সঞ্জয় দেব

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৯ জুন, ২০২৬, সময় : ১০:৪৬ এএম

সিনেমা, নাটক, গান, খেলা– সবকিছুতেই কি আমরা পিছিয়ে থাকব? এমন তো নয়, আমরা কেবলই ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সংস্কৃতি অঙ্গনে আমাদেরও অনেক শিল্পী, সাধক আছেন; যারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন অভিনব আয়োজন তুলে ধরার প্রয়াসে। ক্রীড়া জগতেও সাফল্যে দেখা মিলেছে বিভিন্ন সময়। 


তাহলে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরা কেন সুযোগ পাব না, নিজেদের চেনাতে? এমন অনেক প্রশ্ন মনের মাঝে ঘুরপাক খায়। সে কারণে আশার জাল বুনে যাই এমন কিছু দেখার, যা আমাদের গর্বিত করবে। অবশেষে তেমনই এক গর্বিত মুহূর্ত আমাদের সামনে ধরা দিল ‘বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬’-কে ঘিরে। অবাক বিস্ময় নিয়ে আমরা দেখলাম, বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে কীভাবে সঞ্জয় নামে এক তরুণ শিল্পী গানে গানে পরিচয় করিয়ে দিলেন বাংলাদেশকে। 


সঞ্জয়ের জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। চট্টগ্রামে কাটিয়েছেন শৈশবের বড় একটি অংশ তিন বছর বয়স থেকেই ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত শেখা শুরু তাঁর। ১১ বছর বয়সে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। খেলাধুলা বা অন্য কোনো বিষয়ে না জড়িয়ে সংগীতকে জীবনের আশ্রয় হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে শিল্পী ও সংগীতায়োজক হাবিব ওয়াহিদ এবং ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের সৃষ্টি তাঁকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছিল। পরবর্তী সময়ে ইয়ান্নি, হ্যান্স জিমার, এ আর রহমান, স্ক্রিলেক্স, ডেডমাউস, ক্যালভিন হ্যারিসসহ বিশ্বসংগীতের আরও বেশ খ্যাতিমান শিল্পী ও সংগীতায়োজকদের সৃষ্টিতে বুঁদ হয়ে ছিলেন তিনি। সে কারণে বাংলা গান এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে আধুনিক ধারার মিশ্রণের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে আসছেন। আর এই কাজটি তাঁর সংগীতচিন্তাকে আরও গভীরে নিয়ে গেছে। 


তবে সংগীতের এই যাত্রায় ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছিলেন তাঁর মা। সঞ্জয়ের কথায়,  মা-ই আমাকে ছোটবেলায় সংগীতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তবলা শেখার জন্য ভর্তি করিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাল-লয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। তিনি সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং আমার স্বপ্নে বিশ্বাস রেখেছেন। একজন শিল্পী হিসেবে আমি যা হয়েছি, তার শুরুটা মায়ের কাছ থেকেই। ছোটবেলা থেকেই মাথায় নানা সুর আসত, আর সেগুলো গান আকারে সাজানোর চেষ্টা করতাম। ১৩তম জন্মদিনে একটি ল্যাপটপ উপহার পাই। তখনই ‘রিজন’ নামে সংগীত তৈরির সফটওয়্যার আবিষ্কার করি। এরপর থেকে আজ পর্যন্ত সংগীত তৈরি থামাইনি।’ সঞ্জয়ের এক কথা থেকে সহজেই অনুমান করা যায়, সংগীত মাধ্যমে তাঁর জীবনের অধ্যায়গুলো– এ যেন বহুকাল আগেই নির্ধারিত হয়ে গেছে। তাইতো বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী আয়োজনে তাঁকে পারফর্ম করতে দেখা মোটেও অবাক করে না।   


১২ জুন শুক্রবার ছিল সেই কাঙ্ক্ষিত দিন, যেদিন কানাডার টরন্টোর বিএমও স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬’ এর উদ্বোধনী আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন সঞ্জয়। ‘সির সির’ শিরোনামের সেই গানে তাঁর সঙ্গী ছিলেন বলিউডের এ সময়ের আলোচিত তারকা, কানাডীয় শিল্পী নোরা ফাতেহি ও ফরাসি হিপহপ তারকা ভেজেড্রিম। সেদিন কোটি ফুটবলপ্রেমীর সামনে দাঁড়িয়ে তারা যে পরিবেশনা তুলে ধরেন, তা দারুণভাবে আন্দোলিত করেছে এ দেশের দর্শক-শ্রোতাদেরও। তবে সবকিছু ছাপিয়ে নজর কেড়েছে সঞ্জয়ের বিশেষ জ্যাককটি। ডান হাতাজুড়ে সু এমব্রয়ডারিতে ফুটে উঠেছিল বাংলাদেশের পরিচয়ের তিনটি শক্তিশালী প্রতীক– রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং লাল-সবুজ জাতীয় পতাকা। শুধু পোশাকে এসব প্রতীক ব্যবহার করেই থেমে থাকেননি তিনি। 


