বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের প্রধান জ্ঞানকেন্দ্র হলেও নানা সীমাবদ্ধতায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম। সময়সূচির জটিলতা, তীব্র আসন সংকট, পুরোনো সংস্করণ ও বৈচিত্র্যহীন বই এবং আধুনিক অটোমেশন ব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দেশের অন্যান্য শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু হলেও বুটেক্সে এখনো আগের পদ্ধতিতে কার্যক্রম চলায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, লাইব্রেরি সকাল ৯টায় খুললেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো ৮টার আগেই ক্যাম্পাসে পৌঁছে যায়। ফলে দূর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের দিনের প্রথম এক ঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। ক্লাস না থাকলেও এ সময় লাইব্রেরিতে বসে পড়ার সুযোগ পান না তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগে লাইব্রেরি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকলেও জ্বালানি সংকটকালীন সরকারি সিদ্ধান্তে বর্তমানে সময় কমিয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পূর্বের সময়সূচিতে, এমনকি দুই শিফটে রাত পর্যন্ত লাইব্রেরি সেবা চালু রয়েছে। সে তুলনায় বুটেক্স লাইব্রেরির বর্তমান সময়সূচি শিক্ষার্থীদের জন্য সীমাবদ্ধতা তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারদিন বিন আমান বলেন, “সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সময়টা আমরা কাজে লাগাতে পারছি না। পরীক্ষার সময় এই এক ঘণ্টা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য লাইব্রেরি সকাল ৮টা থেকে খোলা রাখা জরুরি।”
লাইব্রেরির অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। পড়ার স্থান ও কম্পিউটার সেকশন একই কক্ষে থাকায় প্রায়ই শব্দ ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইকরামুল হাসান বলেন, “লাইব্রেরি সম্পূর্ণ শান্ত পরিবেশ হওয়া উচিত। কম্পিউটার সেকশনটি আলাদা কক্ষে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীর তুলনায় লাইব্রেরির পরিধিও ছোট।”
অন্যদিকে ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ সিয়াম বলেন, "লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় ও হালনাগাদ বইয়ের ঘাটতি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, অনেক বই পুরোনো ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং একাডেমিক বইয়ের বাইরে সাহিত্যিক বইয়ের সংগ্রহও সীমিত।"
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল বুক সার্চ ও ই-রিসোর্স সুবিধা থাকলেও বুটেক্স এখনো সেই সুবিধা থেকে পিছিয়ে। অটোমেশন না থাকায় শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিত হয়ে সময় ব্যয় করে বই খুঁজতে হচ্ছে।
লাইব্রেরি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সেখানে প্রায় ২৩ হাজার বই রয়েছে। বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো এই সংগ্রহে একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি কিছু সাহিত্যবিষয়ক বইও রয়েছে। প্রতিবছর চাহিদা ও বিভাগীয় তালিকার ভিত্তিতে নতুন বই সংযোজন এবং পুরোনো বই মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে মাত্র তিনজন কর্মী দিয়ে পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় সেবা সম্প্রসারণে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে বলে জানান লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ।
বারবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েও স্থায়ী লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ না হওয়ায় বর্তমানে লাইব্রেরির দায়িত্ব অতিরিক্ত হিসেবে পালন করছেন ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এস এম ফারহানা ইকবাল। তিনি নিজের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বলেন, “স্থায়ী লাইব্রেরিয়ান না থাকায় আমি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এটি পরিচালনা করছি। অটোমেশনের কাজ প্রক্রিয়াধীন। একজন শিক্ষক হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাড়তি চাপও সামলাতে হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, "শিক্ষার্থীদের একটি অংশের মধ্যে বই পড়ার অনীহা রয়েছে, যা নতুন বইয়ের চাহিদা নির্ধারণেও প্রভাব ফেলে।" চাহিদা থাকলে নতুন বই সংগ্রহ করা সম্ভব বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. শরীফুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধা প্রশাসনের অগ্রাধিকার। তিনি জানান, “সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত লাইব্রেরি খোলার বিষয়ে আমরা ইতিবাচক। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরি সংশ্লিষ্টদের নিকট সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন দিতে হবে।
