কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খরুলিয়া বাজারের বিকাশ ব্যবসায়ী সাঈদকে ছুরিকাঘাত করে ২২ লাখ টাকা ও একটি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে খরুলিয়ার সুতারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা সাঈদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ছুরিকাঘাত করে। একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে থাকা ২২ লাখ টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
পরে স্থানীয়রা আহত সাঈদকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
একজন ব্যবসায়ীর ওপর এমন নৃশংস হামলা ও বিপুল পরিমাণ অর্থ ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
সচেতন মহলের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া টাকা ও মোটরসাইকেল উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। খরুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় অপরাধ দমনে পুলিশি নজরদারি জোরদার এবং রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
আহত ব্যবসায়ী সাঈদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন এলাকাবাসী।
ইফতেখার হোসাইন
বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির (বাপাজস) ২০২৭–২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটিতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক ইফতেখার হোসাইন।
ইফতেখার হোসাইন পূর্ববর্তী কমিটিতে প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রায় ১১ বছর ধরে নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকতা ও জনসংযোগে ১৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ভারতের এমসিআর হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে জনসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণে তিনি পূর্ণ অর্থায়নে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় সংবাদপত্রে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কলাম ও ফিচার লেখেন।
গত ১৬ অক্টোবর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সমিতির সাধারণ সভায় ২০২৭–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি মো. আবুল কাসেম শিখদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (সুমন) এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রেস প্রকাশনা দপ্তরের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম (শিবলী)।
২০২৭–২০২৮ মেয়াদের জন্য ২৭ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য পদধারী হলেন সিনিয়র সহসভাপতি রফিকুল ইমলাম পান্না (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর) ও মো. নজরুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান (চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়) ও মো. সাইফুল ইসলাম (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল-আমিন খান (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), দপ্তর সম্পাদক ফরহাদ রহমান সরকার (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সালমান সাদেকীন চয়ন (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়), সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোস্তাক জাহান (বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস) এবং ক্রীড়া সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)।
এ ছাড়া কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু (বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. বশিরুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), গোলাম মর্তুজা (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), কামরুন নাহার (ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), খাদেমুল ইসলাম (হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. সাহেদ হাসান (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়), খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), আবু সালেহ মুহাম্মদ মূসা (ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়) এবং ফররুখ মাহমুদ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।
উল্লেখ্য, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জনসংযোগ কর্মকর্তাদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জনসংযোগ কার্যক্রমের উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতি (বাপাজস) প্রতিষ্ঠিত হয়।
‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ, এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নরসিংদীর পলাশে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে যুব র্যালি, আলোচনা সভা, যুব ঋণের চেক ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শাজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জুয়েল রানাসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সুধীজন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সামাজিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ। দেশের বিপুল যুবশক্তিকে দক্ষতা, মেধা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল কর্মপ্রচেষ্টায় কাজে লাগাতে পারলে উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।
তারা আরও বলেন, যুবকদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের সম্ভাবনাকে উৎপাদনশীল শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। পাশাপাশি যুবসমাজকে সুশৃঙ্খল ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে কার্যকর পরিকল্পনা এবং নির্ভুল ডাটাবেজ প্রণয়ন জরুরি। সুপরিকল্পিতভাবে যুবশক্তিকে কাজে লাগানো গেলে একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যুব ঋণের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে যোগ্য যুবকদের মধ্যে ঋণের চেক এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
নীলফামারী জেলার ৬টি উপজেলা ও ২টি ক্যাম্প সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত ফি আদায়,খাজনা খারিজ ছাড়া জমি দলিল সম্পাদন, সিন্ডিকেট বাণিজ্য এবং ঘুষের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী চক্র প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে ২ থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। এতে সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা যেমন সর্বস্বান্ত হচ্ছেন, তেমনি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলার ৬টি উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে ৩৪২ জন দলিল লেখক কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে নীলফামারী সদর অফিসে ১৪২ জন, ডোমারে ৪৩ জন, ডিমলায় ৯৬ জন, জলঢাকায় ১০২ জন, চিলাহাটিতে ২৪ জন, সৈয়দপুরে ৪২ জন এবং কিশোরগঞ্জে ৬৮ জন দলিল লেখক রয়েছেন। সদর উপজেলায় প্রতি মাসে গড়ে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০টি দলিল সম্পাদন হয়।
নিয়ম অনুযায়ী জাবেদা নকল বা দলিলের সার্টিফাইড কপির সরকারি ফি ৪০০ টাকা হলেও সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এর পরেও দিনের পর দিন ঘুরিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অনেক অফিসে সাব-রেজিস্ট্রার এজলাসে না বসে নিজ চেম্বারে বসে দলিল সম্পাদন করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নীলফামারী পৌরসভার কলেজপাড়া মধ্য হাড়োয়ার বাসিন্দা মানিক (৩৪) জানান, একটি সাধারণ দলিল সংশোধনের জন্য সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ তাঁর কাছ থেকে ৭৮ হাজার টাকা নিয়েছেন, অথচ এই কাজের প্রকৃত সরকারি ও আনুষঙ্গিক খরচ মাত্র ৩ হাজার টাকা। সবুজপাড়ার আরেক ভুক্তভোগী জানান, ১০ শতক জমি রেজিস্ট্রি করার নামে আব্দুল্লাহ তাঁর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
অভিযুক্ত দলিল লেখক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে নামে ও বেনামে প্রতারণার মাধ্যমে ৩০-৪০ বিঘা জমি দখল করা এবং সম্প্রতি শহরের উকিলের মোড়ে ৯ কোটি টাকা দিয়ে একটি বিলাসবহুল বাড়ি কেনার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আব্দুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের জমি বিক্রি করে বাড়ি কেনার দাবি করেন। তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, এসব সম্পত্তির বড় একটি অংশ সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার ছত্রছায়ায় অর্জিত হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুলের চেম্বারকে কেন্দ্র করেও প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সামিউল নামের এক ক্রেতা ১৭ শতক জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে তাঁর কাছে ৪৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়, অথচ এর সরকারি খরচ ছিল মাত্র ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। ডিমলা উপজেলায় ৩ জন চিহ্নিত দলাল সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নিয়ন্ত্রণ করেন এবং প্রতি দলিলে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা করে আদায় করেন বলে জানা গেছে।
প্রতিদিন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে সাধারণ মানুষ পদে পদে হয়রানির শিকার হলেও প্রতিকার মিলছে না। সচেতন মহল মনে করেন, এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও দলিল লেখক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সরকার রাজস্ব হারানো অব্যাহত থাকবে।গত ২-৬-২০১১ সালে জাল দলিদ তৈরী করে দলিল লেখক শফিয়ার রহমান সরকার, জাল দলিল নং ৫৩০০/১১। আবুল হোসেন শাহ জাল দলিল তৈরি বিষয়ে বাদী হয়ে নীলফামারী আমলী আদালতে মামলা করেন।এরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত আসামীর প্রতি সমন জারী করেন।
এ বিষয়ে জেলা রেজিস্ট্রার এস. এম. সোহেল রানা মিলন বলেন,জাল দলিল প্রমানিত হওয়ায় আদালতে আমরা প্রতিবেদন দিয়েছি, অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার এবং চেম্বারে বসে দলিল সম্পাদন করার বিষয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
অ্যালবিনো জলঢোড়া সাপ
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় বিরল বৈশিষ্ট্যের একটি অ্যালবিনো জলঢোড়া সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সাপটির শরীরে স্বাভাবিক বাদামি ও কালচে রঙের পরিবর্তে হলদেটে-সাদা বর্ণ দেখা গেছে। অ্যালবিনিজম নামের বিশেষ জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে সাপটির শরীরে এমন রঙের পরিবর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীরা।
গত ২৭ অক্টোবর উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের হলদিয়াপুকুর গ্রাম থেকে সাপটি উদ্ধার করেন ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের (WSRTBD) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উদ্ধারকর্মী মো. সহিদুল ইসলাম।
উদ্ধার হওয়া সাপটি জলঢোড়া বা চেকার্ড কিলব্যাক (Checkered Keelback) প্রজাতির। এর বৈজ্ঞানিক নাম Fowlea piscator। এটি সম্পূর্ণ নির্বিষ প্রজাতির সাপ।সাধারণত এ প্রজাতির সাপের শরীরে বাদামি ও কালচে ছোপ দেখা যায়। তবে অ্যালবিনো বৈশিষ্ট্যের কারণে উদ্ধার হওয়া সাপটির শরীরে হলদেটে-সাদা রঙের ব্যতিক্রমী উপস্থিতি দেখা গেছে।
বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীরা জানান, অ্যালবিনিজম কোনো আলাদা প্রজাতি নয়, বরং প্রাণীর জন্মগত একটি জিনগত বৈশিষ্ট্য। এ বৈশিষ্ট্যের কারণে শরীরে মেলানিন নামের রঞ্জক পদার্থের উৎপাদন কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে প্রাণীর স্বাভাবিক গায়ের রঙের পরিবর্তন ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে চোখের রঙেও এর প্রভাব দেখা যায়।
মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া সাপটি জলঢোড়া প্রজাতির এবং সম্পূর্ণ নির্বিষ। তবে সাপটির শরীরে একাধিক ক্ষত রয়েছে। অ্যালবিনিজমের কারণে এর স্বাভাবিক রঙের পরিবর্তে হলদেটে-সাদা বর্ণ ধারণ করেছে। এ ধরনের বৈশিষ্ট্যের সাপ সচরাচর দেখা যায় না।
তিনি আরও বলেন, সাপটি কয়েকবার খোলস পরিবর্তন করার পর এর শারীরিক পরিবর্তন হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের জন্য কিছুদিন রেখে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সাপটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে।
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় ন্যূনতম বেতনসহ তিন দফা দাবিতে পোশাক শ্রমিকরা আজও আন্দোলন করছেন। তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করলে পুলিশ বাঁধা দেয়। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়লে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে সাভারের পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শিল্প পুলিশ ও পোশাক শ্রমিক সূত্রে জানা যায়, ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধির দাবিসহ তিন দফা দাবিতে সকালে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাড়ইপাড়া এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেন৷ পরে আশুলিয়া থানা পুলিশ পোশাক শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সড়িয়ে দেয়। অপরদিকে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় নিউ এইজ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে কর্মবিরতি পালন করেন। পরে তারা বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে এসে জড়ো হন। এ সময় নিট এশিয়া, আল-মুসলিম, টাউজার লাইন, অনন্ত গার্মেন্টসসহ বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানা সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। পরে শ্রমিকরা সড়কে এসে অবস্থান নিলে পুলিশ বাঁধা দেয়। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়লে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তবে নাম প্রকাশ না কর শর্তে নিউ এইজ পোশাক কারখানার এক শ্রমিক বলেন, আমরা আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছি। কিন্তু পুলিশ এসে আমাদের ধাওয়া দিচ্ছে। এ ছাড়া পোশাক কারখানার দুই শ্রমিককে রোববার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত পোশাক শ্রমিকদের মুক্তির দাবি জানান।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, সকালে কয়েকটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা প্রবেশ করে কর্মবিরতি পালন শুরু করেন। এ ছাড়া নিউ এইজ পোশাক কারখানার দুই শ্রমিককে রোববার পুলিশ আটক করেছে বলে ওই কারখানার শ্রমিকরা আজকেও বিক্ষোভ করছেন। পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে আটক করার বিষয়টিকে নিন্দা জানাই।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, সকালে পোশাক শ্রমিকরা নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। এ ছাড়া বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে শ্রমিকরা অবস্থান নেন। পরে পুলিশ বুঝিয়ে তাদের সড়ক থেকে সড়িয়ে দিয়েছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে গতকাল (রোববার) নিউ এইজ পোশাক কারখানার এক শ্রমিকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, গতকাল (রোববার) ১৭৭টি পোশাক কারখানার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল। কিন্তু সেখান থেকে আজ কতগুলো চালু রয়েছে, তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় জানা সম্ভব হয়নি।
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে
ঢাকার সাভারের আশুলিয়াসহ আশপাশের অধিকাংশ পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে মালিক পক্ষ। আশুলিয়া শিল্প পুলিশের এসপি মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিল্পাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তাব্যবস্থা বহাল থাকবে।
