ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৫ মে, ২০২৬, সময় : ৬:৪৪ এএম

লা লিগা জয় নিশ্চিতের পর ছাদখোলা বাসে বার্সেলোনার শোভাযাত্রায় ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ান লামিনে ইয়ামাল। এতে ইসরায়েল ও গাজায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।গত সোমবার কাতালান ক্লাবটির শিরোপা উদ্‌যাপন চলাকালে ছাদখোলা বাসে নিজের হাতে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ান ইয়ামাল। বার্সেলোনা শহরের রাজপথে সেদিন প্রায় সাড়ে সাত লাখ সমর্থকের উপস্থিতিতে জয়োল্লাস করে ক্লাবটি।


শোভাযাত্রায় ইয়ামালের পতাকা ওড়ানোর ছবি ও ভিডিও দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই তা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়। স্প্যানিশ এই তারকার ঘনিষ্ঠ কিছু সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে ‘দ্য অ্যাথলেটিক’কে জানান, পতাকা ওড়ানোর বিষয়টি ছিল পুরোপুরি একটি স্বতঃস্ফূর্ত কাজ।


সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ধর্মপ্রাণ মুসলিম ইয়ামাল ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকট নিয়ে বরাবরই সংবেদনশীল। নিজের পরিচিতিকে ব্যবহার করে নিজের বিশ্বাস বা মতাদর্শ প্রকাশে তিনি কখনোই কুণ্ঠা বোধ করেননি। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল তাঁর জীবনে ধর্মের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। এমনকি একজন পেশাদার ফুটবলার হয়েও রমজান মাসে কীভাবে রোজা ও খেলাধুলার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখেন, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। এর আগে গত মার্চে মিসরের বিপক্ষে স্পেন জাতীয় দলের ম্যাচে দর্শকদের মুসলিমবিদ্বেষী স্লোগানের বিরুদ্ধেও সরাসরি প্রতিবাদ জানান ইয়ামাল।


তবে ইয়ামালের ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ানো নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে স্প্যানিশ ভাষায় এক পোস্টে তিনি ১৮ বছর বয়সী এই ফুটবলারের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি ইয়ামালের এ আচরণের দায় থেকে বার্সেলোনাকে দূরে থাকারও আহ্বান জানান কাৎজ।


ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘লামিনে ইয়ামাল ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঘৃণা উসকে দেওয়া বেছে নিয়েছেন; যখন আমাদের সেনারা হামাসের মতো একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে লড়ছে। যে সংগঠন গত ৭ অক্টোবর ইহুদি শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের ওপর গণহত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মতো নৃশংসতা চালিয়েছে।’


তবে ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানো বাদে ইয়ামাল আর কীভাবে ‘ঘৃণা উসকে দিয়েছেন’, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি কাৎজ।


কাৎজ আরও লেখেন, ‘যাঁরা এ ধরনের বার্তাকে সমর্থন করেন, তাঁদের নিজেদের কাছে প্রশ্ন করা উচিত—তাঁরা কি একে মানবিক মনে করেন? এটি কি নৈতিক? ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে ইসরায়েল ও ইহুদিদের বিরুদ্ধে উসকানির মুখে আমি চুপ থাকব না।’


বার্সেলোনার প্রতি আহ্বান জানিয়ে কাৎজ লেখেন, ‘আমি আশা করি, এফসি বার্সেলোনার মতো একটি বড় ও সম্মানিত ক্লাব তাদের খেলোয়াড়ের এমন বক্তব্য থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেবে। পাশাপাশি এটিও দ্ব্যর্থহীনভাবে পরিষ্কার করবে যে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন বা উসকানি দেওয়ার কোনো জায়গা এখানে নেই।’


ইসরায়েলি মন্ত্রীর এ বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তাঁর হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা হয়, ‘একটি রাষ্ট্রের পতাকা ওড়ানোর বিষয়টিকে যাঁরা “ঘৃণা উসকে দেওয়া” বলে মনে করেন, তাঁরা হয় হিতাহিত জ্ঞান হারিয়েছেন, নয়তো নিজের জঘন্য মানসিকতায় অন্ধ হয়ে গেছেন। লামিনে কেবল ফিলিস্তিনের প্রতি সেই সংহতিই প্রকাশ করেছেন, যা কোটি কোটি স্প্যানিশ নাগরিক মনেপ্রাণে ধারণ করেন। তাঁর জন্য গর্বিত হওয়ার এটি আরও একটি বড় কারণ।’


ফিলিস্তিনের গাজায় এক ধ্বংসস্তূপের মাঝে ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে ইয়ামালের একটি ম্যুরাল বা দেয়ালচিত্র আঁকা হয়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাতে বর্তমান পর্যায়ে অঞ্চলটির এই এলাকা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে।


ফিলিস্তিনি শিল্পী উবাই আল-কুরশালি রয়টার্সকে বলেন, ‘সারা বিশ্ব দেখেছে, বার্সেলোনার এক বিশাল উৎসবে লামিনে ইয়ামাল ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছেন। এরপরই আমি এই দেয়ালচিত্র আঁকার কাজ শুরু করি। তিনি যা করেছেন, তার জন্য আমরা তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি ক্যারিয়ার, খেলা ও ভবিষ্যৎ—সবই ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন। কিন্তু সেসবে পরোয়া না করে তিনি ফিলিস্তিনের অধিকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।’


জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের স্থায়ী মিশন তাদের অফিশিয়াল ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ইয়ামালের পতাকা ওড়ানোর একটি ছবি শেয়ার করেছে। কাতালান ক্রীড়া দৈনিক ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’র তোলা এই ছবিটি ৪ লাখ ৪০ হাজার অনুসারীর কাছে পৌঁছে দিয়েছে মিশনটি। ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও ইন্টারনেটে এক বার্তার মাধ্যমে ইয়ামালকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছে।


ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা থেকে কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি যোদ্ধা ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালায়। এতে অন্তত ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত মাসে জানায়, সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।


ইসরায়েলি মন্ত্রী কাৎজের পোস্টের বিষয়ে ইয়ামালের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল ‘দ্য অ্যাথলেটিক’–এর পক্ষ থেকে। তবে এ বিষয়ে বার্সেলোনার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইসরায়েল সরকারের পক্ষ থেকে আসা সমালোচনা সম্পর্কে তাঁরা অবগত এবং এর সঙ্গে জড়িত সংবেদনশীলতা ও আবেগগুলো তাঁরা বুঝতে পারছেন। ক্লাবটি দাবি করেছে, ইয়ামাল বার্সেলোনার পক্ষ থেকে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেননি; এমনকি কোনো বিশেষ সম্প্রদায়, দেশ বা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কোনো বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যও তাঁর ছিল না।




সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৩৯ পিএম

বিশ্বকাপের মতো ফুটবল মহাযজ্ঞের মালিকানা বেসরকারি পুঁজির হাতে তুলে দেওয়ার এক বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়ে উত্তাল বিশ্ব ফুটবল। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ফিফার এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠেছে চারদিকে। ফুটবলপ্রেমী ও বিভিন্ন দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের তোপের মুখে পড়ে অবশেষে জল মাপতে শুরু করেছে ফিফা। 


আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সংস্থাটি জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তারা আপাতত আলোচনা ও পরামর্শের পথ খোলা রাখছে। তবে ফিফা স্বস্তিতে নেই একেবারেই। প্রস্তাবটির কড়া জবাব দিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক উয়েফা। বিবিসির প্রতিবেদন।


তাদের অধীন ৫৫টি দেশ একজোটে ভোট দিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই পরিকল্পনা না গুটালে তারা সরাসরি বিশ্বকাপই বর্জন করবে! কম যায়নি উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনকাকাফও। তাদের ৪১টি সদস্য দেশ একবাক্যে এই প্রস্তাবকে ঝুড়িতে ফেলে দিয়েছে।


চারদিক থেকে ধেয়ে আসা চাপের মুখে তড়িঘড়ি ব্যাখ্যা দিতে নেমেছে জুরিখে অবস্থিত ফিফা সদর দপ্তর। বিবৃতিতে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে উল্টো দায় চাপানো হয়েছে সংবাদমাধ্যমের ওপর। ফিফার দাবি, ‘মিডিয়ার ভুলভাল তথ্যের কারণে আমাদের পূর্বপরিকল্পিত আলোচনায় বিঘ্ন ঘটেছে। তবে সব সদস্য দেশ যেন সঠিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নিজেদের রায় দিতে পারে, সে জন্য উন্মুক্ত আলোচনা চালু রাখা হবে।’


