হাইকোর্ট ভবন। ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, সময় : ১:৩৭ পিএম

বিচার বিভাগের উন্নয়ন বা কারিগরি প্রকল্পের এবং অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রক্কলিত ব্যয় পৃথকভাবে ১০০ কোটি টাকা হলে তার অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি। সরকার সময়ে সময়ে, সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শ করে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আর্থিক সীমা মুদ্রাস্ফীতির সাথে সমন্বয় করে বা অন্য কোনো উপযুক্ত কারণে বৃদ্ধি করতে পারবে। আর্থিক পরিমাণ এর চেয়ে বেশি হলে তার অনুমোদন নিতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য পরিকল্পনামন্ত্রীর নিকট পাঠাতে হবে। এমন বিধানসহ অধস্তন আদালতের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির হাতে ন্যস্ত করে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫ জারি করা হয়েছে।


রোববার (৩০ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এর আগে গত ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ অধস্তন আদালতের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।


অধ্যাদেশের ৮ ধারায় বলা হয়েছে, অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়-সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলো সংক্রান্ত উন্নয়ন বা কারিগরি প্রকল্প চূড়ান্ত নিরীক্ষা ও সুপারিশ করার লক্ষ্যে ৮ সদস্যের একটি পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি গঠিত হবে। এই পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির প্রধান হবেন প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি। কমিটি প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে এর কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করবে।



এতে আরও বলা হয়েছে, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকার মধ্যে থাকলে প্রধান বিচারপতি অনুমোদন করবেন এবং এর ওপরে হলে তা অনুমোদনের জন্য সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রীর নিকট সরাসরি প্রেরণ করা হবে। প্রকল্প গ্রহণ, প্রণয়ন ও যাচাই-বাছাই করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিবের নেতৃত্বে প্রকল্প যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হবে। প্রকল্প যাচাই-বাছাই কমিটি প্রকল্প যাচাই-বাছাই করার ক্ষেত্রে ‘সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন নির্দেশিকা, ২০২২’ অনুসরণ করবে। প্রকল্প যাচাই-বাছাই কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাইকৃত প্রকল্প চূড়ান্ত নিরীক্ষা ও সুপারিশের জন্য পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির নিকট প্রেরণ করবে। অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত স্কিমের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকার মধ্যে থাকলে প্রধান বিচারপতি অনুমোদন করবেন এবং এর ঊর্ধ্বে হলে এইরূপ স্কিম অনুমোদনের প্রস্তাব অর্থ বিভাগে প্রেরণ করা হবে। পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির সুপারিশক্রমে প্রধান বিচারপতি উক্ত ধারার অধীন গৃহীত বা বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প, বিনিয়োগ প্রকল্প, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প, কারিগরি প্রকল্প, সংশোধিত বিনিয়োগ প্রকল্প, সংশোধিত কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ও সংশোধিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প এবং প্রকল্পের আন্তঃঅঙ্গ ব্যয় সমন্বয়সহ প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং বরাদ্দ ব্যবহার সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব অনুমোদন করবেন।


অধ্যাদেশের ১১ ধারায় বাজেট ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রত্যেক অর্থবছরের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যপরিধিভুক্ত আদালত, প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরের জন্য অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি এবং সুপ্রিম কোর্টের জন্য অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি উক্ত অর্থ-বৎসর শুরু হওয়ার অন্তত ৩ (তিন) মাস পূর্বে প্রস্তুত করবে। এই বিবৃতিতে সুপ্রীম কোর্ট ও বিচার কর্ম-বিভাগে নিযুক্ত বিচারক, বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে নিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে প্রদেয় বেতন ও ভাতাদি এবং দেশের বিচার প্রশাসন পরিচালনার প্রশাসনিক ব্যয় এবং সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত, তৎসংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, কমিশন, ইনস্টিটিউট, একাডেমি প্রভৃতির আবর্তক ও উন্নয়ন ব্যয়, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রধান বিচারপতি উক্ত বিবৃতি সরকারের আর্থিক বিবৃতির সাথে সংযুক্ত করে সংসদে উপস্থাপনের জন্য অর্থমন্ত্রীর নিকট প্রেরণ করবেন। সরকারের বাজেট প্রণয়নের সুবিধার্থে কৌশলগত পর্যায়ের শুরুতেই সুপ্রিম কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের রাজস্ব ও প্রাপ্তির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা এবং প্রাথমিক সম্ভাব্য ব্যয়সীমার প্রাক্কলন ও প্রক্ষেপণ সরকারের নিকট প্রেরণ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অনুকূলে বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থ পুনঃউপযোজনের সব ক্ষমতা প্রধান বিচারপতির থাকবে।



অধ্যাদেশের ৪ ধারায় বলা হয়েছে, সংবিধানের ২২, ১০৯ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নামে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির উপর ন্যস্ত থাকবে এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব ওই সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হবেন।


অধ্যাদেশের ৫ ধারায় এই সচিবালয়ের কার্যাবলী সম্পর্ক-এ বলা হয়েছে, দেশের বিচার প্রশাসন পরিচালনায় সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা প্রদান করার জন্য অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন; অধস্তন আদালতের প্রতিষ্ঠা বা বিলোপ, সংখ্যা, গঠন ও এখতিয়ার নির্ধারণ; অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের বিচারক, বা ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কর্মের শর্তাবলি নির্ধারণ ও নিয়োগ; সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদ সৃজন, বিলোপ, বিন্যাস, নিয়োগ, কর্মের শর্তাবলি নির্ধারণ, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা, ছুটি, প্রশাসন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়; সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল ও বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের পদ সৃজন, বিলোপ ও বিন্যাস; সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সাংগঠনিক কাঠামো নির্ধারণ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হালনাগাদকরণ; অধস্তন আদালতের পদ সৃজন সংক্রান্ত বিষয়াদিতে সংবিধানের ১২৫ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিমালায় বর্ণিত কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক ও অন্যান্য সহায়তা; বিচার কর্মে নিয়োজিত সার্ভীস সদস্যদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটি সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অন্যান্য অনুষঙ্গিক বিষয়। সার্ভিস সদস্যগণের পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়-সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজেট ব্যবস্থাপনা, সুপ্রিমকোর্ট, অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর-এ প্রতিষ্ঠানসমূয়ের উন্নয়ন বা কারিগরি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন; প্রধান বিচারপতির এবং সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল ও উক্ত আদালতগুলোর বিচারকদের নিরাপত্তা তত্ত্বাবধান; সার্ভিস সদস্যগণের এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের শিক্ষা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষন ও এতদসংক্রান্ত অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।


জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে অধ্যাদেশের ৭ ধারায় বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সার্ভিস প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হবে। সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত কাজে রাষ্ট্রপতির পক্ষে প্রয়োজনীয় সকল প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবে। সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত কার্যাদি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব কর্তৃক সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট কমিটির পরামর্শের জন্য উপস্থাপিত হবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান করলেও, আইন ও বিচার বিভাগ ও এর কার্যপরিধিতে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং অন্য কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের দপ্তরে সার্ভিস সদস্যদের পদায়ন বা বদলি সংক্রান্ত কার্যাদি এতদুদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে, সম্পাদিত হবে।


অধ্যাদেশ জারির উদ্দেশ্য সম্পর্ক-এ বলা হয়েছে, অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাযথরূপে পালনের জন্য এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ। যেহেতু সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণকে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে; যেহেতু সংবিধানের ১০৯ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাযথরূপে পালনের জন্য এবং বিচার বিভাগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা পালনের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক এবং এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তগুলো সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; যেহেতু আপিল বিভাগের ৭৯/১৯৯৯ নম্বর সিভিল আপিলের রায় বাস্তবায়নের জন্য নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ বাস্তবায়নকল্পে বিচার বিভাগের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে; এবং যেহেতু সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট এটা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে; সেহেতু সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করলেন।


উল্লেখ্য, বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণ নিশ্চিতকরণে প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে গত বছরের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৪৩ পিএম

পুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার আপিল শুনানির জন্য আগামী ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। আজ সোমবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি রেজাউল হক এ দিন ধার্য করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।


চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার ঘটনার ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। এরপর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। সেইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামিরা।


ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারের। আর মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছিলেন সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপু। এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল চারজনকে। অন্যদিকে, বিচারিক আদালতের দেওয়া যাবজ্জীবন থেকে খালাস পান দুইজন।


তবে রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন না করায় বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত বাকি ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল।


২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।


সুপ্রিম কোর্ট

  • প্রকাশ : রবিবার ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৬ পিএম

গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে পাঁচ করবর্ষের জন্য এনবিআর’র (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) দাবিকৃত ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা কর আদায় করতে হাইকোর্টের নির্দেশ স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।


হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণের করা লিভ টু আপিলের (আপিলের অনুমতির আবেদন) পরিপ্রেক্ষিতে আজ রবিবার (১৮অক্টোবর) চেম্বার আদালতের বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। চেম্বার আদালত আপিলের ওপর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী ১৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করে।


কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণ কল্যাণের করা পৃথক দুটি রিট আবেদনের ওপর দেওয়া রুল খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে গত ১০ সেপ্টেম্বর এ রায় দিয়েছিল বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ। পরে গত ১২ অক্টোবর এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় লিভ টু আপিল করে গ্রামীণ কল্যাণ।


