• প্রকাশ : সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ এএম
  • আপডেট : সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ এএম

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ এএম

শুরু থেকে আলোচনায় থাকা বিনোদনের মেজাজে বানানো গুরুগম্ভীর রাজনৈতিক ঘরানার সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ ঝড় তুলল অস্কার মঞ্চে। চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে বড় সম্মান বলে বিবেচিত ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের জিতল পল টমাস অ্যান্ডারসনের ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানদার’ সিনেমাটি।


যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে রোববার সন্ধ্যায় অস্কারের জমকালো আসরে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। অস্কারের আসর সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় কমেডিয়ান কোনান ও’ব্রায়েন। 


শুরুতেই তিনি বলেন, ‘এবারের অস্কার হতে যাচ্ছে রাজনৈতিক’।


সেরা সিনেমা, সেরা নির্মাতাসহ ৬ শাখায় অস্কার জিতে নিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেওয়া অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনীত এই সিনেমাটি।


তবে সেরা অভিনেতার অস্কার ছিটকে যাওয়ায় বড় সম্ভাবনা থাকলেও দ্বিতীয়বার আর অস্কার জয় হল না ক্যাপ্রিওর। অস্কার পেতে ১৩ শাখায় মনোনয়ন পেয়েছিল এই সিনেমাটি।


‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন পল টমাস অ্যান্ডারসন।


সেরা নির্মাতার পুরস্কার জিতে অ্যান্ডারসন বলেন, “এই প্রাপ্তির জন্যআমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। আপনাদের ধন্যবাদ।”


অ্যান্ডারসন বলের তার দলের সদস্যরা সম্মানিত, এই সম্মানের ভাগীদার হওয়ার জন্য।


রসিকতা করে অস্কারজয়ী এই নির্মাতা বলেন, “কোনো কিছু পাওয়ার আগে আপনার মনে সন্দেহ থাকতে পারে যে আপনি এটার যোগ্য কী না। কিন্তু কোনো সন্দেহ নেই আমি অস্কার পেয়ে আনন্দিত।”


তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি মানুষের আস্থা-ভরসা ও বিশ্বাস আমার উপরে আছে।”


১৯৯০ সালে প্রকাশিত টমাস পিনচনের উপন্যাস ‘ভাইনল্যান্ড’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটি বানিয়েছেন পল টমাস অ্যান্ডারসন। যার সঙ্গে এ সময়ের যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তবতার মিল পাওয়া যায়। বিপ্লব, অভিবাসন, দুর্নীতি, সংঘর্ষ, শ্বেতাঙ্গদের আধিপত্য-কী নেই এই সিনেমায়।


বলা হয়, ‘এই সিনেমা অসন্তোষ, প্রতিবাদ আর সমাজের বাইরে থাকা একাকী নায়কের গল্প, যা আজকের আমেরিকায় দেখা যায় না।’


দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন বলে জানা গেছে।


বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিনেমাটিকে ‘সমাজের আয়না’ বলে অভিহিত করেছিলেন মূল চরিত্রাভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। তার ভাষ্যে, “আমাদের সংস্কৃতির বিভাজন আর চরম মেরুকরণকে দেখায় এই সিনেমা। যদিও সিনেমার নির্দিষ্ট কোনো বার্তা নেই, তবে চরমপন্থার একধরনের প্রভাব এখানে কাজ করেছে।”


এই সিনেমায় রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, ব্ল্যাক কমেডি ও অ্যাকশন আছে, যার প্রশংসা করেছেন সমালোচকেরা।


দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, এই সিনেমা অসন্তোষ, প্রতিবাদ আর সমাজের বাইরে থাকা একাকী নায়কের গল্প, যা আজকের আমেরিকায় দেখা যায় না।


সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী


ডিক্যাপ্রিও বা টিমোথি শ্যালামে নন, সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অস্কারে সেরা অভিনেতা হলেন ‘সিনার্স’ অভিনেতা মাইকেল বি জর্ডান।


রায়ান কুগলার পরিচালিত হরর ছবি ‘সিনার্স’–এ দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য এ পুরস্কার পেলেন তিনি।


সিনার্স’ একদিকে এটি যেমন হরর সিনেমা, অন্যদিকে ব্লুজ সংগীতনির্ভর মিউজিক্যাল, আবার একই সঙ্গে গ্যাংস্টার থ্রিলার। অর্থাৎ ত্রিশের দশকের মিসিসিপিকে কেন্দ্র করে নির্মিত গভীর গবেষণাভিত্তিক ঐতিহাসিক ড্রামা হল ‘সিনার্স’।


সিনেমায় যমজ ভাইয়ের চরিত্রাভিনেতা মাইকেল বি. জর্ডান যেন নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করেছেন।


তবু এই ছবিতে দ্বৈত চরিত্রে, স্মোকস্ট্যাক যমজ ভাই হয়ে নিজের জাত চিনিয়েছেন মাইকেল। শরীরী ভাষা ও কণ্ঠের সূক্ষ্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে দুই ভাইকে আলাদা করে তুলেছেন নিজের দক্ষতায়।


পুরস্কার পেয়ে ছোট্ট কথায় মাইকেল বি. জর্ডান বলেন, ‘তিনি হতবাক’।


পুরস্কার হাতে কৃষ্ণাঙ্গ অভিনয়শিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাইকেল বি. জর্ডান বলেন, “তারা আমার আগে শুরু করেছিলেন বলেই আমি আজ এখানে আসতে পেরেছি।”


সহশিল্পীদের প্রতি তার ভাষ্য, ‘তোমরা সবাই মিলে এই সিনেমাটি তৈরি করেছ’।


আরও বলেন, “আজ এখানে আমার বাবা এসেছেন. পরিবারের সদস্যরা এসেছেন, তারাও অভিভূত।”


সেরা অভিনেত্রী জেসি বাকলি। গোল্ডেন গ্লোব, ক্রিটিকস চয়েজ, বাফটা, অ্যাক্টার অ্যাওয়ার্ডসের পর সমালোচকরা ধারণা করেছিলেন, এই শাখায় অস্কারটি যাচ্ছে বাকলির হাতে। অস্কার মঞ্চেও চমক দেখালেন তিনি।


চার প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে ক্লোয়ি ঝাওয়ের ‘হ্যামনেট’ সিনেমার জন্য এ পুরস্কার পেলেন এই আইরিশ তারকা।


বাকলি অস্কার জিতে গড়লেন ইতিহাসও। কারণ তাহলে প্রথম কোনো আইরিশ অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জয় করলেন এই অভিনেত্রী।


বাকলি অভিনীত ‘হ্যামনেট’ ম্যাগি ও ফ্যারেলের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত, যা উইলিয়াম শেক্সপিয়ার ও তার স্ত্রী অ্যাগনেস হ্যাথাওয়ের জীবনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।


এতে ১১ বছর বয়সী পুত্র হ্যামনেটের মৃত্যুতে পারিবারিক শোক, সংকট এবং শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক ‘হ্যামলেট’ সৃষ্টির পেছনের আবেগঘন পারিবারিক কাহিনী দেখানো হয়েছে। সিনেমাতে আরও আছেন পল মেসক্যাল।


এই সিনেমা সন্তান হারানোর শোক নিয়ে। সমালোচকদের ভাষ্য, এই সিনেমায় বাকলি নিজেকে শেক্সপিয়ারের স্ত্রী অ্যাগনেস হ্যাথাওয়ের চরিত্রে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছেন।


নির্মাতা ক্লোয়ি ঝাওয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাকলি। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তার স্বামীর প্রতি।


অশ্রুস্বজল চোখে বাকলি বলেন, “আমার বাবা-মা সব সময় স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন।


"আজ যুক্তরাজ্যে মা দিবস, তাই আমি এটি একজন মায়ের হৃদয়ের প্রতি এই অস্কার উৎসর্গ করতে চাই। এই ভূমিকায় আমাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।”


পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী


পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন অ্যামি মুলিগান; আলোচিত হরর সিনেমা 'ওয়েপনস'-এর জন্য পুরস্কার পেলেন তিনি। সেরা পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন শন পেন। ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ এর অভিনেতা শন পেন এই শাখায় পুরস্কার পাওয়ার দৌঁড়ে এগিয়েই ছিলেন।


জয়ের হাসি হাসল যারা


• সেরা সিনেমা: ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার


• সেরা অভিনেত্রী: জেসি বাকলি (হ্যামনেট)


• সেরা অভিনেতা: মাইকেল বি জর্ডান (সিনার্স)


• সেরা পরিচালক: পল টমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)


• সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী: অ্যামি মুলিগান (ওয়েপনস)


• সেরা পার্শ্ব অভিনেতা: শন পেন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)



সর্বশেষ সব খবর

সালমান খান

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১৯ পিএম

বলিউড সুপারস্টার সালমান খান এবার প্রকাশ্যে জানালেন জেলে কাটানো সময়ের অভিজ্ঞতা। রিয়েলিটি শো অ্যালায়েন্স-এ ভাই সোহেল খানকে সমর্থন জানাতে গিয়ে কারাগারের কঠিন পরিবেশের কথা তুলে ধরেন তিনি।


সম্প্রতি প্রকাশিত শো-টির একটি প্রোমোতে সালমান বলেন, 'অনেক বছর আগে যখন আমি জেলে ছিলাম, তখন আমাদের সামনে লোহার গ্রিল ছিল। খুব ছোট একটি জায়গায় ৬০-৭০ জন মানুষ থাকত। সবার জন্য ছিল মাত্র একটি ভারতীয় স্টাইলের বাথরুম। সেখানে কখনও টিকটিকি থাকত, আবার অনেক সময় পানি ও ময়লায় ভরে থাকত।'


এর আগে পডকাস্টেও বলেছিলেন জেলের অভিজ্ঞতা জানিয়েছিলেন সালমান। চলতি বছরের শুরুতে ভাগ্নে আরহান খানের পডকাস্ট ডাম্ব বিরিয়ানিতে জেলে থাকার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছিলেন সালমান।


সেখানে তিনি বলেন, 'অনেকে বলে থাকেন আমি ক্লান্ত। এটা নিয়ে মানুষ হতাশায় ডুবে যায় কিন্তু আমি বলি, উঠে দাঁড়াও। যতই ক্লান্ত হও না কেন, কাজ করো। অনেকে বলে ঘুম হয় না। আমি বলি, ঘুমিও না, কাজ করো। দেখবে নিজে থেকেই ঘুম চলে আসবে। এসব অজুহাত আমি বুঝি না।'


সালমান খানের ভাষায়, 'আমি সাধারণত দেড় থেকে দুই ঘণ্টা ঘুমাই। মাসে একদিন হয়তো সাত ঘণ্টা ঘুম হয়। শুটিংয়ের ফাঁকে পাঁচ মিনিট সময় পেলেও চেয়ারেই ঘুমিয়ে নিই। আর এমন জায়গায়, যেখানে কিছুই করার ছিল না-যেমন জেলে-সেখানেই ঘুমিয়েছি। কারণ সেখানে করার মতো আর কিছুই ছিল না।'


তিনি আরও বলেন, ‘কাজ কিংবা পরিবারের ক্ষেত্রে সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। পরিবার, বন্ধু এবং নিজের কাজের পাশে থাকাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’


১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার (ব্ল্যাকবাক) শিকার মামলায় সালমান খানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০০৬ সালে এই মামলায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই জামিন পান। 


পরে ২০১৮ সালে একই মামলার একটি রায়ে আবারও তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সে সময় কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর তিনি পুনরায় জামিনে মুক্তি পান।


সূত্র: এনডিটিভি

সর্বশেষ সব খবর

ইলিয়াস কাঞ্চন

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩৬ পিএম

যুক্তরাজ্যে ১৫ মাসের বেশি সময়ের চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। 


আজ সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন নিসচার ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ। তিনি বলেন, ‘রোববার বাংলাদেশ সময় গভীর রাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে মেয়ে ও জামাতাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই। আজ বিকেল পাঁচটায় তাকে বহনকারী উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা।’


ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে গত বছরের এপ্রিলে থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সেখানকার হাসপাতাল ও মেয়ে ইমা ইসলামের বাসায় থেকে চলে তার চিকিৎসা। 


গত বছরের আগস্টে লন্ডনের একটি হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকেরা টিউমারের একটি বড় অংশ অপসারণ করলেও ঝুঁকির কারণে পুরো টিউমার সরাতে পারেনি। পরে চিকিৎসক জানান, তার ব্রেন ক্যানসারের কথা।


পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন করে ১২ সপ্তাহের চিকিৎসায় মধ্যে প্রায় ৬০টির বেশি কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে এই অভিনেতাকে। এরপর তিন মাসের প্রথম ধাপের ওরাল থেরাপি শেষ করে তিনি দ্বিতীয় ধাপের আরও তিন মাসের ওরাল থেরাপি নিয়েছেন। তিন ধাপে সব মিলিয়ে মোট শ খানেক কেমোথেরাপি নিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।


লিটন এরশাদ বলেন, ‘দেড় বছরের বেশি সময় ধরে দেশে বাইরে থাকতে থাকতে ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই অস্থির হয়ে ওঠেছেন। দেশে ফেরার জন্য তার মন টানছিল। পরিবারকেও বলছিলেন, তৃতীয় ধাপের থেরাপি যেহেতু শেষ হয়েছে, কয়েক মাসের জন্য দেশে ফিরতে চান। কাঞ্চন ভাইয়ের ইচ্ছাতে তাকে দেশে আনা হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। অবস্থার উন্নতিও খুব একটা নেই। তৃতীয় ধাপের থেরাপি গত ৩০ জুলাই শেষ হয়েছে। এরপর আবার তার নতুন চিকিৎসা শুরু হবে। তার আগে দেশে কিছুদিন কাটাতে চাইছেন।’