একই সঙ্গে নিজেদের অবস্থান সাফ করতে ফিফার দাবি, ‘ফুটবল বিক্রি করে দেওয়ার কোনো ইচ্ছাই আমাদের নেই। এমন চিন্তাকে ফিফা কখনো আমলেই নেয় না।’


গোপন পরিকল্পনাটি আসলে কী? জানা গেছে, বিশ্বকাপসহ নিজেদের বড় টুর্নামেন্টগুলো পরিচালনার জন্য ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) নামে একটি আলাদা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলতে চায় ইনফান্তিনো প্রশাসন।


আর সেই নতুন কোম্পানির শেয়ারই তুলে দেওয়া হবে বিভিন্ন বেসরকারি বা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে। তবে চাল চাললেও তা মেলাতে বেগ পেতে হচ্ছে ফিফা বসকে। প্রস্তাবটি পাস করাতে হলে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের মধ্যে অন্তত ১০৬টির সমর্থন বা ভোট লাগবে। অথচ এরই মধ্যে উয়েফা ও কনকাকাফ মিলিয়ে একজোটে ৯৬টি দেশ আড়াআড়ি বাধা দিয়ে রেখেছে। ফলে ইনফান্তিনোর এই বাণিজ্যিক কার্ড খেলা শুরুতেই আটকে যাওয়ার পথে।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফিফা এখন ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করছে। তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা সবার উদ্বেগ ও মতামতকে শ্রদ্ধা জানাই। একটি গণতান্ত্রিক আলোচনার জন্য আমাদের দরজা খোলাই আছে। মূলত সব অঞ্চলের ফুটবলে বাণিজ্যিক সুফল পৌঁছে দিতেই এফএফই গঠনের এই চিন্তা। এতে ফুটবলের মূল চেতনা বা পরিচালনায় কোনো আঘাত আসবে না।’

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:১১ পিএম
  • আপডেট : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:১১ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


বিশ্বকাপের ১২ আয়োজক শহর চূড়ান্ত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:১১ পিএম

জোহানেসবার্গে জমকালো এক লঞ্চিং ইভেন্ট দিয়ে ঘোষণা করা হলো ২০২৭ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোর নাম। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার ১২টি শহরের হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের চতুদর্শ আসর। এই বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড ও থিমও জানানো হয়েছে এই আয়োজনের মাধ্যমে।

২৪ বছর পর ওয়ানডে বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েতে। নামিবিয়া বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বাদ পাবে প্রথমবার।বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড চূড়ান্ত করা হয়েছে এবার ‘মেইক দা সার্কল বিগার’ এবং থিম হলো ‘থ্রি নেশন্স, ওয়ান হার্টবিট।’

অনুষ্ঠানে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রায়েম স্মিথ, মাখায় এনটিনি, হাশিম আমলা, টেম্বা বাভুমা কাগিসো রাবাদার মতো সাবেক ও বর্তমান তারকারা। জিম্বাবুয়ের প্রতিনিধি ছিলেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, নামিবিয়ার ছিলেন রুডলফ ইয়ানেস ফন ফুরেন।

ইনান্ডা পোলো ক্লাবে এই বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন শীর্ষ ক্রিকেট কর্তারা। বিশ্বকাপের ব্র্যান্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গোলাকার আফ্রিকান বাটি। দক্ষিণ আফ্রিকা জুড়ে, এই স্বতন্ত্র, গোলাকার এবং সাংস্কৃতিকভাবে প্রতীকী বোনা বাটি ও ঝুড়িগুলো দৈনন্দিন জীবন ও ঐতিহ্যে ভূমিকা পালন করেছে, যা ঐতিহাসিকভাবে ফসল, উপহার এবং নৈবেদ্য নিবেদনের জন্য ব্যবহৃত হতো। এগুলো অন্তর্ভুক্তিমূলকতা, সম্প্রদায় এবং আতিথেয়তার প্রতীক, যা দক্ষিণ আফ্রিকার পরিচয় ও আবেগের দৃষ্টিকোণ থেকে ক্রিকেট উদযাপনের জন্য বিশ্বকে এই বৃত্তে স্বাগত জানায়। এই বিশ্বকাপের লক্ষ্য হলো আফ্রিকার সেরা ক্রিকেট উপভোগ করার জন্য বিশ্বকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ‘মেইক দা সার্কল বিগার’ বা বৃত্তটিকে আরও বড় করা।

