে যেন সোনা ফলে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নীতকরণের ফলে এখানকার কৃষি একধাপ এগিয়ে যাবে এমনটাই দাবি সচেতন মহলের।


রাস্তা নির্মাণ নিয়ে কথা হয় সাদুল্লাপুর এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মেনাজ এর সাথে তিনি জানান, ইদিলপুরে আমাদের ২ কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। রাস্তায় প্রতিটা লেয়ারে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ভালোভাবে করা হয়েছে। আমাদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট সকলে নিরলসভাবে কাজ করছেন।


রাস্তা উন্নয়ন মানেই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। তবে কাজের মান ভালো হলেই স্থায়িত্ব ভালো হবে। ভালো কাজে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে এমনটা প্রত্যাশা স্থানীয়দের। 

সর্বশেষ সব খবর

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:১৬ পিএম

ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ সালের বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। 


মঙ্গলবার( ৩ নভেম্বর) সকাল এগারোটায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি- ২ আসনের সাংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। 


নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) প্রতীক কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ,নলছিটি পাবলিক লাইব্রেরি এন্ড সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম বাহার,নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান হেলাল খান,ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ নলছিটি উপজেলার সভাপতি মাওলানা শাহজালাল হোসাইন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তৌহিদুল আলম মান্না, সদস্য সচিব সাইদুল কবির রানা প্রমুখ।


অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাজমুল হায়দার বাদল। এসময় উপজেলার ১০৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:০২ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:০২ এএম


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:০২ পিএম

সারাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা প্রতিরোধ এবং নাশকতা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থানে থেকে ময়মনসিংহের ভালুকায় দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ও পৌর যুবদল।


মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি শুরু হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে উপজেলা ও পৌর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় নেতাকর্মীদের সড়কের পাশে অবস্থান নিতে এবং বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিতে দেখা যায়।


কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজুল কবির মো. মামুন, সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম খান রাজু, ভালুকা উপজেলা যুবদলের সভাপতি তারেক উল্লাহ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান খান রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজমুল হক মন্ডল এবং ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টন। এ ছাড়া জেলা, উপজেলা ও পৌর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন।


অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনে অংশ নিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে তারা মনে করেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।


তারা আরও বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনের প্রতি তাদের সমর্থন রয়েছে। তবে শ্রমিকদের যৌক্তিক আন্দোলনকে কোনো পক্ষ যেন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে দেশে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।


বক্তারা বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক রয়েছেন। যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, নাশকতা ও নৈরাজ্য মোকাবিলায় তারা রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।


দিনব্যাপী এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে সতর্ক অবস্থানে থাকা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৩৪ পিএম

গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিল্পকারখানার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে ১২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মোতায়েনকৃত সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছেন।


বর্তমানে গাজীপুরের সফিপুর, কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ি এলাকায় ১০ প্লাটুন এবং নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকায় ২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পাশাপাশি আশুলিয়া, মিরপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।


মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর লাইভ মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিজিবি। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সংযোগস্থল ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যদের ব্যবহৃত বডি ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যা দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও সহায়ক ভূমিকা রাখছে।বিজিবি সদর দপ্তরে স্থাপিত কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরার লাইভ ফুটেজ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর সঙ্গে সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।


বিজিবি জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা, স্বাভাবিক চলাচল এবং শিল্পাঞ্চলের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, সংযম ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম এবং প্রযুক্তিনির্ভর নিবিড় পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সব খবর