• প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১৪ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ বুধবার (০৫ আগস্ট ২০২৬) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি উদযাপন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


কর্মসূচিসমূহে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এদিন সকাল ১০টায় নোবিপ্রবি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিজয় শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।


শোভাযাত্রা শেষে নোবিপ্রবি শহিদ মিনারে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর নোবিপ্রবি বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।


আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। জুলাই যোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও আহতদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমেই প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন সম্ভব।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে অতীতের মতো ঐক্য ও সহযোগিতার মনোভাব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নোবিপ্রবিতে একটি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার বিরোধী কার্যক্রম এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিরুদ্ধে আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


অনুষ্ঠানের সভাপতি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আজকের আলোচনা থেকে যেটা উঠে এসেছে তা হলো আমাদের ঐক্য দরকার। গণতন্ত্রের জন্য এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে শতশত মানুষ প্রাণ দিয়েছে এবং আহত হয়েছে। আমরা কি জবাব দিবো সেই মাকে যেই মা সন্তান হারিয়েছে, যিনি আজও দরজায় দাঁড়িয়ে সন্তানের আগমনের অপেক্ষা করছে। যখন কোথাও ঐক্য না থাকে তখনই তৃতীয় শক্তি আসার সুযোগ পায়। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না থাকি তাহলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদের উত্থান হবে। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। আমরা ন্যায্যতার ভিত্তিতে এ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে চাই। আজ জুলাই যোদ্ধা এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে যারা উপস্থিত রয়েছেন তাদের এবং আয়োজনকে স্বার্থক করার জন্য বিভিন্ন কমিটিতে যারা কাজ করেছেন তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।


সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নোবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান ছিল ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলন পরবর্তীতে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয় এবং ৫ আগস্ট নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। অভ্যুত্থানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা, আহতদের সুস্থতা এবং ভবিষ্যতেও দেশ গঠনে জাতীয় ঐক্য ও ধৈর্য বজায় রাখার আহ্বান জানায়। 


আলোচনা সভায় গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ ও সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার। সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, নোবিপ্রবি ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ, প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান, ফলিত গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল করিম। এ সময় নোবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, দপ্তর ও শাখা প্রধান, ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিল, ভিডিও প্রদর্শনী, পুরস্কার বিতরণ, সম্মাননা প্রদান, দোয়া ও মুনাজাত। অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও আহতদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও চিত্রাঙ্কন ও নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জুলাই বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এদিন বিকেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।



সর্বশেষ সব খবর

জবি শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদবি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর।

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:২৮ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদবি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর। যা উপাচার্যের চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান। 


বুধবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক ড. আজম খান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইনের নাম উল্লেখ করা হয়। তবে প্রকৃতপক্ষে সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূইয়া এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক।


বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, বিজ্ঞপ্তিতে এমন উল্লেখ দেখে তিনি অবাক হয়েছেন। তিনি কাউকে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দিয়ে যাননি, মৌখিক বা লিখিত কোনোভাবেই নয়। ওই দিন তিনি আনুষ্ঠানিক ছুটিতে অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মডারেশনের কাজে ছিলেন। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ভুল জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আরও সচেতন থাকা উচিত। 


শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূইয়া বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে আসার পরপরই জনসংযোগ দপ্তরকে জানানো হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে যাওয়ায় শিক্ষক সমিতির একজন সদস্যকে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে পাঠিয়েছিলেন। অধ্যাপক ড. আজম খান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নয়, বরং ভারপ্রাপ্ত সভাপতির প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।


তিনি আরও বলেন, জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেছে এবং সংশোধনের কথা জানিয়েছে। এ জন্য দপ্তর থেকে তার কাছে দুঃখ প্রকাশও করা হয়েছে।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান বলেন, “বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আজম খান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিলাল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মিটিং এ। মূলত তারা প্রতিনিধি হিসেবে এসব দায়িত্ব পালন করছেন, এটি বোঝানোই বিজ্ঞপ্তির উদ্দেশ্য ছিল।


তিনি আরও বলেন, আমাদের বিজ্ঞপ্তি তিন স্তরের অনুমোদন শেষে প্রকাশ হয়। ভিসি স্যার ফাইনাল দেখেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফাই পেজে আপলোড করা হয়েছে। তবে এটা আমরা সংশোধন করছি।


উল্লেখ্য, বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও দি ইবনে সিনা ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী (বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে রেফারকৃত), কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের যোগ্য নির্ভরশীলদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণে বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:২২ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (পিডিএফ) ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ অ্যান্ড হায়ার স্টাডি সোসাইটির এর যৌথ উদ্যোগে বিদেশে উচ্চশিক্ষা, পিএইচডি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার সুযোগ সম্পর্কে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের ৩১৫ নম্বর কক্ষে ‘ব্রেকিং ব্যারিয়ার্স, বিল্ডিং ফিউচারস হায়ার স্টাডি অ্যাব্রড, পিএইচডি অ্যান্ড রিসার্চ’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।


সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন JnURHSS-এর সভাপতি এবং স্ট্যাটএইড রিসার্চ ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সুজন মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, পিএইচডি করার প্রক্রিয়া এবং গবেষণার আন্তর্জাতিক সুযোগ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।


তিনি বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ, আবেদনের প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ভালো একাডেমিক ফলাফল, গবেষণার অভিজ্ঞতা, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা, মানসম্মত গবেষণা প্রস্তাব (রিসার্চ প্রপোজাল) এবং উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সুপারভাইজার নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।


এ ছাড়া স্কলারশিপ পাওয়ার উপায়, পিএইচডিতে আবেদনের যোগ্যতা, গবেষণার ক্ষেত্র নির্বাচন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিভিন্ন কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হয়। শিক্ষার্থীদের শুধু ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে গবেষণামুখী দক্ষতা ও একাডেমিক প্রস্তুতি গড়ে তোলার পরামর্শ দেন আলোচক।


আয়োজকদের পক্ষ থেকে পিডিএফ এর সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রেখে সেমিনারটির আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা পেয়েছেন বলে আশা করছি।"


এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা, জবি পিডিএফ শাখার সদস্য ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:০০ এএম

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিন এবং ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের মোট ১৬ জন শিক্ষার্থীকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অর্থদণ্ড এবং ৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


গত ২৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২৮তম সভায় তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


২৮ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন সাক্ষরিত এক স্মারকে এ তথ্য জানানো যায়।


স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৬ মে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের ১২ শিক্ষার্থী একই ডিসিপ্লিনের ২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের দ্বারা র‍্যাগিংয়ের শিকার হন।


এ ঘটনায় প্রণয় কুমার ঘোষকে পরবর্তী দুই টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা এবং মো. জুবায়ের হোসেনকে এক টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও অসিম দাস, তৌফিক মাহিনুল আহছান ও আব্দুল্লাহ আল সিফাতকে ১৫ হাজার টাকা এবং স্বপন কুমার দাশ, দেবাশীষ মন্ডল ও সজল পালকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


এছাড়াও গত ১৪ আগস্ট রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত হল রোডসংলগ্ন নয়ন সড়কের একটি আবাসিক বাসায় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের ২৫ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক উপস্থিত হতে বলেন বলে অভিযোগ ওঠে। 


এ ঘটনায় মুশফিকুল হক মাহিদকে পরবর্তী দুই টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা, মো. মারুফ সরোয়ারকে এক টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা এবং মো. মিশন রহমান ও মো. খায়রুল ইসলামকে এক টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাইদিস সালেহীন স্বপ্নীল, ঋত্বিক কর্মকার, সৌরভ চন্দ্র বর্মন ও রাগিব শাহরিয়ারকে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


এছাড়াও অভিযুক্ত সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের থেকে মুচলেকা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন বলেন, আগস্ট মাসে ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজের ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ পাই। তারা পুলিশের কাছেও অভিযোগ করেছিল। পরে অডিও, ভিডিও ও ছবি সহকারে ছাত্রবিষয়ক পরিচালকের দপ্তরে অভিযোগ জমা দেয়। তদন্ত কমিটি বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাই করে শাস্তির সুপারিশ করে।


ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ক্ষেত্রেও ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব ঘটনায় অডিও রেকর্ডসহ বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭ তারিখে অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা বোর্ডের সভায় শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


তিনি আরও বলেন, র‍্যাগিং ও বুলিংয়ের বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে দুই মাস আগে প্রায় সব ডিসিপ্লিনে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০০টি পোস্টার দেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা এ ধরনের ঘটনার বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্কের ঐতিহ্য বজায় রাখতে চাই। তবে এর অর্থ এই নয় যে নতুন শিক্ষার্থীদের অশালীন আচরণের মাধ্যমে অপদস্থ বা শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কঠোর।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৪১ পিএম

পুরোনো গবেষণার মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মতো আন্দোলন করছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা।


বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা স্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হয়ে চীন মৈত্রী সিগন্যালে অবস্থান নেন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। এ সময় সড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।


অবরোধ কর্মসূচি শেষে দুপুর দেড়টার দিকে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত গণপূর্ত কমপ্লেক্সের সামনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের একটি কুশপুত্তলিকা দাহ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।


এ সময় তাঁরা ‘আমাদের মাঠ আমাদের থাক, আমলা সচিব বাইরে থাক’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’ এবং ‘সচিবালয় না শেকৃবি, শেকৃবি শেকৃবি’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে ‘বাতাস চাই, কংক্রিটের বিস্তার নয়’, ‘সচিবালয়ের জায়গা নয়, গবেষণার মাঠ চাই’ এবং ‘মাঠ যদি হারিয়ে যায়, প্রজাপতিরা কোথায় যাবে’ এমন প্রতিবাদী বার্তাও দেখা যায়।


আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রতিবাদী গানে মুখর হয়ে ওঠে সড়ক। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাতুল বলেন, ‘আমাদের কারণে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে, এ জন্য আমরা দুঃখিত। কিন্তু আমরা বলতে চাই, আজ যদি ঢাকা শহর থেকে গাছপালা হারিয়ে যায়, তাহলে অক্সিজেন পাবেন কোথায়? শহরের বুকে যে পাখিগুলো আছে, সেগুলো কোথায় যাবে? আপনাদেরও খাবারের প্রয়োজন হয়। এই খাবারের জোগান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেয়। গবেষণার মাঠ হারিয়ে গেলে আপনারা সেগুলো কোথায় পাবেন?’


এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এক মতবিনিময় সভায় সব পর্যায়ের পরীক্ষা বর্জন এবং বেলা ১১টার পর সব ধরনের ক্লাসে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।


পরে রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে সব ব্যাচের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউনের ঘোষণা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।


গত ২৭ অক্টোবর থেকে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি দাবি করে তা হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন মাঠে সচিবালয় নির্মাণের উদ্দেশ্যে চলমান মাটি পরীক্ষার যন্ত্রপাতি ও গাড়ি জব্দ করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন তাঁরা। পরদিন মেলা বন্ধের আলটিমেটাম দেওয়ার পর মাঠের বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

২৯ অক্টোবর সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জাতীয় যুবমেলাসহ সব ধরনের মেলা স্থগিতের ঘোষণা দেন। তবে মাঠের স্থাপনা অপসারণ না করা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে গত ২ নভেম্বর মাঠটি চাষ করে নিজেদের দখলে নেন আন্দোলনকারীরা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:০৫ পিএম

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণদের বড় অংশের মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণ রয়েছে বলে মানসিক স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'বন্ধু' (BONDHU) এবং যুব উন্নয়ন ও নীতিবিষয়ক প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ ইয়ুথ থিংক ট্যাংক' (BYTT) এর যৌথভাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রকাশিত একটি প্রাথমিক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৭৪ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে বিষণ্নতার বিভিন্ন মাত্রার লক্ষণ দেখা গেছে। 


৪ নভেম্বর, বুধবার বিকেল ৩টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে উক্ত অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) এবং বাংলাদেশ ইয়ুথ থিংক ট্যাংকের সাধারণ সম্পাদক শেখ রিফাদ মাহমুদ। প্রতিবেদন উপস্থাপন ও আলোচনা শেষে সমাপনী বক্তব্য দেন সংগঠনটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইয়ুথ থিংক ট্যাংকের পরিচালক কাজী সাদ্দাম হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজাউল ইসলাম। 


'Socio-demographic Predictors of Depression Among University Students in Bangladesh: Evidence from Regression Modeling' শীর্ষক গবেষণাটি দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-অধিভুক্ত কলেজের ১৮ থেকে ২৬ বছর বয়সী ৪২২ জন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীর ওপর পরিচালিত হয়। বিষণ্নতার লক্ষণ পরিমাপে গবেষকেরা ডিএএসএস-২১ (DASS-21)-এর বাংলা বিষণ্নতা উপ-স্কেল ব্যবহার করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ১২ দশমিক ৩ শতাংশের বিষণ্নতার লক্ষণ মৃদু, ২৮ দশমিক ৭ শতাংশের মাঝারি, ১২ দশমিক ৩ শতাংশের তীব্র এবং ২০ দশমিক ৯ শতাংশের অত্যন্ত তীব্র পর্যায়ে ছিল।


গবেষণায় পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি, আত্মহত্যার চিন্তা, অনিয়মিত ঘুম ও খাদ্যাভ্যাস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতাকে বিষণ্নতার ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।


জরিপে অংশ নেওয়া ২৯ দশমিক ১ শতাংশ শিক্ষার্থী জানান, তাঁরা নিয়মিত পড়াশোনার জন্য দিনে এক ঘণ্টাও সময় দেন না। দিনে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর ঘুম থেকে ওঠার আধা ঘণ্টার মধ্যে মুঠোফোন দেখেন ৮৭ দশমিক ৪ শতাংশ।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে। অন্যদিকে, ২২ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন বলে মনে করলেও তা নিতে পারছেন না।


শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ও গোপনীয় মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু, সহজে পাওয়া যায় এমন পেশাদার কাউন্সেলিং সেবা নিশ্চিত এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে গবেষণা দল। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসন ও যাতায়াতব্যবস্থা উন্নত করা এবং দৈনন্দিন জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।


আলোচনায় বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য কেবল ব্যক্তিগত বিষয় নয়; এটি শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নীতির সঙ্গে জড়িত জাতীয় গুরুত্বের বিষয়। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, সমাজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:২০ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:২০ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:২০ পিএম

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। পূর্বনির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় আরও কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা। যদিও পরীক্ষার নতুন তারিখ এখনো নির্ধারণ করেনি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।


বুধবার (৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন।


তিনি বলেন, ‘পূর্বনির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে এখনো নতুন তারিখ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।’অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এইচএসসি ও সমমানের পুনঃপরীক্ষায় (সাপ্লিমেন্টারি) অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ।এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন বলেন, ‘সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বর্তমানে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ পাবে কিনা, এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব। এছাড়া এখনো ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত হয়নি। সেটি চূড়ান্ত হলেও আমরা সে অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে পারব।’


উল্লেখ্য, সরকারের সিদ্ধান্ত এবং ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পর মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

সর্বশেষ সব খবর