লামায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১২:০৪ পিএম

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত পাইলট প্রকল্পের ফ্যামিলী কার্ড প্রথম ধাপে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে। 


আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে লামা উপজেলা কমপ্লেক্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ ফ্যামেলী কার্ড বিতরনের শুভ উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী। এদিকে ফ্যামিলি কার্ড হাতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। 


এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী, অন্যানের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি , পুলিশ সুপার মোঃ আবদুর রহমান, সমাজসেবার উপ-পরিচালক মিল্টন মুহূরী সহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ অনেকে।


দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বান্দরবানের লামা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগী পরিবারগুলোর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। 


এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। প্রথমধাপে লামা উপজেলার দুর্গম ফাসিয়াখালী ইউনিয়নে ১ হাজার ৯৭ পরিবারের মাঝে ফ্যামেলী কার্ড দেয়া হবে। তার মধ্যে আজ প্রথমধাপে ৮ শতাধিক পরিবারের মাঝে ফ্যামেলী কার্ড হস্তান্তর করা হয়। এদিকে ফ্যামেলী কার্ড হাতে পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান উপকারভোগীরা ।


এদিকে ফ্যামেলী কার্ড বিতরনে প্রধানমন্ত্রীর একটি মহৎ উদ্যোগ। এই কার্ডের মাধ্যমে হত দরিদ্র পরিবার কিছুটা হলেও স্বাবলম্বী হতে পারবে বলে মনে করেন পার্বত্যমন্ত্রী  দীপেন দেওয়ান, মন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 


প্রথমবারের মতো চালু হওয়া এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি জেলার দরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫৩ পিএম

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় মাছবাহী পিকআপ ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় যশোর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত এক সেনাবাহিনীর এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।


সোমবার (৩ আগস্ট) ভোরে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের কবিরহাট টু সোনাপুর সড়কের ইতালি মার্কেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।


নিহত অটোরিকশা চালক মো.আমিনুল হক (৩০)। তিনি উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাদিয়া গ্রামের নুর নবীর ছেলে। আহত সেনাসদস্য সৈকত স্থানীয় বাসিন্দা এবং বর্তমানে যশোর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে একটি মাছবাহী  পিকআপ কবিরহাটের দিকে যাচ্ছিল। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পিকআপটি সোনাপুর-কবিরহাট সড়কের ইতালি মার্কেট এলাকায় পৌঁছলে কবিরহাট থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে মুখিমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে চালক আমিন উল্লাহ ও যাত্রী সৈকত গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে সকাল ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমিন উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সেনাসদস্য সৈকত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের আটক করে রাখা দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। তবে দুর্ঘটনার পর পিকআপের চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি সম্বলিত বিলবোর্ডটি অপসারণ করে একই শিরোনামে নতুন একটি বিলবোর্ড টাঙানো হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৪২ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিতদের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ডটি অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে রোববার রাতে বিলবোর্ডটি থেকে যুদ্ধাপরাধীদের ছবি মুছে দেওয়া হয়েছে। 


দু’দিন আগে শুক্রবার ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামে বিলবোর্ডটি টানিয়ে দেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের সংগঠন ‘নভো কালচার’। এতে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। 


বিলবোর্ডটি অপসারণের দাবিতে কয়েকটি ছাত্র সংগঠন রোববার বিকেলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তাদের দাবিতে রাত সোয়া ১০টার দিকে বিলবোর্ডটি মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত জানায় প্রশাসন। পরে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনরত ছাত্রনেতা ও শিক্ষার্থীরা।


বিলবোর্ডটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। তিনি বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে বিলবোর্ডটি সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। তিনি তাতে সম্মত হননি। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিলবোর্ডে থাকা আপত্তিকর ছবিগুলো মুছে দেওয়া হয়। 


বিলবোর্ডটি অপসারণের দাবিতে আন্দোলনকারী নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেক রহমান বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চিহ্নিত রাজাকারদের স্বাভাবিকীকরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা এর সুযোগ দেবেন না। প্রশাসন বিলবোর্ডটি সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় তারা রাতে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। এটি সরানো না হলে পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়ার কথাও জানান তিনি।


বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কিংবা বাংলাদেশের কোথাও রাজাকারদের কোনো ধরনের স্বাভাবিকীকরণ তারা মেনে নেবেন না। 


তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের প্রশ্নটি বাংলাদেশের মৌলিক জাতীয় ইস্যু। ২০২৪ সালের আন্দোলন কিংবা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধী মতাদর্শ বা তাদের পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই।

সর্বশেষ সব খবর

কাশিমপুর ভূমি অফিস

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:৫১ পিএম

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগে চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার সকালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে তাদের বরখাস্ত করেন জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। 


জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সকালে কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হঠাৎ পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি ভূমি কর্মকর্তা ও সেবা নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। 


পরে নানা অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ওয়াজেদ আলী খান, অফিস সহকারী মোস্তফা কামাল, সফিকুল ইসলাম খান, আব্দুল হালিমসহ চারজনকে বরখাস্ত করেন। পরে তিনি সফিপুরে অপর একটি ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:৩৯ পিএম

ঝালকাঠির নলছিটিতে নাচনমহল বাজারে ভোক্তা অধিকারে অভিযানে ৫ টি দোকানে মোট  ১৮০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।   রোজ সোমবার (৩ আগষ্ট) সকাল ১১ টায় নলছিটির নাচন মহল বাজারে এই জরিমানা করা হয়৷ 


এসময়ে মা মেডিকেল হল এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে ১২০০০ টাকা, বিশ্বাস মেডিকেল হল এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে ১০০০, লাইভ বেকারী এর মূল্য তালিকায় না থাকার কারনে ৩০০০, রাকিব ষ্টোর এর মূল্য তালিকা না থাকার কারনে ১০০০, শাহালম ষ্টোর এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে ১০০০, মোট ৫ টি দোকানে ১৮০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 


জরিমানা পরিচালনা করেন সাফিয়া সুলতানা সহকারী পরিচালক ভোক্তা অধিকার ঝালকাঠি।


এসময়ে সাফিয়া সুলতানা বলেন নাচন মহল বাজারে কয়েকটি দোকানে মূল্য তালিকা না থাকার কারনে এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে ৫ টি দোকানে মোট ১৮০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


সাফিয়া সুলতানা বলেন এই  অভিযান আমাদের  অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৪৭ পিএম

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।


সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের গনিপুর এলাকার চান মিয়া বাড়ির চাপরাশিয়া রাস্তার পাশে মাছের প্রজেক্টের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।


বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি ৩ থেকে ৪ দিন পানিতে থাকায় হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে গেছে।


তিনি আরও জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৪৭ পিএম

অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করায় সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল চক্রান্ত ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।তাকে হেয় প্রতিপন্ন ও ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা,মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।


থানা সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সাভারে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারসহ বেশ কয়েকটি সফল অভিযান পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এসআই নিয়ামত উল্লাহ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে তার ধারাবাহিক তৎপরতায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।অভিযোগ রয়েছে,চিহ্নিত অপরাধী, মাদক কারবারি ও সুবিধাবঞ্চিত স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী সংগঠিত হয়ে এসআই নিয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।


এ বিষয়ে এসআই নিয়ামত উল্লাহ বলেন,“আমি সবসময় আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালন করে আসছি।অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে নানামুখী চক্রান্ত শুরু করেছে।তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায় এবং আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।”


তিনি আরও বলেন,“আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি,এমন কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমি জড়িত নই। সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করা হোক।”

এদিকে,এসআই নিয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের ঘটনায় সাভার মডেল থানার সহকর্মী ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।


সচেতন মহলের দাবি,দায়িত্বশীল ও অপরাধ দমনে সক্রিয় পুলিশ কর্মকর্তাদের মনোবল ভেঙে দিতে পরিকল্পিতভাবে এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে কি না,তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সর্বশেষ সব খবর