গ্লেন ম্যাক্সওয়েল
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। অস্ট্রেলিয়ার ৩৮ বছর এই বয়সী ক্রিকেটার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এবং লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ থেকেও বিদায় নিচ্ছেন। তবে ২০২৭-২৮ মৌসুম পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করায় মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে তাঁকে বিগ ব্যাশে (বিবিএল) খেলতে দেখা যাবে। ম্যাক্সওয়েল গত বছর জুনে ওয়ানডে ক্রিকেট ছাড়লেও খেলেন এ বছর টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে। অস্ট্রেলিয়া এই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব পার হতে পারেনি। পাল্লেকেল্লেতে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে ম্যাচটিই হয়ে রইল অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে তাঁর শেষ ম্যাচ।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে ‘ফাইনাল ওয়ার্ড' পডকাস্টকে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এবং পরে আমাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে। আর বিষয়টি বেশ খোলামেলা ছিল। ওই দিক থেকে (অস্ট্রেলিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট) কোনো চাপ ছিল না। সামনে কয়েকটি সিরিজ ছিল, যেখানে তারা ভবিষ্যতের কথা ভেবে দল সাজাতে চেয়েছে। আমরা বাংলাদেশে সেটাই দেখেছি, যেখানে তরুণরা সুযোগ পেয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করেছে।’
‘বিগ শো’খ্যাত ম্যাক্সওয়েল তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে। ২০১৫ ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের মাঝে ২০২১ সালে জেতেন টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিদায়বেলায় একটি আক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন ম্যাক্সওয়েল।
নিজের হোম ভেন্যুতে দেশের হয়ে শেষবারের মতো মাঠে নামতে না পারার আক্ষেপ জানিয়ে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) একটা বিদায়ী ম্যাচ খেলার ছোট্ট আশা বা আলোচনা ছিল। তবে এই দলটা যে পথ ধরে এগোচ্ছে, তা আমি বুঝতে পারছি।’
ম্যাক্সওয়েল এরপর বলেন, ‘সামনে অলিম্পিক (২০২৮ সালে) আছে, সে কারণে আমি মনে করি আগামী ১২ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে অনেক পরিবর্তন আসবে। তাই নতুন কিছু তরুণ খেলোয়াড়কে দলে ভিড়িয়ে তাদের ওপর নজর রাখা এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচের চাপের সঙ্গে তাদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া দলের জন্য জরুরি, যা সব সময় বিগ ব্যাশ লিগের (বিবিএল) ম্যাচ থেকে পাওয়া যায় না।’
ম্যাক্সওয়েল ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিয়মিত। গত সেপ্টেম্বরে ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগে বেলফাস্ট উলভসকে ফাইনালে নেতৃত্ব দেন। এর পাঁচ দিন পর ওয়ানডে কাপে ভিক্টোরিয়ার হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেন।
এ নিয়ে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘ভিক্টোরিয়ার হয়ে শেষ ওয়ানডে ম্যাচের পর সতীর্থদের জানানো যে সেটাই ওই দলটির হয়ে আমার শেষ ম্যাচ—বিষয়টি আমার ভাবনার চেয়েও কঠিন ছিল...হ্যাঁ, সবার সামনে কথা বলতে গিয়ে আমার গলা কিছুটা ধরে এসেছিল। তবে হ্যাঁ, ক্যারিয়ারে বাকি কয়েকটি টুর্নামেন্ট ঠিকঠাক শেষ করতে এখন শরীরকে ফিট রাখতে একটু বেশি যত্ন দেওয়া দরকার।’
চলতি মাসেই সাদা বলের সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় যাবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। টি–টুয়েন্টি সিরিজে মেলবোর্নে একটি ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচ খেলে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা ছিল ম্যাক্সওয়েলের।
কিন্তু সেই ইচ্ছা পূরণ না হওয়ার বিষয়ে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘সুযোগটা ছিল, তবে আমি বিগ ব্যাশের জন্য তৈরি হতে হাঁটুতে ইনজেকশন নিতেও প্রস্তুত ছিলাম। তাই দুই দিকেই ইতিবাচক ব্যাপার ছিল। আর দরজাটা (মেলবোর্নে খেলার) বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি নিজের শরীরের যত্ন নেওয়ারও সুযোগ পেয়েছি।’
ম্যাক্সওয়েল এরপর বলেন, ‘হিরো বা আইডলদের ক্ষেত্রে যেমন রূপকথার মতো শেষ হতে দেখা যায়, হয়তো মনের অজান্তে আমার মাথায়ও তেমন একটা ভাবনা এসেছিল। ১৫ বছর ধরে এই সংস্করণকে যেহেতু নিজের মনে হয়েছে, তাই অন্য কোনো সংস্করণে নয়, শুধু এটার জন্যই হয়তো আমি এমন একটা বিদায়ের কথা ভেবেছিলাম।’
ম্যাক্সওয়েল অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৩০ টি-টুয়েন্টি ম্যাচে ১৫৪.৪২ স্ট্রাইক রেটে ২৮৯৭ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এ সংস্করণে ম্যাক্সওয়েল তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। স্পিন বোলিংয়েও আছে ৫১টি উইকেট। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর পাঁচটি সেঞ্চুরি রোহিত শর্মার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্ব রেকর্ড। ৭টি টেস্ট ম্যাচে ৩৩৯ রান করার পথে একটি সেঞ্চুরিও আছে। ১৪৯ ওয়ানডেতে ৩৩.৮১ গড়ে ৪ সেঞ্চুরিসহ ৩৯৯০ রান করেন ম্যাক্সওয়েল।
ছবি : সংগৃহীত
পুনর্গঠিত আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) আসরকে সামনে রেখে প্রকাশ করা হয়েছে খেলোয়াড়দের ড্রাফট তালিকা। এতে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের নাম রয়েছে। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, ৩ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই ড্রাফট।
আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) বরাত দিয়ে ক্রিকইনফো জানিয়েছে, প্রায় ১,৫০০ দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারের নিবন্ধন থেকে চূড়ান্ত ড্রাফটের জন্য ৪৬২ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। আগামী ২৭ ডিসেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে পাঁচ দলের এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। তবে চূড়ান্ত ভেন্যু না জানানো হলেও আসরটি আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
ড্রাফটে সাকিবসহ আছেন যেসব বাংলাদেশি
এপিএলের ড্রাফটে ডায়মন্ড ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশি তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে প্ল্যাটিনাম ক্যাটাগরিতে জায়গা করে নিয়েছেন পাঁচ বাংলাদেশি—মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন।
আছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। এছাড়াও আফিফ হোসেন, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, মাহমুদুল্লাহ, হাসান মাহমুদ, জাকের আলী অনিক, শেখ মেহেদী হাসান, তাইজুল ইসলাম এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন গোল্ড ক্যাটাগরিতে নাম নিবন্ধন করেছেন।
ভারতীয় ও পাকিস্তানি তারকাদের ভিড়
আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ক্রিকেট থেকে সব সংস্করণে অবসর নেওয়া ভারতীয় অলরাউন্ডার বিজয় শংকর নাম লিখিয়েছেন এই ড্রাফটে। তার সঙ্গে নিবন্ধিত অন্য দুই ভারতীয় ক্রিকেটার হলেন আয়ান খান ও মুরুগান অশ্বিন।
পাকিস্তান থেকে সর্বোচ্চ ২৯ জন ক্রিকেটার নাম জমা দিয়েছেন। তালিকায় সাইম আইয়ুব, আরাফাত মিনহাস, হাসান নওয়াজ, ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, মোহাম্মদ রিজওয়ান, নাসিম শাহ ও ফাহিম আশরাফদের মতো তারকারা রয়েছেন। যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী সাবেক পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমিরও এই ড্রাফটের তালিকায় আছেন। তবে তিনি ব্রিটিশ পাসপোর্ট নিয়ে ড্রাফটে নাম দিয়েছেন।
এছাড়া ভানিন্দু হাসারাঙ্গা, রিজা হেনড্রিকস, রোমারিও শেফার্ড, রভম্যান পাওয়েল, ইমরান তাহির ও আকিল হোসেনের মতো আন্তর্জাতিক তারকারাও ড্রাফটের ড্রয়ে থাকছেন।
দলগুলোর অধিনায়ক, কোচ ও মেন্টর
এসিবি ইতোমধ্যেই টুর্নামেন্টের পাঁচ দলের অধিনায়ক, হেড কোচ ও মেন্টরদের নাম ঘোষণা করেছে। ক্রিকইনফো জানিয়েছে, একটি 'লিডার্স ড্রাফটে'র মাধ্যমে দলগুলোর অধিনায়ক ও কোচ চূড়ান্ত করেন মেন্টররা।
> কান্দাহার ওয়ারিয়র্স: রশিদ খান (অধিনায়ক), রবি বোপারা (হেড কোচ), ইরফান পাঠান (মেন্টর)।
> আকসেল ইউনাইটেড কাবুল: আজমতউল্লাহ ওমরজাই (অধিনায়ক), শেন ম্যাকডারমট (হেড কোচ), নিখিল চোপড়া (মেন্টর)।
> নঙ্গরহার দল: রহমানউল্লাহ গুরবাজ (অধিনায়ক), টবি র্যাডফোর্ড (হেড কোচ), মার্ক বাউচার (মেন্টর)।
> পাকতিয়া দল: রহমত শাহ (অধিনায়ক), আজহার মাহমুদ (হেড কোচ), ওয়াকার ইউনিস (মেন্টর)।
> বলখ দল: ইব্রাহিম জাদরান (অধিনায়ক), মিকি আর্থার (হেড কোচ), তিলকারত্নে দিলশান (মেন্টর)।
ড্রাফট ও স্কোয়াডের নিয়মাবলী
প্রতিটি ফ্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ ৭ লাখ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের বেতন বাবদ খরচ করতে পারবে। নিয়ম অনুযায়ী:
> প্রতি দলে ১৯ জন 'অ্যাক্টিভ' ক্রিকেটার থাকবেন—১৭ জন মূল ড্রাফট থেকে এবং ২ জন সাপ্লিমেন্টারি রাউন্ড থেকে।
> একাদশে অন্তত ৭ জন আফগান ক্রিকেটার (যার মধ্যে ১ জন ইমার্জিং) এবং সর্বোচ্চ ৪ জন বিদেশি ক্রিকেটার খেলতে পারবেন।
>প্রথম ৯ জন ড্রাফট পিকিংয়ের মধ্যে অন্তত ৩ জন বিদেশি ক্রিকেটার থাকতে হবে।
২০১৮ সালে এপিএলের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে আর্থিক অনিয়ম ও শৃঙ্খলাজনিত উদ্বেগের কারণে প্রথম আসরের পর টুর্নামেন্টটি স্থগিত রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন আঙ্গিকে ফিরছে আফগানদের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ।
লিওনেল মেসি
লিওনেল মেসির গোল ও অ্যাসিস্টের নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়িয়ে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশনকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মিয়ামি। রোববার রাতে নিউ ইংল্যান্ডের মাঠে পিছিয়ে পড়েও জয় তুলে নেয় মায়ামি। দ্বিতীয়ার্ধে প্রথমে সতীর্থের গোলে অবদান রাখেন মেসি, পরে নিজেই করেন জয়সূচক গোল। এই জয়ে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ইন্টার মিয়ামি। এক ম্যাচ হাতে রেখে নিউ ইংল্যান্ডকে এক পয়েন্টে পেছনে ফেলেছে দলটি। চলতি মৌসুমে প্রতিপক্ষের মাঠে এটি মিয়ামির দশম জয়, যা লিগের অন্য যেকোনো দলের চেয়ে তিনটি বেশি।
জয়ের সুবাদে আগামী বছরের কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপেও জায়গা নিশ্চিত করেছে মিয়ামি।
প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। বিরতির পর ৫৩ মিনিটে ড্যানিয়েল গাজদাগের গোলে এগিয়ে যায় নিউ ইংল্যান্ড। ইলাই ফেইনগোল্ড ও পেটন মিলারের পাস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের শটে মায়ামির গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ারকে পরাস্ত করেন তিনি। চলতি মৌসুমে ১১ ম্যাচে এটি গাজদাগের দ্বিতীয় গোল।
এই গোলে অবদান রাখা ফেইনগোল্ডের এটি মৌসুমের পঞ্চম অ্যাসিস্ট। ১৮ বছর বয়সী মিলারের অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ৯টিতে। দুজনের জন্যই এটি ক্যারিয়ারসেরা অর্জন।
পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় মায়ামি। ৬৯ মিনিটে সেই প্রচেষ্টায় সফল হয় তারা। মেসি ও তেলাসকো সেগোভিয়ার সমন্বয়ে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন জার্মান বের্তেরামে। তাতে ১-১ সমতায় ফেরে মায়ামি।
তিন ম্যাচ পর গোল বা অ্যাসিস্টের খাতায় নাম লেখালেন মেসি। অন্যদিকে এমএলএসে নিজের প্রথম মৌসুমেই ১০টি গোল ও ১০টি অ্যাসিস্টের কীর্তি গড়েছেন বের্তেরামে।
সমতায় ফেরার পর জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মায়ামি। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে সেই কাঙ্ক্ষিত গোলটি এনে দেন মেসি। সেগোভিয়ার পাস থেকে বল পেয়ে জালে পাঠান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এটি চলতি লিগে তার ২৬তম গোল, যা এখন পর্যন্ত প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ।
সেগোভিয়ার জন্যও এই অ্যাসিস্ট বিশেষ অর্জন। চলতি মৌসুমে তার অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টিতে, যা তার ক্যারিয়ারসেরা। অন্যদিকে চলতি মৌসুমে ১৬টি অ্যাসিস্ট নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন মেসি। গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে তার অবদান ৪২টি, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা খেলোয়াড়ের চেয়ে নয়টি বেশি।
মায়ামির হয়ে গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ার তিনটি সেভ করেন। প্রতিপক্ষের মাঠে চলতি মৌসুমে দলটির রেকর্ড এখন ১০ জয়, ৪ হার ও ৩ ড্র। নিউ ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক ম্যাট টার্নারও তিনটি শট ঠেকান।
এই হারে নিউ ইংল্যান্ডের টানা চার জয়ের ধারা থেমেছে। নিজেদের মাঠে চলতি মৌসুমে তাদের রেকর্ড এখন ১১ জয়, ৪ হার ও ২ ড্র। প্রথমার্ধে সেন্ট ক্লেয়ার দুটি এবং টার্নার একটি সেভ করেন। ফলে বিরতিতে গোলশূন্য সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল। এর আগে এপ্রিলের শেষ দিকে মায়ামির মাঠে দুই দল ১-১ গোলে ড্র করেছিল।
নিয়মিত মৌসুমের শেষ ম্যাচে আগামী ৭ নভেম্বর শার্লট এফসির মুখোমুখি হবে ইন্টার মিয়ামি। এমএলএসের ‘ডিসিশন ডে’তে নিউ ইংল্যান্ড খেলবে অরল্যান্ডো সিটির মাঠে।
ছবি : সংগৃহীত
স্থায়ী খেলার মাঠের দীর্ঘদিনের অভাব দূর করতে এক অনন্য ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের বাসিন্দারা। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ জমিয়ে তারা ৬০ শতাংশ জমি কিনে তৈরি করেছেন স্থায়ী খেলার মাঠ।
গ্রামের মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তা নজর কেড়েছে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলেরও। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এই মহৎ উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে মাঠের পাশের আরও ৬০ শতাংশ জমিও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ক্রয় করে গ্রামবাসীকে উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে দেলদুয়ারের জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বাবুপুর গ্রামের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানে এই সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে এবং গ্রামবাসীকে সংবর্ধিত করা হবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘খেলার মাঠের জন্য বাবুপুর গ্রামের মানুষের এমন স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ ক্রীড়াঙ্গনে এক ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সরকার ও মন্ত্রণালয় সবসময় এমন ইতিবাচক ও স্ব-উদ্যোগী কাজকে উৎসাহ দিতে চায়। শিশু-কিশোরদের খেলার সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা যদি এই গ্রামবাসীর পাশে থাকতে পারি, তা হবে বিশেষ কিছু।’
তিনি আরও বলেন, এটি কেবল একটি মাঠ তৈরি নয়, বরং সারাদেশের জন্য জনসম্পৃক্ততার এক দারুণ অনুপ্রেরণামূলক মডেল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষের বাস বাবুপুর গ্রামে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেখানে খেলাধুলার জন্য কোনো স্থায়ী মাঠ ছিল না। বর্ষা শেষে ধান কাটার পর সাময়িকভাবে ফাঁকা জমিতে শিশুরা খেলার সুযোগ পেলেও চাষাবাদ শুরু হলেই তা বন্ধ হয়ে যেত। এই সংকট মেটাতে গ্রামের ক্রীড়াব্যক্তিত্ব খোরশেদ আলম ও উদ্যোক্তা এস এম ইকবাল মাহমুদের নেতৃত্বে একটি মতবিনিময় সভা করেন গ্রামবাসী।
সেই সভাতেই জমি কিনে মাঠ করার সিদ্ধান্ত হয়। গ্রামের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিত্তবানদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে গড়ে ওঠে একটি তহবিল। যার যার সাধ্যমতো ২০০, ৫০০, ১,০০০ থেকে শুরু করে ৫,০০০ ও ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দেন।
সব মিলিয়ে সংগৃহীত টাকা দিয়ে ৩০ লাখ ৬৮ হাজার টাকায় ৫৯ শতাংশ জমি কেনা হয়। আর এক শতাংশ জমি বিনা মূল্যে দান করেন জমির মালিক ইকবাল হোসেন। গত ২৯ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে গ্রামবাসীর কাছে এই মাঠ বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ ওয়ার্ল্ড কাপের টায়ার ‘ই’-এর রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ
ফাইনালে উঠেই ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল। শিরোপা জয়ের স্বপ্নও দেখছিলেন তরুণ ফুটবলাররা। তবে শেষ বাধায় আর পেরে ওঠেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শুক্রবার আজারবাইজানের বাকুতে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে হেরে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ ওয়ার্ল্ড কাপ অ্যান্ড ফেস্টিভ্যালের টায়ার ‘ই’-এর রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। ১৪ মিনিটে মোইর গোলে এগিয়ে যায় তারা। চার মিনিট পর পেনেলের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হলে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
২৩তম মিনিটে এক গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান তাকিব। তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তিন মিনিট পরই নিজের দ্বিতীয় গোল করে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিককে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মোই। ৩৯তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। তাতে প্রথমার্ধেই ৪-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশের কিশোরেরা। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে টায়ার ‘ই’-এর শিরোপা জিতে নেয় সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক।
১৮৯টি দেশ অংশ নেওয়া এই প্রতিযোগিতায় টায়ার ‘ই’-এর ফাইনালে ওঠার সুবাদে সামগ্রিকভাবে ১৩০তম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। শিরোপা জিততে না পারলেও টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পথচলা ছিল উল্লেখযোগ্য।
কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে ছয় দলের মধ্যে পঞ্চম হয়ে টায়ার ‘ই’-তে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ। এই পর্বে একটি ম্যাচে জয় পেয়েছিল দলটি। এরপর ৩২ দলের নকআউট পর্বে সেশেলসকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ওঠে বাংলাদেশ। পরের রাউন্ডে সিঙ্গাপুরকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারায় তারা।
কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনিগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশের কিশোরেরা। সেমিফাইনালে গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়ে নিশ্চিত করে ফাইনাল। তবে শেষ ম্যাচে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে হারায় রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে দলটিকে।
প্রথমবার আয়োজিত এই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৫ দলের এমন পথচলা ভবিষ্যতের জন্য অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাসের পুঁজি হয়ে থাকবে।
সাদমান ইসলাম
সাদমান ইসলামের প্রত্যাশিত সেঞ্চুরিটি হয়ে গেল দ্রুতই। এরপরই প্রত্যাশিত ধসের পালা। শুরুটা করলেন জশুয়া বিশপ। জোড়া ধাক্কায় নাড়িয়ে দিলেন অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার। এরপর দৃশ্যপটে জোমেল ওয়ারিক্যান। তার বাঁহাতি স্পিনে ধসে পড়ল বাংলাদেশের ইনিংস।
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে বেশ ভালো অবস্থানেই ছিল বাংলাদেশ। দিনের খেলা শেষে ভারপ্রাপ্ত ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন বরেছিলেন, অন্তত ৪০০ রান করতে চান তারা। কিন্তু দ্বিতীয় দিনে প্রথম সেশনেই সেই আশার মৃত্যু্। ৪০০ তো দূরের কথা, ৩০০ রানের কাছেও যেতে পারেনি তারা। ওয়ারিকানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ভুল লাইনে খেলার মাশুল দিয়ে একের পর এক উইকেট দিয়ে আসেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এ দিন আর মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই শেষ বাকি ৭ উইকেট। বড় সম্ভাবনা জাগিয়েও ইনিংস থেমে যায় মোটে ২৭২ রানে।
বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিয়ে ৫৩ রানে ৫ উইকেট পান ওয়ারিক্যান। ২৬ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থ ৫ উইকেট, বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম।সকালে শুরুটা ছিল আনন্দময়। সেঞ্চুরির জন্য এক রানের অপেক্ষায় থাকা সাদমান দ্বিতীয় বলে পৌঁছে যান কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। এরপরই হারিয়ে ফেলেন মনোযোগ। বিশপের বলের লেংথ পড়তে ভুল করে ১০৫ রানে এলবিডব্লিউ হন বাঁহাতি ওপেনার।
পরের ওভারে তাওহিদ হৃদয়কে বোল্ড করে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেন বিশপ। এতে অবশ্য বোলারের কৃতিত্বের চেয়ে ব্যাটসম্যানের দায়ই বেশি। ফুল লেংথ ডেলিভারিতে অহেতুক স্লগ করার চেষ্টায় স্টাম্প এলোমেলো হতে দেখেন আগের দিন চোট পেয়ে মাঠ ছেড়ে যাওয়া ব্যাটসম্যান।
ততক্ষণ পর্যন্ত বিশপকে সঙ্গ দেওয়ার ভূমিকা পালন করেন ওয়ারিক্যান। ৮৩তম ওভারের শুরুতে দ্বিতীয় নতুন বল নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাঁচ ওভার শুধু দুই প্রান্তে পেস আক্রমণ চালায় তারা। এরপর বল তুলে দেওয়া হয় ওয়ারিক্যানের হাতে।
নতুন স্পেলে ফিরে সাফল্যের জন্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি ওয়ারিকানের। তার তার ফ্লাইট ও ড্রিফটে বিভ্রান্ত হয়ে ভুল লাইনে ব্যাট পেতে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে বল চলে যায় স্টাম্পে। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না নিজের পরিণতি।
মিরাজের বিদায়ে শুরু হয়ে শেষের ধস। মাত্র ১৯ রানের মধ্যে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এতে ওয়ারিক্যানের সঙ্গে অবদান রাখেন দুই পেসার জেডেন সিলস ও শামার জোসেফ। শর্ট বলের পরিকল্পনায় শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাসের কঠিন পরীক্ষা নেন পেসাররা। আঙুলে চোটও পান এই কিপার-ব্যাটার।
পরপর দুই ওভারে নাঈম হাসান ও হাসান মাহমুদকে ফিরিয়ে দেন জোসেফ। বাকি থাকা দুই উইকেট নিতে সময় নষ্ট করেননি ওয়ারিক্যান। পরপর দুই বলে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম। ৫ উইকেট পূর্ণ হয় ওয়ারিকানের। দ্বিতীয় ইনিংসে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা নিয়ে বোলিং শুরু করবেন ৩৪ বছর বয়সী স্পিনার।
লিটন অপরাজিত রয়ে যান ৩৪ রানে।
ওয়ারিক্যানের ৫ উইকেটের ৪ জনই ছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। সব মিলিয়ে ৭ উইকেট নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই বাঁহাতি স্পিনার। এ নিয়ে চারবার বাঁহাতি স্পিনারদের কাছে ইনিংসে ৭ উইকেট হারাল বাংলাদেশ। সবগুলোই ২০২২ সালের পর।
হামজা চৌধুরী
ইসরায়েলের আগ্রাসনে বিধ্বস্ত গাজায় মানবেতর জীবনযাপন করা শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন হামজা চৌধুরী। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ইংলিশ ফুটবলার সেখানকার শিশুদের জন্য ১০ লাখ পাউন্ডের বেশি তহবিল সংগ্রহের কথা জানিয়েছেন।
নিজের ফেইসবুক পেইজে এ নিয়ে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন হামজা। ভালোবাসার ইমোজি ব্যবহার করে প্রথম লাইনে তিনি লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, গাজার শিশুদের জন্য আমরা ১০ লাখ পাউন্ডেরও বেশি তহবিল সংগ্রহ করতে পেরেছি।”
এই তহবিল সংগ্রহে সাহায্য করা নুজুম স্পোর্টসকে আলাদাভাবে প্রশংসা করেছেন হামজা।
“যারা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দান করেছেন, সমর্থন দিয়েছেন এবং অবদান রেখে এটিকে সফল করে তুলেছেন, তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ। বিশেষ ধন্যবাদ নুজুম স্পোর্টসকে, যারা তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দিয়ে এই ইভেন্টের মাধ্যমে আমার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে।”
এই অর্থ গাজার শিশুদের চিকিৎসা সহায়তায় কাজে লাগানো হবে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেছেন হামজা।
“সংগৃহীত এই অর্থ 'চিলড্রেন নট নাম্বারস'-এর অবিশ্বাস্য কাজে সহায়তা করবে, যারা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে গাজার শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করছে। এই শিশুদের অনেকের জন্যই বেঁচে থাকার একমাত্র আশা হলো চিকিৎসার জন্য তাদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর (মেডিকেল ইভাকুয়েশন) করা। সংগৃহীত সমস্ত অর্থ সেইসব শিশুদের চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরে ব্যবহৃত হবে, যাদের এটি অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন।”
“খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই ইভেন্টের মাধ্যমে আমরা যা অর্জন করেছি, তার জন্য আমি অত্যন্ত বিনীত ও কৃতজ্ঞ; তবে আমি জানি যে এত বিশাল কষ্টের সামনে এটি একটি সামান্য অবদান মাত্র। এখনও অনেক কিছু করা বাকি, তবে প্রতিটি প্রচেষ্টা-তা যতই ছোট হোক না কেন-একটি পরিবর্তন আনতে পারে।”
“আল্লাহ আমাদের এই প্রচেষ্টাকে কবুল করুন, ফিলিস্তিনে আমাদের ভাই-বোনদের কষ্ট দূর করে দিন, তাদের শক্তি ও ধৈর্য দান করুন এবং তাদের জন্য স্থায়ী শান্তি নিয়ে আসুন।”
আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায় শুরু হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এই টুর্নামেন্টে লাল-সবুজের জার্সিতে খেলার জন্য এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের আসার কথা রয়েছে ৮ বা ৯ নভেম্বর। ক্লাবের ব্যস্ততা থাকায় ভুটানের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না তিনি।