স্থায়ী লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ এবং অটোমেশন সংক্রান্ত সমস্যার ব্যাপারে তিনি বলেন, ইউজিসির অনুমোদন সাপেক্ষে স্থায়ী লাইব্রেরিয়ান নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অটোমেশন প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে লাইব্রেরিতে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান সহজ হবে।”
বিশ্ব স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে ‘স্বাক্ষরতা অভিযান’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল মসজিদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস্থ ডরমেটরি ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের শিশুদেরকে নাম ও ঠিকানা লেখা শেখানো হয়।
এসময় শাখা ছাত্রশিবিরের পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ খান ও সহকারি পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।
শাখা ছাত্রশিবিরের পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ খান বলেন, "আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে শিশুদের নিজের নাম লিখতে, স্বাক্ষর করতে এবং নিজ ঠিকানা লেখার প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হয়। সাক্ষরতার গুরুত্ব সম্পর্কে শিশুদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।"
উল্লেখ্য, ৮ সেপ্টেম্বরও সংগঠনটি এ কর্মসূচি পালন করে।
নবগঠিত শাখা ছাত্রলীগের কমিটিতে থাকা সকলের ছাত্রত্ব বাতিল দাবি জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩ টার দিকে নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণে দেশীয় অস্ত্র, মব কালচার এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও পদযাত্রায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, "২৪-এর জুলাই আন্দোলনে ছাত্রলীগ হাজারো শহীদের রক্ত ঝরিয়েছে। ক্যাম্পাসের অরাজক পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে ছাত্রলীগ কমিটি দিয়েছে। ছাত্রলীগের কোনো পদচিহ্ন আমরা এই ক্যাম্পাসে দেখতে চাই না। এজন্য ক্যাম্পাস প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।"
এ সময় ইবি শাখা ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দীন বলেন, "ক্যাম্পাসে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ তাদের নতুন কমিটি প্রকাশ করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। যদি ছাত্রলীগ কোনো ধরনের দুষ্কর্ম বা কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করে, তবে জুলাইয়ের ঐক্যের শক্তিতে বিশ্বাসী সকল ছাত্র সংগঠন-ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি এবং অন্যান্য সব প্রগতিশীল সংগঠন একজোট হয়ে তাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।"
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাধারণ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সংকট দূর করতে এবং টিউশন মিডিয়ার নামে প্রতারণা ও শোষণ থেকে রক্ষা করতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ‘জেএনইউ ফ্রি টিউশন মিডিয়া’ প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তামাসুল ইসলাম সোহানের উদ্যোগে এই শিক্ষার্থীবান্ধব সেবাটি চালু হয়।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. গিয়াসউদ্দিন নিজে উপস্থিত থেকে এই ‘জেএনইউ ফ্রি টিউশন মিডিয়া’ প্ল্যাটফর্মটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন ও শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনকালে ছাত্রদল নেতা তামাসুল ইসলাম সোহান শিক্ষার্থীদের বর্তমান নানা সংকটের কথা তুলে ধরে বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম সংকটময় বিদ্যাপীঠগুলোর একটি। এখানকার সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত তীব্র আবাসন সংকট, ডাইনিংয়ের খাবার সংকট এবং ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত জায়গার সংকটে জর্জরিত। এই নানামুখী প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু অসাধু ও সুযোগসন্ধানী গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের আর্থিক দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে। তারা বাণিজ্যিক টিউশন মিডিয়া খুলে টিউশন দেওয়ার নামে অসহায় ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উচ্চ হারে মিডিয়া ফি আদায় করে প্রতারণা করে আসছে।”
তিনি তাঁর প্রত্যয় ব্যক্ত করে আরও বলেন, “আমি সবসময় এই অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে চাই এবং তাঁদের প্রকৃত সাহায্য করতে চাই। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য অন্তত একটি করে হলেও টিউশনের ব্যবস্থা করে দেওয়া, যাতে তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।”
এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এই সিন্ডিকেট ও টিউশন মিডিয়া চক্রকে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি ‘ফ্রি টিউশন মিডিয়া’ প্ল্যাটফর্মটিকে কার্যকর করতে টিউশনের তথ্য দিয়ে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন। পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী যদি স্বেচ্ছায় এই প্ল্যাটফর্মটি পরিচালনায় যুক্ত হয়ে কাজ করতে আগ্রহী হন, তবে সেটিকে স্বাগত জানানো হবে এবং এটি তাঁদের জন্য একটি দারুণ সুযোগ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম আবর্তনের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী শাহিন আজাদ আলিফসহ এই ফ্রি টিউশন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে ইতিমধ্যে টিউশন পেয়ে উপকৃত হওয়া বেশ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
তারা বলেন, “তামাসুল ভাইয়ের এই উদ্যোগটি সত্যিই অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সময়োপযোগী। টিউশন মিডিয়াগুলোর অতিরিক্ত ফি'র কারণে আমরা যখন টিউশন পাচ্ছিলাম না, তখন এই ফ্রি প্ল্যাটফর্মটি আমাদের অনেক বড় উপকারে এসেছে। আমরা আশা করি, অদূর ভবিষ্যতে আমাদের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্যই এই উদ্যোগটি ক্যাম্পাসে ইতিবাচক সাড়া ফেলবে এবং অত্যন্ত কল্যাণকর ও উপকারী প্রমাণিত হবে।”
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) নবনিযুক্ত ২৭তম উপাচার্য এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ থেকে চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারকে সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের প্রফেসর আমীনুল হক ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নবনিযুক্ত উপাচার্যকে পৃথকভাবে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। এছাড়া মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শহীদুল ইসলামসহ অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দ নতুন উপাচার্যকে নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আবেগঘন বক্তব্য প্রকাশ করেন। পাশাপাশি অনুষদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন এবং ফিশারিজ কাউন্সিল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।
অনুষ্ঠানে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক বলেন, 'আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য আমাদেরই অনুষদের শিক্ষক বিষয়টি যেমন গর্বের, তেমনি আনন্দের। অনেকেই বলে থাকেন, আমরা ফিশারিজ ফ্যাকাল্টির সদস্যরা সবসময় 'মাছের ঝাঁক' বা ফিশ স্কুলের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকি। আমাদের অনুষদের অভ্যন্তরীণ ঐক্য যেন ভবিষ্যতেও অটুট থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়নে আমরা আমাদের উপাচার্যকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করব।'
অনুভূতির প্রকাশে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, 'নতুন এই প্রশাসনিক দায়িত্ব পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমাদের শিক্ষকবৃন্দ যেসব যৌক্তিক দাবি ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন তা নিয়ে কাজ করার চিন্তা আছে। অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের পাশাপাশি অনুষদের সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি। নতুন দায়িত্বটি পুরোপুরি বুঝে উঠতে কিছুটা সময় লাগলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও ভাবমূর্তি উন্নয়নে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।'
নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশে নাম্বার কমিয়ে ভাইবাতে নাম্বার বাড়ানোর মাধ্যমে দলীয়করণ এবং দূর্নীতির সুযোগ সৃষ্টির অভিযোগে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার রাত ১১:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থেকে শুরু করে ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল,আব্দুল মালিক উকিল হল, বিবি হযরত খাদিজা হল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন হয়ে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন, 'ভাইবা না মেধা? মেধা মেধা','ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, মেধাবীদের মুক্তিদে", 'বেশি মার্ক ভাইভায়,দলের লোকে চাকরি পায়’ ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ, মানি না মানব না’, 'দিকে দিকে খবর দে,ভাইভা কোটার কবর দে', ‘নব্য কোটার নাম কী, ভাইভা ছাড়া আর কী?’
বিক্ষোভ মিছিল শেষে নোবিপ্রবি আইন বিভাগের ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম বলেন "একটা গোষ্ঠী তাদের পোরষণ কে ক্ষমতায় নেয়ার জন্য পায়তারা করতেছে, তারা মেধাকে বাদ দিয়ে ভাইবার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে দলীয়করণের সুযোগ সৃষ্টি করতেছে। আপনারা যদি জালিয়াতি রুখতে না পারেন তাহলে আপনাদের সরকারে থাকার কোন দরকার নেই "।
সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগে ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন "সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প সচিবালয় সভায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার নাম্বার ৪০০% অবধি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এর প্রতি আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। আমরাই তো পূর্বে দেখেছি লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার পরেও শুধু সরকার বিরোধী দলের বা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে অনেক সময় চাকরি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে অথবা ভাইবা থেকে দেয়া বাদ দেয়া হয়েছে,সুতরাং ভাইভাতে বেশি নাম্বার দিলে এ ধরনের দলীয়করণের আশংকা থেকেই যায়। "
বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাইড কেমিস্ট্রি ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আব্দুর রহমান বলেন "আমরা আজ এখানে কোন দলের বিরুদ্ধে বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাড়াইনি, আজ আমরা এখানে দাড়িয়েছি অযৌক্তিক এবং নীতি বহির্ভূত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। বর্তমান সরকার জালিয়াতি ও প্রক্সি রোধের অজুহাত দেখিয়ে ভাইভাতে নম্বর বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। "
তিনি আরো বলেন "২৪ শে শিক্ষার্থীরা কৌটার বিরুদ্ধে রক্ত ঝরিয়েছে, আমরা ভাইভার নামে আর কোন কৌটা কার্ড দেখতে চাইনা। ছাত্র সমাজ মেধার ভিত্তিতে চাকরি চায়, তারা যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি চায়। যদি ভাইভাতে অতিরিক্ত নাম্বার দেয়া হয় সেখানে জালিয়াতি রোধের বিপরীতে নতুন জালিয়াতির সৃষ্টি হবে, যেটা আজকে সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে।"
তিনি আরো বলেন "আমরা কিছুদিন আগে সরকারের এক মন্ত্রীকে বলতে শুনেছি শুধু যেকোনোভাবে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করে আসো ভাইভা আমরা দেখব, আমাদের মনে হচ্ছে ওই সিদ্ধান্তকে আইনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে সরকার। আমরা মনে করি সরকারের সিদ্ধান্ত ছাত্রদের সাথে তামাশা করার মত সিদ্ধান্ত, সরকার যদি এই সিদ্ধান্তে থাকে তাহলে আমরা আন্দোলনকে আরো সামনের দিকে নিয়ে যাব। "
উল্লেখ্য যে,গত রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে বিধিমালা ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ভাইভা পরীক্ষার নাম্বার ১০ এর পরিবর্তে ৫০ করার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে নোবিপ্রবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুবিতে মানববন্ধন
সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে তারা বাংলাদেশ সরকারের এই সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। যদি ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে তারা কঠিন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্ত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা 'কোটা গেছে যেই পথে– ভাইভা যাবে সেই পথে', 'ভাইভার নামে দলীয়করণ– বন্ধ কর, করতে হবে', ভাইভা না মেধা– মেধা মেধা', ‘দোয়েল, কোয়েল, ময়না, টিয়া– ভাইভায় এসো ঘুষ নিয়া' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে উদ্দেশ্য করে 'ছি ছি ধিক্কার– জাহেদ তুই চাটুকার' বলেও স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
মানববন্ধনে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বায়েজিদ হোসেন বলেন, 'আমরা জুলাই আন্দোলনের কথা না ভুললেও আমাদের সরকার হয়তো ভুলে গেছে। মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় কিন্তু আমরা দেখতে পারছি বর্তমান সরকার ইতিহাস ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। যে জুলাই অভ্যুত্থান শুরু হয়েছিল কোটা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, আবার তা ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে সরকারি চাকরিতে বৈষম্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ এবং ভাইবার নামে আবার কোটাকে ফেরানোর চেষ্টা করছে সরকার।
