• প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫৫ এএম

দীর্ঘ তিন দশক ধরে চলচ্চিত্রাঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যু। সেই ঘটনার এক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। সেসময় তিনি রাজসাক্ষী হয়ে নায়কের মৃত্যুতে কয়েকজনের সঙ্গে নিজেও দায়ী বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন। এদিকে, সম্প্রতি একাধিক সাক্ষাৎকারে সালমান শাহ প্রসঙ্গে বারবার চিত্রনায়িকা শাবনূরের নাম উল্লেখ করেন রিজভী। এবার এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নায়িকা। 


শাবনূর জানান, ১৯৯৭ সালে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে রিজভী ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছিল।


শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ‘রিজভীর গালগল্প ও অসত্য বয়ান’ শীর্ষক এক দীর্ঘ পোস্টে শাবনূর লেখেন, ‘‘সালমান শাহর মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে যে ব্যক্তি রাজসাক্ষী হয়েছিল, তার নাম রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। এই ব্যক্তি অন্য একটি মামলায়, সালমান শাহর ছোট ভাই শাহরান চৌধুরীকে (বিল্টু) অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছিল। ওই জবানবন্দিতে সে দাবি করে যে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরও কয়েকজনের সঙ্গে সে জড়িত ছিল। তখন সে প্রায় ৯ মাস কারাগারে বন্দী ছিল। তার নিজের ভাষ্যমতে, কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার কিছুদিন পরই সে যুক্তরাজ্যে দেশান্তরিত হয়। পরবর্তীতে সেখানে অবস্থানকালে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় সে আবারও সালমান শাহর হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। কিন্তু ২০১৯ সালে পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর সময় টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্পূর্ণ ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে দাবি করে, সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এবং সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিল। আশ্চর্যের বিষয়, সালমানের মৃত্যুর দীর্ঘ ২৯ বছর পর অল্প কিছুদিন আগে ‘আরজে নীরব’ ও ‘সময় টিভি’কে দেওয়া দুটি পৃথক সাক্ষাৎকারেও সে আবার একই দাবি করে যে, সালমান শাহর মৃত্যু হত্যা নয়, বরং আত্মহত্যা। শুধু তাই নয়, সে ওই আত্মহত্যার জন্য সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীকে দায়ী করে। পাশাপাশি, প্রথমবারের মতো আমার বিরুদ্ধেও মিথ্যা অভিযোগ তোলে এবং আমাকেও ওই ঘটনার জন্য বারবার দায়ী করে কথা বলে।”


চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে সালমান-শাবনূর। ছবি: সংগৃহীত


তাহলে রিজভীর কোন বক্তব্য সঠিক—এই প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, “একই ব্যক্তি যখন সময়ে সময়ে একই ঘটনার বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেয়, তখন তার সর্বশেষ দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। গত জুলাইয়ে প্রকাশিত তার দেওয়া দুটি সাক্ষাৎকারে সে বিভিন্ন বিষয়ে আরও অনেক অসঙ্গগতিপূর্ণ, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য বক্তব্য দিয়েছে। তার বক্তব্যগুলো পর্যালোচনা করলে সবার কাছেই সেগুলো সাংঘর্ষিক, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হবে। অতি সম্প্রতি ‘আরজে নীরব’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজভী আহমেদ বলেছে, আমার প্রতি তার ভালোবাসার কথা সে কোনোদিন প্রকাশ করতে পারেনি। তবে মনে মনে নাকি আমাকে এতটাই ভালোবাসতো যে আমাকে বিয়ে পর্যন্ত করতে চেয়েছিল, এবং এখনও চায়! কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রায় একই সময়ে ‘সময় টিভি’কে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে সে আবার দাবি করেছে, আমি নাকি তার এক্স-গার্লফ্রেন্ড ছিলাম। শুধু তাই নয়, সে আরও দাবি করেছে যে ২০১৬ সালে আমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এবং ২০১৮ সালে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে! এখন প্রশ্ন হলো, সে-তো ১৯৯৯ সাল থেকেই প্রায় ২৬-২৭ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছে এবং তার নিজের দাবি অনুযায়ী, ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশেই আসেনি। অন্যদিকে, আমি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে কখনোই যুক্তরাজ্যে যাইনি। তাহলে আমার সঙ্গে তার বিয়েটা কোথায় হলো? কীভাবে হলো? এর প্রমাণই-বা কী?”