প্রসঙ্গত, গ্রামীণ কল্যাণের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।


গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সরদার জিন্নাত আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান। অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশটি স্থগিত করেছেন এবং শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেছেন। ফলে আপিল বিভাগে বিষয়টির চ‚ড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত গ্রামীণ কল্যাণকে কোনো টাকা দিতে হচ্ছে না।


আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ করবর্ষগুলোর জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি নিয়ে  ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ হাইকোর্টে দুটি পৃথক রিট আবেদন করে। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেয়। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানির পর ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর রায় দেয় হাইকোর্ট। রায়ে কর কমিশনারের আদেশ বাতিল করে আদালত। পাশাপাশি বিলম্ব মার্জনা করে শর্তসাপেক্ষে আইনের বিধি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে গ্রামীণ কল্যাণকে আপিলের সুযোগ দিতে বলা হয় রায়ে। 


পরে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে এনবিআর পৃথক লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতির আবেদন) করে। ২০২৪ সালের ১১ মার্চ আপিল নিস্পত্তি করে আদেশ দেয় আপিল বিভাগ। আদেশে গ্রামীণ কল্যাণের করা রিটের মূল বিষয়বস্তুর ওপর হাইকোর্টে পুনঃশুনানি করতে বলে আপিল বিভাগ। পুন:শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট দুটি রিট আবেদন খারিজ করে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দিয়েছিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ। যদিও ওই বছরের ২৯ আগস্ট রায় প্রত্যাহার করে হাইকোর্ট।


রায় প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে তখন বলা হয়ছিল, রায় দেওয়া দ্বৈত বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারক একসময় এসব মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে শুনানি করেছিলেন। তাই রায়টি ত্রুটিপূর্ণ (ডিফেক্টিভ) হবে। পরে প্রধান বিচারপতির কাছে এই মামলার নথি পাঠানো হয়। প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। এর ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টের এ রায় হয়। 


সৈয়দ আবেদ আলী জীবন ও তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫১ পিএম

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীর অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  


তিনি জানান, চার বছরের দণ্ডের সঙ্গে আসামিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিয়ামের অবৈধভাবে অর্জিত ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নফাসের ঘটনায় আলোচিত সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম। তিনি একসময় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।



২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।



তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, জ্ঞাত আয় উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। 


এ বছরের ১৭ জুন এ মামলায় সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এরপর সাক্ষ্য গ্রহণ দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ রায় দেওয়া হয়।


সুপ্রিম কোর্ট

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:০০ পিএম

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন দিন সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।


সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


এতে বলা হয়, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর (মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার) বন্ধ থাকবে। তবে আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:১৬ এএম
  • আপডেট : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:০৭ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:১৬ এএম

দেশের নিপীড়িত, নির্যাতিত, অসহায় ও দুস্থ মানুষের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদ’ নামে নতুন একটি ইউনিট গঠন করেছে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি।


নবগঠিত বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জের কৃতী সন্তান অ্যাডভোকেট তরুন লাল বেগী। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন খুলনার কৃতী সন্তান অ্যাডভোকেট সফল দাশ। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট অজয় টিকাকর, অ্যাডভোকেট বিমল চন্দ্র রায় ও অ্যাডভোকেট আকাশ দাস।


শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সম্মেলনে এ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।


শ্রী অনুপ কুমার সাহার সভাপ‌তি‌ত্বে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকা দ‌ক্ষিন সি‌টি ক‌র্পো‌রেশ‌নের প্রশাসক আবদুস সালাম। স‌ম্মেলন সঞ্চালনা ক‌রেন এড‌ভো‌কেট সুমন কুমার রায়।


নবগঠিত এই পরিষদের মাধ্যমে দেশের নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:১৭ পিএম

জামায়াতে ইসলামীর নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনের জামিন শুনানিতে আদালতে হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন আইনজীবীরা। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।


আইনজীবীদের হট্টগোলের মধ্যে এজলাস ছাড়েন বিচারক।


শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে করা এ মামলায় এ দিন জামিন শুনানি ছিল আখতারুজ্জামানের।


শুনানি শুরুর আগে দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটের দিকে আখতারুজ্জামানকে মাথায় হেলমেট ও হাতকড়া পরিয়ে এজলাসে তোলা হয়। এর আগে থেকেই এজলাস বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।


আখতারুজ্জামানকে এজলাসে তোলার মিনিট দুয়েক পর ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এজলাসে ওঠেন। এজলাসে দাড়ানো নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। পরে তারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ অবস্থায় ২ টা ৪১ মিনিটের দিকে ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় চলে যান।


রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এবং আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। মিনিট দুয়েক পর পুনরায় এজলাসে আসেন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম।