রংপুরে
পূর্বশত্রুতার জেরে এক যুবককে কুপিয়ে
হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে
নগরীর বৈরাগীপাড়া (মাছুয়াপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের
নাম রাকিব
হাসান (২০)। তিনি
ওই এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে তাঁতীপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ মমিন (৪২) ও তার সহযোগীরা
রাকিবের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা
জানান, নিহত রাকিব পূর্বে অভিযুক্ত মমিনের সঙ্গে মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। সেই সূত্রে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এছাড়া, ঘটনার আগের দিন মমিনের স্ত্রীর সঙ্গে রাকিবের হাতাহাতির ঘটনাও হত্যার পেছনে তাৎক্ষণিক কারণ হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, ঘটনার দিন হঠাৎ করেই রিকশাযোগে এসে মমিন ও তার দলবল
রাকিবের ওপর হামলা চালায়। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। দিনের আলোয় এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে
নিহতের পরিবার জানায়, রাকিবের বাবা আব্দুস সামাদ বাদী হয়ে গত বছরের ১৪
নভেম্বর কোতোয়ালী থানায় অভিযুক্ত মমিন মিয়াকে প্রধান আসামি করে মোট ছয়জনের নামে মামলা দায়ের করেছিলেন। ওই মামলার জের
ধরে এবং মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে
পারে বলে তাদের অভিযোগ।
রংপুর
মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান বলেন, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত রাকিবের সঙ্গে অভিযুক্তদের পূর্ব বিরোধ ছিল। তবে ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে দুর্গাপুর এম.এ. মতিন দাখিল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন, সহকারী শিক্ষক মো. ইব্রাহীম, সহকারী শিক্ষক মো. আলতাফ হোসেন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রতন চন্দ্র দে এবং শিক্ষার্থী উদয়সহ মোট ২৪ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুপুরে লক্ষীনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচ চৌমুহনী মোদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় বনাম দুর্গাপুর এম.এ মতিন দাখিল মাদরাসার খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচে রেফারিং ও খেলা পরিচালনার অব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত ক্রীড়া শিক্ষকের পরিবর্তে গণিতের শিক্ষককে দিয়ে খেলা পরিচালনা করে ক্ষ্মীনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিউদ্দিন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে লক্ষ্মীনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান কিছু শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে দুর্গাপুর এম.এ মতিন দাখিল মাদরাসার ৪জন শিক্ষক, ১৫জন শিক্ষার্থী ও ১ কর্মচারীসহ দুই পক্ষের ২৪জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে চারজনকে বেগমগঞ্জ লাইফ কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লক্ষ্মীনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিউদ্দিন বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে খেলা শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এর মধ্যেই একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কায়েসুর রহমান বলেন, ঘটনার পর ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমাদের তদন্তে গুরুতর কোনো সংঘর্ষ বা আহতের তথ্য মেলেনি। খেলার মাঠে ছোটখাটো ঘটনা ঘটে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাজী আবুল কাশেম (৬০) কে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়েছে। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও চৌমুহনী হকার্স মার্কেটের ফার্মেসি ব্যবসায়ী ইয়াছিন সেন্টু (৪৫)।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত পৌনে ১২টার দিকে চৌমুহনী বাজারের হকার্স মার্কেটের মূলগলির ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ ও ভুক্তভোগী তাৎক্ষণিক ঘটনার কারণ কোন কারণ জানাতে পারেননি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতা হাজী আবুল কাশেম রাজনীতির পাশাপাশি চৌমুহনী বাজারের নোয়াখালী জাতীয় হকার্স সমবায় সমিতি লিমিেটেডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চৌমুহনী বাজারে জাতীয় হর্কাস মার্কেটের অফিসে বসেন। এরপর রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি তার সহযোগী সেন্টুসহ অফিস থেকে বের হয়ে যান। একপর্যায়ে তারা দুজন হাঁটতে হাঁটতে হর্কাস মার্কেটের মুলগলির ওবায়দুলের চা দোকানের সামনে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা বিএনপি নেতা কাশেমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় আবুল কাশেমকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে কাশেমের হাতে গুলির আঁচড় লেগে সেন্টুর বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হয়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো.হাবীবুর রহমান বলেন, দুর্বৃত্তদের গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
যোগাযোগ করা হলে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) আনম ইমরান খান বলেন, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি নেতা কাশেমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। তা লক্ষ্যভ্রষ্ট লাগল সহযোগীর বুকে।
পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নবজাতক শিশুর জন্য শুভেচ্ছাস্বরূপ উপহার দেওয়া হয়
নীলফামারীর সৈয়দপুরের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী সকালে হাসপাতালে সন্তান জন্ম দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষায় সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশ নেন আন্নাবিউল উম্মি। আন্নাবিউল উম্মি সৈয়দপুর শহরের গোলাহাট এলাকার আজাহার আলীর মেয়ে এবং কয়া গোলাহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল সকালে হঠাৎ প্রসবব্যথা শুরু হলে দ্রুত আন্নাবিউল উম্মিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক সেবা নেওয়ার পর তিনি পরীক্ষা দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান। বিষয়টি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে দুপুরে তিনি পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশ নেন।
আন্নাবিউল উম্মি বলেন, ‘অনেক কষ্ট হচ্ছিল, তবু পরীক্ষা মিস করতে চাইনি। এক বছরের পরিশ্রম যেন নষ্ট না হয়, তাই এ অবস্থায়ই পরীক্ষা দিতে এসেছি। সবার কাছে আমার ও আমার নবজাতক সন্তানের জন্য দোয়া চাই।’
সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব শাহীদ শাহাব বলেন, ওই দিন সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার্থীর পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তাঁকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নবজাতক শিশুর জন্য শুভেচ্ছাস্বরূপ উপহারও দেওয়া হয়।
ছবি : সংগৃহীত
ময়মনসিংহের গফরগাঁও রেলস্টেশনে ঢোকার সময় ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তবে দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটির গতি কম থাকায় বড় ধরনের হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি গফরগাঁও স্টেশনের কাছে পৌঁছালে হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। এ সময় ইঞ্জিনের পেছনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিভিন্ন স্টেশনে কয়েকটি ট্রেন আটকা পড়েছে। দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। লাইন মেরামত করে দ্রুত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য দুর্ঘটনাস্থলে রিলিফ ট্রেন পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ৮ যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি ইউনিক পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৭ জন মারা যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায় আরেক শিশু।
নিহতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান। তিনি জানান ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় দুর্ঘটনায় হতাহতদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে ঝুঁকিপূর্ন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন মেরামতের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার( ৬ আগষ্ট) সকাল দশটায় নলছিটি ওজোপাডিকো অফিস সম্মুখ সড়কে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠি ও পৌরসভার কান্ডপাশা,শংকরপাশা,দক্ষিণ গৌড়িপাশা,নান্দিকাঠী এলাকাবাসীর আয়োজনে মানববন্ধনে ওই ইউনিয়নের ৭০ টি ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।
এসময় বক্তারা বলেন, দপদপিয়াসহ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ঝুঁকিপূর্ন লাইনে বারবার দূর্ঘটনা ঘটলেও কতৃপক্ষ লাইন মেরামতে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বর্ষায় বিদ্যুৎ এর তার লিকেজ হয়ে বিভিন্ন গাছপালা বিদ্যুতায়িত হয়ে অহরহ দূর্ঘটনা ঘটছে। অনেক জায়গায় খুঁটি না থাকায় গাছের সাথে বিদ্যুৎ এর তার সংযোগ দেয়া হয়েছে। এর ফলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।এছাড়াও পৌরসভার কান্ডপাশা,শংকরপাশা,দক্ষিণ গৌড়িপাশা,নান্দিকাঠী,মালিপুর এলাকার ঝুলে থাকা ঝুকিপূর্ণ সঞ্চালন লাইনও মেরামত এবং খুটি স্থাপনের দাবিও জানানো হয়।তারা অতি দ্রুত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন মেরামতের দাবি জানান।এ বিষয়ে মানববন্ধন করে পরবর্তীতে ওজোপাডিকোর আবাসিক প্রকৌশলী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা।
মানববন্ধন শেষে ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন লিমিটেডের আবাসিক প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত মালাকারের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে নলছিটি ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন লিমিটেডের আবাসিক প্রকৌশলী সুব্রত মালাকার বলেন, বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।