যোগ করে শাবনূর বলেন, “আরও মজার বিষয় হলো, সে যে সময়ের কথা বলছে, তার অনেক আগ থেকেই আমি বিবাহিত ছিলাম। তার সঙ্গে সম্পর্ক তো দূরের কথা, তাকে আমি কখনও দেখেছি বলেও মনে পড়ে না, আমি তাকে চিনিই না। তার এসব কথা শুনে মনে হচ্ছে, আমার সঙ্গে তার বাস্তবে কোনো বিয়ে নয়, হয়তো শুধু ‘স্বপ্নের বাসর’ই হয়েছিল!”


শাবনূর জানান, রিজভীকে তিনি আগে থেকে চিনতেন না। সালমান শাহর মৃত্যুর পর রাজসাক্ষী হওয়ার পর এই ব্যক্তির নাম শোনেন। নায়িকার ভাষ্য, ‘রিজভী আহমেদ প্রবল বিদ্বেষের সঙ্গে দাবি করেছে যে আমি নাকি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করতাম, এবং তার আত্মহত্যার জন্য আমাকে দায়ী করেছে। অথচ রিজভীর নাম আমি প্রথম শুনেছি সালমান শাহর মৃত্যুর পর, যখন সে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার ঘটনায় রাজসাক্ষী হয়েছিল। তাহলে প্রশ্ন হলো, সে কীভাবে এবং কোন ভিত্তিতে দাবি করছে যে আমি সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করতাম? রিজভী দাবি করছে, আমি নাকি কূটনামী করতাম বা সালমান ও তার স্ত্রীর একের কথা অন্যের কানে লাগাতাম। এমন ভিত্তিহীন গুজব আরও কিছু অসৎ ব্যক্তি ছড়িয়েছে বলে শুনেছি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ধরনের আচরণ কখনোই আমার স্বভাবের মধ্যে ছিল না। আমার পরিবারও আমাকে এমন শিক্ষা দেয়নি। আর এসব করার সময়ও আমার ছিল না। চলচ্চিত্র অঙ্গনের কেউই কোনোদিন বলতে পারবেন না যে আমি কারও সঙ্গে এমন কূটনামী করেছি।’


স্পষ্ট ভাষায় শাবনূর লেখেন, ‘রিজভী আহমেদের সঙ্গে আমার কখনও কোনো যোগাযোগ ছিল না, এখনও নেই। সে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং অত‍্যন্ত মানহানিকর।’


সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সালমান শাহর বিষয়ে ভিসা ও পাসপোর্ট ছাড়া যুক্তরাজ্যে যাওয়া, সেখানে বাড়ি কেনা কিংবা সালমান খান ও শাহরুখ খানদের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়াসহ বিভিন্ন দাবি করেছেন রিজভী। এবার এসব বিষয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শাবনূর। 


তিনি লিখেছেন, ‘সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী (আন্টি) তাঁর ছেলের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে পুনরায় মামলা করার পর, ওই মামলায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। মামলার মোড় ঘুরে যাওয়ার কারণে অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ কেউ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাই আমার ধারণা, তাদের প্ররোচনায় বা অন্যকোনো উদ্দেশ্যে, এমনকি আর্থিক প্রলোভনে পড়েও রিজভী আহমেদ আমার ও নীলা আন্টির বিরুদ্ধে এসব ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে থাকতে পারে। নিজেদের রক্ষা করা এবং প্রকৃত সত্যকে আড়াল করাই হয়তো তাদের উদ্দেশ্য। আমি বরাবরের মতোই স্পষ্ট করে বলতে চাই, সালমান শাহর মৃত্যু বা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সংযোগ ছিল না। তিনি কীভাবে মারা গেছেন, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। সালমান শাহ শুধু একজন জনপ্রিয় নায়কই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয় সহশিল্পী এবং বড় ভাইয়ের মতো একজন মানুষ। তার অকাল মৃত্যু আজও আমাকে ব্যথিত করে।’


সবশেষে ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান শাবনূর। তিনি বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে চাই, একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হোক এবং এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’


প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে সালমান শাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়। তবে ভক্তদের কাছে তাঁর মৃত্যু আজও এক রহস্য। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনসহ (পিবিআই) বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। তবে পরিবার ও ভক্তদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, যা নিয়ে এখনও আইনি লড়াই অব্যাহত রয়েছে।




মার্কিন রিয়েলিটি টিভি তারকা ও সৌন্দর্যপণ্য উদ্যোক্তা কাইলি জেনার। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:০৮ এএম

দীর্ঘ আট বছর পর আবারও র‍্যাম্পে ফিরেছে ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের আলোচিত ‘ফ্যান্টাসি ব্রা’। আর এবারের বিশেষ ডিজাইনের ব্রা পরে র‍্যাম্পে হেঁটেছেন মার্কিন রিয়েলিটি টিভি তারকা ও সৌন্দর্যপণ্য উদ্যোক্তা কাইলি জেনার। হীরা ও মূল্যবান রত্নে সাজানো ব্রাটির দাম ৫ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬১৭ কোটি টাকারও বেশি।



রোববার (১৮ অক্টোবর) মার্কিন ফ্যাশন ম্যাগাজিন ভোগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের পর এবারই প্রথম ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ফ্যাশন শোতে ফিরল ফ্যান্টাসি ব্রা। এর প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করতে নকশা ও অলংকারে বিশেষ আয়োজন করেছে ব্র্যান্ডটি। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪ হাজার ৪১০টি প্রাকৃতিক হীরা। মাঝখানে রয়েছে ৭৫ দশমিক ৫৪ ক্যারেটের উজ্জ্বল কাটের বিরল হলুদ হীরা।



অন্তর্বাসটি তৈরি করতে ১৫ জন কারিগরের এক হাজার ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। এর ওজন প্রায় চার পাউন্ডের কাছাকাছি। ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দামি ফ্যান্টাসি ব্রা। এর আগের রেকর্ডের তুলনায় দাম প্রায় সাড়ে তিন কোটি ডলার বেশি।



র‍্যাম্পে কাইলির পরনে ছিল হালকা কাপড়ের মিনিস্কার্ট, স্বচ্ছ হিল এবং সাদা পালকের ডানা। তবে পুরো আয়োজনের মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠে হীরাখচিত ব্রাটি। এ বিষয়ে ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের প্রধান সৃজনশীল কর্মকর্তা অ্যাডাম সেলম্যান বলেন, এবারের শোর অন্যতম ভাবনা ছিল ভক্তদের উন্মাদনা ও প্রত্যাশা। গত বছরের শোতে ফ্যান্টাসি ব্রা ফিরিয়ে আনার দাবি ছিল সবচেয়ে বেশি। তাই এবার জমকালোভাবে এটি উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার ভাষায়, কাইলি একজন ‘সাংস্কৃতিক শক্তি’, যিনি ফ্যাশন, টেলিভিশন ও সৌন্দর্যজগতের বাইরেও ব্যাপক প্রভাব রাখেন। জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান জ্যাকব অ্যান্ড কো ব্রাটির অলংকার নির্মাণে কাজ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জ্যাকব আরাবো জানান, ব্রাটিতে সাত ধরনের কাটের হীরা ব্যবহার করা হয়েছে। হীরার উজ্জ্বলতা বাড়াতে প্রয়োগ করা হয়েছে চার ধরনের সেটিং কৌশল।



তবে এত দামি অলংকার তৈরি করাই ছিল একমাত্র চ্যালেঞ্জ নয়। ব্রাটি যেন কাইলির শরীরের সঙ্গে মানানসই হয় এবং চলাফেরায় অসুবিধা না করে, সেটিও নিশ্চিত করতে হয়েছে। কারণ, নকশাটি তৈরি হয়েছে মূলত সোনা ও হীরা দিয়ে, এতে কোনো কাপড় ব্যবহার করা হয়নি। কাইলির শরীরের মাপ নিয়ে একাধিকবার পরীক্ষা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত নকশা তৈরি করা হয়।



