ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৫ এএম

বর্তমান সময়ে উন্নত জীবন আর শিক্ষামানের আশায় অনেকেই দেশের বাইরে যাচ্ছেন পড়াশোনার জন্য। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কানাডা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ আগ্রহ রয়েছে। এখন অনেক শিক্ষার্থীরা কানাডায় গিয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে কাজ করছে। কানাডায় উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে অন্টারিও গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ (ওজিএস)। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এ বৃত্তিতে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।  


বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অন্টারিও প্রদেশের অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য এ বৃত্তি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করছে। অন্টারিও প্রদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এ বৃত্তির মূল লক্ষ্য গবেষণা, উদ্ভাবন ও শিক্ষাগত উৎকর্ষকে উৎসাহিত করা। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক পরিবেশে গবেষণার দক্ষতা বাড়ানো এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগও রয়েছে এতে।


বৃত্তির আওতায় যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে


অন্টারিও গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপের আওতায় শিক্ষার্থীরা পাবেন—


> পরপর দুই স্টাডি টার্মের জন্য ১০ হাজার কানাডিয়ান ডলার।


>পরপর তিন স্টাডি টার্মের জন্য ১৫ হাজার কানাডিয়ান ডলার।


> শিক্ষাগত কৃতিত্বের স্বীকৃতি।


> গবেষণায় পূর্ণ মনোযোগ দেয়ার সুযোগ।


> আন্তর্জাতিক গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নেটওয়ার্ক তৈরির সুযোগ।


> একাডেমিক ও পেশাগত প্রোফাইল সমৃদ্ধ করার সুযোগ।


> কানাডায় ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা বাড়ানোর সুযোগ।


>বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশে ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিকাশের সুযোগ।


যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যাবে


অন্টারিও প্রদেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বৃত্তির সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো—


১. ব্রক ইউনিভার্সিটি


২. কার্লটন ইউনিভার্সিটি


৩. ইউনিভার্সিটি অব গুয়েলফ


৪. লেকহেড ইউনিভার্সিটি


৫. লরেনশিয়ান ইউনিভার্সিটি


৬. ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটি


৭. নিপিসিং ইউনিভার্সিটি


৮. ওসিএডি ইউনিভার্সিটি


৯. অন্টারিও টেক ইউনিভার্সিটি


১০. ইউনিভার্সিটি অব অটোয়া


১১. কুইন্স ইউনিভার্সিটি


১২. টরন্টো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি


১৩. ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো


১৪. ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটি


১৫. ইউনিভার্সিটি অব ওয়াটারলু


১৬. ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি


১৭. উইলফ্রিড লরিয়ার ইউনিভার্সিটি


১৮. ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসর


১৯. ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি।


আবেদনের যোগ্যতা


এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে অংশগ্রহণকারী কোনো অন্টারিও বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি থাকতে হবে অথবা ভর্তির পরিকল্পনা থাকতে হবে। বৃত্তি চলাকালে পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধিত থাকাও বাধ্যতামূলক।  এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত ন্যূনতম জিপিএ এবং অন্যান্য একাডেমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে অতিরিক্ত শর্ত থাকতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওজিএস-সংক্রান্ত নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে নেওয়া জরুরি।


আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে


আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে—


> পূরণ করা অনলাইন আবেদনপত্র।


> একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।


> দুটি সুপারিশপত্র।


> বৈধ পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র।


> জীবনবৃত্তান্ত (সিভি)।


> মোটিভেশন লেটার বা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যপত্র।


> স্বাস্থ্য সনদ।


আবেদন করবেন যেভাবে


প্রথমে পছন্দের বিষয় ও প্রোগ্রাম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ ওয়েবপেজে যেতে হবে। সেখানে বৃত্তির আবেদনপদ্ধতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আবেদনের শেষ সময় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।


বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে আবেদনের সময়সীমা আলাদা হতে পারে। তাই আবেদন জমা দেয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়সূচি দেখে নেয়া জরুরি।




চুয়েটের উপাচার্য ভবনের গেটে তালা

  • প্রকাশ : সোমবার ১২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:০৬ পিএম

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্য ভবন ছাড়ার আলটিমেটাম দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়ায় এরই মধ্যে ভবনের গেটগুলোতে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ভবনটির বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপাচার্য ভবন না ছাড়লে ভবনটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দেন তারা। 


এদিকে উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম শিক্ষার্থীদের প্রতি সহনশীল থাকার কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি শিক্ষার্থীদের প্রতি সহনশীল। তবে তারা যদি বিদ্যুৎ ও পানির মতো প্রয়োজনীয় সেবাগুলো বন্ধ না করে, তাহলে ভালো হয়। আমি তাদের সঙ্গে বসতে আগ্রহী।’


শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের শিক্ষকদের অপেক্ষায় আছি। তাঁরা এলে আমি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসব।’


এদিকে শহর থেকে শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাস ক্যাম্পাসে আসার সময় হাটহাজারী উপজেলার বুড়িশ্চর এলাকায় পথরোধ করে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠে তাদের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তারা বাসগুলোকে পুনরায় শহরের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিকেল তিনটায় যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষক কর্মকর্তা এবং কর্মচারী সমিতি। 


সংবাদ সম্মেলনে তারা জানায়, নতুন উপাচার্যের আগমনে যদি ক্যাম্পাসে  কোনো জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তার সম্পূর্ণ দায়ভার নবনিযুক্ত উপাচার্যের উপর বর্তাবে। পাশাপাশি তাদের পূর্বঘোষিত কর্মবিরতি চলমান থাকবে। সংবাদ সম্মেলন শেষে একটি র‌্যালি বের করেন তারা। র‌্যালি শেষে বক্তব্যে তারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা। 


এর আগে সকালে চলমান অচলাবস্থার মধ্যে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতারা ছিলেন। পরে রুটিন দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক আরাফাত রহমান নতুন উপাচার্যের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। 


এ ঘটনার পর সকাল ১০টার দিকে উপাচার্য ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে নতুন উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্য ভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম দেন আন্দোলনকারীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন ত্যাগ না করলে ভবনের ফটকে তালা এবং বাইরে থেকে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দেওয়া হয়। তারা উপাচার্য ভবনকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা করার কথা জানান। একই সঙ্গে কর্মসূচি সফল করতে সবাইকে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম উপাচার্য ভবনে অবস্থান করছেন। তাঁর সঙ্গে ছাত্রদলের নেতারা রয়েছেন। সেখানে সিভিল পোশাকে পুলিশ সদস্যদের দেখা গেছে।  দুই তিনজন সাবেক শিক্ষার্থী ফুল আর খাবার নিয়ে উপাচার্য ভবনে ঢুকতে গেলে বাধা দেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তৈরি হয় উত্তেজনা।  এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসেন তন্ময়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় ছাত্রদল সমর্থক শিক্ষার্থী সাদ বিন মোস্তফার। পরক্ষণেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। 


সকাল থেকে কোনো দাপ্তরিক কাজ করছেন কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম বলেন,‘না, সকাল থেকে তেমন কোনো দাপ্তরিক কাজ করা হয়নি।’ ক্যাম্পাসে নতুন উপাচার্যের প্রবেশের বিষয়ে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত বলেন, ‘আমরা একসঙ্গেই প্রবেশ করেছি।’


ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসেন তন্বয় বলেন, ‘সরকার যেহেতু স্যারকে দায়িত্ব দিয়েছে, তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমরা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করেছি।’


শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘যাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি, তার কাজ নিয়ে তো শিক্ষার্থীদের শঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। স্যারকে কাজের সুযোগ দিয়ে তাকে মূল্যায়ন করা উচিত।’


চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিদুর রহমান ওসমানী বলেন, ‘আমরা ওনাকে প্রত্যাখ্যান করেছি। সবাই যখন ঘুমে ছিল, তখন তিনি চুপিচুপি প্রবেশ করলেই আমরা তাকে মেনে নেব, এটা ভাবা বোকামি। তার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’


সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা চলছে। এর মধ্যেই নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও দায়িত্ব পালন নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। এ সময় তারা মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। 



উপাচার্য ভবনকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা

  • প্রকাশ : সোমবার ১২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৩ পিএম

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমকে আজ সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্য ভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন ত্যাগ না করলে ভবনের ফটকে তালা এবং বাইরে থেকে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার এ ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। তারা উপাচার্য ভবনকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা করার কথা জানান। একই সঙ্গে কর্মসূচি সফল করতে সবাইকে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


এই প্রতিবেদন লেখার সময় দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত তিনি উপাচার্য ভবনে অবস্থান করছেন। তাঁর সঙ্গে ছাত্রদলের নেতারা রয়েছেন। সেখানে সিভিল পোশাকে পুলিশ সদস্যদের দেখা গেছে।  


এর আগে সকালে প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। পৌনে ৯টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতারা ছিলেন।


পরে রুটিন দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক আরাফাত রহমান নতুন উপাচার্যের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ ঘটনার পর সকাল ১০টার দিকে উপাচার্য ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে নতুন উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।


দুই তিনজন সাবেক শিক্ষার্থী ফুল আর খাবার নিয়ে উপাচার্য ভবনে ঢুকতে গেলে বাধা দেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তৈরি হয় উত্তেজনা।  এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসেন তন্ময়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় ছাত্রদল সমর্থক শিক্ষার্থী সাদ বিন মোস্তফার। পরক্ষণেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। 


নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম বলেন, ‘আমি সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেছি। বর্তমানে ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের শিক্ষকদের জন্য অপেক্ষা করছি। তাঁরা আসলে আমি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসবো, তাদের সাথে কথা বলব।’ 


সকাল থেকে কোনো দাপ্তরিক কাজ করছেন কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, সকাল থেকে তেমন কোনো দাপ্তরিক কাজ করা হয়নি।’ 


ক্যাম্পাসে নতুন উপাচার্যের প্রবেশের বিষয়ে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত বলেন, ‘আমরা একসঙ্গেই প্রবেশ করেছি।’


ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসেন তন্বয় বলেন, ‘সরকার যেহেতু স্যারকে দায়িত্ব দিয়েছে, তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমরা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করেছি।’

চুয়েটে উপাচার্য ভবনের সামনে আন্দোলনকারীদের অবস্থান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘যাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি, তার কাজ নিয়ে তো শিক্ষার্থীদের শঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। স্যারকে কাজের সুযোগ দিয়ে তাকে মূল্যায়ন করা উচিত।’


চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিদুর রহমান ওসমানী বলেন, ‘আমরা ওনাকে প্রত্যাখ্যান করেছি। সবাই যখন ঘুমে ছিল, তখন তিনি চুপিচুপি প্রবেশ করলেই আমরা তাকে মেনে নেব, এটা ভাবা বোকামি। তার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’


উল্লেখ্য, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা চলছে। এর মধ্যেই নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও দায়িত্ব পালন নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। 


২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। এ সময় তারা মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।



বিষয় :


নিজের দপ্তরে চেয়ারে বসে রয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম

  • প্রকাশ : সোমবার ১২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৪ এএম

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সোমবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতারা ছিলেন। পরে রুটিন দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক আরাফাত রহমান নতুন উপাচার্যের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ ঘটনার পর সকাল ১০টার দিকে উপাচার্য ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে নতুন উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।


চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিদুর রহমান ওসমানী বলেন, ‘আমরা ওনাকে প্রত্যাখ্যান করেছি। সবাই যখন ঘুমে ছিল, তখন তিনি চুপিচুপি প্রবেশ করলেই আমরা তাকে মেনে নেব, এটা ভাবা বোকামি। তার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’


সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা চলছে। এ দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। একই দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরাও।


গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। এ সময় তারা মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।




নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির আয়োজনে ‘মাধুকরী ২৬'

  • প্রকাশ : সোমবার ১২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৫০ এএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘মাধুকরী ২৬’ নামে চড়ুইভাতির আয়োজন করেছে নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি। গত ১১ অক্টোবর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ক্লাবের বিভিন্ন ব্যাচের সদস্যরা অংশ নেন।

চড়ুইভাতিতে খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি ছিল ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ, পিলো পাসিং ও র‍্যাফেল ড্রসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে সদস্যরা আনন্দ ও উৎসবে মেতে ওঠেন।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সহকারী মডারেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফরিদা জিননুরাইন উর্বী। তিনি বল নিক্ষেপ ও র‍্যাফেল ড্রতে অংশ নিয়ে আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন।

আয়োজকরা জানান, ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি আনন্দঘন সময় কাটানোর উদ্দেশ্যেই এ আয়োজন করা হয়।


নোবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি নাইম উদ্দিন রাফি বলেন, “আজকের আয়োজনটা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। এই আয়োজনে সবার অংশগ্রহণ দেখে খুব ভালো লাগছে। এভাবে প্রোগ্রামটাকে প্রাণবন্ত করার জন্য জুনিয়রদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

“তবে অর্গানাইজিং টিম হিসেবে ১৮ ব্যাচ বড় একটা ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার। এই আয়োজনটা করার জন্য গত এক সপ্তাহ ধরে ১৮ ব্যাচের জুনিয়ররা অনেক কষ্ট করে যাচ্ছে। এমনকি আয়োজনটা সুন্দরভাবে সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য আজ সকাল থেকে তারা কষ্ট করছে। পাশাপাশি ১৯ ও ২০ ব্যাচের কিছু জুনিয়রও সকাল থেকে কষ্ট করছে। তাদেরকেও অর্গানাইজিং টিমের অংশ হয়ে কাজ করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।”


ক্লাবের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মেম্বার আকরাম হোসাইন বলেন, “ডিবেটিং সোসাইটির নতুন মুখ ১৯/২০ ব্যাচ নিয়ে এটাই প্রথম ইনফরমাল প্রোগ্রাম ছিল। সো, জুনিয়র-সিনিয়রদের স্বতঃস্ফূর্ত একটা আয়োজন ছিল। আমি মনে করি, যেটা ক্লাবের জন্য খুবই ইতিবাচক দিক।

“লাস্টলি, অর্গানাইজার হিসেবে সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করার পরে যখন শুনতে পাই, ‘ভাই, খাবারটা সেরা ছিল’, ‘ডালের স্বাদটা এখনো মুখে লেগে আছে’, ‘টমেটো চাটনিটা বেস্ট হয়েছে’ দিনশেষে এগুলাই সার্থকতা।জুনিয়র-সিনিয়র মিলিয়ে এমন প্রোগ্রাম আরও হোক, ডিএস এগিয়ে যাক। এটাই প্রত্যাশা।”


ক্লাবের জেনারেল মেম্বার মাহবুবা রিচি বলেন, “গতকালের চড়ুইভাতির আয়োজনটা সত্যিই অনেক সুন্দর ছিল। সবার সঙ্গে একসঙ্গে সময় কাটানো, খাওয়া-দাওয়া, আনন্দ করা, সব মিলিয়ে দিনটা বেশ ভালো কেটেছে। এমন ছোট ছোট আয়োজনই আমাদের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি করে এবং অনেক স্মৃতি উপহার দেয়।

“তার ওপর আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিতে খেলাধুলার সেগমেন্টও রাখা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে র‍্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে একটি পুরস্কারও পেয়েছিলাম। যদিও এটি একদম অপ্রত্যাশিত ছিল, তাই আনন্দটাও একটু বেশি।

এত সুন্দর একটা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে ভালো লেগেছে। যারা আয়োজনের পেছনে পরিশ্রম করেছেন, সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আশা করি, ভবিষ্যতেও এমন সুন্দর আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সবাই একসঙ্গে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত কাটাতে পারব। ধন্যবাদ সবাইকে।”


রাসেল ও সামিয়া

  • প্রকাশ : রবিবার ১১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:১৯ পিএম

বসুন্ধরা শুভসংঘ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের রাসেল শেখ সভাপতি, ইতিহাস বিভাগের ২০২২-২৩  শিক্ষাবর্ষের সামিয়া আক্তার সাধারণ সম্পাদক এবং লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের তওসিফ আহম্মেদ মাহিন সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।


আজ রবিবার (১২ অক্টোবর) বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক ও কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক জাকারিয়া জামান ১২৭ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেন। আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন নির্বাহী সভাপতি: রাকিবুল ইসলাম রিফাত। সিনিয়র সহসভাপতি: বুশরাত আক্তার বর্ষা, রতন হোসেন, মোসলেম উদ্দিন।


সহসভাপতি: মো. আল শাহরিয়ার খান, তানভীর আনজুম বিশ্বাস, মো. ইসমাইল হোসেন, মাহফুজা খানম একা, আবু মুছা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মো. সাইখুল আলম রিংকু, খাদিজা খাতুন, মালিহা আক্তার, মো. শাহরিয়াজ আহমেদ রাতুল, আতিক দেওয়ান, রিয়াদ হাসান হিরা, মুনিরউদ্দিন শেখ, মিথিলা আহসান।


সাংগঠনিক সম্পাদক: তওসিফ আহমেদ মাহিন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক: জুহার আলমাস লাবিব, ইব্রাহিম শেখ।


দপ্তর সম্পাদক: রোহান, সহদপ্তর সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান, মো. সারোয়ার জাহান।


অর্থ সম্পাদক: আমির হোসেন (০১), মোহন খন্দকার (০২), সহঅর্থ সম্পাদক: মো. হাসান। 


প্রচার সম্পাদক: সুহাইল আহমদ, সহপ্রচার সম্পাদক: জাহাঙ্গীর আলম, মো. আকাশ আহমেদ রুপন, সজিব উদ্দিন, মো. রিফকুল ইসলাম, মো. মাহফুজ আলম তৌহিদ।


সহনারী বিষয়ক সম্পাদক: আফিয়া আদিবা এষা, সানজিদা ইসলাম তমা, মুরশিদা আক্তার খতু, শ্রাবণী চৌধুরী, তানিয়া খাতুন। শিশু বিষয়ক সম্পাদক: মেহেরুননেছা প্রীতি। সহশিশু বিষয়ক সম্পাদক: অন্তরা আক্তার নদী, ইকরা জাহান মিম, সাদিয়া আক্তার, আবিদা সুলতানা আখি, লাবনী আক্তার কবিতা, রাইসা সামিহা। ইভেন্ট সম্পাদক: সামছুন নাহার মুক্তা। সহইভেন্ট সম্পাদক: আছিয়া লিমা, মেহেদী হাসান হৃদয়, এ টি এম হাসনাত হাবিব, হাবিবুর রহমান হাসিব, মোছা. ফারজানা আক্তার, রুপা সুলতানা। কর্মপরিকল্পনা সম্পাদক: জুবায়ের। সহকর্মপরিকল্পনা সম্পাদক: সুরাইয়া, মোছা. সোনালি খাতুন, মুহাইমিন আহমেদ, মো. আব্দুল্লাহ।


সাহিত্য ও পাঠচক্র সম্পাদক: মুনজির আলামিন, সহসাহিত্য ও পাঠচক্র সম্পাদক: রায়হান কবির রাজু, আব্দুল্লাহ আল কাওসার, মোছা. সুমাইয়া খাতুন, সাবিনা ইয়াসমিন, মো. জামাল হোসেন।


সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক: মো. জিসান ইসলাম জিহাদ। সহসাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক: কাজী মারুফ। স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক: মোছা. সোনালি খাতুন। সহস্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক: রীতু রায়, সৌরভ ভট্টাচার্য, মো. রমজান আলী, সুরাইয়া আক্তার। ক্রীড়া সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম। সহক্রীড়া সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম, মোছা. রেশমী আক্তার, মোছা. জান্নাতী খাতুন, নাইমুর রহমান, মো. সজিব হোসেন, রবিউল হোসেন।


তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক: মাহমুদুর রহমান, সহতথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক: সত্য কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, মোছা. সুমাইয়া খাতুন। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: তানসেন বৈরাগী সরকার। সহতথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: এস. এম. এন রাহাত। শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: আশা মনি। সহশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: শারমিলা আক্তার জেরিন, রাফিয়া রাইহান রিশা, তাহেরা খাতুন, মো. রাসেল খন্দকার, রাফিজুল ইসলাম। আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক: এনায়েত উল্লাহ। সহআপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক: মো. মহিবুল্লাহ হোসেন, তানিয়া আক্তার, বিশ্বা রানী কুন্ডু, আছিয়া খাতুন, নাসিফ রাহাত রাজু।


ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক: আমির হামযাহ শহিদ৷ সহত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক: শুভ আহমেদ, শায়লা নাজনিন, মো. মোস্তাকিম মিয়া, তানজীমুল ইসলাম উপল।


সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: মো. শাহিনুর আলম। সহসমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: রিয়াদ হাসান হৃদয়, আফসানা আক্তার, পাখি আক্তার, নিশাত আরা লিমা।


কার্যকরী সদস্য: স্বপ্না খাতুন, নওশিন বিনতে আলম, মো. হাবিবুর রহমান, ওসমান গনি, মো. ইলিয়াস আলী ইকরাম, মাহিদ হাসান, তানজীমুল ইসলাম উপল, জান্নাতুল বুসরা মোনালিসা, মোছা. বুশরা আক্তার, অন্তরা আক্তার নদী, মিশকাতুল জান্নাত ইকোন, শারমি আক্তার, রিফাত হোসেন, মো. হাসিবুর কুরাইশী, শরিফা আক্তার সুমা, নাজমুন আক্তার সাফিয়া, মো. শিশির আলম, রাসেল মিয়া, সজয়, মোছা. মায়া আক্তার, নাসিফ রাহাত।

  • প্রকাশ : রবিবার ১১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:১৯ পিএম
  • আপডেট : রবিবার ১১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:১৯ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : রবিবার ১১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:১৯ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন পদচিহ্নের ২০২৬-২৭ কার্যকরী কমিটি পূর্ণাঙ্গভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাইমুর হোসেন নিরব দায়িত্ব পেয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সংগঠনটির ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।


কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক ড. ফাহমিদা খাতুন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রূখসানা আক্তার রিদিতা, মো. রাকিবুল হাসান ও নাফিস ইকবাল।


এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে উচ্ছ্বাস সরকার প্রিতম, জবা দেবনাথ ববি ও মো. শাকিবুর রহমান ভূঁইয়া; কোষাধ্যক্ষ হিসেবে তাজরী সরকার এবং সহ-কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রামিশা ফারিহা রিয়া ও রাজ শেখর মণ্ডল দায়িত্ব পেয়েছেন। দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন মো. রাফুল হক, সুমাইয়া কামাল দিশা ও মো. সোহানুর রহমান।


সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে আসমা নাওয়ার অন্বেষা, নৃত্য সম্পাদক হিসেবে এশা আহমেদ, সংগীত সম্পাদক হিসেবে পুষ্পিতা দাস এবং নাট্য সম্পাদক হিসেবে নিশাত মনিরা মীম ও মো. জিয়াদ আল নোমান (আলিফ) দায়িত্ব পেয়েছেন। উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ঈশিকা রায়, মাছুম বিল্লাহ তন্ময় ও রায়হান করিম। সহ-নৃত্য সম্পাদক হিসেবে সজিব দেবনাথ অমিত, নাবিহা মাহমুদ বিধি, ছোঁয়া পাল ও শাহরিয়ার নিহাল রাতুল এবং সহ-সংগীত সম্পাদক হিসেবে অনন্যা গাইন ও মো. মুঈন শাহরিয়ার দায়িত্ব পেয়েছেন।


কমিটির অন্যান্য পদে মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হয়েছেন আতিয়া ইবনাত লামিয়া, উপ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিয়াদ, ফটোগ্রাফি সম্পাদক মো. সিহাব উদ্দীন এবং ক্রীড়া ও বিনোদন সম্পাদক উইলিয়াম ভালো। চারুকলা ও চিত্রাঙ্কন সম্পাদক হিসেবে নাফিসা তাহসিন নুসরাত তাহমিনা ও তাসফিয়া মাহমুদ অদ্রি এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে সাদিয়া ইসলাম সারা, অর্পিতা পাল তন্নী ও রোকেয়া খাতুন সিমি দায়িত্ব পেয়েছেন।


এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাসকবা আক্তার মারিশা, যষ্টি রানী সিংহ, শাফিউল আলম মারুফ, বিন্দু মোহন্ত, প্রযুক্তা নাগ, এশা রায়, অর্ণিমা রায়, স্নেহা রায়, সিনথিয়া ইসলাম স্নেহা, জাহিদ হাসান সৈকত, সাইফ আহমেদ সাকিব, আশিকুর রহমান আশিক, শ্রাবণ বিশ্বজিৎ, মানতাশা মোস্তফা, সাব্বির হোসেন, সুধৃতা বণিক, শরিফুল সজীব, মো. সুলতানুর আরেফিন তাসিন, সৌমি প্রামাণিক, মাহমুদ-উন-নাবি তুহিন, অন্তিম ও সাদিয়া ইসলাম শুভা।


প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মুক্তমঞ্চে কেক কাটা হয়। পরে টিএসসি থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করেন সংগঠনের সদস্যরা।


পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নাইমুর হোসেন নিরব বলেন, নতুন কমিটির সদস্যরা সম্মিলিতভাবে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন। পদচিহ্নের পূর্বসূরি, বর্তমান কমিটির সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতায় সংগঠনের লক্ষ্য ও আদর্শ ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।