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে কয়েক দিন ধরে রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ চলছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে টানা চতুর্থ দিনের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকেরা। সোমবার সকাল থেকে চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ, হরিণহাটি ও সফিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কে অবস্থান নেন তারা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সকালে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভে নামেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। বিক্ষোভের মধ্যে একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। সোমবার সকাল থেকে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে বহিরাগত ও দুষ্কৃতকারীরা যোগ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া শিল্প পুলিশের এসপি মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া। বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভের বিষয়ে তিনি বলেন, শিল্পাঞ্চলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে রাস্তায় নেমেছেন। পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চলছে।
কাভার্ড ভ্যানে আগুন দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ঘটনায় অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিল্প পুলিশের এই কর্মকর্তা ভাষ্য, তাদের কাছে তথ্য রয়েছে, আন্দোলনে বহিরাগত ও দুষ্কৃতকারীরা যোগ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখন পর্যন্ত শিল্প পুলিশ কাউকে আটক করেনি। তবে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে। তিনি জানান, শিল্পাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তাব্যবস্থা বহাল থাকবে।
শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, আগুন জ্বালানো এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের চেষ্টার বিষয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা জেলার ফোর্সও তাদের সঙ্গে রয়েছে। যতটা সম্ভব যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন তারা।
রোববার রাজধানীর মিরপুরেও শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠনের কথা জানানো হলেও বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে তাদের অসন্তোষ পুরোপুরি কাটেনি। শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার কারণে জেলার বহু পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিকে কেন্দ্র করে চলমান শ্রম অসন্তোষ নিরসনে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া।
বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট শ্রম অসন্তোষ মোকাবিলা এবং শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিজিবি সদস্যরা জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার দায়িত্ব পালন করছেন। শ্রম অসন্তোষের কারণে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং শিল্পাঞ্চলে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের মজুরি পুনঃনির্ধারণে ৬ সদস্যের ‘নিম্নতম মজুরি বোর্ড’ গঠন করেছে সরকার। সচিবালয়ে রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন মজুরি বোর্ডের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। দাবি পূরণ হওয়ায় সড়ক ছেড়ে কাজে ফিরে যেতে শ্রমকিদদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার শ্রমিক নেতা এবং শনিবার তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। দুই পক্ষের আলোচনার পর গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন তিনি। ঘোষিত মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) শেখ আশফাকুর রহমানের নেতৃত্বে বাকি সদস্যরা হলেন, মালিক পক্ষের প্রতিনিধি বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামছুদ্দিন, শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের (বিজিআইডাব্লিউএফ) সাধারন সম্পাদক বাবুল আখতার, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশেনর যুগ্ন মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও নিরপেক্ষ দুই সদস্য মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ও আনোয়ার হোসাইন। এই বোর্ড সব পদে শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরির সুপারিশ করবে। বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণা ও গেজেট হিসেবে প্রকাশ করবে সরকার।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে পোশাক খাতে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নিম্নতম মজুরি ঘোষণা ও কার্যকর হয়। পরের মাস থেকে বর্ধিত মজুরি পেয়ে আসছেন শ্রমিকরা। সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর পরপর পোশাক খাতে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তবে গত ১০ এপ্রিল শ্রম আইন সংশোধন বিল সংসদে পাস হয়। এতে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময় পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়। সেই হিসাবে নভেম্বর মাসে নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড ঘোষণার কথা।