শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২৬, সময় : ৩:৩১ এএম

২০২২ সাল থেকে আটকে থাকা অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর ভাতার বকেয়া আগামী দুই বছরের মধ্যে পরিশোধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীতে এক সভায় এ কথা বলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে চার শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের ওই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।


শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন সংকট ও সংস্কারের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘২০২২ সাল থেকে যাঁরা অবসরে গিয়েছেন, তাঁরা একজনও এখন পর্যন্ত অবসর ভাতার টাকা পাননি। একজন শিক্ষক অবসর গ্রহণের পর ২৫ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকেন। বিগত সরকারের সময় এই ফান্ডের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ফলে হাজার হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তাঁদের শেষ জীবনে এসে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।’


এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই এই মানবিক সংকট সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি। আসন্ন জুলাইয়ের বাজেটে এই খাতের জন্য অতিরিক্ত ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া এ খাতের জন্য একটি বিশেষ বন্ড পেয়েছি। আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এই ভাতা বিতরণ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে শিক্ষকদের সব পাওনা পরিশোধ করে এই জট দূর করা হবে।’


মন্ত্রী বলেন, আদালতে শুধু একটি মামলার কারণে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যায়নি। এর মধ্যে আরও ১৭ হাজার শিক্ষক অবসরে গেছেন। ৬০ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। বিগত সরকারগুলো কেন এ সমস্যা সমাধান করেনি বলে মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, মামলার জট দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে আটকে রাখা হয়েছিল।


মন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পরিমার্জিত নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী বই প্রস্তুত করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।


ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ মো. আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। মতবিনিময় সভায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা, পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং জেলা ও উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:১৬ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) চার শিক্ষার্থীর উপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ এবং ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে তাঁরা। একই সঙ্গে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।


শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার শিকার ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মো. এহসানুল হক রাফি, রাইয়ান সিদ্দিকী পর্ব ও মাহিন জামান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উক্ত ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।


গতকাল বৃস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট গেট সংলগ্ন রাস্তায় চারজন শিক্ষার্থীকে বুটেক্স ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর মারধরের অভিযোগ উঠে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, ৪৮তম ব্যাচের ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল বুটেক্স শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ষণ বণিক, ৪৯তম ব্যাচের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল বুটেক্স শাখার দপ্তর সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম প্রান্ত, একই ব্যাচের ও বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন সরকার এবং ৪৯তম ব্যাচের ইয়ার্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দেবনাথ সৌমিক চন্দ্রসহ অন্যান্যরা মারধরে সম্পৃক্ত ছিলেন। 


সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং ঘটনার সময় তাঁর সঙ্গে থাকা সহপাঠী তাসনিম আনোয়ার ও এস এম সাদিকুজ্জামান বক্তব্য দেন। সংবাদ সম্মেলনে ৪৯তম ব্যাচের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিম আনোয়ার বলেন, “বুটেক্সে আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও একটি গোষ্ঠী রাজনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।গত ৫ আগস্ট হলে মিষ্টি বিতরণের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করায় পরদিন ক্লাস ও ল্যাব শেষে ফেরার সময় পকেট গেটের সামনে মিরাজুলের ওপর হামলা করা হয়।”


তিনি আরও বলেন, “ছাত্রদলের পরিচয়ধারী কয়েকজন মিরাজুলকে এলোপাতাড়ি ঘুষি ও লাথি মারেন। এসময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাঁদের সহপাঠী রাইয়ান সিদ্দিকী পর্বের ওপরও হামলা করা হয় এবং তাঁর চশমা ভেঙে দেওয়া হয়। এতে তাঁর চোখ ও মুখে আঘাত লাগে।”


ঘটনার পর উপাচার্য, প্রক্টর ও হল প্রভোস্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে তাসনিম বলেন, “তাঁরা ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ চাইলেও প্রশাসন তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। একদিকে রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাসের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন, হলে সিট দখল করছেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি চালাচ্ছেন।”


সংবাদ সম্মেলনে হামলার মিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে সম্প্রতি  গণস্বাক্ষর কর্মসূচি আয়োজন করেছি। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ১০০ শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। বুটেক্সের অধিকাংশ শিক্ষার্থী এখনো ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের রাজনীতি চায় না। আমরা এই গণস্বাক্ষর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেব।”


এসময় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন ৪৯তম ব্যাচের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী এস এম সাদিকুজ্জামান। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে হামলার মূল অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব দ্রুত বাতিল, হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের অন্তত দুই বছরের জন্য বহিষ্কার এবং ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে ঘটনাস্থলের সম্পূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা ইত্যাদি।


এছাড়া নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পদত্যাগ, ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা এবং রাজনৈতিক কমিটিতে থাকা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।


শিক্ষার্থীদের আরও দাবি, উপাচার্যের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এসব দাবির বাস্তবায়ন ও হামলার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত বুটেক্সের সব ব্যাচের ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জনের ঘোষণাও দেন তাঁরা।


উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযোগের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অফিস আদেশ অনুযায়ী, উক্ত কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রক্টর বরাবর জমা দিতে বলা হয়েছে।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:২২ পিএম

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয় ছাত্রশক্তির ঘোষিত কর্মসূচিকে ঘিরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। 


বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ক্যাম্পাসের ভেতরে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।




বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো, বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।


সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নিরাপত্তাকর্মী ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। প্রবেশের সময় শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র যাচাই করা হচ্ছে।


অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জবি ছাত্রদলের


এদিকে কর্মসূচিকে ঘিরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে দেখা গেছে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনার, ভাষাশহীদ রফিক ভবন, অবকাশ ভবন ও ভাস্কর্য চত্বরে অবস্থান নিয়েছেন। ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা অবকাশ ভবনের জকসু কক্ষে অবস্থান করছেন।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিরা উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইস উদদীনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রশাসনিক ভবনে অপেক্ষা করছেন বলে জানা গেছে।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৪ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) চার শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে।


বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। হামলার শিকার শিক্ষার্থীরা হলেন বুটেক্সের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের মিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মো. এহসানুল হক রাফি, রাইয়ান সিদ্দিকী পর্ব ও মাহিন জামান।


ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ল্যাব শেষে বের হওয়ার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী মিরাজকে অনুসরণ করে পকেট গেটের সামনে তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁদের ভাষ্য, এ সময় ৪৯তম ব্যাচের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সুমন সরকার ও ছাত্রদল বুটেক্স শাখার দপ্তর সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম প্রান্ত এবং ৪৮তম ব্যাচের ফ্যাব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ও ছাত্রদল বুটেক্স শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ষণ বণিক মিরাজকে মারধর করেন। তাঁদের সঙ্গে থাকা ৪৯তম ব্যাচের ইয়ার্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দেবনাথ সৌমিক চন্দ্র, টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগের সুজিত রায় ও ইয়ার্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. আবিদ হাসান শিশিরসহ কয়েকজন এতে সহযোগিতা করেন বলেও জানান তাঁরা। একপর্যায়ে মিরাজের পরনের জামা ছিঁড়ে যায়। পরে পর্ব মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে বর্ষণ বণিক তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন পর্ব।


ঘটনার বিষয়ে মিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “গতকাল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বুটেক্সের আবাসিক হলগুলোতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের নামে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এর প্রতিবাদে আমি ফেসবুকে একটি পোস্টে মন্তব্য করি। সেখানে আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মন্তব্য করেছিলাম। আমার ধারণা, ওই মন্তব্যের জেরেই আজ আমার ওপর হামলা করা হয়েছে।”


তিনি আরো বলেন, “দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এফএসডি ল্যাব থেকে বের হলে পকেট গেটের সামনে কয়েকজন আমাকে ঘিরে ধরেন। প্রান্ত আমাকে জোর করে ভেতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। রাজি না হওয়ায় আমার কলার ধরে টান দিলে টি-শার্ট ছিঁড়ে যায়। পরে আমাকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।”


আহত শিক্ষার্থী রাইয়ান সিদ্দিকী পর্ব বলেন, “মিরাজকে মারধরের সময় তাঁকে রক্ষা করতে আমরা এগিয়ে যাই। এ সময় প্রান্ত একটি বাঁশ নিয়ে মিরাজকে মারতে এগিয়ে আসেন। তখন আমি মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করি। ভিডিও করার সময় বর্ষণ বণিক আমার কলার ধরে মুখে ঘুষি মারেন।”


অভিযোগের বিষয়ে মাজেদুল ইসলাম প্রান্ত বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের উসকানিমূলক কথা বলা ও ‘লীগ’ ট্যাগ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই মিরাজের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি উসকানিমূলক আচরণ করায় পরিস্থিতি ধাক্কাধাক্কির পর্যায়ে যায়। আমরা মারামারি এড়ানোর চেষ্টা করেছি। তাঁর জামা ছিঁড়ে দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমাদের ফাঁসাতে ও নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করতেই এসব অভিযোগ করা হচ্ছে।”


এ ছাড়া অভিযুক্ত আরেক শিক্ষার্থী বর্ষণ বণিকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।


এ বিষয়ে বুটেক্স ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল বলেন, “আজকের এই অপ্রীতিকর ঘটনা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত এবং অত্যন্ত দুঃখজনক। যেই ট্যাগিংয়ের রাজনীতি বিগত সময়ে ফ্যাসিস্ট ছাত্রসংগঠন কর্তৃক হতো, এখন সেই ট্যাগিংয়ের অপরাজনীতি গুপ্ত সংগঠনের পক্ষ থেকে হচ্ছে। আমরা এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।”


বুটেক্সের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, “যারা হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দাও তোমরা। অভিযুক্তদের নামের তালিকাসহ আবেদন করো। আমরা সব অভিযোগ গ্রহণ করব এবং সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করব। সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর দোষীদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২১ পিএম

৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচি থাকলেও বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) আয়োজন সীমাবদ্ধ রয়েছে আবাসিক হলের বিশেষ খাবারে। ক্যাম্পাসে দিবসটিকে কেন্দ্র করে কোন আয়োজন না থাকায় এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন না রেখে কেবল আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য হলে আয়োজন থাকায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।


দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। কোথাও আলোচনা সভা, কোথাও শহীদদের স্মরণ ও স্মৃতিচারণ আবার কোথাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী কিংবা চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের পাশাপাশি আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগও রাখা হয়েছে।


অন্যদিকে বুটেক্সে ৫ আগস্ট উপলক্ষে ক্যাম্পাসে কোন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় নি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র থেকে জানা যায়, ৫ আগস্ট ছুটির দিন হওয়ায় উপস্থিতি কম থাকার কারণ দেখিয়ে ৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান করার কথা থাকলেও পরবর্তী অজ্ঞাত কারণে তা বাতিল করা হয়। কেবল আবাসিক হলগুলোতে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হলেও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি আবাসিক ও অনাবাসিক সকল শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারেন এমন কোনো কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক, স্মরণমূলক বা বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মসূচিও বিশ্ববিদ্যালয়ে রাখা হয়নি। 


দিনটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে পালনের সুযোগ ছিল বলে মনে করেন ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. এমদাদ সরকার। তিনি বলেন,"আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য হলে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা থাকলেও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্যের অনুভূতি তৈরি হতে পারে, যা জুলাইয়ের বৈষম্যবিরোধী চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আজকের দিবসটিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, আলোকচিত্র বা ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর মতো কর্মসূচির মাধ্যমে জুলাইয়ের ইতিহাস ও আত্মত্যাগ শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ ছিল।"


জুলাইয়ের চেতনা ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সুলতান মাহমুদ বলেন,"জুলাই মানে সাম্যতা ও ন্যায্যতা। মুখে আমরা জুলাইয়ের সাম্যতার কথা বলছি, অথচ আজকের দিনে বুটেক্সে কোনো কেন্দ্রীয় আয়োজন নেই। যারা জুলাইয়ের সুবিধা নেবে, তাদের জুলাইয়ের দায়টাও নিতে হবে। আমরা যারা ৩৬ জুলাই রাস্তায় ছিলাম, আজ তারা কেউ কোনো কিছুতেই নেই। বর্তমান প্রশাসনেরও এই দিনটি নিয়ে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ক্যাম্পাসের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়।"



এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ধ্রুব সাহা রুদ্র বলেন,

"৫ আগস্টে বুটেক্সের হলগুলোতে ফিস্ট ছাড়া ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক আয়োজন নেই। জুলাই আন্দোলনে সামনে থেকে অংশ নেওয়া বুটেক্সের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে। 


পাশাপাশি আন্দোলনের পর এসব শিক্ষার্থীর ‘পোস্ট-জুলাই ট্রমা’ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো কাউন্সেলিং হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়াও ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করেন।


আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সারোয়ার হোসেন সামি বলেন,"৫ আগস্টের মধ্য দিয়েই বর্তমান প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। অথচ সেই দিনটিকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আয়োজন নেই। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করে জুলাই আন্দোলনের ত্যাগ ও নতুন বাংলাদেশের স্মৃতি রোমন্থন করা যেত। আন্দোলনে যেসব শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন, তাদের সম্মাননাও দেওয়া যেত।"


টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. শাহ নাফি উদ্দিন তুর বলেন,"সীমিত পরিসরে কেবল আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু আয়োজন করা হলেও অধিকাংশ অনাবাসিক শিক্ষার্থী এর বাইরে থেকে গেছে। বুটেক্সের অধিকাংশ শিক্ষার্থী অনাবাসিক হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচিগুলো এমনভাবে হওয়া উচিত, যাতে সবাই সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।"


এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং উপাচার্যের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোন উত্তর পাওয়া যায় নি।


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ এএম

'শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতা' শীর্ষক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কয়েকজন শিক্ষকের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা অনুসন্ধানে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. তামজীদ হোসাইন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।


অফিস আদেশে বলা হয়, গত ৪ আগস্ট বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত 'শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতা' শীর্ষক সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক সম্পৃক্ত আছেন কি না, সে বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও অনুসন্ধানের লক্ষ্যেই ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।


 হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে কুবির ১১ শিক্ষকের সম্পৃক্ততা, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি


কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান।


অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কমিটিকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করে যথাযথ সুপারিশসহ প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাখিল করতে হবে।


এদিকে, কমিটির প্রথম সভা বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টায় আহ্বায়কের দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুসন্ধান কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের ভিত্তিতেই পরবর্তী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।


  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৭ পিএম

জুলাই শহীদদের স্মরণে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার ( ৫ আগস্ট)  বিকাল ৪ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে সিনিয়র একাদশ বনাম জুনিয়র একাদশের মধ্যে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।


 খেলা শুরু হওয়ার পূর্বে শহীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করে উভয় দলের খেলোয়াড়েরা। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ গোল শূন্য ড্র হয়। পরে ট্রাইবেকারে জুনিয়র একাদশ ৩-১ গোলে জয়লাভ করে।


শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজের তত্ত্বাবধানে এ ম্যাচে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, ইবিসাস সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিমসহ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আয়োজক কমিটির পক্ষে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র-যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে জুলাইয়ের চেতনা জাগ্রত এবং ভ্রাতৃত্ব বন্ধন আরও দৃঢ় করতে আমাদের এ আয়োজন। এছাড়াও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে প্রশাসনের কাছে একটি ফুটবল ম্যাচের আয়োজনের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসন ফুটবল ম্যাচ আয়োজন না করায় আমরা এটি আয়োজন করি।