চিত্রনায়িকা মৌসুমী

  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৬ পিএম

প্রায় তিন বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী। অভিনয় থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যাননি তিনি; বরং প্রবাসজীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও সময়-সুযোগ মিললে যুক্ত হচ্ছেন নানা ধরনের শুটিংয়ের কাজে। এবার তাঁকে দেখা যাবে নতুন একটি সিনেমায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হতে যাওয়া সিনেমাটির নাম ‘আ বিউটিফুল লাই’। সিনেমাটির গল্প ও চিত্রনাট্য রচনা করছেন নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। সিনেমাটির পরিচালনায়ও তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত মৌসুমীকে কেন্দ্র করে নতুন এই কাজের পরিকল্পনা সাজিয়েছেন নির্মাতা। সিনেমাটির শুটিং শিগগির শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে নির্মাণের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে এর পরিধিও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন লোকেশনে গল্পের প্রয়োজনে শুটিং করার পরিকল্পনা থাকতে পারে। তবে শুটিং, সহশিল্পী, মুক্তি ও অন্যান্য বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। 


‘আ বিউটিফুল লাই’ নিয়ে শুরুতে প্রাথমিকভাবে টেলিছবি হিসেবে নির্মাণের কথা ভেবেছিলেন নির্মাতা। গল্পের ব্যাপ্তি ও নির্মাণের সম্ভাবনা বিবেচনায় এখন এটিকে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমায় রূপ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সে অনুযায়ী চিত্রনাট্যেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। গল্পের ধরনও বেশ আলাদা। 


‘আ বিউটিফুল লাই’ মূলত একটি রোড ট্রিপের গল্প। এর সঙ্গে রয়েছে থ্রিলারের আবহ। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ছুটে চলার মধ্যে গল্পের চরিত্রদের জীবনে ঘটতে থাকবে নানা ঘটনা। সেই ঘটনাগুলোর কেন্দ্রে থাকবে একটি মিথ্যা। সেই মিথ্যাকে ঘিরে গল্প এগোবে ভিন্ন এক বাস্তবতার দিকে। 


সিনেমাটির নামের মধ্যেও যেন গল্পের মূল ভাবনাটি লুকিয়ে রয়েছে। মিথ্যা থেকে যখন একের পর এক ঘটনা তৈরি হয়, সেই মিথ্যার মধ্যেও কখনও কখনও জীবনের সুন্দর মুহূর্ত ধরা দেয়। নির্মাতা সেই বৈপরীত্যকে গল্পের ভেতর তুলে ধরতে চাইছেন। 


নতুন এই সিনেমায় যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে মৌসুমীর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এর গল্প তাঁকে আগ্রহী করেছে। বিশেষ করে রোড ট্রিপের সঙ্গে থ্রিলারের সংমিশ্রণ এবং মিথ্যাকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তাঁর কাছে ভালো লেগেছে। মৌসুমী বলেন, ‘আ বিউটিফুল লাই মূলত একটা রোড ট্রিপের গল্প। থ্রিলারধর্মী গল্প। গল্পে যা কিছু ঘটছে, একটা মিথ্যার ওপর ঘটছে। তারপরও ভালো লাগছে মুহূর্তগুলো। সে কারণে এর নাম দেওয়া হয়েছে আ বিউটিফুল লাই।’


গল্পের বিষয়ে খুব বেশি কিছু অবশ্য এখনই প্রকাশ করতে চান না মৌসুমী। তাঁর কথায়, সিনেমাটি শেষ পর্যন্ত কোন মাধ্যমে মুক্তি পাবে, সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়। 


মৌসুমী ও নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের অবশ্য এটাই প্রথম কাজ নয়। দেশে থাকাকালীন এই নির্মাতার নির্দেশনায় অভিনয় করেছেন মৌসুমী। এবার দুজনের কাজের ক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্র। নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখানকার লোকেশন ও পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে গল্পটি পর্দায় তুলে ধরার পরিকল্পনা করছেন তিনি। 


মৌসুমীর প্রবাসজীবনে পরিবারও গুরুত্বপূর্ণ জায়গাজুড়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে তিনি মা, বোন ও মেয়ের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। একসময় ঢাকাই সিনেমার ব্যস্ততম নায়িকাদের একজন ছিলেন মৌসুমী। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। সময়ের সঙ্গে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এলেও অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ এখনও অটুট। তাই দেশের বাইরে থেকেও যখন নতুন কোনো গল্প তাঁর সামনে আসে, গল্পটি পছন্দ হলে তাতে যুক্ত হচ্ছেন। 


‘আ বিউটিফুল লাই’ও তেমনই একটি কাজ। তবে মৌসুমীর ভাষ্যে আপাতত ছবিটির সবচেয়ে বড় পরিচয়–মিথ্যার ওপর দাঁড়িয়ে তৈরি হওয়া এক উপভোগ্য রোড ট্রিপের গল্প।




টিকটক তারকার মেহেদি অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নিহত ১, আহত ১৩

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:২৯ পিএম

পাকিস্তানের শিয়ালকোটে জনপ্রিয় এক টিকটক তারকার মেহেদি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ঘিরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়ে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।


গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে শিয়ালকোটের একটি ক্রিকেট মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শনিবার পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা হতাহতের তথ্য জানান। খবর জিও নিউজের।




প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই টিকটকারের নাম মুহাম্মদ আনসার জাট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ‘মিস্টার পাতলো’ নামে পরিচিত।




উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২-এর বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার রাতে শিয়ালকোটের ডাসকা রোডের ফারাজ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠানটি আয়োজনের কথা ছিল। অনুষ্ঠানে প্রবেশের জন্য আয়োজকেরা স্টেডিয়ামের ফটক খুলে দিলে হঠাৎ হুড়োহুড়ি শুরু হয়। এতে অনেকেই মাটিতে পড়ে যান এবং পদদলিত হন।


শিয়ালকোট পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় ১৪ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩০ বছর বয়সী মুহাম্মদ আকিলের অবস্থা গুরুতর ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।


পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। এতে চারটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স অংশ নেয়। আহত ব্যক্তিদের শিয়ালকোটের আল্লামা ইকবাল মেমোরিয়াল টিচিং হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর বেশিরভাগ আহতকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েকজন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


উদ্ধারকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আহত ব্যক্তিদের বয়স ২২ থেকে ৫১ বছরের মধ্যে। তারা নারোওয়াল, গুজরানওয়ালা, শেখুপুরা, খানেওয়াল, ওকারা, শিয়ালকোট, গুজরাট ও বাহাওয়ালপুরসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।


তবে স্থানীয় দুই বাসিন্দা মুহাম্মদ আসিফ ও আমির আলীর দাবি, পদদলিত হওয়ার ঘটনায় ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। তাদের ভাষ্য, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই উপস্থিত লোকজন আহত কয়েকজনকে নিজেদের উদ্যোগে আশপাশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়ে যান।


শিয়ালকোটের জেলা জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা প্রকৌশলী নাভিদ ইকবাল বলেন, ক্রিকেট মাঠে এত বড় জমায়েতের আয়োজন সম্পর্কে উদ্ধারকারী সংস্থাকে আগাম জানানো হয়নি।




দুর্ঘটনার পর শিয়ালকোটের জেলা পুলিশপ্রধান (ডিপিও) দোস্ত মুহাম্মদ বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ও এলিট ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তার নির্দেশে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে উদ্ধারকাজ নির্বিঘ্নে চালানো সম্ভব হয়।


এ সময় আয়োজকদের সমালোচনা করেন জেলা পুলিশপ্রধান। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেডিয়ামের ফটক খুলে দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি জেলা প্রশাসনের এখতিয়ারভুক্ত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


ডিপিও আরও বলেন, নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। দুর্ঘটনার সব দিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বলিউড বাদশা শাহরুখ খান।

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫৯ পিএম

বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের জন্মদিন মানেই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় অবস্থিত তার প্রাসাদোপম বাড়ি ‘মান্নাত’র সামনে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়। প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে প্রতি বছরই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেখানে হাজির হন হাজারো অনুরাগী। হাতে ফুল, কেক ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে শাহরুখের অপেক্ষায় থাকেন তারা।


তবে এবার জন্মদিনে মান্নাতের সামনে চেনা সেই আয়োজন দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই বাড়িটির দেয়ালে বিশাল স্ক্রিনের মতো কাঠামো ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।


আগামী ২ নভেম্বর ৬১ বছরে পা দেবেন শাহরুখ। জন্মদিনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে যখন নানা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে, তখনই তার নতুন সিনেমা ‘কিং’ নিয়ে ছড়িয়েছে বিশেষ চমকের গুঞ্জন। শোনা যাচ্ছে, জন্মদিনে ভক্তদের জন্য বিশেষ কোনো উপহার দিতে পারেন অভিনেতা।




শাহরুখের জন্মদিনকে ভক্তরা ‘এসআরকে ডে’ হিসেবে উদযাপন করেন। তবে এবার অভিনেতার টিমের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ফ্যান ক্লাবকে জানানো হয়েছে, এ বছর আগের মতো এসআরকে ডে উদযাপন করা হবে না। একইসঙ্গে ভক্তদের হতাশ না হওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। আর এতেই তৈরি হয়েছে নতুন কৌতূহল।




বলিউডে গুঞ্জন, জন্মদিনে মান্নাতে উপস্থিত হয়ে ভক্তদের দেখা না দিলেও নতুন সিনেমা ‘কিং’ নিয়ে বিশেষ চমক দিতে পারেন শাহরুখ। সিনেমাটির পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের একের পর এক রহস্যময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট এবং প্রথম গান প্রকাশের ইঙ্গিত সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।


এদিকে মান্নাতের সংস্কার ও সম্প্রসারণের কাজ চলায় বর্তমানে পরিবার নিয়ে পালি হিলের একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্টে থাকছেন শাহরুখ। ফলে জন্মদিনে মান্নাতের ছাদে দাঁড়িয়ে ভক্তদের উদ্দেশে তার পরিচিত ভঙ্গিতে হাত নাড়ার দৃশ্য দেখা যাবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।




তবে সম্প্রতি মান্নাতের কয়েকটি ছবি প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাড়িটির সামনের অংশে দেখা গেছে বিশাল স্ক্রিনের মতো একটি কাঠামো। সেটি দেখেই শাহরুখভক্তদের একাংশের ধারণা, জন্মদিন উপলক্ষে মান্নাতের দেয়ালে দেখানো হতে পারে ‘কিং’ সিনেমার বিশেষ কোনো ঝলক।


যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নির্মাতা কিংবা শাহরুখের টিমের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। সিনেমাটির টিজার, গান কিংবা বিশেষ কোনো ভিডিও মান্নাতে প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।


অন্যদিকে সিদ্ধার্থ আনন্দের রহস্যময় পোস্ট ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাহরুখের জন্মদিনেই প্রকাশ্যে আসতে পারে ‘কিং’ সিনেমার প্রথম গান। আর সেই গানে কণ্ঠ দিতে পারেন সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং।


সব মিলিয়ে এবারের জন্মদিনে মান্নাতে শাহরুখের উপস্থিতি থাকুক বা না থাকুক, ভক্তদের চোখ এখন ‘কিং’ সিনেমার সম্ভাব্য চমকের দিকে। মান্নাতের দেয়ালে সত্যিই কি দেখানো হবে নতুন সিনেমার ঝলক, নাকি অপেক্ষা করছে অন্য কোনো উপহার? সেই উত্তর মিলবে শাহরুখের জন্মদিনেই।


সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই। ছবিঃ সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:১১ পিএম

নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বাস্তব জীবনের পাশাপাশি পর্দায়ও তাদের জুটি দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। তবে একপর্যায়ে সেই সম্পর্কে ভাঙন ধরে। ঐশ্বরিয়ার অভিযোগ ছিল, সালমানের মদ্যপান, দুর্ব্যবহার এবং মৌখিক, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে তিনি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন।


একসময় তাদের প্রেম ছিল বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত সম্পর্কগুলোর একটি। পর্দার রসায়নও মুগ্ধ করেছিল দর্শকদের। কিন্তু সেই প্রেমের গল্পের শেষটা হয়েছিল তিক্ততায়। সম্পর্ক ভাঙার পর সালমান খানের সঙ্গে আর কখনো কাজ না করার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। সালমানের সঙ্গে কাটানো সময়কে নিজের জীবনের ‘দুঃস্বপ্ন’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।


এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া জানিয়েছিলেন, বিচ্ছেদ মেনে নিতে পারেননি সালমান। তিনি বারবার তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করতেন। ঐশ্বরিয়া ফোন ধরতে অস্বীকৃতি জানালে সালমান নিজের শরীরে আঘাত করতেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন অভিনেত্রী।


২০০২ সালে এ সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে একটি আবেগঘন বিবৃতি দেন ঐশ্বরিয়া। সেখানে তিনি জানান, নিজের সুস্থতা, মানসিক স্থিরতা, মর্যাদা এবং পরিবারের সম্মানের কথা বিবেচনা করে সালমানের সঙ্গে সব ধরনের পেশাগত সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


বিবৃতিতে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘নিজের ভালো থাকা, মানসিক সুস্থতা, মর্যাদা এবং পরিবারের সম্মান ও আত্মসম্মানের স্বার্থে যথেষ্ট হয়েছে। আমি আর কখনো মি. সালমান খানের সঙ্গে কাজ করব না। সালমান অধ্যায়টি আমার জীবনের একটি দুঃস্বপ্ন ছিল। ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ, সেই অধ্যায়ের অবসান হয়েছে।’


সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ঐশ্বরিয়া আরও বলেন, দীর্ঘদিন তিনি তার আচরণ ও ভুলত্রুটি নিয়ে নীরব থেকেছেন। কিন্তু সালমান, তার পরিবার ও বন্ধুরা দায়িত্বজ্ঞানহীন গুজব ছড়িয়ে বারবার তার এবং তার পরিবারের সম্মানহানি করেছেন।


অভিনেত্রীর ভাষ্য, সম্পর্কের কঠিন সময়ে তিনি সালমানের পাশে ছিলেন। তার মদ্যপান ও দুর্ব্যবহার সহ্য করেছেন। বিনিময়ে তাকে মৌখিক, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অবিশ্বস্ততা এবং অসম্মানের শিকার হতে হয়েছে। একজন আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নারী হিসেবে প্রায় দুই বছর আগেই তিনি এ সম্পর্কের ইতি টেনেছিলেন।


ঐশ্বরিয়া আরও অভিযোগ করেন, তার নীরবতার সুযোগ নিয়ে অনেকে নিজের মতো করে বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছেন। তার চরিত্র নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছে এবং সহশিল্পীদের সঙ্গে তার স্বাভাবিক পেশাগত সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।


তবে এসব ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ্যে আনতে চাননি ঐশ্বরিয়া। তার ভাষায়, অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি কিংবা নতুন করে কুৎসা ছড়ানোর কোনো ইচ্ছা তার নেই। দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে তার শান্তি ও মানসিক স্থিরতা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।



উল্লেখ্য, একটি প্রায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐশ্বরিয়া ওই বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেই বিবৃতির মধ্য দিয়ে সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ভবিষ্যতে তার সঙ্গে কাজ না করার বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন অভিনেত্রী।


সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আদনান আজাদ ও অপু বিশ্বাস

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৬ পিএম

ঢালিউড তারকা অপু বিশ্বাসকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা চলছে। তাঁকে নিয়ে এ আলোচনা নতুন কোনো সিনেমা নিয়ে নয়। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মেহেদি পরানোর সময় হঠাৎ তাঁকে চুমু দিচ্ছেন এক যুবক। এরপর লাজুক ভঙ্গিতে হেসে ওঠেন অপু। গতকাল শনিবার দিনভর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কে এই যুবক, তা নিয়েও তৈরি হয় কৌতূহল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাঁর নাম আদনান আজাদ। তাঁরা দুজন একটি প্রচারণামূলক ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন।


ভিডিওতে অপু বিশ্বাস ও আদনান আজাদকে দেখা গেছে হবু বর-কনের সাজে। মেহেদি পরানোর আয়োজন ঘিরে দুজনের মধ্যে চলছিল নানা খুনসুটি। একপর্যায়ে দুষ্টুমি করতে করতেই অপুকে চুমু দিয়ে বসেন আদনান। এমন আকস্মিক ঘটনায় কিছুটা লজ্জা পেয়ে হেসে ওঠেন অভিনেত্রী। তাঁদের এই রোমান্টিক মুহূর্তই নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চুমুর এই দৃশ্য ইচ্ছা করেই ধারণ করা হয়েছে, যাতে আলোচনা হয়।


এর আগে গত ১৫ অক্টোবর আদনান আজাদের সঙ্গে রোমান্টিক আবহের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছিলেন অপু বিশ্বাস। ছবিগুলো প্রকাশের পর থেকেই তাঁদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই জানতে চান, কে এই আদনান আজাদ?


প্রায় ১৮ বছর আগে গাজী মাজহারুল আনোয়ার পরিচালিত ইমপ্রেস টেলিফিল্মের সিনেমা ‘পাষাণের প্রেম’-এ একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন অপু ও আদনান। ওই সিনেমার মাধ্যমেই নায়ক হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় আদনানের। পরে অপু শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ঢালিউডে জনপ্রিয়তা পান। অন্যদিকে অভিনয় ও মডেলিংয়ে যুক্ত থাকলেও চলচ্চিত্রে নিয়মিত হতে পারেননি আদনান।


সম্প্রতি তাঁদের একসঙ্গে ফটোশুটের পেছনে নতুন সিনেমায় কাজ করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অপু। তাঁর ভাষ্য, আদনান বড় পরিসরে একটি ভালো সিনেমা নির্মাণ করতে চান। এ জন্য দেশের বাইরে থেকে ভালো একটি দল নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এ বিষয়ে দুজনের মধ্যে কথাবার্তাও চলছে।


অভিনয় ও মডেলিংয়ের পাশাপাশি আদনান আজাদ বন্য প্রাণী ও প্রকৃতির আলোকচিত্রী হিসেবেও পরিচিত। এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর অপু বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর নতুন করে বড় পর্দায় ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে চলচ্চিত্র–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যেও আলোচনা চলছে।


তানিয়া বৃষ্টি

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৪২ পিএম

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সুখবর দিলেন তারকা অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। প্রায় নয় মাস বিরতির পর আবারও অভিনয়ে ফিরেছেন তিনি। ইকসান রনির গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত ‘অংশীদার’ নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে কাজে ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি নাটকটির দৃশ্যধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।


অভিনয়ে ফেরা প্রসঙ্গে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘ইকসান রনির পরিচালনায় ‘বাবাও মানুষ’ নামে একটি নাটকে আগে অভিনয় করেছিলাম। নাটকটি দর্শকের কাছ থেকে বেশ ভালো সাড়া পেয়েছিল। নতুন নাটকটি সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় একজন নারীর নিরন্তর সংগ্রামের গল্প। আমাদের সমাজে এখনও এমন অনেক পরিবার রয়েছে, যেখানে শুধু কন্যাসন্তান থাকার কারণে নানা সামাজিক ও পারিবারিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে বাবার মৃত্যুর পর পৈতৃক সম্পত্তিতে মেয়েদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টা প্রায়ই দেখা যায়।’


তানিয়া বৃষ্টির কথায়, ‘এই নাটকে এমন বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি সমস্যার একটি ইতিবাচক সমাধানের দিকও দেখানো হয়েছে। আমার বিশ্বাস, গল্পটি দর্শকের ভালো লাগবে এবং সমাজের মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি বার্তা পৌঁছে দেবে।’


তিনি আরও বলেন, ‘মহান আল্লাহর কাছে অসীম শুকরিয়া, কিছুটা সুস্থ হয়ে আবার নিজের পেশাগত কাজে ফিরতে পেরেছি। নিজের চিরচেনা ভুবনে ফিরতে পেরে ভালোই লাগছে। আল্লাহ যেন আমাকে সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করেন, সবার কাছে সেই দোয়া চাই।’


দীর্ঘ বিরতির পর কাজে ফেরার অনুভূতি জানাতে গিয়ে তানিয়া আরও বলেন, ‘আমার শারীরিক অবস্থা এমন ছিল যে, হয়তো আর অভিনয়ে ফিরতে পারতাম না। তবে এখন আগের তুলনায় আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। আপনারা হয়তো অনেকেই মনে করেন, আমার নাটকে কাজ করা উচিত নয়। সেটি আপনাদের পরামর্শ। কিন্তু এমন অনেক মানুষও আছেন, যারা সব সময় চাইতেন আমি আবার অভিনয়ে ফিরি। তারা আমাকে ভালোবাসেন।’


তিনি আরও বলেন, ‘এই দীর্ঘ সময়ে সব সময় আমার পাশে ছিলেন। আমাকে সম্মান দিয়েছেন, সাহস জুগিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন। তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমাকে কাজে ফেরার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। পাশাপাশি অভিনয়কেও ভীষণভাবে মিস করতাম।’ 


‘অংশীদার’ নাটকে তানিয়া বৃষ্টির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেত্রী ডলি জহুর, ফজলুর রহমান বাবুসহ আরও অনেকে। নাটকটির সংলাপ রচনা করেছেন ফারুক আহমেদ রানা ও নন্দী জুয়েল।


বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই চলছেন তানিয়া বৃষ্টি। অবসর সময়ের বড় একটি অংশ কাটে তাঁর ছয়টি পোষা বিড়ালের সঙ্গে। কোথাও বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হলেও অনেক সময় পোষা বিড়ালগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যান তিনি। তাদের সঙ্গেই সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই অভিনেত্রী।


নাটকটি সম্পর্কে পরিচালক ইকসান রনি বলেন, ‘অংশীদার আমাদের সমাজের পরিচিত একটি বাস্তবতার গল্প। এখানে নারীর ন্যায্য অধিকার, আত্মমর্যাদা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে ওঠার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। অসুস্থতা কাটিয়ে তানিয়া বৃষ্টি আবার কাজে ফিরেছেন, বিষয়টি আমার কাছে আনন্দের। তিনি বেশ আগ্রহ ও আনন্দ নিয়েই নাটকটিতে অভিনয় করেছেন।’


নাটকটি শিগগিরই একটি টেলিভিশন চ্যানেল এবং ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত হবে বলে জানা গেছে।


প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তানিয়া বৃষ্টির মস্তিষ্কে ব্রেইন টিউমার শনাক্ত হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় তাঁর চিকিৎসা। অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ সময় অভিনয় থেকে দূরে থাকতে হয়েছে তাঁকে। প্রায় নয় মাস চিকিৎসা ও বিশ্রামে থাকার পর অবশেষে আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন এই অভিনেত্রী।


সারা আলি খান কেদারনাথ মন্দিরে। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪২ পিএম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দিরে গিয়ে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী সারা আলি খান। তার এ কর্মকাণ্ডকে ইসলামি শরিয়তবিরোধী দাবি করে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছেন ইসলামি ধর্মীয় নেতা মৌলানা মুফতি শেহাবুদ্দিন রজভি বেরেলভি। একই সঙ্গে সারাকে তওবা করে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। গত ২৫ অক্টোবর কেদারনাথ মন্দিরে যান সারা আলি খান। সেখানে অন্য ভক্তদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে পূজো দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায় তাকে। মন্দির দর্শনের সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে সারার মন্দিরে পুজো দেওয়ার বিরোধিতা করেন মৌলানা মুফতি শেহাবুদ্দিন। তার দাবি, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী মুসলিমদের অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে গিয়ে পূজা-অর্চনা বা ধর্মীয় আচার পালন করার অনুমতি নেই। নারী-পুরুষ সবার ক্ষেত্রেই এই বিধান প্রযোজ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।


ভিডিওবার্তায় মৌলানা জানান, কয়েকজন মুসলিম যুবক সারা আলি খানের কেদারনাথ মন্দিরে পূজো দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। তাদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়েই তিনি এ বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। সারার মন্দিরে গিয়ে পূজো দেওয়া এবং সেখানে প্রায় আধা ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে মৌলানা বলেন, শরিয়তের দৃষ্টিতে এ কাজ অনুচিত। এ জন্য অভিনেত্রীকে তওবা করে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না করলে আল্লাহর কাছে তিনি অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবেন বলেও দাবি করেন ওই ধর্মীয় নেতা।


কেদারনাথ মন্দিরে সারা আলি খানের যাতায়াত এবারই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার সেখানে গিয়েছেন তিনি। মন্দিরটির সঙ্গে নিজের গভীর আবেগের কথাও বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।


২০১৭ সালে ‘কেদারনাথ’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় বেশ কিছুদিন ওই এলাকায় ছিলেন সারা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, কেদারনাথ তাকে ব্ল্যাক কফি পান, পাহাড়ে ট্রেকিং এবং পাহাড়ি খাবারের প্রতি ভালোবাসার মতো নানা অভ্যাস ও আগ্রহের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।


২০১৮ সালে মুক্তি পায় অভিষেক কাপুর পরিচালিত ‘কেদারনাথ’ সিনেমা। এতে সারা আলি খানের বিপরীতে অভিনয় করেন প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত।