• প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৩১ পিএম

নাটোরের গুরুদাসপুরে যাত্রীবাহী বাস ও গরবোঝাই নসিমনের মুখোমুখি  সংঘর্ষে তিনজন নিহত ও ৭ জন আহত হয়েছে। শনিবার ( ৮ আগষ্ট)  সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার বনপাড়া হাটিকুমরুল মহাসড়কের গুরুদাসপুর নয়াবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।


নিহতরা হলেন, বড়াইগ্রাম উপজেলার পৌরসদরের লক্ষিকোল মহল্লার আব্দুর রহমান( ৭০), একই উপজেলার ধামানিয়া মহল্লার আক্কাছ আলী ( ৫৯) ও তাঁর আপন ছোট ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন ( ৪৭)। এঘটনায় আহত ৭ জন গুরুদাসপুর ওবড়াইগ্রাম হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 


পুলিশ জানায়, সকালে একটি গরুবাহী নসিমন বনপাড়া এলাকা থেকে চান্দাইকুনা হাটে যাচ্ছিল। পথে নয়াবাজার এলাকায় বিপরীত দিক ঢাকা থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই  নসিমনে থাকা গরু ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান নিহত হোন।  অপর  দুইজন বড়াইগ্রাম ও রাজশাহী কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। 


এ ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজন গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।


বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


এ দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।





  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৩১ পিএম

মেহেরপুরের গাংনীতে ১০টি ল্যান্ডমাইন সদৃশ বস্তু ও পাঁচটি ল্যান্ডমাইনের বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়ের বেতবাড়িয়া গ্রামের কালু মালিথার পরিত্যক্ত জমিতে স্থানীয়রা মাইনসদৃশ কয়েকটি বস্তু দেখতে পান।


পরে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত আবুল মালিথার ছেলে কাঁদো মালিথা নিজজমিতে কৃষিকাজ করছিলেন। এসময় মাটির নিচে ধাতব আকৃতির কয়েকটি বস্তু দেখতে পান।


পরে আরো খোঁড়াখুঁড়ি করলে একে একে মোট ১০টি ল্যান্ডমাইন সদৃশ বস্তু এবং পাঁচটি ল্যান্ডমাইনের খালি বক্স উদ্ধার হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে স্থানীয়রা গাংনী থানায় খবর দিলে পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌঁছে এলাকা নিরাপত্তার আওতায় নেয়।


বামুন্দী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো প্রকৃতপক্ষে সক্রিয় ল্যান্ডমাইন কি না, নাকি পুরনো বা নিষ্ক্রিয় বিস্ফোরক, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


এ কারণে সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে এসে পরীক্ষা করার পরই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে এগুলো ল্যান্ডমাইন কি না।’



পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৪ পিএম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এই মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার নদ-নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে চিলমারী বন্দর এলাকায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।


পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা একটি বড় প্রকল্প। একটি প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমাদের সরকারের বয়স মাত্র পাঁচ মাস। আমাদের কিছুদিন সময় দিন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু করব।’


কুড়িগ্রামের নদীভাঙন পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, চিলমারী বন্দরসহ জেলার বিভিন্ন ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। নদীভাঙন রোধ ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে ইতোমধ্যে দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


তিনি বলেন, ‘কোনো মানুষের ঘরবাড়ি, হাট-বাজার, মসজিদ, মন্দির কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন নদীতে বিলীন হয়ে না যায়, সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। প্রকল্পগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে আমরা মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি।’


নদীভাঙন রোধে কোনো ধরনের দলীয় বিবেচনা করা হবে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। ইতোমধ্যে কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে। যেখানে আরও কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেখানেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।


পরে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান দুটি প্রকল্প পরিদর্শন করবেন বলে জানান।


পরিদর্শনকালে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজার রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবু, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন লিপি, জেলা বিএনপির সদস্য সাইয়েদ আহমেদ বাবুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


ভালুকায় ২২ একর বনভূমি উদ্ধার

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৫৫ পিএম

ময়মনসিংহের ভালুকা রেঞ্জের হবিরবাড়ি মৌজায় সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করে বনায়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বন বিভাগ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অভিযান পরিচালনা করে তিনটি দাগে প্রায় ২২ একর বনভূমি, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দেড়শ কোটি টাকা, উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার করা এসব জমিতে শাল, গর্জন ও চাপালিশ প্রজাতির ২০ হাজার চারা রোপণের মাধ্যমে বনায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে।


বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, হবিরবাড়ি বিট কর্মকর্তা ইফাজ মোর্শেদ সাহিলের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে হবিরবাড়ি মৌজার ১৮৫ নম্বর দাগে ভালুকা রেঞ্জ অফিসের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পাশের ওরিয়ন গ্রুেপের দখলে থাকা প্রায় চার একর বনভূমি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এ জমির আনুমানিক বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮০ কোটি টাকা।


এ ছাড়া একই মৌজার ১৫৪ নম্বর দাগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা মূল্যের তিন একর এবং ৭১৭ নম্বর দাগে প্রায় ২২ কোটি টাকা মূল্যের ১৫ একর বনভূমি উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে তিনটি দাগ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ২২ একর বনভূমি।


বন বিভাগ জানায়, বনভূমি উদ্ধারের পর শুধু দখলমুক্ত করেই কার্যক্রম শেষ করা হয়নি। উদ্ধার করা জমিতে দেশীয় প্রজাতির শাল, গর্জন ও চাপালিশের ২০ হাজার চারা রোপণ করে বনায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে একদিকে সরকারি বনভূমি পুনরুদ্ধার হয়েছে, অন্যদিকে নতুন করে সবুজ বনাঞ্চল সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হয়েছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক বছর আগে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীর যোগসাজশে রেঞ্জ অফিসের সামনের বনভূমির প্রায় চার একর জায়গা একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দখলে চলে যায়। দীর্ঘদিন পর বন বিভাগ ওই জমি উদ্ধার করে সেখানে বনায়ন করায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।


হবিরবাড়ি বিট কর্মকর্তা ইফাজ মোর্শেদ সাহিল বলেন, সরকারি বনভূমি রক্ষায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে উদ্ধার হওয়া ২২ একর বনভূমিতে দেশীয় প্রজাতির ২০ হাজার চারা রোপণের মাধ্যমে বনায়ন সম্পন্ন করা হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, “বনভূমি শুধু দখলমুক্ত করাই নয়, উদ্ধার করা জমিকে আবার সবুজ বনাঞ্চলে ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণের মাধ্যমে বনাঞ্চল সম্প্রসারণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সরকারি বনভূমি সংরক্ষণে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও বনভূমি দখলমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি চালানো হবে।”


স্থানীয়দের মতে, বনভূমি উদ্ধারের পাশাপাশি সেখানে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় প্রজাতির চারা রোপণ করায় উদ্যোগটি দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বন বিভাগের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে ভালুকার হারিয়ে যেতে বসা বনভূমি সংরক্ষণে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৪১ পিএম

দলিল লেখকদের ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শরীয়তপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় শরীয়তপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 


সভায় সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, ফরিদপুর বিভাগীয় ও শরীয়তপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আলহাজ মো. নুরুল হক মিয়া।


সভায় সঞ্চালনা করেন, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ও শরীয়তপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বি এম মকবুল হোসেন।


সভায় বক্তব্য রাখেন, শরীয়তপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি সরোবর হোসেন সবুজ, সহ-সভাপতি আজিজুল হক, সহ-সভাপতি আবু সিদ্দিক মিয়া, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান ফকির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন সাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস বেপারী, অর্থ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, ধর্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন, ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক আক্তার সরকার, কার্যকরী সদস্য মোঃ সাগির হোসেন, সদস্য মফিদুল ইসলাম পাহাড়, সদস্য  আব্দুস ছালাম হাওলাদার, সদস্য নাসির উদ্দীন, সদস্য কামাল হোসেন মামুন তালুকদার, ভেদরগঞ্জ উপজেলা দলিল লেখক সমিতির আহবায়ক বি এম মোস্তাফিজ (মোস্তফা), নড়িয়া উপজেলা দলিল লেখক তুহিন মাদবর। 


সভায় দলিল লেখকদের বিভিন্ন সমস্যা, অধিকার ও দীর্ঘদিনের ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, দলিল লেখকদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ সময় তারা ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


সভায় শরীয়তপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির কার্যকরী কমিটি নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


এছাড়াও আলহাজ মো. নুরুল হক মিয়া ফরিদপুর বিভাগীয় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।


  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৩৫ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ে এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। আর গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


আজ শনিবার (৮ আগষ্ট) দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের নেংড়ীরহাট নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের নেংড়ীরহাট এলাকার মৃত-দেবারু মোহাম্মদরে ছেলে আবুল হোসেন (৬৫) ও ব্যাংরোল জিয়াবাড়ী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মো: দেলোয়ার হোসেনের ছেলে অর্ণব ইসলাম (১৩)।


গুরুতর আহত পৌর শহরের কালিবাড়ী আমতলী এলাকার নূরে আলমের ছেলে নিরব ইসলাম (১৬) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়েছে।


পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টার দিকে পালসার মোটরসাইকেলে করে ঠাকুরগাঁও শহর হতে ব্যাংরোল বালিয়াডাঙ্গী যাচ্ছিলেন নিরব ও অর্নব। পথে নেংড়ীরহাট নামক এলাকায় বৃদ্ধ আবুল হোসেন রাস্তা পার হতে গেলে মোটরসাইকেলটি তাকে সজোরে ধাক্কা মারে এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি রাস্তার ধারের একটি বৈদ্যুতিক পিলারে গিয়ে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান পথচারী আবুল হোসেন ও মোটরসাইকেলের পিছনে বসা অর্নব ইসলাম এবং গুরুতর আহত অবস্থায় নিরব ইসলামকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার্ড করেন।


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শাজাহান আলী।


আজাদ হোসেন।

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৩১ পিএম

নোয়াখালীর কবিরহাটে আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতাকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।


শনিবার (৮ আগস্ট) নিহতের বোন লাভলী বেগম বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় মামলাটি করেন। মামলার নম্বর-৪। এতে এজাহারনামীয় দুই আসামি এবং অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার বিকেলে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে আজাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।


নিহত আজাদ ওই গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।


পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে আজাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। প্রাথমিক ভাবে মাদক সেবনে বাধা দেওয়া বা আড্ডাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  


নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তার চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশে ডোবায় পেলে লাশ গুমের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন বলে দাবি স্বজনদের।


জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, আজাদ স্থানীয় ক্লাবঘর এলাকায় ব্যবসা করত পাশাপশি যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে অতীতেও আজাদ একাধিকবার হামলার শিকার হয়ে ছিলেন। তিনি এ হত্যাকান্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত একই বাড়ির বাসিন্দারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কবিরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।