পারফরম্যান্স চলাকালে বারবার নিজের হাতার দিকে ইঙ্গিত করে বিশ্বের প্রতিটি দেশের দর্শকের নজর সেদিকেই  টেনে নিয়েছেন। গানে গানে দেশের পরিচিতি তুলে ধরার অভিনব এই পরিকল্পনা নিয়ে সঞ্জয় বলেন, ‘যেদিন ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমার পারফর্ম করার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে, সেদিন থেকে ভাবতে শুরু করেছি, আমার পরিবেশনা কতটা আলাদাভাবে তুলে ধরা যায়। অনেকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জার্সি পরে পারফর্ম করার। কিন্তু এই বিষয়টি আমার কাছে অনেক গৎবাধা মনে হয়েছে। তাঁর বদলে আরও নান্দনিক কিছু তুলে ধরা যায় কিনা, তা নিয়ে আলাদা করে ভাবতে বসেছি। যদিও আগে থেকে জানা ছিল, আমার ও ভেজেড্রিমের ‘সির সির’ গানটি ফিফার অফিসিয়াল অ্যালবামে থাকছে। কিন্তু এই গানের সঙ্গে কীভাবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজন সাজানো হবে, তা নিয়ে কোনো ধারণা ছিল না। এজন্য আমার টিমের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা করি, কীভাবে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা যায়। এরপর আমার ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ছায়া কুমারের সঙ্গে মিলে এই জ্যাকেটের নকশা তৈরি করি। যার প্রতিটি মোটিফের পেছনেই ছিল একটি বার্তা। পোশাকের হাতায় তুলে ধরা রয়েল বেঙ্গল টাইগার হলো বাংলাদেশের শক্তি ও সাহসের প্রতীক। শাপলা তুলে ধরে দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিচয়। আর জাতীয় পতাকার লাল-সবুজ রংয়ে মিশে আছে শান্তি, সৌহার্দ ও পরিচয়ের গল্প। তবে সবকিছু পরিকল্পিতভাবে হলেও মঞ্চে দাঁড়িয়ে বারবার হাতার নকশা দর্শকদের দেখানো বিষয়টি হঠাৎ করেই হয়ে গেছে।’


 কিভাবে হলো? এ প্রশ্নের জবাবে সঞ্জয় স্বীকার করেন, আবেগের বশেও আমরা অনেক কিছু করে ফেলি। এই বিষয়টাও তেমনি। তবে এও মনে হয়, অচেতন মনে বাংলাদেশকে দেখানোর ইচ্ছাটা পুষে রেখেছিলাম। সে কারণে হয়তো মঞ্চে ওঠে মনে হয়েছে, আমার সঙ্গে পুরো বাংলাদেশ আছে। অনুষ্ঠানের আগে যখনই জ্যাকেটটি পরতাম, আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে যেত। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে ওঠার পর সেই অনুভূতি আরও তীব্র হয়। তাই শেকড়ের টান উপেক্ষা করতে পারিনি, তাঁকে চিনিয়ে দেওয়ার দায় অনুভব করেছি। আর তা করতে গিয়ে খানিকটা গর্বও হয়েছে।’




সাদিয়া জাহান প্রভা।

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪৭ পিএম

অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। তবে মাঝেমধ্যেই স্যোশাল মিডিয়ায় রহস্যময় পোস্ট করে ভক্তদের কৌতূহলে রাখেন তিনি। এবারও তেমনই এক আবেগঘন বার্তা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।


সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন প্রভা। ছবিগুলোতে সফট প্যাস্টেল রঙের পোশাক, মিনিমাল সাজ এবং স্নিগ্ধ এথনিক লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি। খোলা চুলে গোলাপি-সাদা সালোয়ার-কামিজে তার উপস্থিতি নজর কেড়েছে ভক্তদের।


তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে ক্যাপশনটি। সেখানে প্রভা লিখেছেন, ‘তোমাকে ছাড়া এখনও বেঁচে আছি। আবার দেখা হবে- সেই দিনটির অপেক্ষায় প্রতিটি দিন গুনছি।’


কার উদ্দেশে এমন আবেগঘন বার্তা লিখেছেন, সে বিষয়ে কিছুই জানাননি অভিনেত্রী। ফলে পোস্টটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। অনেকেই ধারণা করছেন, প্রিয় কোনো মানুষকে উদ্দেশ্য করেই হয়তো এই কথাগুলো লিখেছেন। তবে এ বিষয়ে প্রভার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।


প্রকাশিত ছবিগুলোতে কখনো পার্কের বেঞ্চে বসে, কখনো ফুলের দিকে হাত বাড়িয়ে, আবার কখনো রাস্তার পাশে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা গেছে তাকে। সব মিলিয়ে তার স্বাভাবিক ও নান্দনিক উপস্থিতি ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।


এদিকে অভিনয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রভা। সম্প্রতি তিনি ফয়েজ আহমেদ রেজা পরিচালিত ‘লুক আ লাইক’ শিরোনামের একটি ফিকশনে অভিনয় করেছেন। ফিকশনটি শিগগিরই বঙ্গ প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।


শ্রেয়া কালরা, রাম কাপুর ও গৌতমী কাপুর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১৯ পিএম

রিয়েলিটি শো 'লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’র দ্বিতীয় মৌসুম' নতুন মোড় নিয়েছে আলোচিত বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের বিশেষ পর্বে প্রতিযোগী রাম কাপুরের স্ত্রী অভিনেত্রী গৌতমী কাপুর শোতে এসে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার কাছে স্বামীর আচরণের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।


কয়েক সপ্তাহ ধরে ‘লক আপ ২’-এ রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরা অভিযোগ করেন, রাম কাপুর একাধিকবার তাঁর ব্যক্তিগত পরিসীমা অতিক্রম করেছেন। বিভিন্ন টাস্ক শেষে তাঁর গালে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চুম্বন করায় তিনি অস্বস্তি বোধ করেন বলেও জানান।


একটি পর্বে শ্রেয়া ও সহপ্রতিযোগী শিল্পা শিন্দে বলেন, ‘একটু সীমারেখা বজায় রাখুন। আমার বাবা পর্যন্ত আমাকে এত চুমু দেন না। দয়া করে এখন আর আমাকে চুমু দেবেন না।’ 


তাঁর এই মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিতর্কের শুরুতে গৌতমী কাপুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে স্বামীকে সমর্থন করেছিলেন। সেখানে তিনি রামকে ‘খুবই ভালো মনের মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। তবে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের পর্বে তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়।


শ্রেয়ার প্রেমিক ঋষভ জয়সওয়ালের সঙ্গে শোতে প্রবেশ করে গৌতমী সরাসরি শ্রেয়ার কাছে যান। দুই হাত জোড় করে তিনি বলেন, ‘আপনার যদি কোনো কষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে ক্ষমা করবেন। রাম যদি আপনাকে অনুচিতভাবে স্পর্শ করে থাকেন, তাহলে তাঁর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি।’


শুধু শ্রেয়ার কাছেই নয়, অনুষ্ঠানের অন্য কোনো নারী প্রতিযোগীও যদি রাম কাপুরের আচরণে অস্বস্তি বোধ করে থাকেন, তাঁদের কাছেও ক্ষমা চান গৌতমী। তবে একই সঙ্গে গৌতমী বলেন, ‘আমি ওর পক্ষ নিয়ে সাফাই গাইছি না। ওর স্বভাবটাই এমন।’ 


গৌতমীর ক্ষমা প্রার্থনা ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেন শ্রেয়া কালরা। হাসিমুখে তিনি জানান, এ নিয়ে তাঁর মনে কোনো ক্ষোভ নেই।


রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে বিতর্ক এখনো দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। গৌতমীর এই প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন দেখার বিষয়, শোয়ের পরবর্তী পর্বগুলোতে এই ঘটনার কী প্রভাব পড়ে।


চিত্রনায়িকা পরীমণি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:২৯ পিএম

চিত্রনায়িকা পরীমণি। অভিনয় ছাড়াও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বছরজুড়ে আলোচনায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন তিনি। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ খেলার সময় বিয়ে নিয়ে আলোচনায় ছিলেন এই নায়িকা। 


বুধবার রাজধানীর শুটিং ক্লাবে আয়োজতি একটি অনুষ্ঠান শেষে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, আইনি লড়াই, গ্রেপ্তার ও ফের বিয়ে করা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন পরীমণি।


বিয়ে নিয়ে চলা নানা আলোচনা প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, ‘আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, তবুও গালি খেতে হয়। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না। তারা শুধু আমাকে সিঙ্গেল এবং আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখতে চায়। কেন এমনটা হয়, আমি সত্যিই জানি না।’


নিজের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ টেনে অভিনেত্রী বলেন, জেল থেকে বের হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেননি। তার দাবি, গ্রেপ্তারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।


পরীমণির ভাষ্য, ‘তখন গ্রেপ্তারের কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না। এমনকি আমার বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও তাদের কাছে ছিল না। পরে পুরো ঘটনার বর্ণনা শুনে আমার মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পরিকল্পিত ছিল।’


আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, কোনো সত্য চিরদিন চাপা থাকে না। এই বিশ্বাস নিয়েই ছয় বছর পার করেছি। আমি আইনের ওপর আস্থা রাখি। একদিন আদালত অবশ্যই আমাকে সেই সম্মান ফিরিয়ে দেবে।’


মামলায় নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন পরীমণি। তিনি বলেন, ‘মামলাটি কোনো ব্যক্তি করেননি। বলা হয়েছিল, আমি নাকি বিভিন্ন মানুষকে বিরক্ত করি, ব্ল্যাকমেইল করি-এ ধরনের নানা অভিযোগ আনা হয়েছিল। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন লাগে, যেভাবে লাগে, ততদিন হাজিরা দেব। কারণ, আমার বিশ্বাস সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ হবেই।’


দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, ‘শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যে-ই হোক, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তা থেকে মুক্তি চাই।’


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:০৪ পিএম

ঢালিউডের জনপ্রিয় ও চর্চিত অভিনেত্রী পরীমনি। সম্প্রতি ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যাতে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। বর্তমানে পরীমনির ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি। 


অন্যদিকে সাকিব আল হাসানের অনুসারী ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। ফলে দেশের তারকাদের মধ্যে ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যায় শীর্ষে এগিয়ে পরীমনি।


সাকিব একজন আন্তর্জাতিক তারকা। তাই তার সঙ্গে নিজের তুলনা চলে বলে মনে করেন পরীমনি। সম্প্রতি রাজধানীতে আয়োজিত এক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘সাকিব আল হাসান একজন আন্তর্জাতিক মানের মানুষ, বিশ্বজুড়ে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। আর আমি তো দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তেমন কোনো কাজই করিনি। সেই জায়গা থেকে তার সঙ্গে আমার কোনো তুলনাই চলে না।’


এছাড়াও পরীমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযাচিত মন্তব্য ও প্রতিনিয়ত সমালোচনার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন পরীমণি। 

তিনি বলেন, ‘আমি জানি সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়। আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, গালি খাই! সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়, আমার বাচ্চাটার সঙ্গে দেখতে চায়। এতে কী আনন্দ, আমি জানি না।’


এ সময় প্রিয় দল আর্জেন্টিনাকে নিয়েও কথা বলেন পরীমনি। আর্জেন্টিনার হার নিয়ে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভাই, এই রিস্ক থেকেই তো বলেছিলাম আবার বিয়ে করবো (জিতলে)।’


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৩৬ পিএম

বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের জ্যেষ্ঠ পুত্র আরিয়ান খান আবারও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। 


তবে এবার কোনো চলচ্চিত্র কিংবা নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ডের কারণে নয়, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত জীবনের এক নতুন অধ্যায়কে ঘিরে তাকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। 


সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এক রহস্যময় নারীর সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে তাকে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রেমের গুঞ্জনকে নতুন করে উসকে দিয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় সেই নারীর পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও নেটিজেনরা দ্রুতই নিশ্চিত করেছেন যে তিনি পেশায় একজন শিল্পী, নাম ভিনি তাকাইর।  


সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, লন্ডনের একটি নামীদামি ক্যাসিনো থেকে একসঙ্গে বেরিয়ে আসছেন আরিয়ান ও ভিনি। ক্যাসিনো থেকে বের হওয়ার মুহূর্তেই ক্যামেরাবন্দি হন তারা। 


ভাইরাল হওয়া সেই ছবিতে আরিয়ানকে দেখা গেছে সাধারণ কিন্তু মার্জিত ক্যাজুয়াল পোশাকে, আর তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভিনির পরনে ছিল সম্পূর্ণ কালো রঙের পোশাক। ছবিগুলো দেখার পর অনুরাগী ও সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহারকারীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা। 


তাদের এই হঠাৎ সফর ও একসঙ্গে উপস্থিতি কেবল সাধারণ বন্ধুত্বের পরিচয় নাকি এর গভীরে অন্য কোনো সম্পর্কের সূচনা রয়েছে, তা নিয়ে নানা সমীকরণ মেলাচ্ছেন ভক্তরা। ক্যাসিনো সফরের দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরপরই আলোচনার নতুন উপাদান জোগান স্বয়ং ভিনি তাকাইর। তিনি তার নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল থেকে লন্ডনের কয়েকটি সুন্দর মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, লন্ডন, আই এলওয়াই (লন্ডন, আই লাভ ইউ)। 


ছবি প্রকাশের সঠিক সময় এবং ভিনির করা এই মন্তব্য নেটিজেনদের মনে সন্দেহ আরও দৃঢ় করেছে। এর ওপর আরিয়ান ও ভিনি উভয়ই সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একে অপরকে অনুসরণ করেন, যা তাদের পূর্বপরিচয়ের ইঙ্গিত দেয়। 


অবশ্য এই আলোচনার জোয়ার উঠলেও নতুন প্রেমের এই গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত আরিয়ান খান কিংবা ভিনি তাকাইর-কারও পক্ষ থেকেই কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।  


উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিডিয়ার সামনে খুব একটা কথা না বললেও আরিয়ান খানের ব্যক্তিগত জীবন এর আগেও একাধিকবার চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছে। এর আগে, তার প্রতিষ্ঠিত পোশাক ব্র্যান্ড ‘ডি’ইয়াভল এক্স’-এর বেশ কয়েকটি প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনে দেখা যাওয়া অভিনেত্রী ও মডেল ল্যারিসা বোনেসির সঙ্গেও আরিয়ানের নাম জড়িয়ে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। এমনকি আরিয়ান পরিচালিত প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ব্যাস্টার্ডস অব বলিউড’-এর প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতেও তাকে দেখা গিয়েছিল। 


তবে সাম্প্রতিক লন্ডন সফর এবং ভিনির সঙ্গে এই বিশেষ আড্ডা আরিয়ানের জীবনধারা নিয়ে বলিপাড়ায় নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।


সূত্র: এনডিটিভি


পরীমনি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৪৪ পিএম

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে ক্যারিয়ার সবকিছু নিয়ে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। 


তবে এবার কোনো নতুন সিনেমা বা ব্যক্তিগত ইস্যু নয়, বরং এক আবেগঘন মুহূর্তের জন্য আলোচনায় এলেন তিনি। গতকাল (২৯ জুলাই) রাতে রাজধানীর গুলশানে একটি ফ্যাশন শোতে অংশ নেন পরীমনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীও। মঞ্চে বক্তব্য দিতে গিয়ে সবার সামনে চয়নিকা চৌধুরীকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেন পরীমনি।




শুধু তাই নয়, তাকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি, ভরসা ও সম্পদ বলেও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।


পরীমনি বলেন, উনি আমার কাছে শুধু মা। প্রথমত উনিই আমার মা। এরপর ধরেন আপনাদের চয়নিকা চৌধুরী। এই চয়নিকা চৌধুরী আমার জীবনের অনেক বড় সম্পদ। অনেক বড় একটা শক্তি। অনেক বড় একটা বিশ্বাস। অনেক বড় একটা ভরসার জায়গা। আমি সবার সামনে বলতে চাই ‘আই লাভ ইউ মা’।


তারপর চয়নিকা চৌধুরী বলেন, ‘আমিও বলতে চাই। আমার দেখা সব চেয়ে সুন্দর একটা মেয়ে। দেখতে অনেক সুন্দর না শুধু, মনের দিক থেকেও অনেক সুন্দর। আমি পরীকে অনেক ভালোবাসি।’


পরীমনির এমন বক্তব্যে মুহূর্তেই আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। উপস্থিত অতিথিরাও করতালির মাধ্যমে তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করেন। চয়নিকা চৌধুরী ও পরীমনির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ব্যক্তিগত নানা কঠিন সময়ে পরীমনির পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে এই নির্মাতাকে। বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন তারা।


উল্লেখ্য, চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় ‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পরীমনি। সেই কাজের সূত্র ধরেই দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। তাই জনসমক্ষে নির্মাতাকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করে ভালোবাসা প্রকাশ করতে একটুও দ্বিধা করেননি পরীমনি।