তিনি বলেন, 'বিএনপির ১৯৯০–৯৬ এর ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সরাসরি প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ ও সরকারি চাকরিতে হস্তক্ষেপ করার প্রথম প্রচেষ্টা চালায় তারা। আমি সরকারের উদ্দেশ্যে বলছি এসব বন্ধ করুন তা না হলে পালানোর জায়গা পাবেন না।'
জাতীয় ছাত্রশক্তি কুবি শাখার সদস্য সচিব সৈয়দা নাজিফা নাফিল বলেন, 'আমরা সব সময় বলে থাকি যে কোটা না মেধা–মেধা মেধা। কিন্তু এখন আমরা দেখছি যে কোটা আবার নতুনভাবে ফিরে আসছে। আজকে আমরা কারো নিজের সুবিধার জন্য এখানে আসি নাই। সরকারের এই সিদ্ধান্ত এভাবে বাড়তে দিলে এক পর্যায়ে এই সরকার ফ্যাসিবাদের দিকে এগিয়ে যাবে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা যারা চব্বিশের আন্দোলন দেখেছি এরপরও যদি আমরা না শুধরাই আমাদের জন্য যা অপেক্ষা করতেছে, তা হবে আরও ভয়ংকর। তাই এই ব্যবস্থা প্রতিহত করা আমাদের দায়িত্ব এবং সেই দায়িত্ব থেকেই আজকে আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। আমাদের একটা ইচ্ছা থাকে যে পড়াশোনা করে দেশের জন্য কাজ করব কিন্তু এখন দেশের জন্য কাজ করার সেই পথটাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই এখন আমাদের এই ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলা দরকার, প্রতিবাদ করা দরকার এবং যার যার জায়গা থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলা প্রয়োজন।'
ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম ভূঁইয়া বলেন, 'আমাদের বারবার যে কোন বিষয় নিয়ে রাজপথে নামা লাগে, অথচ এই সরকার হওয়ার কথা ছিল জনগণের। কিন্তু সরকার হয়ে যায় তার নিজের দলের। এর থেকে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না।'
তিনি আরও বলেন, 'একটা সরকার কিভাবে সবকিছুতে দলীয়করণ করে তা আশপাশে তাকালেই দেখতে পাবেন। এমন কোন প্রতিষ্ঠান নাই যেখানে দলীয়করণ করা হয়নি। আমরা তারেক সরকারকে জানিয়ে দিতে চাই, ১৪০০ শহীদের রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশের যদি আবার ফ্যাসিবাদী কায়দা প্রতিষ্ঠা করতে চায়, সেটা আর কখনো হবে না। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা তা কখনোই মেনে নিবে না।'
কুবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম বলেন, 'সরকারি চাকরিতে ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়ন এবং দলীয় লোকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিবাদেই আজকের এই মানববন্ধন। আপনারা লক্ষ্য করেছেন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আমাদের প্রায় ১ হাজার ৪০০ ভাই শহীদ হয়েছেন। বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, যাদের অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অথচ তাদের সুস্থ হওয়ার আগেই তাদের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় এসে সরকার আবারও বৈষম্যের পথ বেছে নিয়েছে।'
তিনি বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা সরকারকে স্পষ্টভাবে জানাতে চায় এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে আমাদের এই প্রতিবাদ সারা বাংলাদেশে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে। আমরা আরও লক্ষ্য করছি, সরকার দেশের গণতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করার মতো নানা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যেখানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের চাকরি পাওয়ার জন্য রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হতে হবে। আমরা মনে করছি, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনে দলীয় ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের যে অপচেষ্টা চলছে, সরকারকে সেখান থেকেও ফিরে আসতে হবে। ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।'
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ তম গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা)নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে ১১ থেকে ১২তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। নতুন প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ৫০ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে। ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। প্রস্তাবিত বিধিমালায় তা বাড়িয়ে ৪০ নম্বর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। নতুন প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ২৫ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে।