নোবিপ্রবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩০ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোবিপ্রবি জুলাই শহিদ স্মৃতি ছাত্রী হলে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।  নোবিপ্রবিতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা ও সচেতনামূলক কার্যক্রম গ্রহণ। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারীদের প্রতি নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা না ফেলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হলের প্রভোস্ট ড. নাহিদ সুলতানাসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।


এ সময় হলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, বিনোদন, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কয়েকটি কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তন্মধ্যে রয়েছে ২১তম ব্যাচের নবীন ছাত্রীদের জন্য ঐক্য, সখ্য ও মৈত্রী নামক তিনটি ফ্রেশার্স রুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, আবাসিক ছাত্রীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার সুবিধার্থে ‘অনির্বাণ লাইব্রেরি’ নামক জুলাই কর্নার সম্বলিত হল লাইব্রেরি ও মনোরম পরিবেশের একটি রিডিং রুম এবং আবাসিক ছাত্রীদের মানসিক প্রশান্তি, সুস্থ বিনোদন ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘প্রজন্ম খেলাঘর’ নামক একটি গেম রুম উদ্বোধন।


উল্লেখ্য, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ফগার মেশিন দ্বারা মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছনতা কর্মসূচি পরিচালনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

বিষয় :



সর্বশেষ সব খবর

নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাবের নেতৃত্বে তুষার-আবিদ

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৪২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ফটোগ্রাফি ক্লাবের ২০২৬–২৭ সেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফলিত গণিত বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মেহরাব জামাল তুষার এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. ফজলুল হক আবিদ।


নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের শাহেনুর আক্তার। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এগ্রিকালচার বিভাগের আসিফ ইকবাল সজীব এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মো. সাদমান সাকিব।

এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সুরাইয়া জান্নাত এবং দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের রাকিব হোসাইন।

কমিটিতে ডকুমেন্টেশন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মাইশা মালিহা। জনসংযোগ বিভাগের প্রধান হয়েছেন ইংরেজি বিভাগের ফাবিহা ফাইজা। চলচ্চিত্র বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রিজন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মো. শরীফুল ইসলাম।



‎দপ্তর সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বলেন,"সর্বপ্রথম আমি শুকরিয়া আদায় করবো আল্লাহর কাছে ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আগের কমিটির কাছে যারা আমাকে এই কাজের জন্য যোগ্য মনে করেছেন।"

তিনি আরোও বলেন, "অফিস সেক্রেটারি হিসেবে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করবো ও পাশাপাশি নতুন কিছু শিখতে পারবো বলে আশা রাখছি।আর আমি চাইবো এবার আমরা দেশব্যাপী সাড়া জাগানো "বাংলা দর্পন:সিজন ৭"এর মতো প্রোগ্রামকে ছাড়িয়ে যাবো এবারের ১০ম কমিটি।"


‎সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল হক আবিদ বলেন, 

"‎সাধারণ সম্পাদক  হিসেবে এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি একটি বড় দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের বিষয়। নোবিপ্রোবি ফটোগ্রাফি ক্লাব আমার কাছে শুধু একটি সংগঠন নয়; এটি আমাদের সৃজনশীলতা, অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের একটি জায়গা। তাই নতুন কমিটির মাধ্যমে এই জায়গাটিকে আরও প্রাণবন্ত ও সবার জন্য আরও কার্যকর করে তোলাই আমার অন্যতম লক্ষ্য।"

তিনি আরোও বলেন, "আমি চাই, আমাদের প্রতিটি সদস্য যেন নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীলতাকে বিকশিত করার সুযোগ পায় এবং ফটোগ্রাফির মাধ্যমে নিজের গল্প বলার আত্মবিশ্বাস অর্জন করে। নিয়মিত কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করতে চাই।"

সকলের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, "আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৃজনশীলতার শক্তিতে নোবিপ্রোবি ফটোগ্রাফি ক্লাবকে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই আমার স্বপ্ন।"


নবগঠিত কমিটি নিয়ে সভাপতি মেহরাব জামাল তুষার বলেন,"নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাব এর এডভাইজার স্যার, ম্যাম ও আলোমনাই দের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই যে আমাকে এত বড় একটি দায়িত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য মনে করছেন। পূর্ববর্তী কমিটির মেম্বার রা সকলে আমাদের এই ক্লাবকে অনেক ভালো একটি পজিশনে নিয়ে এসেছেন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ক্লাব এর এই অগ্রগতি বহাল রাখতে এবং আমাদের জুনিয়রদের জন্য আরও সুন্দর একটি পরিবার তৈরি করে যেতে।"

নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাবের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক ও অ্যালামনাই হাবিবুল্লাহ রাকিব বলেন, "নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাবের নতুন কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। ফটোগ্রাফি শুধু ছবি ধারণের মাধ্যম নয়, বরং এর মাধ্যমে আমরা সময়, স্মৃতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যকে তুলে ধরতে পারি। আশা করি, নতুন কমিটির নেতৃত্বে ক্লাবটি আরও সৃজনশীল ও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও শিক্ষার্থীদের প্রতিভা দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ক্লাবটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রতি আমার পূর্ণ সহযোগিতা ও শুভকামনা রইল।”

‎নতুন কমিটির নেতৃত্বে ফটোগ্রাফি ক্লাবের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা করছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের উদ্বোধন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:২৪ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্র্তৃক নির্মিত ৩৩০০০/১১০০০ ভোল্ট এবং ১০/১৪ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন এ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, এ উপকেন্দ্র চালুর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হলো এবং এর মাধ্যমে নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান হবে বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, একমাত্র জাতীয় গ্রিডের সমস্যা অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যতীত এই উপকেন্দ্রের মাধ্যমে  বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও পরিচালক (অ.দা) মো. জামাল হোসেন ও পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) প্রকৌ: মোহাম্মদ শরীফ হোসেন। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) এর ডিজিএম ও পবিস সোনাপুর, নোয়াখালী’র ডিজিএমসহ নোবিপ্রবির শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

‘Special Research Award’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননা

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:০৬ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো ‘Special Research Award’ অর্জনকারী শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। 


আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের ৩৪ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষাদান ও ডিগ্রি প্রদান নয়; নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করাও এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষকদের চিন্তার পরিসর বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণাভিত্তিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।” 


সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘Special Research Award’ প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।” 


গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার পরিধি আরও বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্তদের পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাদেরও গবেষণায় আরও উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।” 


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘Special Research Award’ শুধু স্বীকৃতি নয়, বরং গবেষণায় আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা। নতুন ও তরুণ গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ‘Special Research Award’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষকের মধ্যে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ১ জন এবং ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ জন রয়েছেন।


গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অধ্যাপক, গ্রন্থাগারিক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিবহন প্রশাসক ও ছাত্র উপদেষ্টাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। পরে তাঁদের হাতে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

কুবিতে অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪০ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ, সুষ্ঠু বিচার এবং চার দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।


রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।


এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘জাস্টিস, জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘অপ্রতিমকে মারল কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’ এবং ‘দড়ি লাগলে দড়ি নে, খুনিরে ফাঁসি দে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।


মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যার সুষ্ঠু বিচার, উত্থাপিত চার দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে বের করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা পুলিশের তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের আহ্বান জানান।


বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহনাজ আফরোজ বলেন, “আমাদের ভাই অপ্রতিমের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি। গতকালের পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে আমরা অনেক অসংগতি লক্ষ করেছি। পুলিশ বলছে তারা তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু আমরা দেখছি, বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটছে কেন? আনাস নামের ছেলেটির ঘটনাতেও পুলিশের দ্বিচারিতা আমরা লক্ষ করেছি।”


আরেক শিক্ষার্থী আতিক হাসান অন্তর বলেন, “গতকালের প্রেস ব্রিফিং দেখেই বুঝে গিয়েছি, সেখানে কোনো গাফিলতি হচ্ছে। আমাদের এসপি গোল্ড মেডেলিস্ট। আমার মনে হয়, তিনি কিশোর গ্যাং লালন-পালনের জন্যই যেন মেডেল পেয়েছেন। আপনারা জানেন, তুহিন কিছুদিন আগেও একটি বাইক ছিনতাই করেছে। কিন্তু সেটির কোনো বিচার হয়নি। আমি আজ যদি এখানে দুর্ঘটনার শিকার হই, আমার মনে হয় না এর কোনো বিচার হবে। আমার মনে হয়, এই দেশে জন্ম নেওয়াটাই আমার আজন্ম পাপ।”


বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৭ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনের নির্ধারিত তারিখ ও সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। 


সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে সমাবর্তন আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাতে উপাচার্যের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষাৎকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনের সার্বিক আয়োজন, প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২৭ সমাবর্তন অনুষ্ঠানের নির্ধারিত তারিখ পুনর্ব্যক্ত করা হয়। সমাবর্তন সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা করা হয়।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এরই মধ্যে দ্বিতীয় সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি ও দপ্তরগুলো পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এর আগে গত ২৩ আগস্ট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন জানিয়েছিলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি দ্বিতীয় সমাবর্তন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি। এরপর দ্বিতীয় সমাবর্তনের অপেক্ষায় ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামী ৩০ জানুয়ারি দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ ও শিক্ষাজীবনের অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। তাই দ্বিতীয় সমাবর্তনকে ঘিরে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রস্তুতির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক সোহেল

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:০২ পিএম

কুমিল্লায় ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড ও অপরাধ বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক সোহেল বলেছেন, “কুমিল্লায় অপরাধচক্র অনেক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।” অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার, স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্পাসজুড়ে সিসিটিভি স্থাপনের দাবি জানান তিনি। 


সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে কুবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।


মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আব্দুর রাজ্জাক সোহেল বলেন, “আমাদের সন্তান অপ্রতিম নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। কুমিল্লায় একের পর এক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত ছয় মাসে কুমিল্লায় ৭৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড নতুন কিছু নয়, এ ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটছে এবং অপরাধচক্র অনেক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।”


নিজের অপহরণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “কুমিল্লায় যোগদানের পর প্রকাশ্য দিবালোকে আমাকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। ছয় মাস পার হলেও পুলিশ মাত্র একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মূল চার আসামি এখনো অধরা।”


তিনি আরও বলেন, “আমরা যারা কুমিল্লায় বসবাস করছি, সবাই চরম আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সন্তানকে এভাবে জীবন দিতে না হয়।”


এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় দ্রুত একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, পুরো ক্যাম্পাসকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।


মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


 

বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর