নায়িকা পূজা চেরি

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ৪:২৭ এএম

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা পূজা চেরি নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দীর্ঘদিনের গুঞ্জন ও জল্পনার অবসান ঘটালেন। প্রথমবারের মতো খোলাখুলি জানালেন তিনি আর সিংগেল নন, বরং বাগদান সেরে ফেলেছেন। এমনকি ভবিষ্যতের সংসার টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনে অভিনয়ও ছেড়ে দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।


সম্প্রতি এক পডকাস্টে পডকাস্টে হাজির হয়ে নিজের সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ করেন পূজা। 


তিনি বলেন, আমি এনগেজড। এই প্রথমবার আমি এটি প্রকাশ্যে বলছি। এর আগে অনেকবার বলেছি আমি সিংগেল, কিন্তু আসলে আমি সিংগেল না। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আংটি বদলের মতো কিছু হয়নি।


নিজের হবু জীবনসঙ্গী সম্পর্কে পূজা জানান, তিনি মিডিয়ার কেউ নন। অভিনেত্রীর ভাষায়, তিনি মিডিয়ার লোক নন, প্রশ্নই আসে না। আমি যে পেশায় আছি, এই পেশার মানুষকে আমি বিশ্বাস করতে পারি না।


ব্যক্তিজীবনে সংসারকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চান পূজা। তিনি বলেন, আমি একটি সাংসারিক মেয়ে হতে চাই। আমার জীবনে ‘ডিভোর্স’ শব্দটা আসুক এটা আমি চাই না। সংসার ঠিক রাখতে হলে প্রয়োজনে মিডিয়াও ছেড়ে দিতে পারি।


অভিনয় তার ভালোবাসার জায়গা হলেও, সংসারকে অগ্রাধিকার দিতে প্রস্তুত বলেও জানান এই নায়িকা। পূজার ভাষায়, অভিনয় আমার শখ এবং ভালোবাসা। এখানে আমার ও আমার মায়ের অনেক সংগ্রাম আছে। কিন্তু সংসার বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনে এটাও ছাড়তে পারি।


বিয়ের পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। পূজা জানান, মানসিকভাবে প্রস্তুত হলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন এবং সেটি গোপন রাখবেন না। তার হবু স্বামী  তাকে সবসময় সমর্থন দেন বলেও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।


এদিকে ক্যারিয়ারের প্রায় আট বছর পার করছেন পূজা চেরি। ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘দম’। এই সিনেমার মধ্যে দিয়ে প্রথমবারের মতো আফরান নিশোরবিপরীতে অভিনয় করেছেন পূজা। সিনেমাটির প্রচারণার মাঝেই ব্যক্তিগত জীবনের এই স্বীকারোক্তি ভক্তদের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।




বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘স্পাইডার-ম্যান’–এর নতুন সিনেমা

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৪৮ পিএম

মার্ভেল-ভক্তদের তুমুল উম্মাদনার মধ্য দিয়ে আবারও পর্দায় আসছে ‘স্পাইডার-ম্যান’। ৩১ জুলাই আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে চলেছে সিরিজের নতুন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। 


আরও চমকপ্রদ খবর হলো, আন্তর্জাতিক মুক্তির আগেই সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের দর্শকেরা। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে মুক্তির আগের দিন, ৩০ জুলাই বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। মাল্টিপ্লেক্সটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের ৩৮তম এবং ‘স্পাইডার-ম্যান’ সিরিজের চতুর্থ সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন পরিচালিত এ সিনেমায় যথারীতি স্পাইডার-ম্যানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন টম হল্যান্ড। আর তাঁর নায়িকা জেনডায়াও থাকছেন আগের মতোই। জেনডায়া, জ্যাকব ব্যাটালন এবং হাল্ক চরিত্রে মার্ক রাফেলোর চেনা প্রত্যাবর্তনের পাশাপাশি এ সিনেমায় বেশ কয়েকটি নতুন মুখের সংযোজন ঘটছে।


পিটারের স্মৃতি মন থেকে মুছে যাওয়ার পর এমজে তার জীবনে নতুন করে এগিয়ে গেছে। অভিনেতা ইমান এসফান্দি এ ছবিতে এমজের নতুন বয়ফ্রেন্ডের চরিত্রে অভিনয় করছেন। ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ অভিনেত্রী সেডি সিঙ্ক এ ছবিতে একটি অত্যন্ত রহস্যময় চরিত্রে হাজির হচ্ছেন।


মার্ভেল–ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় চমক হলো, জনপ্রিয় নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘ডেয়ারডেভিল’-এর পর জন বার্নথাল আবারও তাঁর আইকনিক ‘ফ্র্যাঙ্ক ক্যাসেল’ বা ‘দ্য পানিশার’ চরিত্রে বড় পর্দায় ফিরছেন। ছবিটি পিটারের মানসিক দ্বন্দ্ব ও অস্তিত্বের লড়াইকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে। বিশেষ করে ‘নো ওয়ে হোম’-এর পর পিটার পার্কারের নতুন অধ্যায় কীভাবে শুরু হবে, এটা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে সবাই। 


‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর চার বছর পরের ঘটনা নিয়ে নির্মিত হয়েছে এবারের সিনেমা। ‘নো ওয়ে হোম’-এর শেষে ড. স্টিফেন স্ট্রেঞ্জের জাদুর পর বিশ্ব পিটার পার্কারের অস্তিত্ব ভুলে গেছে।


পার্কার ‘স্পাইডার-ম্যান’ নায়ক হিসেবে বেনামে নিউইয়র্ক শহরকে রক্ষা করে এবং একটি শক্তিশালী নতুন হুমকির তদন্ত করে, যখন তার অতিমানবীয় শক্তিগুলো একটি আশ্চর্যজনক এবং সম্ভাব্য বিপজ্জনক বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। পিটার পার্কার এখন সম্পূর্ণ একা। কেউ জানে না সে কে, তাই সে পূর্ণ সময়ের স্পাইডার-ম্যান হিসেবে নিউইয়র্ককে রক্ষা করছে। কিন্তু একাকিত্ব, মানসিক চাপ ও নতুন এক রহস্যময় শত্রুর আবির্ভাব তাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলে। 


আগের সিনেমাগুলোর তুলনায় এবার পিটারকে আরও দায়িত্বশীল, স্বাধীন এবং মানসিকভাবে পরিণত অবস্থায় দেখা যাবে। যাঁরা চরিত্রের বিকাশ দেখতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি আকর্ষণীয় হতে পারে। শুধু গল্প বা ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট নয়, প্রযুক্তিগত দিক থেকেও অভিনব সিনেমাটি।


এটি বিশ্বের প্রথম সিনেমা, যা সম্পূর্ণভাবে ‘শট ফর স্ক্রিন-এক্স’ উদ্যোগের আওতায় নির্মিত হয়েছে। স্ক্রিন-এক্স হলো একধরনের উন্নত সিনেমা প্রদর্শন প্রযুক্তি। সাধারণ সিনেমা হলে দর্শক শুধু সামনের পর্দায় সিনেমা দেখেন। কিন্তু স্ক্রিন-এক্স প্রযুক্তিতে মূল পর্দার পাশাপাশি হলের দুই পাশের দেয়ালেও দৃশ্য সম্প্রসারিত হয়। ফলে দর্শকেরা ২৭০ ডিগ্রি প্যানোরামিক ভিউ উপভোগ করতে পারবেন, যা সিনেমার অভিজ্ঞতাকে আরও প্রাণবন্ত করবে।


মুক্তির তারিখ ঘোষণার আগে থেকেই ভক্তদের আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। ট্রেলার প্রকাশের পর তো রীতিমতো ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 


প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ট্রেলারটি ৭১ কোটি ৮৬ লাখ ভিউ পেয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। অগ্রিম টিকিট বুকিংও চলছে ব্যাপকভাবে। এতে বোঝা যায়, সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ কতটা প্রবল।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:৪৩ পিএম

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর। বড়পর্দায় পা রাখার পর অল্প সময়েই দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি। ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তাণ্ডব’ দিয়ে প্রথমবার সিনেমায় অভিনয় করেন। আর প্রথমবারই তিনি নায়ক হিসেবে পান ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানকে। এরপর ‘রকস্টার’ সিনেমাতেও জুটি বেঁধে আলোচনায় আসেন এই দুই তারকা।


সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং পর্দার রোমান্টিক রসায়ন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সাবিলা নূর।


তিনি বলেন, শাকিব খানের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে কোনো অস্বস্তি হয়নি। বরং সহশিল্পী হিসেবে তিনি এমন একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন যেখানে অভিনয় করাটা সহজ হয়ে যায়।


সাবিলার ভাষায়, ‌‘ক্যামেরা রোল হওয়ার পর উনি আর শাকিব খান থাকেন না, আমিও সাবিলা নূর থাকি না। তখন উনি ‘আগুন’, আমি ‘মীরা’। চরিত্রটাই তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই কোনো দ্বিধা বা অস্বস্তি কাজ করেনি।’


তিনি আরও বলেন, ‘উনি আমাকে এমন একটি কমফোর্ট জোন দিয়েছেন, যেখানে খুব স্বাভাবিকভাবেই রোমান্টিক দৃশ্যগুলো করতে পেরেছি।’


শুধু অভিনয় নয়, শাকিব খানের পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন সাবিলা। জানান, প্রতিটি দৃশ্যের শুটিং শেষে শাকিব মনোযোগ দিয়ে নিজের অভিনয় পর্যালোচনা করেন এবং কোথায় আরও ভালো করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন।


সাবিলার মতে, ‘উনার এই বিষয়টাই আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে। প্রতিটি শট বিশ্লেষণ করে নিজেকে আরও ভালো করার চেষ্টা করেন। একজন অভিনেতা হিসেবে এটি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।’


এ ছাড়া ‘রকস্টার’ সিনেমার মালয়েশিয়া শুটিংয়ের স্মৃতিও ভাগ করে নেন তিনি। সাবিলার দাবি, মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে নিজেকে যেভাবে বদলে নিয়েছিলেন শাকিব, তা দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন।


উল্লেখ্য, আজমান রুশো পরিচালিত ‘রকস্টার’ সিনেমায় শাকিব খান ও সাবিলা নূরের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, তানজিয়া জামান মিথিলা, সুনিধি নায়েক, পান্থ কানাই ও তারিক আনাম খান। সিনেমাটি চলতি বছরের ২৮ মে মুক্তি পায়।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:১৭ এএম

ভারতের নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ইন্টারনেটে আলোড়ন সৃষ্টিকারী চাপ প্রয়োগকারী গোষ্ঠী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির নেতৃত্বে চলা জেন জি প্রজন্মের আন্দোলন এবং এর রিলগুলোকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। 


সোমবার (২৭ জুলাই) নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই প্রজন্মের প্রতিবাদের ধরন ও ভাষা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি একে ‘বমি উদ্রেককারী’ বলে মন্তব্য করেন।




একটি পোস্টে কঙ্গনা প্রতিবাদকারীদের অভিব্যক্তি ও আচরণ নিয়ে উপহাস করে লেখেন, তাদের কথা বলার ধরণ এবং ব্যবহৃত ভাষা অত্যন্ত অসম্মানজনক এবং প্রতিটি ফ্রেমেই সবকিছু এত বেশি বেসুরো ও স্থূল যে তিনি জীবনে কখনো এমন কিছু দেখেননি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, ইউউউ, কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর মানুষ করছে?


আন্দোলনকারীদের প্রধান প্রতীক ‘তেলাপোকা’ বা ‘ককরোচ’ রূপকটিরও তীব্র সমালোচনা করেন কঙ্গনা। তিনি লেখেন, প্রতিবাদকারীরা নিজেদের তেলাপোকা বলে ডাকছেন এবং তাদের আচরণও ঠিক তাদের মতোই। এখানে কোনো প্যারাডক্স বা বৈপরীত্য নেই, বরং এটি কেবল পৃথিবীকে তাদের নোংরা ও কদর্যতায় ডুবিয়ে দেওয়ার মতো বিষয়। ইনস্টাগ্রাম স্টোরির শেষাংশে তিনি যোগ করেন যে এই রিলগুলো দেখে তিনি মানসিকভাবে আতঙ্কিত হয়েছেন।



উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে একাধিক দফার বৈঠকের পর গত সপ্তাহে সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়। কেন্দ্রীয় সরকার তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি মেনে নেওয়ার পর আন্দোলন সমাপ্তির ঘোষণা দেয় গোষ্ঠীটি। 


ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রস্থানের পর নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রবীণ বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশীকে নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেছে।


সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।


মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:০০ এএম

জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। দীর্ঘ ১৬ বছরের নীরবতা ভেঙে নিজের অতীত জীবন, সম্পর্ক এবং সাইবার বুলিং নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছেন তিনি। 


সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়ে নিজের অতীত জীবনের এক ঝড়ো অধ্যায় এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রভা। 


দীর্ঘদিনের গুঞ্জন ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে প্রভা জানিয়েছেন, তিনি কারও সাথে কোনো ধরনের প্রতারণা বা বিশ্বাসভঙ্গ করেননি। ঘটনার অন্তরালে যে অনেক ঘটনা থাকে, সেটাই তিনি দর্শকদের মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন।



পডকাস্টে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার ছোট্ট করে শুধু একটু বলার আছে, এটা যদিও খুব একটা প্রয়োজনীয় না। আমাকে মানুষজন বলে যে আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি। শুধু আমার এতটুকুই বলার আছে যে, আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করিনি। ঘটনার পেছনে তো আসলে অনেক ঘটনা থাকে। প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন আমি আমার ফ্যামিলিকে এবং যার সাথে আমার এনগেজমেন্ট হয়েছিল তাকে—যেহেতু আমার একটা ভয়ও ছিল, প্রতিটা জায়গা থেকে আমি চেষ্টা করেছিলাম যে এটা বিয়ে পর্যন্ত না গড়ায়।’ 


‘মুরুব্বিরা মিলেই যেহেতু কথাবার্তা বলছিলেন। একটা পুরো সময় ছিল যখন আমার ফ্যামিলি এগেইন্সটে ছিল। কারণ ওই সময়ে ব্রোকেন ফ্যামিলি থেকে আসা একটা ছেলে, স্বভাবতই আসলে কেউ চায় না। এখন আমরা দেখি আমাদের অনেক ফ্রেন্ডরা ব্রোকেন ফ্যামিলি থেকে আসছে, কিন্তু বাচ্চাগুলো অনেক মানুষের মতো মানুষ হয়েছে।’




এনগেজমেন্টের পর সম্পর্ক ভাঙার কঠিন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এনগেজমেন্ট হয়ে যাওয়া একটা জিনিসকে ভাঙা, সেটা সহজ ছিল না। আমাদের তো অনেকদিনের একটা গ্যাপ ছিল, প্রায় ৯-১০ মাসের। ব্রেকআপ-প্যাচআপ যেই সেগমেন্টটাকে বলে ছিল।’


তার কথায়, ‘বাট ওই সময় একদম লম্বা গ্যাপ ছিল এবং ওই সময় আমার সাথে যা হয়েছে, আমি আমার লয়ালিটির জায়গা থেকে জানিয়েছি কার সাথে আমার সম্পর্ক হয়েছিল। সবকিছুই আসলে অনেক ক্লিয়ার ছিল। একদম হুট করে ওয়ান ফাইন মর্নিং আমি জাস্ট বললাম আমি এটা করে ফেলেছি, এরকম কোনো কিছু না।’




সমালোচকদের উদ্দেশে নিজের মানসিক অবস্থা তুলে ধরে প্রভা বলেন, ‘এক্সপ্লেনেশন করার কিছুই নাই। কারণ আমি জানি যারা আমাকে ভালোবাসে, হয় না যে ওরা আমাকে আমার জায়গাতে, ওরা ওদেরকে রেখে ফিল করতে পারে। ওরা অলরেডি জানে, আই হ্যাভ বিন থ্রু আ লট। এতটুকুই জাস্ট, আমি আসলে প্রতারণা করিনি। ওয়ান ফাইন মর্নিং আমি জাস্ট ফোন দিয়ে বলি নাই, বা সে উঠে পত্রিকা খুলে দেখেনি যে আই গট ম্যারিড।’


অভিনেত্রী কেলি হটল। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:২৯ এএম

‘গডজিলা’ সিরিজে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া কোরিয়ান-আমেরিকান অভিনেত্রী কেলি হটল সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।


সিএনএন- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ফ্রেডেরিক কাউন্টিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার বয়স হয়েছিল ১৮ বছর।


ফ্রেডেরিক কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর তিনটার দিকে একটি হোন্ডা অ্যাকর্ড গাড়ি দুই লেনের একটি সড়ক থেকে ছিটকে কালভার্টে আছড়ে পড়ে। গাড়িটির দুই যাত্রীর একজন ছিলেন কেলি হটল।


দুর্ঘটনার পর কেলি হটলকে দ্রুত একটি ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গাড়িচালক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে তার আঘাত প্রাণঘাতী নয়।


শেরিফের কার্যালয়ের ভাষ্য, অতিরিক্ত গতিই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।




২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র গডজিলা ভার্সেস কং–এ অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় কেলি হটলের। সেখানে তিনি ‘জিয়া’ চরিত্রে অভিনয় করেন। জিয়া ছিল স্কাল আইল্যান্ডের ইওই জনগোষ্ঠীর এক শ্রবণপ্রতিবন্ধী এতিম শিশু, যে সাংকেতিক ভাষার মাধ্যমে কিং কংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারত।


 ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গডজিলা ভার্সেস কং: দ্য নিউ এম্পায়ার’ চলচ্চিত্রেও একই চরিত্রে অভিনয় করেন কেলি হটল। এ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ২০২৪ সালের স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ডসে তরুণ অভিনয়শিল্পীর সেরা পারফরম্যান্স বিভাগে মনোনয়ন পান।


জর্জিয়ার আটলান্টায় জন্ম নেওয়া কেলি হটলের বাবা ছিলেন আমেরিকান, মা কোরিয়ান। তিনিও জন্মগতভাবে শ্রবণপ্রতিবন্ধী ছিলেন। তিনি টেক্সাসের অস্টিনের টেক্সাস স্কুল ফর দ্য ডেফের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।



মৃত্যু,সড়ক,অভিনেত্রী,দুর্ঘটনা

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৫৩ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৫৩ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


পরিমনি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৫৩ পিএম

দেশের জনপ্রিয় তারকাদের মধ্যে ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যায় নতুন মাইলফলক গড়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। দীর্ঘদিন ধরে এ তালিকায় শীর্ষে থাকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলে এখন সবচেয়ে বেশি ফেসবুক অনুসারীর মালিক তিনি।


বর্তমানে পরীমনির ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি। অন্যদিকে সাকিব আল হাসানের অনুসারী ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। ফলে বাংলাদেশের তারকাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনুসারীর সংখ্যার দিক থেকে এখন শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন এই অভিনেত্রী।


যদিও অভিনয়জীবনের পরিসংখ্যান ভিন্ন চিত্রই তুলে ধরে।


প্রায় ১২ বছরের ক্যারিয়ারে পরীমনির অভিনীত দুই ডজনের মতো সিনেমা মুক্তি পেলেও সেগুলোর কোনোটিই বাণিজ্যিকভাবে বড় সাফল্যের তালিকায় জায়গা করে নিতে পারেনি। তবে ব্যক্তিজীবন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতি এবং বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার কারণে তিনি সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছেন।


চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মতে, পরীমনির জনপ্রিয়তার বড় একটি কারণ তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত উপস্থিতি। ব্যক্তিগত জীবনের নানা মুহূর্ত, ভ্রমণ, সন্তানের বেড়ে ওঠা, ফটোশুট, নতুন কাজের খবর কিংবা দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট অভিজ্ঞতা—সবই অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।


ফলে ভক্তদের সঙ্গে তাঁর এক ধরনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

এরই প্রতিফলন দেখা গেছে তাঁর সাম্প্রতিক পোস্টগুলোতে। গত রবিবার কন্যাসন্তানের খুনসুটির একটি ভিডিও প্রকাশ করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘সাজুনি বুড়ি দেখেন’। সঙ্গে ছিল ভালোবাসার একটি ইমোজি। মাত্র ২২ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটিতে ৭৮ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া, প্রায় ২ হাজার মন্তব্য এবং প্রায় ১৫ লাখ ভিউ হয়।


এর আগের দিন রোদ পোহানোর একটি সাধারণ ছবি পোস্ট করে ‘সানসাইশন’ লিখলেও সেটিতে ৪৮ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া আসে।


ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যায় শীর্ষে ওঠার বিষয়ে পরীমনি গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমার জীবনের ছোট ছোট বিষয়গুলো আমি সবার সঙ্গে খোলা মনে ভাগ করে নিতে ভালোবাসি। আমার জীবনে কোনো ধরনের লুকোচুরি নেই। বাস্তবে আমি যা, ফেসবুকেও তার রিফ্লেকশন সব সময় থাকে। হয়তো সে কারণেই মানুষ আমাকে এতটা আপন মনে করেন। তাঁদের সবার এই ভালোবাসার মূল্য আমি সব সময় দেওয়ার চেষ্টা করব। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় কোনো অর্জন নেই। যাঁরা এত দিন ধরে আমার পাশে আছেন, তাঁদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। সবার ভালোবাসায় এগিয়ে যেতে চাই।’


ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যায় পরীমনি ও সাকিব আল হাসানের মধ্যে শীর্ষস্থান নিয়ে পালাবদল অবশ্য নতুন নয়। প্রায় তিন বছর আগে প্রথমবার তাঁদের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় সমান হয়ে আসে। পরে ২০২৩ সালের আগস্টে আবারও এগিয়ে যান সাকিব। কয়েক মাসের ব্যবধানে দুজনই ১ কোটি ৬০ লাখ অনুসারীর মাইলফলক স্পর্শ করেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবধান বাড়িয়ে এবার শীর্ষস্থান এককভাবে দখল করেছেন পরীমনি।