ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:১৯ এএম

জন্মদিনের জমকালো আয়োজন, সংগীতের তালে নাচ আর ভক্তদের উচ্ছ্বাস সব মিলিয়ে আবারও আলোচনায় অভিনেত্রী পরীমনি। তার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে নাচের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে এক ব্যক্তিকে। কে তিনি, তা নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়েছে নেটিজেনদের মধ্যে।


জীবনযাপনে নিজের ইচ্ছেকেই প্রাধান্য দেন পরীমনি। প্রতিবছর জন্মদিন এলেই ঘটা করে উদ্‌যাপন করেন তিনি। দেশের অন্য তারকাদের ক্ষেত্রে এমন আয়োজন খুব একটা দেখা যায় না। এবারও ২৪ অক্টোবর নিজের জন্মদিন উপলক্ষে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন এই অভিনেত্রী।


জন্মদিনের পার্টিতে পরীমনির নাচ থাকবে না, তা যেন ভাবাই যায় না। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার তুলনামূলক ঠান্ডা মেজাজের সংগীতের তালে নাচতে দেখা গেছে তাকে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে নাচের ভিডিওটি পোস্ট করেন পরীমনি। এতে দেখা যায়, এক ব্যক্তির সঙ্গে সংগীতের তালে নাচের মুদ্রা দিচ্ছেন অভিনেত্রী। তাদের নাচ উপভোগ করছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা। ভিডিওর শেষ দিকে পরীমনিকে ঘিরে আরও কয়েকজনকে নাচতে দেখা যায়।


ভিডিওটির ক্যাপশনে পরীমনি লিখেছেন, ‘একটু নাচ তো থাকতেই হয়!’ প্রকাশের পর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভিডিওটি। মাত্র এক ঘণ্টায় এর ভিউ চার লাখ ছাড়িয়ে যায়। ভিডিওর নিচে ভক্তদের নানা মন্তব্যও চোখে পড়ে। একজন লিখেছেন, ‘পরী, নাচ তুমি করো, কিন্তু হার্টবিট আমাদের বেড়ে যায় কেন।’ 


আরেকজন লিখেছেন, ‘কেমনে কেমনে জানি পরীমনির বিগ ফ্যান হয়ে যাচ্ছি।’ এর আগে এক জন্মদিনের অনুষ্ঠানে লুঙ্গি পরে নেচেছিলেন পরীমনি। এবারও সেই নাচের কথা স্মরণ করেছেন কেউ কেউ।


ভিডিওতে পরীমনির নাচের সঙ্গী গোলাম হোসেন কিবরিয়া। তিনি একজন ড্যান্স কোরিওগ্রাফার। নিজের ড্যান্স প্রতিষ্ঠান ছাড়াও তার একটি ফ্যাশন হাউজ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পরীমনির সঙ্গে তার সখ্য রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে।


এদিকে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে নতুন সিনেমার ঘোষণাও দিয়েছেন পরীমনি। তারেক রহমানের পরিচালনায় সিনেমাটির নাম ‘ফারজানা’। ছবিটির শুটিংয়ের কাজও অনেকখানি সম্পন্ন হয়েছে। আসন্ন রোজার ঈদে সিনেমাটি মুক্তি পেতে পারে।













অভিনেত্রী জয়া আহসান।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০৫ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের গ্ল্যামার দিয়ে ভক্তদের প্রায়ই কাবু করেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান। এবার ভক্তদেরকে সোজাসুজি তিনি দিয়ে বসলেন, কফি খাওয়ার আমন্ত্রণ! তবে রেখেছেন বিশেষ শর্ত— কফির বিল দিতে হবে ভক্তকেই!


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের কফি খাওয়ার মুহূর্তের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে এই আমন্ত্রণ জানান জয়া। ছবিতে তাকে দেখা যায় এক নজরকাড়া লুকে। সাদা রঙের পোশাকে তার লুকটি ছিল ক্যাজুয়াল। তবে কমতি ছিল না তার গ্ল্যামারের।





কখনও মৃদু হেসে কফির কাপ ঠোঁটের কাছে নিচ্ছেন, আবার কখনও মিষ্টি চোখে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে; এভাবেই দিয়েছেন ছবিগুলোর পোজ। তার এমন সুন্দর মূহূর্তের সঙ্গ কে না চাইবে? সে ভেবেই হয়তো এবার সোজা ভক্তদেরই নিমন্ত্রণ জানালেন এই অভিনেত্রী।


ছবির ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, ‘কফি খাবে কেউ!! বিলটা নিজের, সঙ্গটা আমার!’


তার এই খুনসুটিপূর্ণ পোস্টটিতে মুহূর্তেই সাড়া পড়ে গেছে ভক্তদের। এমন রসবোধপূর্ণ আমন্ত্রণে ভক্ত-অনুরাগীরাও মেতে উঠেছেন মজার সব মন্তব্যে। অনেকেই লিখেছেন, কফির বিল দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।সব মিলিয়ে জয়ার এই পোস্টটি বেশ আলোচনায়ই এসেছে, বিশেষ করে তার এই ‘সরল আমন্ত্রণ’-নিয়ে অভিনেত্রীর প্রশংসা করছেন অনেকে।


জয়া আহসান একমাত্র বাংলাদেশি অভিনয়শিল্পী যিনি তিনবার ভারতের সম্মানজনক ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার (ইস্ট) জয় করেছেন। এছাড়া, অভিনয়ে অনবদ্য অবদানের জন্য বাংলাদেশে ৫টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ৭টি মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেছেন তিনি।


তানজিন নাহার তিশা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৪৭ পিএম

কোনো অনুমতি না নিয়ে ফেসবুকে বাদীর ছবি ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন (নাহার) তিশার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। 


আজ বুধবার ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকা চৌধুরীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠিয়েছেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


শুভ্র সিনহা রায় বলেন, ‘নোটিশপ্রাপ্তির দুই দিনের মধ্যে তিশার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বাদীর সব ছবি ও লেখা সরিয়ে ফেলতে হবে এবং ভবিষ্যতে বাদীর কোনো ছবি ফেসবুক পেজে প্রকাশ না করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিশার বিরুদ্ধে মানহানি, সাইবার ট্রাইব্যুনালসহ যেকোনো আদালতে আইনি প্রতিকার নিতে বাধ্য হব।’


আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, শাড়িকাণ্ডে অভিনয়শিল্পী ও মডেল তানজিন নাহার তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলো চলমান। এর মধ্যে অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশা ২৭ অক্টোবর তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক Tanjin Tisha নামের পেজ থেকে বাদীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন। এ ছাড়া বিবাদী তানজিন তিশা দেশের গণমাধ্যমকেও ভুলভাবে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন।


নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাদীকে ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর বিবাদী তানজিন তিশা তাঁর ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভাইরালের হুমকি দেন। সেখানে তিশা বলেন, ‘ফেমাস হইলে বইল, আমি তোমার ছবি আপলোড করে দিবনে।’ বাদী বলেন, তিশা তারই ধারাবাহিকতায় তাঁর ছবি নিজের ফেসবুকে আপলোড দিয়ে সম্মানহানির ঘটনায় লিপ্ত রয়েছেন।


নোটিশে বলা হয়েছে, তিশা ফেসবুকে লেখেন, ‘এই দুজন এক কেন? এই দুই বোনের মিলিত হয়ে ঘৃণা কেন’। বাস্তবে বাদী ও ছবি শেয়ার করা অপর নারী সম্পর্কে বোন নন। তিশা অপর নারীকে বোন বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ সব জায়গায় ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন। প্রকৃতপক্ষে বাদী একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এবং অপরজন একজন নারী উদ্যোক্তা। সেই হিসেবে তাঁদের মধ্যে পরিচয় রয়েছে। তিশা এই সম্পর্ককে নেতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে বাদীর মানহানি ঘটিয়ে যাচ্ছেন।


  তানজিন তিশার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ


নোটিশে আরও বলা হয়েছে, তিশা তাঁর ফেসবুক পোস্টে দুজন মাইনরের ছবি প্রকাশ করেছেন—এসব ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে বাদীর ও শিশুর পরিবারের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। যা সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৩–এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।


এর আগে ২৬ অক্টোবর অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ৭৫ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে করা মামলাটি তুলে নিতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আরেকটি মামলা করেছেন আগের মামলার বাদী সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। এ মামলায় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্নার ব্যবহৃত গাড়ি। ছবিঃ সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:১৯ পিএম

প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্নার ব্যবহৃত গাড়ি মেরামত করতে গিয়ে আগুন লাগার ঘটনায় করা মামলায় তার পরিবারের ব্যবস্থাপক ও এক টেকনিশিয়ানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


কারাগারে পাঠানো দুজন হলেন মান্নার পরিবারের ব্যবস্থাপক মো. মামুন মণ্ডল (২৯) ও টেকনিশিয়ান মো. সোহেল পাটওয়ারী (৩৭)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াউর রহমান দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে রাখার আবেদন জানানো হয়। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী খাদেমুল ইসলামের দাবি, গাড়িটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন দেওয়া হয়নি। 


তার ভাষ্য, ২০০৮ সালে মান্নার মৃত্যুর পর গাড়িটি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত ছিল। সেটি মেরামতের সময় যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে আগুন লাগে। আজকে তাদের জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।


মামলার এজাহার অনুযায়ী, রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ভবনের নিচতলার গ্যারেজে গাড়িটি রাখা ছিল। ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মান্নার স্ত্রী। গাড়ি থেকে তেল পড়ায় ভবন কর্তৃপক্ষ সেটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানায়। পরে মান্নার স্ত্রী ব্যবস্থাপক মামুনকে গাড়িটি বাইরে কোনো ওয়ার্কশপে নিয়ে মেরামত করতে বলেন।


অভিযোগে বলা হয়েছে, সেই নির্দেশনা অনুসরণ না করে সোমবার মামুন টেকনিশিয়ান সোহেলকে নিয়ে ভবনের গ্যারেজেই গাড়ি মেরামতের কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যা আনুমানিক ছয়টার দিকে গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। এতে গাড়িটি পুরোপুরি পুড়ে যায়। পাশের একটি ব্যক্তিগত গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


এ ছাড়া আগুনে ভবনের গ্যারেজ, বৈদ্যুতিক তার, সিসিটিভি ক্যামেরা ও গেটের শাটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে যায়। ভবনের কয়েকটি অংশের কাচও ভেঙে যায়। এ ঘটনায় প্রায় ৯০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


ঘটনার পর ভবনটির ব্যবস্থাপক মো. গাজি মানিক মিয়া মঙ্গলবার সকালে ভাটারা থানায় মামলা করেন। পরে বেলা ১১টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে মামুন ও সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জানান, গাড়িটি প্রায় দেড় বছর ধরে পড়ে ছিল। বাইরে নিয়ে মেরামতের কথা থাকলেও মেকানিক ডেকে ভবনের গ্যারেজেই কাজ শুরু করা হয়। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। 


  চিত্রনায়ক মান্নার গাড়িতে আগুনের ঘটনায় ম্যানেজারের জামিন


  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৩ পিএম

টাইগার শ্রফের বাড়ির সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন তথ্য সামনে আসছে। এ যাত্রায় মুম্বাই পুলিশের তদন্তে অভিনেতা ইমরান হাশমির নামও উঠে এসেছে। পুলিশের দাবি, টাইগারকে নিশানা করার আগে ইমরানের বাড়িও রেকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল অভিযুক্তদের। তবে স্থানীয় এলাকায় খোঁজখবর করেও তারা অভিনেতার বাড়ি খুঁজে পায়নি। এর আগে সালমান খান ও আমির খানের বাড়িতেও নজরদারি চালানোর তথ্য সামনে এসেছে।


গত ১৮ অক্টোবর মুম্বাইয়ের জুহুতে টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ওই ঘটনার তদন্ত করছে মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা প্রথমে সালমান খানের বাড়িতে রেকি করেছিল। পরে আমির খানের বাড়ির ঠিকানার সন্ধান করারও চেষ্টা চালায় তারা। কিন্তু আমির দক্ষিণ মুম্বাইয়ে চলে গেছেন, এই তথ্য তাদের জানা ছিল না। ফলে তার বাড়িও খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয় অভিযুক্তরা।এরপরই ইমরান হাশমির বাড়িতে রেকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে খোঁজ করেও অভিনেতার বাড়ির ঠিকানা বের করতে পারেনি তারা।অন্য অভিনেতাদের বাড়ি খুঁজে পেতে ব্যর্থ হওয়ার পর সমাজমাধ্যমে টাইগার শ্রফের রিল দেখেই তাঁকে নিশানা করার সিদ্ধান্ত নেয় অভিযুক্তরা। মুম্বাই পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, টাইগার প্রতি রোববার জুহুর পুষ্পা নারসি গ্রাউন্ডে ফুটবল খেলতে যেতেন। সমাজমাধ্যমে সেই তথ্য পাওয়ার পরই তার গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।


উরফি জাভেদ। ছবিঃ সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:২২ পিএম

নানা সময়ে আজব ও সাহসী ফ্যাশন স্টেটমেন্টের কারণে বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন বলিউড ডিভা উরফি জাভেদ। খোলামেলা বা আনকনভেনশনাল পোশাক পরে ক্যামেরার সামনে আসার জন্য নেটপাড়ায় সবসময় আলোচনার শিরোনামে থাকেন তিনি। তবে এবার আর কোনো অদ্ভুত পোশাকের জন্য নয়; বরং নিজের ফ্ল্যাটেই হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুললেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী উরফি।


মুম্বাইয়ে নিজের ফ্ল্যাটে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য রিল বা কনটেন্ট শুট করার সময় হাউজিং সোসাইটি থেকে বাধাপ্রাপ্ত হন। এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন উরফি। সোসাইটি কমিটি এই কাজকে ‘কমার্শিয়াল অ্যাক্টিভিটি’ বা বাণিজ্যিক কার্যকলাপ উল্লেখ করে তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে জানিয়েছেন উরফি। এ বিষয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান।


ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে উরফি ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, নিজের বাড়িতে তিনি কী করবেন বা কোন কনটেন্ট বানাবেন, সেটা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও অধিকারের বিষয়।


উরফির দাবি, এর আগে অতিথিদের প্রবেশাধিকার এবং অন্যান্য মনগড়া নিয়ম নিয়ে সোসাইটির সঙ্গে তার তীব্র বিরোধ হয়েছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তিনি বাধ্য হয়ে মুম্বাই পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশে অভিযোগের ফলে সোসাইটির কিছু সদস্য তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে হেনস্তার কৌশল অবলম্বন করছে।এ ছাড়াও সোসাইটির পক্ষ থেকে তার ফ্ল্যাটের মালিককে চাপ দেওয়া হয়েছিল, যাতে তাকে দ্রুত বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। উরফি জাভেদ অভিনেত্রীর অভিযোগ, তার বাড়িতে আসা অতিথিদের ব্যাগ ও জিনিসপত্র তল্লাশি করা হচ্ছে।


নিজের বাড়িতে ভিডিও তৈরিতে এ ধরনের বাধা বা সেন্সরশিপ কতটা আইনসম্মত, সেই প্রশ্ন তুলে সোচ্চার হয়েছেন উরফি। বর্তমানে তার এই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এবং বিস্ফোরক অভিযোগ নেটপাড়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে।


তানজিন নাহার তিশা

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৪ পিএম

ফ্যাশন ডিজাইনার ও নারী উদ্যোক্তা সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরীর মানহানি, ভুল তথ্য প্রচার ও সাইবার হয়রানির অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায়ের চেম্বার থেকে এ নোটিশ পাঠানো হয়।


লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, বিবাদী তানজিন নাহার তিশার বিরুদ্ধে বাদী ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম আদালত ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন এবং মামলাগুলো চলমান রয়েছে। বিবাদী তানজিন নাহার তিশা গত ২৭ অক্টোবর তার রিফাইড ফেসবুক পেইজ থেকে বাদীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন। এছাড়াও বিবাদী তানজিন নাহার তিশা দেশের গণমাধ্যমকেও ভুলভাবে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন।


নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাদীকে ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর বিবাদী তানজিন নাহার তিশা তাহার ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভাইরালের হুমকি দেন। সেখানে তিশা বলেন, ‘ফেমাস হইলে বইলো, আমি তোমার ছবি আপলোড করে দিবো নে।’ বাদী বলেন, তিশা তারই ধারাবাহিকতায় তাহার ছবি ফেইসবুকে আপলোড দিয়ে সম্মান হানির ঘটনায় লিপ্ত রয়েছেন।


নোটিশে বলা হয়েছে, তিশা ফেসবুকে লেখেন, ‘এই দুজন এক কেন? এই দুই বোনের মিলিত হয়ে ঘৃণা কেন’। বাস্তবিকভাবে বাদী ও ছবি শেয়ার করা অপর নারী কখনো বোন নয়। তিশা অপর নারীকে বোন বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্ব জায়গায় ভুল ভাবে উপস্থাপন করছেন। প্রকৃতপক্ষে বাদী একজন ফ্যাশন ডিজাইনার ও অপরজন একজন নারী উদ্যোক্তা। সেই হিসেবে তাহাদের মধ্যে পরিচয় রয়েছে। তিশা এই সম্পর্ককে নেতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে বাদীর মানহানি ঘটিয়ে যাচ্ছে।


নোটিশে আরও বলা হয়েছে, তিশা তাহার ফেসবুক পোস্টে দুইজন মাইনরের ছবি প্রকাশ করেছেন। এগুলো ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে বাদীর ও শিশুর পরিবারের কোন অনুমতি নেওয়া হয়নি। যাহা সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৩ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।


লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, নোটিশ প্রাপ্তির দুই (২) দিনের মধ্যে তিশার ভেরিভাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে বাদীর সম্বলিত সকল ছবি ও লেখা সরিয়ে ফেলতে এবং ভবিষ্যতে বাদীর কোন ছবি ফেইসবুক পেইজে প্রকাশ না করতে। অন্যথায় বাদী আইনজীবীর মাধ্যমে তিশার বিরুদ্ধে আর্থিক মানহানি এবং সাইবার ট্রাইব্যুনালসহ যেকোন আদালতে আইনি প্রতিকার নিতে বাধ্য হইবে।