গবেষণাগারে সাইদুল আলম চৌধুরী

  • প্রকাশ : রবিবার ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, সময় : ১১:৩২ পিএম

ছেলেবেলা থেকেই ইলেকট্রনিকসের প্রতি টান। চট্টগ্রামের সেন্ট প্ল্যাসিডস উচ্চবিদ্যালয় কিংবা হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে যখন ছাত্র ছিলেন, তখন গণিত ও বিজ্ঞান একটু বাড়তি মনোযোগ দিয়ে পড়তেন সাইদুল আলম চৌধুরী।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে ভর্তির পর ঝোঁকটা আরও বাড়ে।

সেই সাইদুল আলমই চুয়েটের গণ্ডি পেরিয়ে প্রথমে দক্ষিণ কোরিয়া, আর বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে গবেষণা করছেন।

এখন তাঁর কাজের বিষয় ‘স্মার্ট পাওয়ার বক্স’। এটি এমন এক বাক্স, যার মধ্যে মুঠোফোন, ইয়ারবাড, স্মার্ট ওয়াচসহ নানা ইলেকট্রনিক যন্ত্র যেভাবেই রাখা হোক, স্বয়ংক্রিয়ভাবে চার্জ হয়ে যাবে। কোনো নির্দিষ্ট সকেট মেলানোর ‘টেনশন’ নেই, তার বয়ে নেওয়ার ঝামেলা নেই। বলা যায়, একধরনের ‘ওয়াই–ফাই চার্জিং’ পদ্ধতি।

বাক্সের ভেতরে ছড়িয়ে থাকা রেজোন্যান্ট কয়েলগুলো ত্রিমাত্রিক জায়গায় অর্থাৎ বাক্সের ভেতরের পুরো জায়গায়ই সমানভাবে ম্যাগনেটিক ফিল্ড (চৌম্বক ক্ষেত্র) তৈরি করে, আর যন্ত্রগুলো তার প্রয়োজনমতো শক্তি টেনে নেয়। অতিরিক্ত তাপ বা ওভারলোড, সবই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এই বাক্সের ভেতরে।

দেশেই হয়তো চাকরি করতে পারতেন সাইদুল আলম। পারিবারিক নিরাপত্তাও ছিল। তবে মাথায় ঘুরত একটি প্রশ্ন, কেন যন্ত্রগুলো এমনভাবে কাজ করে? অন্যভাবে কি করা যায়? এই প্রশ্নই তাঁকে ঠেলে দেয় আন্তর্জাতিক গবেষণার মাঠে।

২০১৯ সালের শুরুর দিকের কথা। বহু ই–মেইল, কোটেশন, প্রত্যাখ্যান ও অপেক্ষার পর অবশেষে মেলে সুযোগ। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি শীর্ষ গবেষণাগারে পিএইচডি করার অনুমতি পান। দেশ ছাড়ার মুহূর্তে মা–বাবা বলেছিলেন, ‘চেষ্টা করে যাস।’ নতুন ভাষা, নতুন মানুষ, নতুন পরিবেশ, সব মিলিয়ে শুরুটা কঠিনই ছিল। কিন্তু গবেষণাগারে পা রাখতেই সাইদুল বুঝতে পেরেছিলেন, এই সেই জায়গা, যেখানে তিনি পৌঁছাতে চেয়েছিলেন, যেখানে মিলতে পারে তাঁর মাথায় খেলে যাওয়া প্রশ্নগুলোর উত্তর।

কোরিয়ায় কাটানো চার বছর সাইদুলের জীবন বদলে দেয়। দেখতে পান, ‘ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সফার’ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের খুব সহজ অথচ প্রযুক্তিগতভাবে জটিল একটি বিষয়। আর এই জায়গায়ই হয়ে ওঠে তাঁর গবেষণার বিষয়।

কীভাবে চার্জিং আরও সুবিধাজনক করা যায়? যন্ত্রটি নড়াচড়া করলেও কীভাবে ‘পাওয়ার লস’ কমানো যায়? কীভাবে চার্জারের রেজোন্যান্স নিজে থেকেই মিলে গিয়ে সর্বোচ্চ কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করতে পারে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই সাইদুল উদ্ভাবন করেন নতুন ধরনের রিসিভার আর্কিটেকচার ও স্বয়ংক্রিয় টিউনিং অ্যালগরিদম। তাঁর এই কাজ শুধু আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিতই হয়নি, দুটি মার্কিন পেটেন্টের ভিত্তিও তৈরি করেছে। পিএইচডি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন ‘এক্সিলেন্ট রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’। কোরিয়ায় বিদেশি গবেষকদের মধ্যে এই সম্মাননা বিরলই বলতে হয়।

