রণবীর কাপুর
বলিউডে অভিনেতা হিসেবে একের পর এক চমক দেখিয়েছেন রণবীর কাপুর। তবে এবার ক্যামেরার সামনে নয়, পেছনে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তিনি। শুধু অভিনয় নয়, গল্প বলা ও সিনেমা নির্মাণের প্রতি আগ্রহ থেকেই পরিচালনায় আসতে চান এই অভিনেতা। এমনকি আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই নিজের পরিচালনায় প্রথম সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন তিনি।
সম্প্রতি ‘রামায়ণ: পার্ট ওয়ান’ সিনেমার প্রচারে এক যৌথ সাক্ষাৎকারে সাই পল্লবীর সঙ্গে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন রণবীর। সেখানেই জানান, কয়েক মাস আগে থেকেই নিজের পরিচালিত প্রথম সিনেমার চিত্রনাট্য লেখার কাজ শুরু করেছেন। রণবীর বলেন, আমি কয়েক মাস আগে চিত্রনাট্য লেখা শুরু করেছি। বুঝতে পারছি, একটি গল্প তৈরি করা কতটা কঠিন। লেখক ও সৃজনশীল মানুষদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে গেছে। তার মতে, একজন সংগীতশিল্পীর পর পরিচালকই সৃষ্টির আনন্দ সবচেয়ে গভীরভাবে অনুভব করেন। কারণ, একটি সিনেমার গল্প ভাবা থেকে শুরু করে সেটিকে পর্দায় তুলে ধরার পুরো প্রক্রিয়ায় পরিচালকের ভূমিকা থাকে।
পরিচালক হিসেবে কোন ঘরানার সিনেমা বানাবেন, তা এখনো চূড়ান্ত করেননি রণবীর। তবে তার পছন্দের সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’, ‘ইটস আ ওয়ান্ডারফুল লাইফ’ এবং রাজকুমার হিরানির সিনেমা। এসব ছবির মতো দর্শকের মনে উষ্ণতা ও ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করে, এমন একটি পারিবারিক গল্প নির্মাণ করতে চান তিনি।
সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবন নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন রণবীর। তিনি বলেনঅভিনেতা হিসেবে হয়তো এটাই আমার শেষ দশক। আগামী দিনগুলোতে পরিচালনার দিকে বেশি মনোযোগ দিতে চাই। তবে তার আগে ‘ব্রহ্মাস্ত্র ২’, ‘অ্যানিমেল ২’ ও ‘রামায়ণ: পার্ট টু’র কাজ শেষ করতে চান।পরিচালনায় রণবীরের আগ্রহ অবশ্য নতুন নয়। গত বছর নিজের জন্মদিনে ইনস্টাগ্রাম লাইভে জানিয়েছিলেন, পরিচালনার জন্য লেখকদের একটি দলও গঠন করেছেন। তাঁর বাবা ঋষি কাপুর ১৯৯৯ সালে ‘আ আব লট চলে’ সিনেমা পরিচালনা করেছিলেন। কিশোর বয়সে সেই সিনেমার কাজে বাবাকে সহযোগিতা করেছিলেন রণবীর। পরে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘ব্ল্যাক’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন তিনি।এদিকে অভিনয়ের ব্যস্ততাও কমছে না রণবীরের। আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশলের সঙ্গে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ সিনেমায় দেখা যাবে তাকে। পাশাপাশি রয়েছে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’, ‘অ্যানিমেল’ ও ‘রামায়ণ’-এর পরবর্তী কিস্তি। সব মিলিয়ে বলিউডে অভিনেতা থেকে পরিচালক হয়ে ওঠার নতুন অধ্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন রণবীর।
সূত্র: এনডিটিভি
চিত্রনায়িকা পরীমনি
সাংবাদিক হয়রানি ও জাতীয় সংগীত অবমাননার অভিযোগে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসান শাহরিয়ার এ নোটিশ পাঠান। এতে শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনি এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বিবাদী করা হয়েছে।
নোটিশে আগামী সাত দিনের মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য পরীমনিকে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অশ্লীল বক্তব্য, সংলাপ, হুমকি, অশ্লীল অভিনয় ও অঙ্গভঙ্গি এবং নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া চলচ্চিত্র, ভিডিও, অডিও-ভিজ্যুয়াল, স্থিরচিত্র, গ্রাফিকস কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে ধারণ ও প্রদর্শনযোগ্য এমন কর্মকাণ্ড না করার কথা বলা হয়েছে, যার কোনো শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই।
পাশাপাশি আগামী সাত দিনের মধ্যে পরীমনিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।নোটিশের বিবরণ অনুযায়ী, গত ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করে আদালত থেকে জামিন পান পরীমনি। ওই দিন সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে নেমে এজলাসের দিকে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা তার ছবি ও ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। এ নিয়ে পরীমনির নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।এ সময় সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মুঠোফোন পরীমনি কেড়ে নেন বলে নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার ভিডিও ধারণের কাজে ব্যবহৃত ট্রাইপডটি পরীমনির সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা ভেঙে ফেলেন বলেও উল্লেখ রয়েছে।ওই ঘটনার সময় ধাক্কাধাক্কিতে জাগো নিউজের প্রতিবেদক আশিকুজ্জামান ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আব্দুল্লাহ আল কাউছার, আগামীর সময়ের প্রতিবেদক সিয়াম হোসেন এবং টাইমস টুডের শাহ রিয়াজ আহত হন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সুজন চন্দ্র মণি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীও আহত হন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, তার মাথা ফেটে রক্ত বের হয়েছিল।
নোটিশে বলা হয়েছে, আদালত প্রাঙ্গণে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও প্রশাসনের দায়িত্ব। সেখানে ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে আদালতের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ কিংবা পেশিশক্তি প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই।
এতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, আদালত থেকে বের হওয়ার পর পরীমনি সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যান। রবিউলের ডান হাত জন্মগতভাবে ছোট এবং ওই হাতে তিনটি আঙুল না থাকায় তিনি স্বাভাবিকভাবে হাতটি ব্যবহার করতে পারেন না। এ সময় পরীমনি তাকে উদ্দেশ করে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন এবং হত্যার হুমকি দেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটির ভিডিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, একজন পেশাদার সাংবাদিকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ তার পেশাগত মর্যাদার ওপর আঘাত। একই সঙ্গে এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্ব পালনের অনুকূল পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশিত নয় বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে পরীমনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে মিউজিক হিসেবে ব্যবহার করে একটি অশ্লীল পোস্ট দিয়েছেন বলে নোটিশে অভিযোগ আনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা ছড়িয়ে পড়ে। প্রকাশিত সংবাদগুলোর মন্তব্যের ঘরে এ নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত
সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রামের একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে আয়োজকরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আয়োজকরা জানান, সম্প্রতি ঢাকা আদালত চত্বরে সাংবাদিকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটির ১৭ দিন আগে পরীমনির সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। তবে গণমাধ্যমকর্মীকে অসম্মান করার কারণে এবং চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে আয়োজক কমিটি গণমাধ্যমকর্মীদের দাবির সমর্থন জানিয়ে এই ইভেন্ট থেকে পরীমনিকে বাদ দিয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে পরীমনি তার ফেসবুক ওয়ালে ‘চট্টগ্রাম ফ্যাশন ভ্যানগার্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর একটি পোস্টার শেয়ার করে লেখেন, ‘দেখা হচ্ছে প্রিয় চট্টগ্রাম।’ আমাদের সহকর্মী দৈনিক সমকালের রবির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে, তার মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিযষয়টি মিটমাট না করলে আপনারা বিকল্প অতিথি খুঁজে নিন।’
মুহূর্তেই বিষয়টি চট্টগ্রামে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ফলে আয়োজকরা পরীমনিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।
প্রতিবাদের মুখে আয়োজকরা অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে নায়িকা পরীমনিকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠানের নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছেন। আগামী ২৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের খুলশী থানাধীন একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত
ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো চরিত্রে জনি ডেপ। ছবি: সংগৃহীত
আইকনিক চরিত্র ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’ হয়ে আবারও পর্দায় হাজির হবেন জনি ডেপ। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই ফেরা নিয়ে ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ সিরিজের ষষ্ঠ কিস্তিতে আবারও দেখা যাবে কি না- গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনার উত্তর দিলেন জনি ডেপ নিজেই।
নতুন সিনেমা ‘ইবেনেজার’-এর প্রচারণায় অংশ নিয়ে এ কিংবদন্তি অভিনেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল প্রযোজক জেরি ব্রুকহেইমারের অনুরোধে তিনি আবারও জলদস্যুর পোশাকে পর্দায় হাজির হতে পারেন। এর আগে আইনি জটিলতা এবং ডিজনি স্টুডিওর সঙ্গে দূরত্বের কারণে ডেপ জানিয়েছিলেন তিনি আর কখনো এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ফিরবেন না। তিক্ততা ভুলে জলদস্যু রূপে ফেরার ক্ষেত্রে জনি ডেপ শর্ত দিয়েছেন।
তিনি জানান, পাইরেটস ফ্র্যাঞ্চাইজিকে একটি সুন্দর ও সম্মানজনক সমাপ্তির দিকে যদি নিয়ে যাওয়া হয় এবং দস্যু চরিত্রটিকে কেবল একটি ইতিবাচক বা ভালো বার্তা দিয়ে বিদায় জানানো হলেই তিনি ফিরবেন। গত বছর প্রযোজক ব্রুকহেইমার নিশ্চিত করেছিলেন, ‘স্ক্রিপ্ট পছন্দ হলে জনি ডেপ কাজ করতে রাজি হবেন। আমরা সিনেমাটি বানাতে চাই, কিন্তু তার আগে সঠিক চিত্রনাট্য হাতে পেতে হবে।
আমরা এখনো চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি, তবে বেশ কাছাকাছি আছি।’ ২০০৩ সালে গোর ভারবিনস্কি পরিচালিত ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান: দ্য কার্স অব দ্য ব্ল্যাক পার্ল’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আইকনিক ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’ চরিত্রে অভিনয় করেন জনি ডেপ। প্রথম কিস্তিতে তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন অরল্যান্ডো ব্লুম (উইল টার্নার) ও কেইরা নাইটলি (এলিজাবেথ সোয়ান)।
পরে জনি ডেপ ২০০৬ সালে ‘ডেড ম্যানস চেস্ট’ এবং ২০০৭ সালে ‘এট ওয়ার্ল্ডস অ্যান্ড’ সিনেমায় একই চরিত্রে অভিনয় করে ভক্তদের মন জয় করেন। এরপর ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ ও পঞ্চম পর্ব—‘অন স্ট্রেঞ্জার টাইডস’ (২০১১) এবং ‘ডেড ম্যান টেল নো টেলস’ (২০১৭)-এ শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল ডেপকে। বেশ কয়েক বছর পর আবার জলদস্যুরূপে সেই আইকনিক রুপালি পোশাকে তাকে দেখা যাবে কি না, সেটাই এখন হলিউডের বড় চমক।
রানিয়ার মুখ প্রকাশ্যে আনলেন সারা খান। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজন করা হয়েছে ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’। আজ এ কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবে সাতটি ব্যান্ড। সাত ঘণ্টার এই আয়োজনে থাকছে নগরবাউল জেমস, মাইলস, ওয়ারফেজ, ফিডব্যাক, আর্টসেল, শিরোনামহীন ও মেকানিক্সের পরিবেশনা।
কনসার্টটি আয়োজন করছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশনের (বামবা)।
এক ভিডিও বার্তায় ওয়ারফেজ বলেছে, ‘ঐক্য, সম্প্রীতি ও অদম্য চেতনার বাংলাদেশকে উদ্যাপন করতে আপনাদের মাঝে আসছি আমরা, ওয়ারফেজ। দেখা হচ্ছে সবার সাথে।’
ব্যান্ডটির দলনেতা শেখ মনিরুল আলম গতকাল জানান, ৪৫ থেকে ৫০ মিনিটের মতো ব্যান্ডটি গাইবে। ‘হারিয়ে তোমাকে’, ‘বসে আছি’, ‘পূর্ণতা’র মতো জনপ্রিয় গান পরিবেশন করবে ওয়ারফেজ।
বেলা সাড়ে তিনটায় কনসার্টের প্রবেশপথ খুলে দেওয়া হবে। মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল চারটায়।
কনসার্টের আগে বেলা তিনটায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম।
আয়োজকদের ভাষ্য, ঐক্য, সম্প্রীতি, সংহতি ও উদার চেতনার বাংলাদেশের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন। সংগীতের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপনের পাশাপাশি দর্শক-শ্রোতাদের জন্য তৈরি হবে উৎসবমুখর পরিবেশ। কনসার্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত।