প্রতীকী ছবি ।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১১:১৪ পিএম

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে ছাপ পড়ে ত্বকেও। কারণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে কোলাজেন নামক প্রোটিনের ঘাটতি দেখা যায়। যার ফলে স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে ঝুলে পড়ে ত্বক। মুখে দেখা দেয় বলিরেখা ও রিঙ্কেলস। তবে আধুনিক জীবনযাত্রার কারণেও অনেকের অল্প বয়সেই ত্বকে ভাঁজ পড়তে পারে। এ সমস্যা দূর করতে অনেকেই কেমিক্যালযুক্ত ক্রিম বা চিকিৎসার দিকে ঝুঁকে পড়েন। তবে কিছু উপায়েও বলিরেখা প্রতিরোধ ও কমানো সম্ভব।  


জেনে নেওয়া যাক এই সময়ে থেকে ত্বকের কী কী যত্ন করবেন-


নিয়মিত মুখে তেল বা ময়শ্চারাইজার ব্যবহার


ত্বককে ময়শ্চারাইজ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল বা আর্গন অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এ সব তেল ত্বককে গভীর ভাবে হাইড্রেট করে। এর ফলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না ।


প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন


দেহ ও ত্বকের হাইড্রেশন বজায় রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা জরুরি। শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন দূর করে ত্বককে ভিতর থেকে নরম ও উজ্জ্বল রাখে পানি। সেই সঙ্গে পুরনো মৃত কোষ সরিয়ে দেয়।


সঠিক খাদ্যাভাস


নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি, ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন ফল, শাক-সবজি, বাদাম এবং মাছ রাখুন। এগুলো ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।


সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচুন


সরাসরি সূর্যের আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের কোলাজেন নষ্ট করে। এর ফলে ত্বকে বলিরেখা দেখা দেয়। 


পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস কমানো


ত্বক সুন্দর রাখতে পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম প্রয়োজন। স্ট্রেস কমালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় থাকে। নেই সঙ্গে বলিরেখার প্রবণতা কমে।


নিয়মিত স্ক্রাব ব্যবহার করা


মৃত কোষ সরিয়ে নিতে নিয়মিত প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে স্কাবিং করে নিতে পারেন। চিনি, লেবু বা মধু দিয়ে সেরে নিতে পারেন ঘরোয়া উপায়ে স্ক্রাবিং।


প্রাকৃতিক ফেস মাস্ক ব্যবহার


মধু, অ্যালোভেরা জেল, নারকেল দুধ অথবা দই দিয়ে ফেস মাস্ক করলে ত্বক নরম ও টানটান থাকে। সপ্তাহে ২-৩ বার এই ধরনের মাস্ক মুখে লাগালে উপকার পাবেন। 


ফেসিয়াল করা


নিয়মিত ফেসিয়াল ত্বককে আর্দ্র রাখে। এছাড়া ম্যাসাজের ফলে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। তাই প্রতি মাসে অন্তত একবার হলেও অভিজ্ঞ কারো হাতে ফেসিয়াল করে নেওয়া উচিত।


প্রসাধনী পরিবর্তন


৩০ এর পরে একটু বেছে ভালো প্রসাধনীই কিনুন। এমন প্রসাধনী ব্যবহার করুন যা আপনার ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াতে সাহায্য করবে। ত্বকের উপযোগী সেরাটিই কিনতে চেষ্টা করুন। যাতে ত্বকের কমনীয়তা বজায় থাকে। এছাড়া ত্বক যাতে অতিরিক্ত শুষ্ক না হয়ে ওঠে তাই ক্ষার একেবারেই নেই বা কম ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন।


নিয়মিত ব্যায়াম ও মুখের ব্যায়াম


ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। যার ফলে ত্বক সতেজ থাকে। এর পাশাপাশি মুখের বিশেষ ব্যায়াম করলে মুখের পেশি টোন করে, বলিরেখা কমে। এছাড়া মুখের ব্যায়াম করলে কোলাজেনের উৎপাদনও বাড়ে। এতে ত্বক থাকে টানটান ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। 







সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শনিবার ০৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৮ পিএম

বাঙালির খাবারের থালায় ধোঁয়া ওঠা এক বাটি ডাল ছাড়া যেন তৃপ্তি আসে না। সাধারণ ডাল-ভাত থেকে শুরু করে বিশেষ অনুষ্ঠানের জমকালো ‘ডাল মাখনি’; সবক্ষেত্রেই ডাল আমাদের খাবারের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সম্প্রতি এনডিটিভি ফুড-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে ডালকে আমাদের এই অঞ্চলের খাবারের ‘মেরুদণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। উদ্ভিদজাত আমিষ বা প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর জন্য এটি অন্যতম সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য উৎস।


তবে সব ধরনের ডালে পুষ্টির পরিমাণ এক নয়। ২০২৩ সালে ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন মাইক্রোবায়োলজি’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়েটে বড় কোনো পরিবর্তন না এনেই কেবল ডালের ধরনে সামান্য রদবদল করে শরীরের প্রোটিনের জোগান অনেকাংশে বাড়িয়ে তোলা সম্ভব।


শীর্ষ প্রোটিন সমৃদ্ধ ডালগুলোর তালিকা


গবেষণায় ১০০ গ্রাম কাঁচা ডালের পুষ্টিগুণ বিশ্লেষণ করে একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী প্রোটিনের পরিমাণে এগিয়ে থাকা ডালগুলো হলো:


> মাষকলাই বা উরাদ ডাল: প্রোটিনের দৌড়ে এটি তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। এতে প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ২৫.২১ গ্রাম প্রোটিন থাকে।


> মসুর ডাল: প্রোটিনের পরিমাণে মাষকলাই ডালের প্রায় সমান অবস্থানে রয়েছে মসুর ডাল। এতে প্রতি ১০০ গ্রামে প্রোটিনের পরিমাণ ২৪.৬৩ গ্রাম। দ্রুত রান্না করা যায় বলে এটি দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় সবচেয়ে জনপ্রিয়।


> মুগ ডাল: এই ডালটিও প্রোটিনের চমৎকার উৎস, যাতে প্রতি ১০০ গ্রামে ২৩.৮৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়।


> রাজমা (কিডনি বিন): রাজমায় প্রোটিনের পরিমাণ প্রায় ২২.৫৩ গ্রাম।


> ছোলার ডাল: পুষ্টিবিদদের মতে এটিও অত্যন্ত পুষ্টিকর, যাতে ১০০ গ্রামে ২০.৪৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে।


বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিভঙ্গি: 



শরীরভেদে ডালের প্রভাব


পুষ্টি ও হরমোন বিশেষজ্ঞ ড. অলকা বিজয়ন মনে করেন, কেবল প্রোটিনের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ডাল নির্বাচন করা উচিত নয়। তার মতে, উরাদ ডাল এবং মসুর ডাল আমাদের শরীরে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে কাজ করে। এর মধ্যে মসুর ডাল লিভারের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং শরীরে পিত্তের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি নিয়মিত খেলে কিডনিতে পাথর এবং অনিয়মিত মাসিকের মতো সমস্যা সমাধানেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, উরাদ ডাল প্রাকৃতিকভাবে আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে। যারা হাড়ের সমস্যা যেমন অস্টিওপোরোসিস বা অস্টিওআর্থ্রাইটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য এই ডাল অত্যন্ত উপকারী। এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতেও ভূমিকা রাখে।


পরিপূর্ণ প্রোটিন পেতে বিশেষ কৌশল


একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি যে, কোনো ডালই একা শরীরের জন্য ‘পরিপূর্ণ’ প্রোটিন সরবরাহ করতে পারে না। প্রোটিন তৈরি হয় ২০টি অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে, যার মধ্যে ৯টি আমাদের শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না। ডালের মধ্যে লাইসিন প্রচুর থাকলেও মেথিওনিন নামক প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডের অভাব থাকে। অন্যদিকে ভাত বা আটার মতো শস্যে মেথিওনিন প্রচুর থাকলেও লাইসিন কম থাকে। এই অভাব দূর করতেই আমাদের চিরচেনা ডাল-ভাত বা ডাল-রুটি খাওয়ার চল তৈরি হয়েছে। যখন আমরা ডালের সাথে ভাত বা রুটি মিশিয়ে খাই, তখন সেই খাবারটি একটি ‘কমপ্লিট প্রোটিন’ বা পরিপূর্ণ আমিষে পরিণত হয়, যা শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৪ পিএম

ঘন ঘন ভুলে যাচ্ছেন? ডিমেনশিয়ার উপসর্গ মনে হলেও আদতে এটি ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি নয় তো? ভিটামিন বি১২ শরীরের একটি অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। কিন্তু মানবদেহ সরাসরি এই ভিটামিন উৎপাদন করতে না পারায় এর ঘাটতি দেখা দেওয়া খুবই স্বাভাবিক।


রক্তের গঠন ও স্নায়ুতন্ত্রকে সঠিকভাবে সচল রাখতে ভিটামিন বি১২ অপরিহার্য। যেহেতু মানবদেহ এটি নিজে তৈরি করতে পারে না, তাই আমাদের শরীরকে নির্ভর করতে হয় যথাযথ খাবার ও ফুড সাপ্লিমেন্টের ওপর। বিশেষ করে নিরামিষাশীদের মধ্যে এই ভিটামিনের ঘাটতি বেশি দেখা যায়; কারণ এটি ‘প্লান্টবেজড’ বা উদ্ভিদজাত উৎস থেকে সরাসরি পাওয়া যায় না। ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি শনাক্ত করতে অনেক সময় দেরি হয়ে যায়, কারণ এর প্রাথমিক উপসর্গগুলো ডিমেনশিয়ার লক্ষণের সঙ্গে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ।


কেন হয় এই সমস্যা?

ঘন ঘন সংশয়: কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বা মনোযোগ দিতে সংশয় তৈরি হওয়া ভিটামিন বি১২-এর অভাবের লক্ষণ। এই ভিটামিন সারা শরীরে অক্সিজেন সরবরাহকারী লোহিত রক্তকণিকাকে সক্রিয় রাখে। এর অভাবে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে বাধা পায়, ফলে মানসিক দ্বিধা বা সংশয় তৈরি হয়।


মুড সুইং বা বিষণ্নতা: যখন-তখন মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা মুড অফ হয়ে যাওয়া ভিটামিন বি১২-এর অভাবের সংকেত হতে পারে। দীর্ঘদিন এই ঘাটতি থাকলে তা থেকে বিষণ্নতা (ডিপ্রেশন) হতে পারে। ভিটামিন বি১২-এর অভাবে শরীরে ‘হোমোসিস্টিন’-এর মাত্রা বেড়ে যায়, যা মস্তিষ্কের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।


মনোযোগের অভাব: কোনো কিছুতেই ঠিকমতো মন বসাতে না পারা, অথচ আগে এমন সমস্যা না থাকা–এটি শরীরে পুষ্টি উপাদানের অভাবের অন্যতম লক্ষণ। ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।


স্মৃতিভ্রংশ বা ভুলে যাওয়া: প্রায়ই কোনো জিনিস ভুলে যাওয়া বা কথা বলতে বলতে খেই হারিয়ে ফেলাকে শুরুতেই ডিমেনশিয়া বা বার্ধক্যজনিত রোগ ভেবে নেবেন না। ভিটামিন বি১২-এর অভাবও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।



কী করবেন?


এই ধরনের উপসর্গগুলো দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এ ছাড়া ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, প্রচণ্ড দুর্বল লাগা বা আচমকা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব আপনার শরীরে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি আছে কিনা। 


চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুষম খাবার গ্রহণ বা ফুড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে এই সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব।। 

বিষয় : ভিটামিন

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:১১ এএম

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত নগরী কক্সবাজারে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে গ্লোবাল উইনার গ্রুপের অন্যতম সফল অঙ্গপ্রতিষ্ঠান “বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্ট” এর ৩ দিনব্যাপী ১ম বর্ষপূর্তি সম্মেলন ও উদযাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।


শুক্রবার কক্সবাজারের একটি ফাইভ স্টার হোটেল এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 


সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জনাব ইব্রাহিম খলিল এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) জনাব ফেরদৌসুর রহমান রুমী সহ মূল ৮ জন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, পরিচালনা পর্ষদের কর্মকর্তাবৃন্দ, সম্মানিত পার্টনার এবং শেয়ারহোল্ডারগণ। 


অনুষ্ঠানটিকে আরও মহিমান্বিত করেন সম্মানিত অতিথিবৃন্দ; এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ‘নওরোজ’ পত্রিকার সম্পাদক এবং বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ডিআইজি।


৩ দিনব্যাপী এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণের মধ্যে ছিল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত স্পেশাল মার্কেটিং ট্রেনিং। 



বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন



আধুনিক বিপণন কৌশল ও পেশাগত দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে এই বিশেষ সেশনটি পরিচালনা করেন দেশের জনপ্রিয় লার্নিং প্ল্যাটফর্ম স্কিলস রাইডার’ (Skills Rider)-এর ফাউন্ডার ও এমডি রাশেদুল ইসলাম।


সম্মেলনে প্রজেক্টের ভবিষ্যৎ মেগা পরিকল্পনা তুলে ধরে উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমানে ১৭ একর জমিতে বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। 


পর্যায়ক্রমে জমি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই প্রজেক্টটিকে মোট ২০০০ একর জমিতে বিস্তৃত করার এক বিশাল মাস্টারপ্ল্যান হাতে নেওয়া হয়েছে, যা দেশের পরিবেশবান্ধব এগ্রো-ট্যুরিজমে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।


১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বিনিয়োগকারী ও গ্রাহকদের সুবিধার্থে অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কিছু শেয়ার প্যাকেজ উন্মোচন করা হয়। একই সাথে, যেসকল বিনিয়োগকারী সফলভাবে তাঁদের বিনিয়োগ সম্পন্ন করেছেন, অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদান রাখায় সেরা পারফর্মকারী প্রতিনিধিদের বেস্ট মার্কেটার’ সম্মাননা ও বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।


সম্মেলনের সমাপনী দিনে সফল পার্টনারদের মাঝে সম্মাননা স্মারক বিতরণ এবং এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে ৩ দিনব্যাপী এই স্মরণীয় উদযাপনের সফল সমাপ্তি ঘটে।


 ‘বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের’ বর্ষপূর্তিতে কক্সবাজার সৈকতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, খেলাধুলা

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৫০ এএম

চুল পড়ার সমস্যায় আমরা সাধারণত শ্যাম্পু পরিবর্তন করি বা দামি হেয়ার সিরাম ব্যবহার করি। অনেকে আবার বিভিন্ন ঘরোয়া টোটকা বা সাপ্লিমেন্ট নিতে শুরু করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুলের যত্নে বাইরে থেকে কী ব্যবহার করছেন তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার শরীর ভেতরে কী ধরণের পুষ্টি পাচ্ছে। প্রতিটি চুলের গোছার বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। এই প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব হলে বা ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে চুলের স্বাস্থ্য নষ্ট হতে পারে।


সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়ার লাইফস্টাইল বিষয়ক একটি প্রতিবেদনে এমন ৮টি খাবারের কথা উঠে এসেছে, যা অতিরিক্ত গ্রহণ করলে আপনার চুলের ক্ষতি হতে পারে:


১. মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার রক্তে গ্লুকোজ ও ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই পরিবর্তনটি এমন কিছু হরমোনকে প্রভাবিত করতে পারে যা চুলের তেলের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় এবং চুল পাতলা করে ফেলে। এছাড়া চিনি শরীরের প্রদাহ বাড়ায় যা চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।


২. ডিপ-ফ্রাইড ফাস্ট ফুড: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রাইড চিকেন বা চিপস জাতীয় খাবারে অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ক্যালোরি অনেক বেশি থাকে, কিন্তু পুষ্টিগুণ থাকে না বললেই চলে। নিয়মিত এসব খাবার খেলে শরীরে জিঙ্ক, আয়রন ও প্রোটিনের অভাব দেখা দেয়, যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।


৩. অত্যধিক প্রক্রিয়াজাত খাবার: ইনস্ট্যান্ট নুডলস, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস বা প্রক্রিয়াজাত মাংসে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম, রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট এবং প্রিজারভেটিভ থাকে। চুলের টিস্যু শরীরের দ্রুত বর্ধনশীল টিস্যুগুলোর অন্যতম, যার জন্য নিরবচ্ছিন্ন পুষ্টির প্রয়োজন হয়। প্রক্রিয়াজাত খাবার এই পুষ্টির জোগান দিতে ব্যর্থ হয়।


৪. পারদ সমৃদ্ধ মাছ: মাছ সাধারণত চুলের জন্য ভালো হলেও সমুদ্রের বড় শিকারি মাছ যেমন- সোর্ডফিশ, শার্ক বা কিছু বিশেষ জাতের টুনা মাছ অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়। কারণ এসব মাছে পারদ বা মার্কারির পরিমাণ বেশি থাকে, যা অতিরিক্ত গ্রহণে চুল পড়ার ঝুঁকি বাড়ে।


৫. অতিরিক্ত ভিটামিন এ: ভিটামিন এ চুল ও ত্বকের জন্য ভালো, তবে ‘বেশি মানেই ভালো’ নয়। দীর্ঘ সময় ধরে সাপ্লিমেন্ট বা ফোর্টিফাইড খাবারের মাধ্যমে অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণ করলে চুলের ফলিকলগুলো অকালেই ঝরে পড়ার পর্যায়ে পৌঁছে যায়।


৬. অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল শরীরকে পানিশূন্য করে ফেলে এবং জিঙ্ক ও ফোলেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়। যেহেতু চুল মূলত প্রোটিন দিয়ে তৈরি, তাই পুষ্টির এই অভাব নতুন চুলকে দুর্বল করে ফেলে।


৭. খুব কম প্রোটিনযুক্ত ডায়েট: চুল প্রধানত ‘কেরাটিন’ নামক প্রোটিন দিয়ে তৈরি। ক্রাশ ডায়েট বা ওজন কমানোর জন্য প্রোটিন জাতীয় খাবার (যেমন- ডাল, ডিম, মাছ, দুধ) বাদ দিলে শরীর অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গগুলোকে বাঁচাতে চুলের পুষ্টি বন্ধ করে দেয়, ফলে প্রচুর চুল ঝরে যায়।


৮. রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট: সাদা পাউরুটি, পেস্ট্রি বা চিনিযুক্ত ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল খুব দ্রুত হজম হয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সময়ের সাথে সাথে এই পরিবর্তনগুলো হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলে এবং চুলের বৃদ্ধিতে বিঘ্ন ঘটায়।


মাঝেমধ্যে এসব খাবার খাওয়ায় কোনো সমস্যা নেই, তবে এগুলো যেন আপনার প্রতিদিনের প্রধান খাবারে পরিণত না হয়। একটি সুষম এবং পুষ্টিকর খাবারই পারে আপনার চুলকে মজবুত ও উজ্জ্বল রাখতে।

বিষয় : চুল

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৩৭ পিএম

আজকাল দেখা যাচ্ছে একই বাড়িতে থাকেন, প্রতিদিন দেখা হয়, সংসারের সব দায়িত্বও একসঙ্গে সামলান -তারপরও দম্পতিদের মধ্যে বাড়ছে মানসিক দূরত্ব। বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক দেখালেও ভিতরে ভিতরে তারা অনুভব করছেন একাকীত্ব। 


মনোবিদদের ভাষায়, একে বলা হয় ‘ইমোশনাল লোনলিনেস’-যেখানে একসঙ্গে থেকেও মানুষ নিজেকে একা অনুভব করেন।


বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ব্যস্ত জীবন, প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং যোগাযোগের অভাবের কারণে এই সমস্যা আগের তুলনায় অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠিক কী কী কারণে স্বামী-স্ত্রীদের মধ্যে বাড়ছে দূরত্ব। 


কথোপকথন কমে যাওয়া


সম্পর্কে মানসিক দূরত্বের অন্যতম বড় কারণ হলো যোগাযোগের অভাব।দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় অফিস, সংসার, সন্তান কিংবা আর্থিক দায়িত্ব সামলাতে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে ধীরে ধীরে সম্পর্কের আবেগও কমতে থাকে।


অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া


অনেক সময় দেখা যায় একজন হয়তো নিজের মনের কথা বলতে চান, কিন্তু অন্যজন তা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন না। বারবার এমন হলে মানুষ ধীরে ধীরে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার আর আগ্রহ পায় না। বরং ভিতরে জমতে থাকে অভিমান ও অপূর্ণতার অনুভূতি।


কথোপকথন কমে যাওয়া


সম্পর্কে মানসিক দূরত্বের অন্যতম বড় কারণ হলো যোগাযোগের অভাব।দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় অফিস, সংসার, সন্তান কিংবা আর্থিক দায়িত্ব সামলাতে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে ধীরে ধীরে সম্পর্কের আবেগও কমতে থাকে।


অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া


অনেক সময় দেখা যায় একজন হয়তো নিজের মনের কথা বলতে চান, কিন্তু অন্যজন তা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন না। বারবার এমন হলে মানুষ ধীরে ধীরে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার আর আগ্রহ পায় না। বরং ভিতরে জমতে থাকে অভিমান ও অপূর্ণতার অনুভূতি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ পিএম

ভাত বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মধ্যে একটি ধারণা বেশ প্রচলিত যে, ভাত মানেই কার্বোহাইড্রেট, আর কার্বোহাইড্রেট মানেই ওজন বৃদ্ধি ও রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া। তাই অনেকে সাদা ভাত ছেড়ে ব্রাউন রাইস বা অন্য চালের দিকে ঝুঁকেন। কিন্তু সত্যি হলো, সব ধরনের চালের পুষ্টিগুণ এক নয়। চালের ধরন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পলিশ করার মাত্রার ওপরই নির্ভর করে কোন ভাত কতটা স্বাস্থ্যকর হবে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাতে শুধু কার্বোহাইড্রেটই থাকে না। এতে ফাইবার, বি-ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজও থাকতে পারে। তবে চাল যত বেশি পলিশ করা হয়, ততই এর বাইরের আবরণ বা ব্র্যান স্তর নষ্ট হয়ে যায়। আর এই স্তরেই থাকে অধিকাংশ পুষ্টি উপাদান। তাই সঠিক চাল বেছে নেওয়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি পরিমিত পরিমাণে খাওয়াও সমান জরুরি।


পুষ্টির শীর্ষে ব্ল্যাক রাইস

পুষ্টিগুণের দিক থেকে ব্ল্যাক রাইসকে সবচেয়ে সমৃদ্ধ চালগুলোর একটি ধরা হয়। এটি সাধারণত আনপলিশড অবস্থায় বাজারে আসে, ফলে এর প্রাকৃতিক পুষ্টি অক্ষুণ্ন থাকে।