এই অর্জনের সুবাদেই নিউজিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব অকল্যান্ডে জায়গা করে নেন সাইদুল। বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে ওপরের দিকে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইনোভেটিভ ওয়্যারলেস পাওয়ার রিসার্চ’ গ্রুপটি অনেক বছর ধরেই ‘কন্ট্যাক্টলেস চার্জিং’ নিয়ে কাজ করছে, বলা যায় সারা বিশ্বকেই পথ দেখাচ্ছে। সেখানে পোস্টডক্টরাল রিসার্চ ফেলো হিসেবে যোগ দেন সাইদুল আলম। উদ্ভাবন করেন ‘স্মার্ট পাওয়ার বক্স’। তাঁর এ গবেষণায় অনুদান দিয়েছে ‘ওয়ারউইক অ্যান্ড জুডি স্মিথ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ডোমেন্ট ফান্ড’। সুপারভাইজার অধ্যাপক আইগু প্যাট্রিক হু’র সহযোগিতা ও গবেষণাগারের দলগত কাজই সাহস জুগিয়েছে, জানালেন তিনি।

সাইদুল বলেন, ‘আমার ইচ্ছা ছিল এমন কিছু উদ্ভাবন, প্রতিদিন যা ব্যবহার করবে মানুষ। যে প্রযুক্তি চোখে ধরা পড়বে না, কিন্তু সুবিধা এনে দেবে। গবেষণাগারে স্মার্ট পাওয়ার বক্সের প্রোটোটাইপ অর্থাৎ প্রাথমিক একটি মডেল আমরা বানিয়েছি। কার্যকারিতাও পরীক্ষা করেছি। ফলাফল আশানুরূপ। আমার স্বপ্ন, একদিন ঘরের আসবাবের মতো সাধারণ হয়ে যাবে এই স্মার্ট পাওয়ার বক্স।’

বিদেশে বসে কাজ করলেও সাইদুলের চিন্তায় বাংলাদেশ থাকে সব সময়। ভবিষ্যতে দেশে আইওটি (ইন্টারনেট অব থিংস) ডিভাইস, স্মার্ট হাসপাতাল ও স্মার্ট হোম নিয়ে কাজ করতে চান। সাশ্রয়ী প্রযুক্তি বানিয়ে দেশেই কিছু করার তাঁর প্রবল ইচ্ছা।

চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে তারহীন প্রযুক্তি হবে ভবিষ্যতের এক নতুন অধ্যায়। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চান সাইদুল আলম।




একটি টেক্সট প্রম্পট বা নির্দেশের মাধ্যমেই ৩০ সেকেন্ডের সুর তৈরি করে নিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ৭:১৩ পিএম

লেখা বা ছবি নয়, এবার ব্যবহারকারীর কল্পনাকেও সুরে রূপান্তর করে দেবে জেমিনাইয়ের নতুন এআই মডেল। একটি টেক্সট প্রম্পট বা নির্দেশের মাধ্যমেই ৩০ সেকেন্ডের সুর তৈরি করে নিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। গুগল বলেছে, তাদের নতুন মডেল ‘লিরিয়া ৩’ ব্যবহার করে জেমিনাই ব্যবহারকারীরা এখন প্রম্পট বা নির্দেশের মাধ্যমে ৩০ সেকেন্ডের মিউজিক ট্র্যাক তৈরি বা কোনো সুরকে নিজের পছন্দমতো পরিবর্তন করতে পারবেন।


প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট লিখেছে, টেক্সট, ছবি ও ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে জেমিনাইয়ের উন্নত সক্ষমতা আছে। নতুন মডেলটি জেমিনাইয়ের সেই সক্ষমতাকে আরও উন্নত করেছে। ইউটিউবের ‘ড্রিম ট্র্যাক’ ফিচারেও পাওয়া যাবে মডেলটি, যা শর্টস ভিডিওর জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে।


অন্যান্য মিউজিক তৈরির টুলের মতো জেমিনাই থেকেও ভালো মানের ফলাফল পেতে খুব বেশি বিস্তারিত তথ্য বা প্রম্পট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ‘লিরিয়া ৩’ ব্যবহারের সময় চাইলে গানের প্রতিটি বিষয় নিয়ে আরও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া যাবে। যেমন, গানের গতি পরিবর্তন বা ড্রাম বাজানোর ধরন বদলে দেওয়ার মতো বিষয়।


কেবল টেক্সটই নয়, জেমিনাই এখন ছবি বা ভিডিওর ওপর ভিত্তি করেও মিউজিক তৈরি করে দেবে। তৈরি করা বিভিন্ন গানের জন্য গুগলের ‘ন্যানো ব্যানানা’ ইমেজ মডেল ব্যবহার করে অ্যালবাম আর্ট বা কভার ফটোও বানিয়ে নিতে পারবেন ব্যবহারকারী।


গুগলের দাবি, তাদের আগের বিভিন্ন অডিও মডেলের তুলনায় ‘লিরিয়া ৩’ আরও বেশি বাস্তবসম্মত ও সংগীতের দিক থেকে উন্নত মানের ট্র্যাক তৈরি করতে পারে, যা ব্যবহারকারীদের গানের প্রতিটি অংশ বা উপাদানের ওপর বেশি নিয়ন্ত্রণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে গানের কথা তৈরি করে দেবে।


জেমিনাইয়ের তৈরি এসব মিউজিক বর্তমানে ৩০ সেকেন্ডের ক্লিপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে। তবে গুগলের প্রচারমূলক ভিডিওতে যেভাবে এ ফিচারটির সক্ষমতা দেখানো হয়েছে, তাতে ধারণা করা হচ্ছে ভবিষ্যতে এসব ক্লিপের সময়সীমা আরও বাড়নো বা অন্যান্য অ্যাপে জুড়ে দেওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।


জেমিনাইয়ের তৈরি অন্যান্য ফলাফলের মতো ‘লিরিয়া ৩’ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন গানেও গুগলের ‘সিন্থআইডি’ ওয়াটারমার্ক বা জলছাপ দেওয়া থাকবে। ফলে জেমিনাইয়ের তৈরি কোনো ক্লিপকে মানুষের তৈরি গান বলে চালিয়ে দেওয়া সহজ হবে না।


২০২৫ সালের ‘গুগল আই/ও’ ইভেন্টে এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্তের জন্য ‘সিন্থআইডি ডিটেক্টর’ চালু করেছে গুগল। জেমিনাইয়ের তৈরি ক্লিপের বাদ্যযন্ত্রের অংশগুলো চমৎকার শোনালেও ‘লিরিয়া ৩’-এর তৈরি গানের বিভিন্ন বাণী সেকেলে বা অদ্ভুত মনে হতে পারে।


গুগল বলেছে, আগ্রহীরা ‘লিরিয়া ৩’ মডেল পরীক্ষা করে দেখতে চাইলে আজ থেকেই জেমিনাইয়ের মাধ্যমে মিউজিক ট্র্যাক তৈরির নির্দেশনা দিতে পারবেন।


তবে এজন্য বয়স ১৮ হতে হবে এবং ইংরেজি, স্প্যানিশ, জার্মান, ফ্রেঞ্চ, হিন্দি, জাপানিজ, কোরিয়ান বা পর্তুগিজ ভাষার যেকোনো একটিতে কথা বলতে বা লিখতে জানতে হবে।


প্রতীকী ছবি ।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ১২:৩২ পিএম

অনলাইন ভিডিও প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ইউটিউব–এর জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সহজ স্ট্রিমিং, ভিন্ন ভিন্ন রেজল্যুশন, প্লেব্যাক স্পিড— সব মিলিয়ে ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ সুবিধাজনক। তবে অনেকেই জানেন না, এই প্ল্যাটফর্মে লুকিয়ে আছে বেশ কিছু কার্যকর কৌশল। যেগুলো জানলে ইউটিউব ব্যবহার হবে আরও সহজ ও স্মার্ট।


ইউটিউব ব্যবহারে ১০টি গোপন কৌশল


১. ভিডিওর ট্রান্সক্রিপ্টে শব্দ খুঁজুন


প্রায় সব ভিডিওতেই সাবটাইটেল বা স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট থাকে। ভিডিওর বর্ণনায় গিয়ে Show Transcript চালু করুন। এরপর কিবোর্ডে Ctrl+F (ম্যাকে Cmd+F) চাপলে নির্দিষ্ট শব্দ খুঁজে সরাসরি সেই অংশে যেতে পারবেন।


২. স্লিপ টাইমার ব্যবহার


দীর্ঘ ভিডিও দেখে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস থাকলে স্লিপ টাইমার কাজে দেবে। ভিডিওর Settings থেকে Sleep timer চালু করে ১০ থেকে ৬০ মিনিট পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা যায়। চাইলে ভিডিও শেষ হলেই থেমে যাবে— এমন সেটিংও রাখা যায়।


৩. নির্দিষ্ট সময়ের লিংক শেয়ার


ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশ শেয়ার করতে চাইলে ওয়েবে ভিডিওতে রাইট–ক্লিক করে Copy video URL at Current Time নির্বাচন করুন। মোবাইলে শেয়ার অপশনে সময় যুক্ত করার সুবিধাও রয়েছে।


৪. দ্রুত সামনে–পেছনে যাওয়া


মোবাইলে ভিডিওর বাম পাশে ডাবল–ট্যাপ করলে ১০ সেকেন্ড পেছাবে, ডানে ট্যাপ করলে এগোবে। ওয়েবে কিবোর্ডের বাম–ডান অ্যারো চেপে ৫ সেকেন্ড করে নড়াচড়া করা যায়। J, K, L কী ব্যবহারেও ১০ সেকেন্ড করে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।


৫. ফ্রেম বাই ফ্রেম দেখা


ভিডিও থামিয়ে ওয়েবে , (কমা) বা . (ডট) চাপলে এক ফ্রেম করে সামনে বা পেছনে যাওয়া যায়। ছোট লেখা বা নির্দিষ্ট দৃশ্য খুঁটিয়ে দেখতে এটি বেশ কার্যকর।


৬. লং–প্রেসে দ্রুত প্লে


মোবাইলে ভিডিও চলার সময় স্ক্রিনে চেপে ধরে রাখলে সাময়িকভাবে ২ গুণ গতিতে চলবে। ছেড়ে দিলেই স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে।


৭. ভিডিও কোয়ালিটি ডিফল্ট ঠিক করুন


মোবাইল অ্যাপে Settings > Quality–এ গিয়ে মোবাইল ডেটা ও ওয়াই–ফাইয়ের জন্য আলাদা ভিডিও মান নির্ধারণ করা যায়। গান বা পডকাস্ট শোনার ক্ষেত্রে অডিও কোয়ালিটিও আলাদা সেট করা যায়।


৮. ইনকগনিটো মোডে ব্রাউজ


একটি ভিডিও দেখার পর একই ধরনের অগণিত ভিডিও সাজেশন এলে বিরক্ত লাগতেই পারে। অ্যাপের You ট্যাবে গিয়ে Turn on incognito চালু করলে আপনার দেখা ভিডিও ইতিহাসে যুক্ত হবে না, অ্যালগরিদমেও প্রভাব ফেলবে না।


৯. ইতিহাস (হিস্ট্রি) থেকে ভিডিও মুছুন


ইনকগনিটো চালু করতে ভুলে গেলে চিন্তা নেই। ওয়াচ হিস্ট্রিতে গিয়ে নির্দিষ্ট ভিডিওর পাশের তিন ডট মেনু থেকে Remove from watch history নির্বাচন করুন। এতে সাজেশন বদলে যাবে।


১০. আরও দরকারি শর্টকাট


ওয়েবে ইউটিউব ব্যবহারে কিছু কার্যকর কিবোর্ড শর্টকাট—


>উপরের/নিচের অ্যারো: ভলিউম ৫% করে বাড়ানো–কমানো


>Shift+>: গতি বাড়ানো


>Shift+<: গতি কমানো


>M: মিউট


>F: ফুলস্ক্রিন


>T: থিয়েটার মোড


>Shift+N: পরের ভিডিও


>Shift+P: আগের ভিডিও


>Ctrl/Cmd + বাম/ডান অ্যারো: ভিডিওর পরবর্তী বা আগের চ্যাপ্টারে যাওয়া


ইউটিউব শুধু ভিডিও দেখার প্ল্যাটফর্ম নয়, সঠিক কৌশল জানলে এটি হয়ে উঠতে পারে আরও কার্যকর একটি টুল।




বিষয় :


প্রতীকী ছবি ।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ১১:৩৭ এএম

স্মার্ট হোম প্রযুক্তির জনপ্রিয় ডিভাইস গুগল এলএলসি-এর নেস্ট থার্মোস্ট্যাট। ডিভাইসটি মূলত ঘরের তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যবহারকারীর পছন্দ ও অভ্যাস বুঝে বাড়ির তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ও শক্তি সাশ্রয় করে। ডিভাইসটি সাধারণ ওয়াই-ফাই, ইন্টারনেট দিয়ে ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হয়। 


তবে জানেন কি, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও ডিভাইসটি ব্যবহার করা যায়। তবে ইন্টারনেট ছাড়া এটি সাধারণ থার্মোস্ট্যাটের মতো সীমিত ফিচারে কাজ করে।


ইন্টারনেট না থাকলে ব্যবহারকারীরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে থার্মোস্ট্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। ফলে দূর থেকে তাপমাত্রা পরিবর্তন বা সেটিং বদলানোর সুযোগ থাকে না এবং নোটিফিকেশন ও ক্লাউডভিত্তিক সেবাও কাজ করে না। তবে আগে থেকে সেট করা স্বয়ংক্রিয় শিডিউল ইন্টারনেট ছাড়াই কার্যকর থাকে। পরিবর্তন আনতে হলে সরাসরি থার্মোস্ট্যাট থেকে সেটিংস পরিবর্তন করতে হয়।


নতুন প্রজন্মের নেস্ট লার্নিং থার্মোস্ট্যাট (চতুর্থ জেনারেশন ও পরবর্তী মডেল) ম্যাটার প্রোটোকল সমর্থন করে, যা লোকাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করতে পারে। ফলে ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও কিছু স্মার্ট ফিচার চালু রাখা সম্ভব হয়। ম্যাটার-সাপোর্টেড ডিভাইসগুলো বাড়ির ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করে, তাই ক্লাউড নির্ভরতা কমে যায়।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্ট হোম ব্যবস্থায় একক ইকোসিস্টেমের ওপর নির্ভর না করাই ভালো। ম্যাটার ও জিগবি সমর্থিত ডিভাইস ব্যবহার করলে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমন্বয় সহজ হয় এবং ইন্টারনেট না থাকলেও সীমিত কার্যক্রম চালু রাখা যায়। তবে পুরোনো নেস্ট থার্মোস্ট্যাট (প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় জেনারেশন) ম্যাটার সাপোর্ট করে না, তাই এসব ডিভাইস ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট না থাকলে সীমিত ফিচারেই কাজ চালাতে হয়।

নোবেলজয়ীর গবেষণা

বাতাস থেকে তৈরি হবে পানি


নোবেল জয়ী অধ্যাপক ওমর ইয়াগির উদ্ভাবিত বিশেষ যন্ত্রটি মরুভূমির শুষ্ক বাতাস থেকেও সুপেয় পানি তৈরি করতে পারে।

  • প্রকাশ : রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ৪:৫৫ পিএম

খরা বা ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও স্থানীয় বিভিন্ন এলাকাতে এ যন্ত্র বসিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি তৈরি সম্ভব।

 

বর্তমানে তীব্র পানি সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। ঠিক তখনই আশার আলো নিয়ে এলেন ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল বিজয়ী। তার উদ্ভাবিত এ বিশেষ যন্ত্রটি মরুভূমির শুষ্ক বাতাস থেকেও সুপেয় পানি তৈরি করতে পারে।


ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ান লিখেছে, নোবেল জয়ী অধ্যাপক ওমর ইয়াগির পরিবেশবান্ধব এ আবিষ্কার মানুষের জীবন বাঁচাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এ প্রযুক্তির উদ্ভাবক বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় বা খরার কারণে সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলে এ যন্ত্রের মাধ্যমে সুপেয় পানি পাওয়া সম্ভব, যা ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন দ্বীপের বাসিন্দাদের জন্য কার্যকর সামাধান হতে পারে।


জর্ডানের এক শরণার্থী শিবিরে বেড়ে ওঠা অধ্যাপক ইয়াগি বলেছেন, ছোটবেলায় বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগহীন ঘরে কাটানো কঠিন দিনগুলোই তাকে এ যন্ত্র আবিষ্কারে অনুপ্রাণিত করেছে।


রসায়নবিদ অধ্যাপক ইয়াগির এ উদ্ভাবনে ব্যবহৃত হয়েছে ‘রেটিকুলার কেমিস্ট্রি’ নামে রসায়নের এক শাখা। তিনি এমন কিছু বিশেষ উপাদানের অণু তৈরি করেছেন, যা বাতাস থেকে আর্দ্রতা শুষে নিতে ও মরুভূমির মতো শুষ্ক এলাকা থেকেও পানি সংগ্রহ করতে পারে।