বিশ্বকাপের ৫৪ ম্যাচের বেশির ভাগই হবে অনুমিতভাবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানে আটটি শহরে হবে খেলা-জোহানেসবার্গ, সেঞ্চুরিয়ন, ডারবান, গেবেখা (আগে যেটির নাম ছিল পোর্ট এলিজাবেথ), কুগোম্পো সিটি (আগে যেটির নাম ছিল ইস্ট লন্ডন), কেপ টাউন, পার্ল এবং ব্লুমফন্টেইন।

ফাইনাল ম্যাচটি হবে জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স কিংবা কেপ টাউনের নিউল্যান্ডস স্টেডিয়ামে।

জিম্বাবুয়েতে হবে সাত থেকে দশটি ম্যাচ। সেখানে মূল দুই ভেন্যু হারারে স্পোর্টস ক্লাব ও বুলাওয়ায়ো কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠের পাশাপাশি খেলা হবে ভিক্টোরিয়া ফলস স্টেডিয়ামে। ১০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার স্টেডিয়ামটির নির্মাণ কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। এই বছরের শেষ নাগাদ স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন করা হবে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ হবে। আগামী বছরের শুরুতে সেখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের লক্ষ্য আছে।

নামিবিয়ার উইন্ডহুকে হবে অন্তত তিনটি ম্যাচ।

প্রস্তুতি ম্যাচগুলি হবে বেনোনি ও পচেফস্ট্রুমে। এই দুই ভেন্যু ও নামিবিয়া মিলিয়ে হবে বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব। আগামী বছরের শুরুতে হবে সেই বাছাইপর্ব। দক্ষিণ আফ্রিকার মূল ভেন্যুগুলো তখন ব্যস্ত থাকবে এসএ টোয়েন্টিতে। আগামী বছরের ৪ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত সময়টি ধরে রাখা হয়েছে বিশ্বকাপের জন্য।

সর্বশেষ সব খবর

নেইমার

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:৫১ পিএম

ঠিক ১৬ বছর আগে ব্রাজিলের জার্সিতে এক তরুণ ফুটবলারের অভিষেক হয়। ২০১০ সালের ১০ আগস্ট নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ড স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ১১ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। ১৮ বছরের সেই তরুণ সময়ের সঙ্গে নিজেকে নিয়ে নেন অনন্য উচ্চতায়। হলুদ জার্সিতে নানান গল্প লিখে হয়েছেন দেশটির হয়ে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার। 


১৩০ ম্যাচে ৮০ গোল করা নেইমার বুধবার জানিয়ে দিয়েছেন, আর কখনও ব্রাজিলের জার্সি গায়ে জড়াবেন না। নিউইয়র্কের যে মাঠে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল, বিশ্বকাপ ফুটবলে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি একই মাঠে তাঁর শেষ। অর্থাৎ শুরু আর শেষের গল্প একই। মাঝে ফুটবলে এমন কিছু করেছেন নেইমার, যা ফুটবলভক্তদের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে। বিশ্ব ফুটবলে দ্যুতি ছড়ানো এই মহাতারকার নামের পাশে নেই ব্যালন ডি’অর, নেই বিশ্বকাপ, নেই কোপা আমেরিকা। ব্রাজিলের জার্সিতে শুধু জিতেছেন ২০১৩ সালে ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ।


অবসরের ইঙ্গিতটা বিশ্বকাপের সময়ই দিয়েছিলেন নেইমার। শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে পরাজয়ের পর পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হয়ে বুট জোড়া তুলে রাখার কথা বলেছিলেন তিনি। গতকাল ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে সান্তোসের ৪-২ গোলে জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ৩৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড অবসরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে আমার সময় শেষ। আমি ইতিহাস তৈরি করেছি। খুব সুখী ছিলাম। আমার রক্ত ও জীবন দিয়েছি, হলুদ জার্সির জন্য সব সময় লড়াই করেছি; কিন্তু এখন আর আমি এটা চাই না।’ এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ব্রাজিলীয় ফুটবলের একটি যুগের অবসান ঘটল এবং দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন থেকে তাঁর শৈশবের ক্লাব সান্তোসেই পুরোপুরি মনোযোগ দিচ্ছেন।


দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৮টি গোল। পরিসংখ্যানের পাশাপাশি ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান ভরসা ছিলেন তিনি। ড্রিবলিং, সৃজনশীলতা, গতি ও গোল করার দক্ষতায় এক দশকের বেশি সময় ধরে সেলেসাওদের আক্রমণভাগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছিলেন স্বর্ণপদক।


নিজ ক্লাব সান্তোসেও খুব একটা ভালো নেই নেইমার। ক্লাবের জুনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাঁর বিবাদের অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, নেইমার দলের তরুণ খেলোয়াড়দের মানের সমালোচনা করেছেন এবং এমনকি বলেছেন, আগামী মৌসুমে তাদের দ্বিতীয় বিভাগে খেলতে হবে। 


তবে এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড দাবি করেন, বিভাজন তৈরি করার জন্য একটি ‘কুচক্রী’ মহল এই মিথ্যা কাহিনি বানিয়েছে, ‘বিষয়টি দুঃখজনক এবং বিরক্তিকর। তবে এতে আমার কোনো দোষ নেই। এ ধরনের খবর অনেকের কাছেই পৌঁছে যায়। ম্যাচের পর আমি কথা বলেছিলাম, আরও ভালো পারফরম্যান্সের দাবি জানিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমরা এতটা গাফিলতি মেনে নিতে পারি না। চ্যাপেকোয়েনসের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি, এভাবে ড্র উপহার দেওয়া যায় না। আমি শুধু এতটুকুই বলেছিলাম।’

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৩৯ পিএম

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসছে স্পেন। অন্যদিকে ফাইনাল শেষে মাঠে ঘটে যাওয়া উত্তেজনাকর ঘটনার কারণে নতুন করে চাপে পড়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষের জেরে আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড়-কর্মকর্তাসহ স্পেনের এক ফুটবলারের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনেছে ফিফা। এখন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না, সেটিই দেখার অপেক্ষায় বিশ্ব।


২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষই চলে আসে আলোচনার কেন্দ্রে । ঘটনার পর তদন্ত শেষে কয়েকজন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনে ফিফা।


আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে ফিফার শৃঙ্খলা বিধির ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ১(আই) ধারায় তিনটি হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনার বিরুদ্ধে রয়েছে দুটি হামলার অভিযোগ, এর একটি পরিপূর্ণ হামলা এবং অন্যটি হামলার চেষ্টা। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে।


আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে একটি হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। বদলি বেঞ্চে থাকা থিয়াগো আলমাদার বিরুদ্ধে অভিযোগ অসৌজন্যমূলক আচরণের। একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়েছেন স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিও।


ফিফা জানিয়েছে, শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তাদের বক্তব্য পর্যালোচনার পর ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।


এর আগে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনাল জয়ের পরও বিতর্কে জড়ায় আর্জেন্টিনা। উদযাপনের সময় কয়েকজন খেলোয়াড় ‘Las Malvinas son Argentinas’ লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন। আর্জেন্টিনায় মালভিনাস নামে পরিচিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার দীর্ঘদিনের বিরোধ থাকায় ঘটনাটি রাজনৈতিক বিতর্কও সৃষ্টি করে।


ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ১৮৩৩ সাল থেকে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ১৯৮২ সালে দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়, যাতে ৯০০–এর বেশি মানুষ নিহত হন।


ব্যানার প্রদর্শনের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মুখপাত্র বলেন, ‘বিশ্বকাপ হয়তো আমাদের নয়, কিন্তু ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ অবশ্যই আমাদের।’ অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের সমর্থন জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।


ফাইনালের ঘটনার পর স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেও আর্জেন্টিনার আচরণের সমালোচনা করে বলেন, ‘এত বড় মাপের ফুটবলারদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করা যায় না। এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

 

সর্বশেষ সব খবর

নতুন অধিনায়ক লিটন

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:৩৪ পিএম

মেহেদী হাসান মিরাজের পরিবর্তে বাংলাদেশ দলের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয়েছে লিটন দাসকে। লিটন আগে থেকেই ছিলেন টি–টুয়েন্টি দলের নেতৃত্বে। এখন সাদা বলের দুই সংস্করণেই নেতৃত্ব দেবেন তিনি। ওয়ানডে দলের সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে তাওহিদ হৃদয়কে। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন নাজমুল হোসেনই।


আজ মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের সভার পর বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তিন সংস্করণে দুজন অধিনায়ক রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি সাদা বল ও লাল বলে আলাদা অধিনায়ক থাকা প্রয়োজনও। বোর্ডও এতে একমত হয়েছে।’


২০২৫ সালের জুনে হুট করেই নাজমুলকে সরিয়ে দিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে ওয়ানডে অধিনায়ক করে আমিনুল ইসলামের বোর্ড। এই সংস্করণে ২৪ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে ১০ ম্যাচ জিতেছেন মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জেতে মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল। সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সিরিজে অবশ্য ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ।


তবে মিরাজকে নেতৃত্বে না রাখার পেছনে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স কোনো ভূমিকা রাখেনি বলে জানিয়েছেন তামিম। বরং খেলোয়াড় মিরাজকেই দলের বেশি দরকার মনে করে বিসিবি। 


এ বিষয়ে তামিম বলেন, ‘মিরাজ অত্যন্ত সফল অধিনায়ক। গত কয়েকটি সিরিজে সে খুব ভালো করেছে। কিন্তু আমি মনে করি মিরাজকে একজন পারফরমার হিসেবে আমাদের বেশি প্রয়োজন। তাঁকে আমরা ব্যাটিং ও বোলিংয়ে যেভাবে দেখতে অভ্যস্ত, বর্তমানে তাতে কিছুটা ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। আমরা চাই সে তার পূর্ণ ছন্দে ফিরে আসুক।’


এ নিয়ে মিরাজের সঙ্গে কথা হয়েছে বিসিবি সভাপতির। বিসিবির ভাবনাটা তিনি বুঝতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন তামিম।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:০৫ পিএম

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের দল জাফনা কিংসের অন্যতম মালিক ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার মনজ্যোৎ কালরা। অভিযোগ উঠেছে, ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য নিজের দলের একজন ক্রিকেটারকে টাকা দিতে গিয়েছিলেন তিনি। এই অভিযোগে শ্রীলঙ্কার জেলে বন্দি আছেন তিনি। এবার তার জামিনের আবেদনও খারিজ হয়ে গেছে। 


কলম্বোর প্রধান ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জামিনের আবেদন করেছিলেন কালরা এবং তার সহকারী যুবরাজ পুষ্প। তাদের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, দুজনেরই শরীর খারাপ। তাই মানবিক কারণে তাদের জামিন দেওয়া উচিত। 


তবে এই আবেদনের বিরোধিতা করে শ্রীলঙ্কা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। শেষ পর্যন্ত পুলিশের দাবি মেনে নিয়ে দুজনকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন প্রধান ম্যাজিস্ট্রেট।


কালরার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন শ্রীলঙ্কার জাতীয় দলের তিন ক্রিকেটার ভানুকা রাজাপক্ষ, আবিষ্কা ফের্নান্দো এবং দুনিথ ওয়েল্লালাগে। এ ছাড়া আরও দুজন ঘরোয়া ক্রিকেটারও কালরার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন।


২০১৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। পৃথ্বী শ'র নেতৃত্বাধীন সেই দলে ওপেনার ছিলেন কালরা। তিনি পৃথ্বীর সঙ্গে ইনিংস শুরু করতেন। তিন নম্বরে ব্যাট করতেন শুভমান গিল। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত ১০১ রান করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন কালরা।


তবে পরবর্তী সময়ে ক্রিকেটে নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি কালরা। ক্রিকেটে ভবিষ্যৎ গড়তে না পেরে স্পোর্টস কমিউন নামের একটি সংস্থা তৈরি করেন তিনি। এই সংস্থাই ছিল জাফনা কিংসের অন্যতম মালিক। 


তবে ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে নাম জড়ানোর পর এই সংস্থার সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করে দিয়েছে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ। সব মিলিয়ে ক্রমেই বাড়ছে কালরার সমস্যা।


সর্বশেষ সব খবর