ফ্যান্টাসি ব্রার ইতিহাস প্রায় ৩০ বছরের। ১৯৯৬ সালে ক্লডিয়া শিফার এক মিলিয়ন ডলারের প্রথম ফ্যান্টাসি ব্রা পরে প্রচারণায় অংশ নেন। ১৯৯৯ সালে হেইডি ক্লুম পরেন ১০ মিলিয়ন ডলারের ‘মিলেনিয়াম ব্রা’।



২০০০ সালে জিসেল বুন্ডশেনের পরনে ছিল ১৫ মিলিয়ন ডলারের ‘রেড হট ফ্যান্টাসি ব্রা’। সর্বশেষ ২০১৮ সালে এলসা হস্ক পরেছিলেন এক মিলিয়ন ডলারের অ্যাটেলিয়ার স্বরোভস্কি ফ্যান্টাসি ব্রা।



ফ্যাশন দুনিয়ায় ফ্যান্টাসি ব্রা একদিকে যেমন প্রচারণার বড় আকর্ষণ, অন্যদিকে এটি গয়না নির্মাণের জটিল কারিগরি দক্ষতারও উদাহরণ। ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ভাষ্য, এবারের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণ করা এবং তাদের জন্য বিশেষ কিছু উপহার দেওয়া।

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২৬ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:১৬ এএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২৬ পিএম

শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিনে বিজয়ার আনন্দ ভাগ করে নিতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হাজির হন অভিনেত্রী ও কণ্ঠশিল্পী মেহের আফরোজ শাওন। বুধবার সকালে বন্ধুদের সঙ্গে সিঁদুর খেলার আয়োজনে অংশ নেন তিনি। ঢাকের তালে, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর মন্দির প্রাঙ্গণে অন্য ভক্তদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন এই শিল্পী।


বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে দশমী বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা। পরে দেবী দুর্গাকে সিঁদুর দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে সিঁদুর খেলায় অংশ নেন ভক্তরা। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরেও দিনভর ছিল উৎসবের আমেজ। সেখানেই বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান শাওন।


উৎসবে যোগ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে শাওন বলেন, ‘আমরা বন্ধু, ঈদের দিন ওরা বাসায় আসে। আমাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে। তাই তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করতে এসেছি।’সিঁদুর খেলার আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা পরস্পরের কপালে সিঁদুর ও আবির মাখিয়ে উৎসবের আনন্দ প্রকাশ করেন। তবে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্যেও দেবী দুর্গার বিদায়ের মুহূর্তে ভক্তদের মনে ছিল বিষাদের ছোঁয়া।


বিকেলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ার কথা এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের। এ উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা বের হবে। রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিমা ওই শোভাযাত্রায় যুক্ত হওয়ার পর ঢাকার ১১টি ঘাটে বিসর্জন দেওয়া হবে।


ইজে ও স্যাম কিম

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫১ পিএম

নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমা ‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’-এর গান দিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন কোরীয়-মার্কিন গায়িকা ও গীতিকার ইজে। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ কম নয়। এবার বিয়ে করলেন তিনি। তাঁর বর সংগীত প্রযোজক ও গীতিকার স্যাম কিম। শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়। গত সোমবার ‘ভোগ’ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানা গেছে। বিয়ের পর তাঁর স্বামী স্যাম কিমের সঙ্গে প্রেমের গল্প এখন আলোচনায়। সংগীতের সূত্রেই পরিচয়, এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম– দুজনের সম্পর্কের শুরু ২০১৭ সালে।


ইজের আসল নাম কিম উন-জে। স্যাম কিম একসময় সংগীত প্রযোজক হিসেবে কাজ করতেন। পরে পেশা বদলে যুক্ত হন কোডিংয়ের কাজে। ২০১৭ সালে একটি গানের লেখার সেশনে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পর্কে জড়ান তারা।


২০২৩ সালের অক্টোবরে বাগদান হয় তাদের। তবে সম্পর্কের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো এতদিন অনেকটাই আড়ালে রেখেছিল এই জুটি। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে কিছু ছবি প্রকাশের মাধ্যমে বাগদানের খবর জানান ইজে। ইজে ও স্যাম শুধু প্রেমিক-প্রেমিকাই নন; সংগীতের কাজেও একে অপরের সহযোগী। 


ইজের প্রথম জনপ্রিয় গান ‘সাইকো’, যেটি কে-পপ গার্ল গ্রুপ রেড ভেলভেট-এর থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গান ‘ইন অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’ পর্যন্ত তাঁর সংগীতযাত্রায় স্যামের অবদান রয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ভালচারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইজে তাদের পরিচয়ের কথা বলেছিলেন। 


তিনি বলেন, ‘সে মূলত আমার গানের লেখার সঙ্গী ছিল। ২০১৭ সালে একটি সেশনে আমাদের পরিচয় হয়। আমরা সত্যিই একসঙ্গে বড় হয়েছি।’ ইজে জানিয়েছেন, মঞ্চে ওঠার আগে ভয় ও উদ্বেগ কাটিয়ে উঠতেও স্যাম তাঁকে সহায়তা করেন। ‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গান ‘হোয়াট ইট সাউন্ডস লাইক’-এর কণ্ঠের বিন্যাসও রেকর্ড করা হয়েছিল ব্রুকলিনে ইজের অ্যাপার্টমেন্টে। সেখানে স্যামও কণ্ঠ দিয়েছিলেন। 


এর আগে ফোর্বসকে ইজে বলেছিলেন, ‘আমি সব সময় গাড়িতে নিজের গান চালাই। গাড়ির স্পিকারে কেমন শোনায়, তা পরীক্ষা করার জন্য ডেমো তৈরি করি। স্যাম সব সময় আমাকে মতামত দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘গীতিকার হিসেবে আমি যা করি, এটি তারই প্রতিফলন। আমরা একসঙ্গে গান শুনি, উপভোগ করি। বাস্তবেও আমরা ঠিক এভাবেই সময় কাটাই।’ 


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৪১ পিএম

‘কেন এই নিঃসঙ্গতা, কেন এই মৌনতা, আমাকে ঘিরে...’– এই লাইনগুলো আজও উচ্চারিত হয় শ্রোতাদের মুখে। সৃষ্টির ৩২ বছর পরও এই গানের আবেদন এতটুকু কমেনি। সে কারণে ‘নিঃসঙ্গতা’ গানটি আনপ্লাগড সংগীতায়োজন রেকর্ড করেছেন সোলস সদস্যরা। একযোগে প্রকাশ করছেন শিল্পী পার্থ বড়ুয়া ও ব্যান্ডের ইউটিউব চ্যানেলে। সোলস সদস্যদের কথায়, মাত্র এক দিনের নোটিশে বিটিভির জন্য যে গানটি তৈরি হয়েছিল, সেই ‘নিঃসঙ্গতা’ সংগীতাঙ্গনে এতটা আলোড়ন সৃষ্টি করবে; যুগের পর যুগ অনুরণন তুলে যাবে শ্রোতামনে, তা কল্পনাও করেননি তারা। আর এই গানের প্রতি যতটা ভালো লাগা শ্রোতাদের, ততটাই সৃষ্টির আনন্দ মিশে আছে তাদের মনে। সে কারণে আনপ্লাগড ভার্সনে গানটি রেকর্ড করে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যা অনেকের ভালো লাগবে বলে তাদের বিশ্বাস।


কালজয়ী এই গানের সৃষ্টি নিয়ে সোলসের লিড গিটারিস্ট ও কণ্ঠশিল্পী পার্থ বড়ুয়া বলেন, ‘নিঃসঙ্গতা’ গানের জন্ম অনেকটা গল্পের মতো মনে হয়। সেই ১৯৯৪ সালের কথা। তপন চৌধুরী সোলস ছাড়ার পর অ্যালবাম প্রকাশনাও থেমে গেছে। সেই সময়ে হঠাৎ একদিন বিটিভিতে সোলসের ডাক পড়ে নতুন একটি গান করার জন্য। তখন বিটিভি ছাড়া অন্য কোনো টিভি চ্যানেল ছিল না। যে জন্য সেখানে পারফর্ম করতে পারা যে কোনো শিল্পী ও ব্যান্ডের জন্য ছিল বাড়তি পাওয়া। আমরাও তাই এক দিনের নোটিশে গান তৈরিতে উঠেপড়ে লেগেছিলাম। গীতিকার কবির বকুলের কাছ থেকে গীতিকথা লিখিয়ে নিয়ে এক রাতেই শেষ করে ফেলেছি গানের সুর ও সংগীতায়োজন। পরদিনই বিটিভিতে গিয়ে গানটি রেকর্ড করেছি। এরপর ‘নিঃসঙ্গতা’ বিটিভিতে প্রচারের পর যা হয়েছে, তা আজ এক ইতিহাস।


সম্প্রতি সোলস সদস্যরা ব্যান্ডের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনে কানাডা সফর করে এসেছেন। গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে কানাডা সফরে যায় দেশের সবচেয়ে পুরোনো এই ব্যান্ড। এই সফরের প্রথম কনসার্ট ছিল সাসকাচুয়ানে। প্রথম আয়োজনে সোলসের পরিবেশনা দর্শক-শ্রোতাদের দারুণ সাড়া ফেলেছিল। যে কারণে বাড়াতে হয়েছে তাদের কনসার্ট সংখ্যা। সাসকাচুয়ানের পর একে একে কানাডার ক্যালাগেরি, হ্যালিফ্যাক্স ও এডমন্টনে অনুষ্ঠিত কনসার্টে অংশ নিয়েছে অসংখ্য কালজয়ী গানের এই ব্যান্ড। কানাডায় ধারাবাহিকতায় আয়োজনের সমাপ্তি টানে স্কারবোরোয়। সোলসের কণ্ঠশিল্পী পার্থ বড়ুয়ার কথায়, উত্তর আমেরিকার বৃহৎ এই দেশটিতে আগেও কনসার্ট করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। কিন্তু এবারের এই কনসার্ট সফর ব্যান্ডের সবার জন্য অন্যরকম অভিজ্ঞতা ও ভালো লাগার। কারণ একটাই, ধারাবাহিক কনসার্টের মধ্য দিয়ে ব্যান্ডের ৫০ দশক পূর্তি উদযাপন করতে পারা। আশার কথা হলো, প্রতিটি কনসার্টে দর্শক সমাগম ও তাদের আনন্দ উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো, যা দীর্ঘদিন আমাদের মনে অনুরণন তুলে যাবে। 


প্রসঙ্গত, সোলসের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালে। সে বছরই দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও প্রথম সারির ব্যান্ড সোলস গানের ভুবনে পথচলার ৫০ বছর পূর্ণ করে। দেশের একমাত্র ব্যান্ড হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পারা নিয়ে সোলস সদস্যরা নানা আয়োজন শুরু করেন, যা কয়েকটি ধাপে চলমান।


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৩৫ এএম

তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর নতুন অধ্যায় নিয়ে ফিরেছেন নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। দর্শকদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বঙ্গ (Bongo) প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে সিরিজটির ‘চ্যাপ্টার ১৬’। এতে রয়েছে ১২১ থেকে ১২৮ নম্বর পর্ব।

নতুন চ্যাপ্টার মুক্তির আগেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল নানা কৌতূহল। বিশেষ করে নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয় আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘পাশা ভাইয়ের জীবনে প্রেম দরকার’। এরপর থেকেই দর্শকদের মনে প্রশ্ন জাগে, ব্যাচেলর ফ্ল্যাটের রাগী স্বভাবের চিরকুমার পাশা ভাইয়ের জীবনে কি সত্যিই আসতে চলেছে প্রেম? নতুন চ্যাপ্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে সেই কৌতূহলের উত্তর খোঁজার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

তবে এবারের পর্বগুলোতে শুধু প্রেমের গল্পই নয়, থাকছে আরও নানা চমক। নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি জানিয়েছেন, চ্যাপ্টারের শেষ দিকে রয়েছে জমজমাট অ্যাকশন দৃশ্য। ফলে পাশা ভাইয়ের জীবনে রোমান্টিক কোনো পরিবর্তন আসে কি না, তার পাশাপাশি শেষ মুহূর্তের টানটান উত্তেজনাও দর্শকদের বাড়তি আকর্ষণ জোগাবে।

দর্শকদের আগ্রহ ও সিরিজটির জনপ্রিয়তার কথা বিবেচনায় রেখে ‘চ্যাপ্টার ১৬’ তৈরি করা হয়েছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর বিশেষ সম্প্রসারণ হিসেবে। নতুন এই অধ্যায় দেখতে বঙ্গ থেকে যারা ইতোমধ্যে ‘এইচ৫ সিজন পাস’ কিনেছেন, তাদের আলাদা করে কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হবে না। তাদের জন্য পর্বগুলো দেখা যাবে বিনা মূল্যে। অন্য দর্শকদের জন্যও শুধু নতুন চ্যাপ্টার দেখার পৃথক সাবস্ক্রিপশন প্যাক রয়েছে।

পাশা ভাইয়ের জীবনে প্রেমের সম্ভাবনা, শেষদিকে অ্যাকশনের উত্তেজনা আর ব্যাচেলরদের চেনা ছন্দে নতুন সব কাণ্ড- সব মিলিয়ে ‘চ্যাপ্টার ১৬’ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। নতুন পর্বগুলো দেখতে চোখ রাখতে হবে বঙ্গের অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৭ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৭ এএম


জেলার ২ সিনেমার পোস্টার।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৭ পিএম

গোটা দেশজুড়ে রজনীকান্তের অগণিত ভক্ত। বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে তো তিনি ‘থালাইভা’। আর সেই ভক্তকুলের মধ্যে অন্যতম সাঞ্জু স্যামসন। আর সেটা এমন পর্যায়ে যে রজনীর নতুন সিনেমা ‘জেলার ২’ দেখার জন্য একাই হলের সব টিকিট কিনে নিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। আগেই সিনেমাটা দেখার ইচ্ছা ছিল। সেটা হয়নি বলে এবার ঝুঁকি নেননি বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার।


সাঞ্জু যে রজনীকান্তের ভক্ত, সেটা আর নতুন করে বলার নয়। এর আগেও তিনি বহুবার সে কথা স্বীকার করেছেন। তবে ভারতে তারকা ক্রিকেটারদের সর্বসমক্ষে বের হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা আছে। তাই বলে কি প্রিয় হিরোর সিনেমা বড় পর্দায় দেখার সুযোগ হাতছাড়া করা যায়?


সাঞ্জু বলেন, ‘রজনী স্যারের সিনেমা দেখতে আমার দারুণ লাগে। আমি সবসময় তার সিনেমা দেখার জন্য মুখিয়ে থাকি। তাই সময় পেলেই তার সিনেমা দেখতে চলে যাই। কালই দেখতে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু দিল্লিতে একটু অনুষ্ঠানে আটকে পড়ায় আর যাওয়া হয়নি।’এবার যাতে আর মিস না হয়, তাই গোটা হলই বুক করে নিয়েছেন সাঞ্জু। তিনি বলেন, ‘কপাল ভালো, আজ সুযোগ পেয়েছি। তাই হলের সব টিকিট কেটে নিয়েছি। আমি আমার বন্ধুদের সিনেমা দেখতে নিমন্ত্রণ করেছি। আমার স্ত্রীও থাকবে। রজনী স্যারকে বড় পর্দায় দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।’এখানেই শেষ নয়। এরপর ভারতীয় দল নিউজিল্যান্ডে উড়ে যাবে। তার আগে টিম ইন্ডিয়ার ম্যানেজমেন্টে যারা তামিল জানেন, তাদেরকেও এই সিনেমা দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সাঞ্জু।মেগাস্টার রজনীকান্তের ‘জেলার’ বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল। সেই সময় থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল, কবে আসবে ছবির সিকুয়েল? গত ১৫ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। স্বাভাবিক ভাবেই অন্যান্য বারের মতো এখানেও তাকে দেখানো হয়েছে ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ ভাবমূর্তিতেই।