গাঢ় কালো বা বেগুনি রঙের এই চালে রয়েছে অ্যান্থোসায়ানিন, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এতে পর্যাপ্ত ফাইবার, আয়রন, ভিটামিন ই এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ব্ল্যাক রাইস খেলে শরীরের প্রদাহ কমাতে, কোষের ক্ষয় রোধ করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।


ফাইবার ও মিনারেলে ভরপুর লাল চাল

লাল চালও তুলনামূলকভাবে কম প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এতে রয়েছে ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন।


যারা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে চান বা ধীরে ধীরে শক্তি পেতে চান, তাদের জন্য লাল চাল একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। এটি হজম প্রক্রিয়াকেও তুলনামূলক ধীর করে, ফলে রক্তে শর্করার ওঠানামাও কিছুটা নিয়ন্ত্রিত থাকে।


স্বাস্থ্যসচেতনদের জনপ্রিয় পছন্দ ব্রাউন রাইস

ব্রাউন রাইসের জনপ্রিয়তা গত কয়েক বছরে অনেক বেড়েছে। কারণ এটি পলিশ করা হয় না এবং চালের বাইরের ব্র্যান স্তর অক্ষত থাকে।


এতে ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং বিভিন্ন ভিটামিন পাওয়া যায়। ব্রাউন রাইস ধীরে হজম হয় বলে দীর্ঘ সময় ক্ষুধা কম লাগে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে কিংবা সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে চাইলে এটি ভালো বিকল্প হতে পারে।


সুগন্ধের সঙ্গে পুষ্টিতে সমৃদ্ধ বাসমতি চাল

বাসমতি চাল শুধু সুগন্ধের জন্যই নয়, তুলনামূলক কম গ্লাইসেমিক সূচকের কারণেও অনেকের কাছে জনপ্রিয়।

বাসমতির দুটি ধরন রয়েছে-সাদা ও বাদামি। বাদামি বাসমতি রাইসে ফাইবার ও খনিজ উপাদান বেশি থাকে, কারণ এটি কম প্রক্রিয়াজাত। অন্যদিকে সাদা বাসমতি চাল পলিশ করা হলেও এতে অ্যামাইলোজ তুলনামূলক বেশি থাকে, যা সাধারণ সাদা চালের তুলনায় কিছুটা ধীরে হজম হয়।


বিরিয়ানি, পোলাও কিংবা ফ্রায়েড রাইসের জন্য বাসমতি চালের ব্যবহার বেশি হলেও প্রতিদিনের খাবার হিসেবেও এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।


বেশি খাওয়া হয় সাদা চাল

আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় সাদা চালের ভাত। তবে এটি সবচেয়ে বেশি পলিশ করা হয় বলে এর বাইরের পুষ্টিকর স্তর প্রায় পুরোপুরি অপসারণ করা হয়। ফলে ফাইবার, ভিটামিন এবং অনেক খনিজ উপাদান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তবে এর একটি সুবিধা হলো এটি দ্রুত রান্না হয় এবং সহজে হজম হয়।


তাই সাদা চাল সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে পরিমিত পরিমাণে সাদা ভাতের সঙ্গে ডাল, শাকসবজি, মাছ, ডিম বা মাংস যোগ করলে সেটিও একটি সুষম খাবারে পরিণত হতে পারে।


কোন চাল খাবেন?

যদি সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ চান, তাহলে ব্ল্যাক রাইস বা লাল চাল খেতে পারেন। প্রতিদিনের জন্য ব্রাউন রাইসও উপকারী। বাসমতি চাল স্বাদ ও তুলনামূলক কম গ্লাইসেমিক সূচকের কারণে ভালো পছন্দ হতে পারে। আর সাদা চাল খেতে চাইলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অবশ্যই প্রোটিন ও শাকসবজির সঙ্গে খাওয়ার চেষ্টা করুন।


স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শুধু চালের ধরন দিয়ে নির্ধারিত হয় না। আপনি কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন, কী দিয়ে খাচ্ছেন এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন এসব বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষ সব খবর