মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : শনিবার ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১:৩৪ পিএম

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ছাত্র সংগঠনগুলো ২০২৫ সালে শিক্ষার্থী কল্যাণ, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় ব্যাপক কার্যক্রম চালিয়েছে।


গুচ্ছ পরীক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রদলের হটলাইন ও বিনামূল্যে যাতায়াত সেবা প্রদান

গত ২৫ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট, টার্মিনাল ও স্টেশনগুলোতে সাধারণত চাপ ও ভিড় বেড়ে যায়। বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসা ভর্তিচ্ছুদের অনেকেই ছিল ক্যাম্পাস সম্পর্কে অজানা। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় ছাত্রদল বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করে, যাতে পরীক্ষার্থীরা শহর থেকে ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর রুট, থাকার ব্যবস্থা, পরিবহন নির্দেশনা ও জরুরি সহায়তা পেতে পারে।‌ এছাড়া বিনামূল্যে যানবাহন সার্ভিস চালু করে সংগঠনটি — যেখানে নির্দিষ্ট স্পটে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আনা-নেওয়া করা হয়।

চারটি আবাসিক হলে সাইকেল পাম্প স্থাপন ছাত্রদলের

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে সাধারণ বাহন হলো সাইকেল। কিন্তু হঠাৎ চাকা ফেঁসে গেলে ছাত্রদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিষয়টি মাথায় রেখে ছাত্রদল চারটি ছাত্র আবাসিক হলে স্থায়ী সাইকেল পাম্প স্থাপন করে, যাতে শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারে।

৪৭তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস ব্যবস্থায় ছাত্রদল

গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিসিএস পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রদলের এই উদ্যোগটি ক্যাম্পাসে অধিক আলোচনার জন্ম দেয়। দীর্ঘ রাস্তাপথে সময় ও খরচ দুটিই পরীক্ষার্থীদের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ছাত্রদল দুটি পূর্ণাঙ্গ যাত্রীবাহী বাস বিনামূল্যে চালায়, যেখানে শতাধিক পরীক্ষার্থী ঢাকাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেন। পরীক্ষার দিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরীক্ষা শেষে একই বাসে নিরাপদে ফেরত আনা হয়।

যানজট নিরসনে সেকেন্ড গেটে ফুলের টব স্থাপন ছাত্রদলের

গত ১৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনের প্রবেশ-বাহিরে বিশৃঙ্খলা ছিল। যানবাহন এলোমেলোভাবে দাঁড়ানো ও রিকশা-অটোরিকশার চাপ স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত করত। সমাধানে ছাত্রদল ফুলের টব দিয়ে পথ বিভাজন সৃষ্টি করে একটি নান্দনিক লেন-সিস্টেম তৈরি করে, যার ফলে চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরে এবং জায়গাটি সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়।

ঈদে ক্যাম্পাসে অবস্থানরতদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ

গত ৮ জুন ঈদে অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরতে পারেন না — বিশেষ করে দূরবর্তী অঞ্চলের বা সংকটাপন্ন অবস্থার শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ফাঁকা থাকলেও তাদের জন্য দিনটি একাকীত্ব নিয়ে আসে। এই চিত্র বদলাতে ছাত্রদল হল ও ক্যাম্পাসে থেকে যাওয়া শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করে। মেন্যু হিসেবে ছিল পোলাও, মাংস ও বিশেষ আইটেম। নেতাকর্মীরা নিজ হাতে রুমে রুমে খাবার পৌঁছে দেন। এটি ক্যাম্পাসে উৎসবের উষ্ণতা ছড়ায়।

কাগমারি সড়ক সংস্কারে ছাত্রদল

গত ৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কাগমারি সড়কের ভাঙ্গাচোরা অংশ বর্ষায় আরও বিপজ্জনক হয়ে পড়ছিল। শিক্ষার্থী, এলাকাবাসী ও যানবাহন চলাচলে এতে ঘনঘন দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় ছাত্রদল নেতা শামীম ও অয়ন নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করেন, যাতে চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শহিদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল

গত ৭ অক্টোবর আবরারের স্মরণে ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

বড় পর্দায় বাংলাদেশ–ভারত ক্রিকেট ম্যাচ সম্প্রচারে ছাত্রদল

গত ২৪ সেপ্টেম্বর মান্নান হলের সামনে বড় স্ক্রিনে বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করেন ছাত্রদল। সেখানে শতশত শিক্ষার্থী একত্র হয় এবং খেলা দেখার উৎসব পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন

গত ১৪–১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার মাসে তিনদিনব্যাপী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ছাত্রদল। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা একাধিক ক্যাটাগরিতে অংশ নেন। পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান ক্যাম্পাসে প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে।

পবিত্র মাহে রমাদানকে স্বাগত জানান ইসলামী ছাত্র শিবির

পবিত্র মাহে রমাদানকে স্বাগত জানিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ব্যতিক্রমী কর্মসূচির আয়োজন করে ইসলামী ছাত্র শিবির। রমাদানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এদিন ব্যানার প্রদর্শনী, ভ্রাতৃত্বের প্রতীক চিরকুট বিনিময় এবং বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।‌ রমজান মাসকে কেন্দ্র করে গত ২ মার্চ থেকে পুরো রমজানজুড়ে নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে সহীহ কুরআন শিক্ষা কোর্স পরিচালনা করে সংগঠনটি। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

ইসলামী ছাত্র শিবিরের ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি

সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ২৬ই মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার ২০টি অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের মাঝে পাঞ্জাবি ও পায়জামা বিতরণ করেন। একইভাবে ঈদুল আজহায় ৭ ই জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মাঝে কুরবানির গোস্ত বিতরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্র শিবির।

ভর্তিচ্ছুদের সহযোগিতায় ইসলামী ছাত্র শিবির

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় গুচ্ছভুক্ত তিনটি ইউনিটের (এ, বি ও সি) ভর্তি পরীক্ষার সময় ২৫ এপ্রিল, ২ মে ও ৯ মে হেল্প ডেস্ক চালু করে ইসলামী ছাত্র শিবির। এ সময় হটলাইন নম্বর, আবাসন ও তথ্যসেবা, পানি, হাতপাখা, অভিভাবকদের জন্য ছাউনি, কলম ও বই উপহারসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আগস্ট মাসে চূড়ান্ত ভর্তির সময় চার দিনব্যাপী ভর্তি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
ধর্মীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ২৪ মে ও ১৭ সেপ্টেম্বর দুটি ধাপে মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অর্থসহ পাঁচ শতাধিক পবিত্র কুরআন বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সংগঠনটি।

বিভিন্ন সময়ে ইসলামী ছাত্র শিবির

ছাত্র অধিকার ও ক্যাম্পাস উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর ছাত্র সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে ৫২ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এসব দাবির অগ্রগতি ও পরিবহন সংকট নিরসনের বিষয়ে ১৫ অক্টোবর এবং ১৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রতিনিধিদল। এ সময় পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়ন, মেধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, হলের খাবারের মানোন্নয়ন এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোকেন সুবিধাসহ বিভিন্ন বাস্তবায়নযোগ্য দাবি তুলে ধরা হয়।
এছাড়া ৬ অক্টোবর আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ নভেম্বর জাঁকজমকপূর্ণ নবীন বরণ উৎসব ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রামের আয়োজন করে সংগঠনটি। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর ভিক্টরি রান ইউথ শিবির এবং সেন্ট্রাল ফিল্ডে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজনের মাধ্যমে বছরজুড়ে তাদের কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে।

 

নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি ও মেস ফি সহায়তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ৮জন শিক্ষার্থীর পূর্ণ ভর্তি ফি এবং ৫ জন শিক্ষার্থীর অর্ধেক ভর্তি ও মেস ফি প্রদান করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মাভাবিপ্রবি শাখা। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের পথে কোনো বাধা তৈরি করবে না। এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন, পড়াশোনায় মনোযোগ এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ গ্রহণে সহায়ক হয়েছে।


দুই ঈদে ভিন্ন ৫টি অস্বচ্ছল পরিবারকে ঈদসামগ্রী বিতরণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

২৫ মার্চ ও ৪ জুন দুইটি ঈদে ভিন্ন ৫টি অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য পাঞ্জাবি, পায়জামা এবং জুতা প্রদান করেছি এবং সকলকে ঈদ সালামি দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেছি। সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করেন।


হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ১৭ই মার্চ এবং ১২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকবার সুস্বাদু ভালো খাবার আয়োজন ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

অস্বচ্ছল পরিবারের পুনর্বাসন ও সচ্ছলতাকরণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৬ জুলাই ৮ সদস্যের একটি অস্বচ্ছল পরিবারকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। পরিবারের আয়ক্ষম সদস্যকে ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা, প্রক্রিয়া এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়, যার ফলে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে।


গুচ্ছভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় শহর থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত প্রচুর ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়, শিক্ষার্থীরা যাতে সঠিক সময়ে পরীক্ষার হলে অবস্থান করতে পারে এজন্য শতাধিক ভলান্টিয়ার দিয়ে শহর থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত অটো চলাচল সুশৃঙ্খল করেছি। পরীক্ষার দিনে এক হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য বসার ব্যবস্থা এবং ঠান্ডা মিনারেল পানি নিশ্চিত করা হয়েছে।


গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার ভর্তিচ্ছুদের পাশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গুচ্ছের তিনটি ইউনিটের (এ, বি ও সি) ভর্তি পরীক্ষার (২৫ এপ্রিল, ২ মে ও ৯ মে) গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার সময়ে দূর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদে রাতে থাকার ব্যাবস্থা এবং মানসম্মত খাবার প্রদান করা হয়েছে। এতে তারা পরীক্ষার আগে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়।

ভার্সিটির ২য় গেট পর্যন্ত রাস্তার সম্পূর্ণ মেরামতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৮ নভেম্বর আমরা কাগমারী মোর থেকে ভার্সিটির ২য় গেট পর্যন্ত রাস্তার সম্পূর্ণ মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি,এবং এক ভাসানী মেলা শুরু হওয়ার আগেই রাস্তার ঢালাই সম্পন্ন করার ব্যাবস্থা করেছি। যা শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত, যানজট কমানো এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আলোচনা সভা ও “বিপ্লব থেকে বিজয়” কুইজ প্রতিযোগিতা

আগামী ৮ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিহাসবিষয়ক শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে দুটি বিশেষ অনুষ্ঠান।
২০২৫ সালে উদ্যোগ নেওয়া “বিপ্লব থেকে বিজয়” শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতায় থাকবে ২৫,০০০ টাকা পুরষ্কার। কুইজের বিষয়বস্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, গণঅভ্যুত্থান এবং স্বাধীনতার ইতিহাস।
সেই সঙ্গে, আধিপত্যবাদের বিরোধী আলোচনা সভায় অংশ নেবেন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃবৃন্দ, জুলাই আন্দোলনের নেতা এবং ডাকসু, রাকসু ও জাকসুর নেতৃবৃন্দ। উভয় অনুষ্ঠান ৮ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি সম্পূর্ণভাবে ২০২৫ সালে নেওয়া হয়েছে।

 


ভর্তি পরীক্ষায় ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সহযোগিতা

গত ২৫ এপ্রিল ও ৯ মে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় ইসলামি ছাত্র আন্দোলন পরীক্ষার্থী কল্যাণ বুথ স্থাপন করে। বুথগুলোতে পরীক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ব্যাগ, বাইক, হেলমেটসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদে জমা রাখার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন, হাতপাখা ও কলম বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরীক্ষার দিনে প্রায় পাঁচশত অভিভাবকের বসার সুব্যবস্থা ও ছায়ার ব্যবস্থা রাখা হয়, যাতে তারা স্বস্তিতে অপেক্ষা করতে পারেন। এছাড়া কামগামী রোডে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করে যানজট নিরসনে সহায়তা করেন।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ক্যাম্পাস সবুজায়ন

ক্যাম্পাস সবুজায়নের লক্ষ্যে এবং তীব্র দাবদাহ থেকে শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসবাসীকে স্বস্তি দিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটির উদ্যোগে ১৫ জুলাই ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নানা প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়। এতে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিতে প্রকাশ্য ও ধারাবাহিক আন্দোলনে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন

গত ১৬ সেপ্টেম্বর মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু)-সহ বিভিন্ন ন্যায্য দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন, মিছিল ও সভা-সমাবেশে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন দলীয়ভাবে সামনের সারিতে থেকে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আসছে।
গত ১৫ অক্টোবর ভাসানী ছাত্র সমাবেশে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করা ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির পক্ষে নিয়মিতভাবে সমর্থন ও বিবৃতি প্রদান করেছে সংগঠনটি।

The Idea of Great Santosh এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মাকসু বাস্তবায়ন বিভিন্ন কর্মসূচি।

গত ৫ জুলাই থেকে ২০ জুলাই মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু) বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের থেকে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে। গত ২১ জুলাই ছাত্র সমাবেশ, গত ১১ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত মাকসু বাস্তবায়নে দাবিতে মো. আক্তারুজ্জামান সাজু অনশন কর্মসূচি পালন করেন, ১৩- ২৭ আগস্ট অবস্থান ও পাটি মিছিল, ১৬ সেপ্টেম্বর ফের মানববন্ধন কর্মসূচি, ১৫ অক্টোবর ভাসানীর দরবার হলে ছাত্র সম্মেলন, ২২ অক্টোবর জুলাই বন্ধন, ১১ ডিসেম্বর মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক আন্দোলন, এছাড়া টিএসসি আন্দোলন ও ভাসানী স্মৃতি সংরক্ষণ আন্দোলন চলমান। যার নেতৃত্ব ছিল The Idea of Great Santosh-এর একদল চিন্তক যাদের মধ্যে অন্যতম মো. আক্তারুজ্জামান সাজু, কাশিফ আহমাদ, নাইম ইসলাম, ইয়ামিন, অনিক ইসলাম অপু প্রমূখ।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:২০ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এরপর ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস ও ছাত্রশিবিরের জবি শাখা সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়।


মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন এবং এক পর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় তুলে দিচ্ছেন। এর কিছুক্ষণ পর একইভাবে জকসু জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয়।


এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।


এ ঘটনায় জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের একাধিক নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামানসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।


সংঘর্ষের ঘটনার পর জবি ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থান নিতে দেখা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।


তবে, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

পরিচ্ছন্নতার অভাবে সৌন্দর্য হারাচ্ছে শহীদ মিনার

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:২৭ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ভাষা শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এখন অবহেলা ও অপরিচ্ছন্নতার চিত্র বহন করছে। শহীদ মিনারের বেদি, সিঁড়ি ও আশপাশজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, অসচেতনতা ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই স্মৃতিচিহ্ন তার মর্যাদা ও সৌন্দর্য হারাচ্ছে।


সরেজমিনে দেখা যায়, শহীদ মিনারের মূল বেদিতে ওঠার সিঁড়ি এবং সংলগ্ন হাঁটার পথে প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, ব্যবহৃত ওয়ান-টাইম প্লেট, টিস্যু এবং গাছের শুকনো পাতা ও ডালপালা ছড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া শহীদ মিনারের পেছন ও পাশের ঝোপঝাড়ে জমে আছে অপচনশীল প্লাস্টিক বর্জ্যের স্তূপ। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে স্থানটি যেমন তার নান্দনিকতা হারাচ্ছে, তেমনি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এর পবিত্র পরিবেশও।


এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আইন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিফাতুল ইসলাম শাওয়াল বলেন, "কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর একটি কথা প্রায়ই শুনতাম, 'যে শিক্ষার্থী কুবির শহীদ মিনারে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়নি, সে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যের কিছুই অনুভব করেনি।' সেই ঐতিহ্যবাহী শহীদ মিনারের এমন নোংরা পরিবেশ দেখে সত্যিই খুব কষ্ট হয়। এই পরিস্থিতির জন্য অসচেতন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবহেলাও দায়ী।"


তিনি আরও বলেন, "কুবির এই গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্নটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা যেমন শিক্ষার্থীদের নাগরিক দায়িত্ব, তেমনি প্রশাসনেরও উচিত এর সৌন্দর্য ও গাম্ভীর্য বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।"


একই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাইমা সুলতানা রাতুয়া বলেন, "আমাদের ক্যাম্পাসের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হলো শহীদ মিনার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এটি বেশিরভাগ সময়ই অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে। নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। এছাড়া অনেক শিক্ষার্থী ও বহিরাগত দর্শনার্থী যত্রতত্র ময়লা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করেন। প্রশাসনের উচিত অনতিবিলম্বে নিয়মিত তদারকি ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা।"


এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার প্রধান মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, "পরিচ্ছন্নতাকর্মীর স্বল্পতা এবং ময়লা সংগ্রহের জন্য মাত্র একজন কর্মী থাকায় আমরা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে পারছি না। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর হতে দেব না। আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করব এবং শহীদ মিনার এলাকায় অতিরিক্ত বড় ডাস্টবিন স্থাপনের ব্যবস্থা করব। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমি শহীদ মিনার পরিদর্শন করেছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"




সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৫৫ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সোনালী দলের ২০২৬-২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। বিষয়টির সত্যতা আজ নিশ্চিত করেছেন নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান। 

এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ জুলাই ২০২৪-২৫ সময়কালের জন্য সোনালী দলের কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ দুই বছর পরে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম। কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আছেন অ্যানিমেল ব্রিডিং অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁঞা। 

কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক-১ উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক-২ পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহিদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ছাদেকা হক, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. জি. মোস্তফা আমিন, সমাজকল্যাণ ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এনাটমি অ্যান্ড হিস্টোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়াউল হক এবং গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম কাদের খান। 

এ ছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. মোখলেছুর রহমান (কৃষি রসায়ন), অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম (এনিমেল সায়েন্স), অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল হাসান ভূঞা (পদার্থ বিজ্ঞান), অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির (কৃষি অর্থনীতি), অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক (গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট), অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান (ফিশারিজ বায়োলজি ও জেনেটিক্স), অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলম মিয়া (ফিজিওলজি), অধ্যাপক ড. মো. মফিজুর রহমান জাহাঙ্গীর (মৃত্তিকা বিজ্ঞান) এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রানা সিদ্দিকী (ডেইরি সায়েন্স)। 

পদাধিকারবলে সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক (একোয়াকালচার), অধ্যাপক ড. আহমদ খায়রুল হাসান (কৃষিতত্ত্ব), অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার (ফিশারিজ বায়োলজি ও জেনেটিক্স) এবং অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার (কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা)। তবে অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার বর্তমানে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় পদটি শূন্য থাকবে বলে কমিটির তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান বলেন, "আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হোক এবং ক্যাম্পাসে একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল পরিবেশ বজায় থাকুক। এ লক্ষ্য অর্জনে সোনালী দলের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত আছি।

আমরা বিশ্বাস করি, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব। সে লক্ষ্যে যে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগের পাশে আমরা থাকব এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।"

সর্বশেষ সব খবর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪৯ পিএম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চব্বিশের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাকে ধারণ করে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে নোবিপ্রবি ব্লাড ব্রিগেড ও নোয়াখালী ব্লাড ব্যাংক।


কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি স্বেচ্ছায় রক্তদান করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং রক্তদানে শিক্ষার্থীসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: হাসান উদ্দীন। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই রক্তদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।




রক্তদান কর্মসূচির পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়ের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য বিনামূল্যে ব্লাড গ্লুকোজ পরীক্ষা করা হয়।


আয়োজকরা জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং সমাজে স্বেচ্ছায় রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। 


উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:২৩ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ফটোগ্রাফি ক্লাবের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ‘বাংলা দর্পণ সিজন-৭’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২ ও ৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আলোকচিত্রী, শিক্ষার্থী এবং আলোকচিত্রপ্রেমীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মুখর হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।


সোমবার (৩ আগস্ট) সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি বলেন, "ফটোগ্রাফি শুধু একটি শিল্পমাধ্যম নয়, এটি সমাজ, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও প্রকৃতির নান্দনিক দলিল। একজন আলোকচিত্রী একটি ছবির মাধ্যমে মানুষের জীবনসংগ্রাম, প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং সমাজের বাস্তবতাকে এমনভাবে তুলে ধরতে পারেন, যা অনেক সময় হাজার শব্দেও প্রকাশ করা সম্ভব হয় না।"


তিনি আরও বলেন, তরুণ আলোকচিত্রীদের উচিত প্রকৃতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং সমাজের ইতিবাচক ও বাস্তব চিত্র ক্যামেরাবন্দি করা। এতে ব্যক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনামও বৃদ্ধি পাবে। ভবিষ্যতেও ফটোগ্রাফি ক্লাবের এমন সৃজনশীল আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন এবং নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাবের উপদেষ্টা ও সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সিফাত-ই-মান্নান। প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট আলোকচিত্রী আশরাফুল ইসলাম শিমুল।


আয়োজকরা জানান, এবারের প্রতিযোগিতায় দেশব্যাপী প্রায় ১,১০০টি আলোকচিত্র জমা পড়ে। সেখান থেকে বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৬৪টি সেরা আলোকচিত্র প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত হয়। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের প্রকৃতি, সংস্কৃতি, জীবনসংগ্রাম, ঐতিহ্য, সমসাময়িক বাস্তবতা এবং মানবিক নানা গল্প ফুটে ওঠে নির্বাচিত আলোকচিত্রে।


দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনীতে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ‘জুলাই কর্নার’ এবং একটি ফটোবুথ স্থাপন করা হয়, যা ব্যাপক সাড়া ফেলে। দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং আলোকচিত্রপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রদর্শনী প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।


অনুষ্ঠানের শেষে জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। 


আয়োজকরা জানান, ‘বাংলা দর্পণ’ কেবল একটি আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা নয়; এটি নতুন প্রজন্মের আলোকচিত্রীদের সৃজনশীলতা বিকাশ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের কাজ তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। ভবিষ্যতেও এ আয়োজন আরও বৃহত্তর পরিসরে অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

সর্বশেষ সব খবর

নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য ড. মো. এমতাজ হোসাইনকে সংবর্ধনা প্রদান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫১ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য ড. মো. এমতাজ হোসাইনকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া ইবি শাখা। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপ-উপাচার্য কার্যালয়ে সংবর্ধনা দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 


এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া, ইবি শাখার সভাপতি এস এম শামীম, সাবেক সহ-সভাপতি সাজ্জাতুল্লাহ শেখ, সাইফুল ইসলাম আলিফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মুন্তাকিম, সহ-সভাপতি আহসান হাবীব, শাকিল আহমেদ, সেক্রেটারি খন্দকার আরিফসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী শিক্ষা ও ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে মাননীয় উপ-উপাচার্যের নিকট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন।


দাবিসমূহ হলো : বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন ইসলামী বিষয়সমূহ পুনরায় চালু করতে হবে। ইসলামী শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে গঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্রুত তার প্রতিষ্ঠাকালীন মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের দিকে ফিরিয়ে নিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা মাওলানা মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের নামকরণ করতে হবে।

সর্বশেষ সব খবর