ইয়াগির প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাটোকো’ বলেছে, তাদের এসব যন্ত্র আকারে একটি ২০ ফুট শিপিং কন্টেইনারের সমান। এগুলো পুরোপুরি সাধারণ মানের তাপ শক্তিতে চলে। খরা বা ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও স্থানীয় বিভিন্ন এলাকায় এ যন্ত্র বসিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি পাওয়া সম্ভব।


অধ্যাপক ইয়াগি বলেছেন, গোটা বিশ্বকে বদলে দিতে পারে এ আবিষ্কার, বিশেষ করে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের মতো খরাপ্রবণ বিভিন্ন এলাকার জন্য যন্ত্রটি উপকারী হবে। বেরিল ও মেলিসার মতো শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের পর যখন হাজার হাজার মানুষ পানিহীন অবস্থায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন সে সময় এসব দুর্গম এলাকায় পানি পৌঁছে দেওয়ার জন্য এ যন্ত্রই হতে পারে সেরা সমাধান।


“মেলিসা বা বেরিলের মতো ঘূর্ণিঝড় ভয়াবহ বন্যা তৈরি করেছে, যা ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি ক্যারিবীয় অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এ ধ্বংসলীলা আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বিভিন্ন এলাকায় পানির সরবরাহ ব্যবস্থা আরও মজবুত ও শক্তিশালী করা কতটা জরুরি।”


সাগরের লোনা পানিকে স্বাদুপানিতে পরিণত করার মতো প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এ উদ্ভাবনটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই। লোনা পানি পরিষ্কারের প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত লবণাক্ত বর্জ্য আবার সাগরে ফেলা হয়, যা সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য হুমকির। তবে ইয়াগির এ পদ্ধতিতে এমন কোনো ঝুঁকি নেই।


গত মাসে প্রকাশিত জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, পৃথিবী এখন এক ‘বৈশ্বিক পানি দেউলিয়া হওয়ার দশায়’ প্রবেশ করেছে। বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এমন সব দেশে বসবাস করছে যেগুলোকে পানি অনিরাপদ বা চরম পানি সংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।


“প্রায় ২২০ কোটি মানুষ এখনও নিরাপদ সুপেয় পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ৩৫০ কোটি মানুষ উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা পান না এবং বছরে অন্তত এক মাস তীব্র পানি সংকটের মুখে পড়েন প্রায় ৪০০ কোটি মানুষ।”


২০২৪ সালে ঘূর্ণিঝড় বেরিল-এর আঘাতে বিধ্বস্ত হওয়া তিন দ্বীপের দেশ গ্রেনাডায় ইয়াগির এ আবিষ্কার নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে, বিশেষ করে ক্যারিয়াকু ও পেটিট মার্টিনিক দ্বীপের যারা ঝড়ের তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং বর্তমানে ঝড়, খরা ও উপকূলীয় ভাঙনের মতো ত্রিমুখী সংকটে তাদের জন্য বড় সমাধান হতে পারে এ যন্ত্র।


ক্যারিয়াকু দ্বীপের সরকারি কর্মকর্তা ও পরিবেশবিদ ডেভন বেকার বলেছেন, “আমাদের পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এ প্রযুক্তির সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে, যন্ত্রটি কোনো গ্রিড বা বাহ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই কেবল আশপাশের প্রাকৃতিক শক্তি ব্যবহার করে চলতে পারে।”


নোবেল পুরস্কারের ডিনারে দেওয়া এক বক্তৃতায় ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করে অধ্যাপক ইয়াগি বলেছিলেন, জর্ডানের মরুভূমির সেই জনপদে সপ্তাহে বা দুই সপ্তাহে কেবল একবার সরকারি পানি আসত।


“আমার মনে আছে, আমাদের পাড়ায় ফিসফিসানি শোনা যেত, ‘পানি আসছে’। তখন কল বন্ধ হওয়ার আগেই হাতের কাছে পাওয়া সব পাত্র ভরে ফেলার সেই তীব্র তাড়াহুড়ো আমি আজও ভুলিনি।”


ছবি: সংগৃহীত।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ৪:১৯ পিএম

বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নেতৃত্বাধীন সরকারের কার্যক্রম জনগণের কাছে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ চালু করা হয়েছে।


নতুন সরকারের প্রথম কার্যদিবস বুধবার পেজটির উদ্বোধন করা হয়। পেজটির নাম রাখা হয়েছে ‘PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়’। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি সরকারি নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত, উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ঘোষণা এবং প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে অংশ নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির খবর জানতে পারবে। উদ্বোধনের প্রথম দিনেই প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার ফলোয়ার যুক্ত হয়েছে, যা সরকারের ডিজিটাল যোগাযোগের গুরুত্ব এবং নাগরিকদের আগ্রহের প্রমাণ।


পেজটির ভিজ্যুয়াল ডিজাইনও বিশেষভাবে পরিকল্পিত। প্রোফাইল ফটোতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি। কভার ফটোর বাম পাশে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, মাঝখানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি লোগো ও ‘প্রধানমন্ত্রী’ লেখা, আর ডান পাশে প্রধানমন্ত্রী জনসমাবেশে দাঁড়িয়ে আছেন। এই চিত্রটি সরকারের জনসংযোগ এবং দেশের মানুষকে কাছে আনার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।


ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্যপ্রবাহের স্বচ্ছতা এবং দ্রুততা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার যাবতীয় তথ্যও ফেসবুকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হতো। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীর অফিস সরাসরি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম জনগণের সঙ্গে শেয়ার করবেন, যা জনগণকে নীতি ও উন্নয়নের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করবে।


পেজটি চালুর পর থেকেই সেখানে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, প্রজ্ঞাপন এবং প্রধানমন্ত্রীর দৈনন্দিন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা হচ্ছে। পেজটির মাধ্যমে নাগরিকরা কেবল তথ্যই পাবেন না, বরং সরাসরি মন্তব্য, প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগও পাবেন। এভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী অফিস জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনতে চায়।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ডিজিটাল উদ্যোগ সরকার এবং জনগণের মধ্যে বিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভবিষ্যতে ফেসবুক পেজের সঙ্গে ভিডিও লাইভ, সচিত্র প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি, গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও জনসভার তথ্য সরাসরি নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতে পারে। এছাড়া সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতির ব্যাখ্যা, এফএকিউ, এবং বিভিন্ন ই-সেবা সম্পর্কিত আপডেটও পেজে নিয়মিত প্রকাশিত হবে।


এদিকে গতকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে পূর্বতন অন্তর্বর্তী সরকারের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ‘Chief Advisor GOB’ থেকে একটি বিদায়ী পোস্ট শেয়ার করা হয়। 


সেই পোস্টে জানানো হয়, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করায় এখন থেকে ওই পেজটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো।


২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ৮:২৩ পিএম

আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংঘটিত হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ। মহাজাগতিক এই বিরল দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় রয়েছে বিশ্ববাসী। 


এবারের গ্রহণটি হবে বলয়াকার সূর্যগ্রহণ, যা আকাশপ্রেমীদের কাছে রিং অব ফায়ার বা আগুনের বলয় নামে পরিচিত। আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী এটি সকাল ৭টা ১মিনিটে হবে এবং এর সর্বোচ্চ স্থায়িত্বকাল হতে পারে ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড।


আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ তখন ঘটে যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে অবস্থান নেয়। তবে এ সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকায় সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না। 


ফলে সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল একটি আগুনের বলয় দেখা যায়, যা দেখতে আংটির মতো লাগে। তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রহণের সময় চাঁদ সূর্যের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ ঢেকে ফেলবে।


অনেকের প্রশ্ন, বাংলাদেশ বা ভারত থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে কি না। সংশ্লিষ্ট মহাকাশ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গ্রহণের সময় সূর্য দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে দৃশ্যমান থাকবে না। ফলে বাংলাদেশ ও ভারত থেকে এ দৃশ্য দেখা যাবে না। সূর্যগ্রহণটি মূলত দক্ষিণ গোলার্ধে সংঘটিত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে এটি দেখা সম্ভব হবে না।


সবচেয়ে ভালোভাবে বলয়াকার সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে অ্যান্টার্কটিকায়, বিশেষ করে সেখানকার গবেষণা কেন্দ্রগুলো থেকে।


এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের কিছু অংশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও চিলির কিছু অঞ্চল থেকেও আংশিকভাবে এই দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।