জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট

  • প্রকাশ : সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৪:৪৫ এএম

ঢাকায় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের কাজে যুক্ত শিউলী আকতার। তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। এখন মৃত্যুনিবন্ধন করতে হবে। তবে সে জন্য তাঁকে যেতে হচ্ছে পৈতৃক এলাকায়। কারণ, অনলাইনে মৃত্যুর আবেদন করা যাচ্ছে না। 


তিনি বলেন, তিনি ঢাকায় থাকলেও পৈতৃক বাড়ি রাজশাহীতে। ফলে মায়ের মৃত্যুনিবন্ধন সেখান থেকে করতে হবে। সে জন্য তিনি রাজশাহী যাবেন।


গত নভেম্বর থেকেই মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন করতে না পারার কথা জানিয়েছেন আবুল হাসান নামের এক ব্যক্তি। 


তিনি লেখা এক চিঠিতে বলেছেন, সিস্টেমের বেশ কিছু লিংকে প্রবেশ করে কাজ করা যাচ্ছে না। এর মধ্যে নতুন মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন করা যাচ্ছে না। মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন প্রিন্ট করা যাচ্ছে না। মৃত্যুনিবন্ধন সনদ পুনর্মুদ্রণও করা যাচ্ছে না। বিষয়টি তিনি জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের প্রতিটি দপ্তরে ই–মেইল করে জানিয়েছেন; কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।


এর আগে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন অনলাইনেই করা যেত। আবেদন করার পর তার অনুলিপি নিয়ে নিবন্ধন কার্যালয়ে যেতেন সেবাপ্রত্যাশীরা। কার্যালয় থেকে হাতে পেতেন নিবন্ধনের সনদ। জন্মনিবন্ধনে সমস্যা না হলেও তিন মাস ধরে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন করা যাচ্ছে না। নিরাপত্তার কারণে তা বন্ধ রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জানা গেছে। তবে এতে শিউলী আকতারের মতো অনেককে নিবন্ধন কার্যালয়ে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে।


সরকারি ভাতাসহ উত্তরাধিকার, পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন, পেনশন প্রাপ্তি, জমিজমা বা সম্পত্তির নামজারিসহ নানা প্রয়োজনে মৃত্যু নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন। কোনো মৃত ব্যক্তির যদি জন্মনিবন্ধন না থাকে, তাহলে তার মৃত্যুর পর মৃত্যুনিবন্ধন করার আগে জন্মনিবন্ধন করিয়ে নিতে হয়।


জন্ম ও মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করলে কোনো ফি লাগে না। ৪৫ দিন থেকে ৫ বছরের মধ্যে করলে ২৫ টাকা এবং ৫ বছর পর করালে ৫০ টাকা ফি লাগে। তথ্য সংশোধনের জন্য ১০০ টাকা লাগে। অনলাইনে আবেদন করার পর নিবন্ধকের কাছ থেকে সনদ নিতে হয়। ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা ইউপি সচিব সহকারী নিবন্ধক আর ইউপি চেয়ারম্যান নিবন্ধক। সিটি করপোরেশন এলাকায় আঞ্চলিক কার্যালয়ে গিয়ে নিবন্ধন করাতে হয়।


জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন করা হয় সরকারি এই ওয়েবসাইটে (https://bdris.gov.bd/)। এখন সেখানে আবেদন করতে গেলে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড চাওয়া হচ্ছে, যা নিবন্ধক ও সহকারী নিবন্ধকের কাছে থাকে।


নিরাপত্তার কারণ


অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন কেন বন্ধ রয়েছে—জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার জেনারেলের (অতিরিক্ত দায়িত্ব) দায়িত্বে থাকা আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি অল্প কিছুদিন হলো এ কার্যালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তাই এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ কোনো তথ্য দিতে পারছেন না।


রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিরাপত্তার কারণে অনলাইনে শুধু মৃত্যুনিবন্ধন বন্ধ রাখা হয়েছে। মৃত্যুনিবন্ধন ঘিরে একটি চক্র ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করছে বলে খবর পাওয়ার পর গত বছরের ২১ নভেম্বর আবেদন নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়।


এক কর্মকর্তা বলেন, মারা গেছেন এমন ব্যক্তির যদি আগে থেকে জন্মনিবন্ধন করা না থাকে, তাহলে মৃত্যুনিবন্ধনের আগে ওই ব্যক্তির জন্মনিবন্ধন করতে হয়। কিছু ব্যক্তির হাতে সেসব তথ্য চলে যায় এবং তারা অর্থের বিনিময়ে সেসব তথ্য ব্যবহার করেছে। এটা জানার পর সিস্টেমে কিছু ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে মৃত্যুনিবন্ধনের নতুন আবেদন, মৃত্যুসনদ প্রিন্ট, মৃত্যুসনদ পুনর্মুদ্রণ।


কবে নাগাদ এগুলো খুলে দেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুনিবন্ধনের নতুন আবেদন অনলাইনে খুলে দেওয়া হতে পারে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে আবেদনের সঙ্গে মুঠোফোন নম্বর সংযুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তাতে কোনো তথ্য যাচাই করতে হলে নির্ধারিত ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বরে ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) যাবে।


রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের তথ্য অনুসারে, মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন অনলাইনে নেওয়া বন্ধ থাকলেও নিবন্ধন কার্যালয়ে এসে যে কেউ আবেদন করতে পারছেন। ওয়েবসাইটে দেওয়া সবশেষ তথ্য অনুসারে, ২৯ জানুয়ারি সারা দেশে ৪ হাজার ২১০টি মৃত্যুনিবন্ধন হয়েছে। তার মধ্যে মৃত্যুনিবন্ধন সংশোধনের আবেদন ছিল ৩৬টি।




পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:৪৯ পিএম

সৌদি আরবে একাধিক হুতি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এসব হামলায় ৩ বাংলাদেশি নিহত ও বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনাও রয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।


বাংলাদেশ সব ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।







ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:১৮ পিএম

আসছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা কমে ঢাকাসহ সারাদেশে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরইমধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে।


আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির শুক্রবার বলেন, “উত্তরের দিকে তাপমাত্রা কিছুটা কমছে। রংপুর বিভাগের কথা চিন্তা করলে তেঁতুলিয়ায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রয়েছে। রাজারহাট ও দিনাজপুরেও তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে আছে। রাজশাহী ও ঈশ্বরদীতেও তাপমাত্রা কমেছে।


“সামনের সপ্তাহে আবহাওয়ার বর্তমান ব্যবস্থাটি কেটে গেলে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন ঢাকাসহ সারাদেশে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।”


এদিকে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে তথ্য দিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, “পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার এটি নিম্নচাপে এবং পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।


“এই মুহূর্তে এর কোনো প্রভাব আমাদের ওপর নেই। তবে ২৫ অক্টোবরের পর উপকূলীয় এলাকায় কিছুটা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।”


আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, “আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশে বৃষ্টিপাতের তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। পুরো দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।”



প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫০ পিএম

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২৯৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজনের মৃত্যু হয়েছে।


এতে চলতি বছর মশাবাহিত রোগটিতে এ পর্যন্ত মোট প্রাণহানি ৩৭১ জনে দাঁড়াল।


এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাহিরে) সবচেয়ে বেশি ২৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৯, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১৬, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩১, খুলনা বিভাগে ১৪৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০০, রাজশাহী বিভাগে ১১৩ ও রংপুর বিভাগে ৩৮ ও সিলেট বিভাগে দুইজন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।


সবমিলিয়ে চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই ডেঙ্গুতে ১৭৯ জন মারা গেছেন।


এ ছাড়া উল্লেখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ৬৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩০ জন, বরিশাল বিভাগে ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, রংপুরে ৭ জন ও সিলেট বিভাগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:২২ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১৪ জনে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।


বুলেটিনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেট বিভাগেই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ১৩৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।


বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৯৪ জন, বরিশালে ১১৫ জন, সিলেটে ৯৪ জন, ময়মনসিংহে ৬৫ জন, খুলনায় ৬০ জন, রংপুরে ২৪ জন এবং রাজশাহীতে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৮ জন।


এদিকে, ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৭০ জনে। তাদের মধ্যে ২৩ হাজার ২৭৩ জনের শরীরে হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।








ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:২৫ পিএম

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে দেখে এলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


বঙ্গভবন জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে যান রাষ্ট্রপতি। তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।


স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর স্ত্রী অ্যাডভোকেট রোকসানা খন্দকার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সাহাবুদ্দিন তালুকদারসহ চিকিৎসকরা আবদুল মঈন খানের সর্বশেষ অবস্থা রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।


গত বুধবার বুকে ব্যথা নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন মঈন খান। তিনি শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে ভুগছেন। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।


শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীরা (ফাইল ছবি)

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:১০ পিএম

৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয়জন বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন। 


ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সোয়া আটটায় একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) তারা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।


বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ফেরত আসা বাংলাদেশিদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।


বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, একটি বিশেষ বিমানে করে ৩৫ বাংলাদেশি শুক্রবার সকালে ঢাকায় এসেছেন। এর মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয়জন বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন। 


তাদের সবাইকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রত্যাশা-২ প্রকল্প থেকে বিমানবন্দরে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে কাউন্সিলিং ও প্রশিক্ষণ শেষে সবাইকে অর্থনৈতিক সহায়তা করা হবে।