কতদিন দেশে থাকবেন-এ প্রশ্নে লিটন বলেন, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই সম্ববত ৭ থেকে ১০ দিন দেশে অবস্থান করবেন। এরপর আবার যুক্তরাজ্যে যাবেন।’

সর্বশেষ সব খবর

সাদিয়া জাহান প্রভা।

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪৭ পিএম

অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। তবে মাঝেমধ্যেই স্যোশাল মিডিয়ায় রহস্যময় পোস্ট করে ভক্তদের কৌতূহলে রাখেন তিনি। এবারও তেমনই এক আবেগঘন বার্তা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।


সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন প্রভা। ছবিগুলোতে সফট প্যাস্টেল রঙের পোশাক, মিনিমাল সাজ এবং স্নিগ্ধ এথনিক লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি। খোলা চুলে গোলাপি-সাদা সালোয়ার-কামিজে তার উপস্থিতি নজর কেড়েছে ভক্তদের।


তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে ক্যাপশনটি। সেখানে প্রভা লিখেছেন, ‘তোমাকে ছাড়া এখনও বেঁচে আছি। আবার দেখা হবে- সেই দিনটির অপেক্ষায় প্রতিটি দিন গুনছি।’


কার উদ্দেশে এমন আবেগঘন বার্তা লিখেছেন, সে বিষয়ে কিছুই জানাননি অভিনেত্রী। ফলে পোস্টটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। অনেকেই ধারণা করছেন, প্রিয় কোনো মানুষকে উদ্দেশ্য করেই হয়তো এই কথাগুলো লিখেছেন। তবে এ বিষয়ে প্রভার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।


প্রকাশিত ছবিগুলোতে কখনো পার্কের বেঞ্চে বসে, কখনো ফুলের দিকে হাত বাড়িয়ে, আবার কখনো রাস্তার পাশে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা গেছে তাকে। সব মিলিয়ে তার স্বাভাবিক ও নান্দনিক উপস্থিতি ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।


এদিকে অভিনয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রভা। সম্প্রতি তিনি ফয়েজ আহমেদ রেজা পরিচালিত ‘লুক আ লাইক’ শিরোনামের একটি ফিকশনে অভিনয় করেছেন। ফিকশনটি শিগগিরই বঙ্গ প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

শ্রেয়া কালরা, রাম কাপুর ও গৌতমী কাপুর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১৯ পিএম

রিয়েলিটি শো 'লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’র দ্বিতীয় মৌসুম' নতুন মোড় নিয়েছে আলোচিত বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের বিশেষ পর্বে প্রতিযোগী রাম কাপুরের স্ত্রী অভিনেত্রী গৌতমী কাপুর শোতে এসে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার কাছে স্বামীর আচরণের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।


কয়েক সপ্তাহ ধরে ‘লক আপ ২’-এ রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরা অভিযোগ করেন, রাম কাপুর একাধিকবার তাঁর ব্যক্তিগত পরিসীমা অতিক্রম করেছেন। বিভিন্ন টাস্ক শেষে তাঁর গালে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চুম্বন করায় তিনি অস্বস্তি বোধ করেন বলেও জানান।


একটি পর্বে শ্রেয়া ও সহপ্রতিযোগী শিল্পা শিন্দে বলেন, ‘একটু সীমারেখা বজায় রাখুন। আমার বাবা পর্যন্ত আমাকে এত চুমু দেন না। দয়া করে এখন আর আমাকে চুমু দেবেন না।’ 


তাঁর এই মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিতর্কের শুরুতে গৌতমী কাপুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে স্বামীকে সমর্থন করেছিলেন। সেখানে তিনি রামকে ‘খুবই ভালো মনের মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। তবে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের পর্বে তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়।


শ্রেয়ার প্রেমিক ঋষভ জয়সওয়ালের সঙ্গে শোতে প্রবেশ করে গৌতমী সরাসরি শ্রেয়ার কাছে যান। দুই হাত জোড় করে তিনি বলেন, ‘আপনার যদি কোনো কষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে ক্ষমা করবেন। রাম যদি আপনাকে অনুচিতভাবে স্পর্শ করে থাকেন, তাহলে তাঁর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি।’


শুধু শ্রেয়ার কাছেই নয়, অনুষ্ঠানের অন্য কোনো নারী প্রতিযোগীও যদি রাম কাপুরের আচরণে অস্বস্তি বোধ করে থাকেন, তাঁদের কাছেও ক্ষমা চান গৌতমী। তবে একই সঙ্গে গৌতমী বলেন, ‘আমি ওর পক্ষ নিয়ে সাফাই গাইছি না। ওর স্বভাবটাই এমন।’ 


গৌতমীর ক্ষমা প্রার্থনা ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেন শ্রেয়া কালরা। হাসিমুখে তিনি জানান, এ নিয়ে তাঁর মনে কোনো ক্ষোভ নেই।


রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে বিতর্ক এখনো দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। গৌতমীর এই প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন দেখার বিষয়, শোয়ের পরবর্তী পর্বগুলোতে এই ঘটনার কী প্রভাব পড়ে।

সর্বশেষ সব খবর

চিত্রনায়িকা পরীমণি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:২৯ পিএম

চিত্রনায়িকা পরীমণি। অভিনয় ছাড়াও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বছরজুড়ে আলোচনায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন তিনি। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ খেলার সময় বিয়ে নিয়ে আলোচনায় ছিলেন এই নায়িকা। 


বুধবার রাজধানীর শুটিং ক্লাবে আয়োজতি একটি অনুষ্ঠান শেষে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, আইনি লড়াই, গ্রেপ্তার ও ফের বিয়ে করা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন পরীমণি।


বিয়ে নিয়ে চলা নানা আলোচনা প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, ‘আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, তবুও গালি খেতে হয়। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না। তারা শুধু আমাকে সিঙ্গেল এবং আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখতে চায়। কেন এমনটা হয়, আমি সত্যিই জানি না।’


নিজের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ টেনে অভিনেত্রী বলেন, জেল থেকে বের হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেননি। তার দাবি, গ্রেপ্তারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।


পরীমণির ভাষ্য, ‘তখন গ্রেপ্তারের কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না। এমনকি আমার বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও তাদের কাছে ছিল না। পরে পুরো ঘটনার বর্ণনা শুনে আমার মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পরিকল্পিত ছিল।’


আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, কোনো সত্য চিরদিন চাপা থাকে না। এই বিশ্বাস নিয়েই ছয় বছর পার করেছি। আমি আইনের ওপর আস্থা রাখি। একদিন আদালত অবশ্যই আমাকে সেই সম্মান ফিরিয়ে দেবে।’


মামলায় নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন পরীমণি। তিনি বলেন, ‘মামলাটি কোনো ব্যক্তি করেননি। বলা হয়েছিল, আমি নাকি বিভিন্ন মানুষকে বিরক্ত করি, ব্ল্যাকমেইল করি-এ ধরনের নানা অভিযোগ আনা হয়েছিল। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন লাগে, যেভাবে লাগে, ততদিন হাজিরা দেব। কারণ, আমার বিশ্বাস সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ হবেই।’


দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, ‘শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যে-ই হোক, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তা থেকে মুক্তি চাই।’

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:০৪ পিএম

ঢালিউডের জনপ্রিয় ও চর্চিত অভিনেত্রী পরীমনি। সম্প্রতি ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যাতে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। বর্তমানে পরীমনির ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি। 


অন্যদিকে সাকিব আল হাসানের অনুসারী ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। ফলে দেশের তারকাদের মধ্যে ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যায় শীর্ষে এগিয়ে পরীমনি।


সাকিব একজন আন্তর্জাতিক তারকা। তাই তার সঙ্গে নিজের তুলনা চলে বলে মনে করেন পরীমনি। সম্প্রতি রাজধানীতে আয়োজিত এক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘সাকিব আল হাসান একজন আন্তর্জাতিক মানের মানুষ, বিশ্বজুড়ে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। আর আমি তো দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তেমন কোনো কাজই করিনি। সেই জায়গা থেকে তার সঙ্গে আমার কোনো তুলনাই চলে না।’


এছাড়াও পরীমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযাচিত মন্তব্য ও প্রতিনিয়ত সমালোচনার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন পরীমণি। 

তিনি বলেন, ‘আমি জানি সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়। আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, গালি খাই! সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়, আমার বাচ্চাটার সঙ্গে দেখতে চায়। এতে কী আনন্দ, আমি জানি না।’


এ সময় প্রিয় দল আর্জেন্টিনাকে নিয়েও কথা বলেন পরীমনি। আর্জেন্টিনার হার নিয়ে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভাই, এই রিস্ক থেকেই তো বলেছিলাম আবার বিয়ে করবো (জিতলে)।’

সর্বশেষ সব খবর