ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ব্যাপক কাযক্রম গ্রহণ রংপুরে তিস্তা নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার যৌথবাহিনীর হাতে রসিক কাউন্সিলর গ্রেফতার লোহাগাড়া সড়ক দূর্ঘটনা ট্রাজেডি: মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হল আরও ৩জন লোহাগাড়ায় থামছেইনা মহাসড়কের মৃত্যুর মিছিল, দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৫ আহত ৯ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রংপুরে ১২০ পরিবারে ঈদ পালন লঞ্চ থেকে আবর্জনা নদীতে ফেললে নেয়া হবে ব্যবস্থা রংপুরে প্রধান ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনায় বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন ভাই নিহত

কিশোরগঞ্জে কাবিটা প্রকল্পের কাজে অনিয়ম

লাতিফুল আজম, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৩:৫১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ১১১ Time View

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের বিএস পাড়ায় নামমাত্র কাজ করে কাবিটা প্রকল্পের বিল উত্তোলনের পায়তারা করছে গাড়াগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান জোনাব আলী ও ইউপি সদস্য হাসিবুজ্জামান হাসিব।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় সাধারণ ১ম পর্যায়ে গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বিএস পাড়া মিজানুর রহমানের বাড়ী হইতে নেছার মাষ্টারের বাড়ী পর্যন্ত (একশত মিটার ) রাস্তা ব্রিক সলিং করণ ও রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরাট করার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৩ লক্ষ টাকা। প্রকল্প সভাপতি নিম্নমানের ইট ও বালূ ব্যবহার করে তড়িঘরি করে কাজ শেষ করে ইটের উপরে মাটি ফেলে দিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেন। কাজের প্রাক্কলন অনুযায়ী রাস্তার কাজ শুরু করার আগে রাস্তার (বেট কাটিং) মাটি কেটে সেই খননকৃত স্থানে বালু ও পানি দিয়ে ডাম্পিং করার কথা থাকলেও তা করেনি প্রকল্প সভাপতি হাসিবুজ্জামান হাসিব। নিয়ম অনুযায়ী রাস্তায় সলিংয়ের ইট বসানো হয়নি বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

রাস্তার দুই ধারে ইট খাড়া ভাবে বসানোর নিয়ম থাকলেও তা নিয়ম মানেনি প্রকল্প সভাপতি। রাস্তার দুই পাশে মাটি দিয়ে ভরাট করার থাকলেও তা না করার কারণে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরার করেন।

গাড়াগ্রাম বিএস পাড়ার কছির উদ্দিনের ছেলে সাদেকুল ইসলাম (৭০) ও অছিমুদ্দিনের ছেলে দবির উদ্দিন বলেন,আমাদের কথা কে শোনে। আমরা কথা বললে হয়তো এ কাজটাও করবে না তারা। অফিসের কোন লোকজন কেউ এসে এ কাজ দেখেনি বাবা। আবার কাজ শেষে রাস্তার দুই পাশে মাটি না দিয়ে গর্ত করে রেখে গেছে।

এ ব্যাপারে গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড সদস্য হাসিবুজ্জামান বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত কাজের জন্য ঢাকা এসেছি। বাড়িতে গিয়ে কাজের বিষয়ে ভাল করে দেখবো।

গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জোনাব আলী বলেন,এ কাজের ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না। এ কাজ করেছেন ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাসিবুজ্জামান, তার সাথে কথা বলেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান বলেন, কাজের মান খারাপ হলে আবার কাজ করে তারপর বিল দেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

কিশোরগঞ্জে কাবিটা প্রকল্পের কাজে অনিয়ম

লাতিফুল আজম, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি
Update Time : ০৩:৫১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের বিএস পাড়ায় নামমাত্র কাজ করে কাবিটা প্রকল্পের বিল উত্তোলনের পায়তারা করছে গাড়াগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান জোনাব আলী ও ইউপি সদস্য হাসিবুজ্জামান হাসিব।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় সাধারণ ১ম পর্যায়ে গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বিএস পাড়া মিজানুর রহমানের বাড়ী হইতে নেছার মাষ্টারের বাড়ী পর্যন্ত (একশত মিটার ) রাস্তা ব্রিক সলিং করণ ও রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরাট করার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৩ লক্ষ টাকা। প্রকল্প সভাপতি নিম্নমানের ইট ও বালূ ব্যবহার করে তড়িঘরি করে কাজ শেষ করে ইটের উপরে মাটি ফেলে দিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেন। কাজের প্রাক্কলন অনুযায়ী রাস্তার কাজ শুরু করার আগে রাস্তার (বেট কাটিং) মাটি কেটে সেই খননকৃত স্থানে বালু ও পানি দিয়ে ডাম্পিং করার কথা থাকলেও তা করেনি প্রকল্প সভাপতি হাসিবুজ্জামান হাসিব। নিয়ম অনুযায়ী রাস্তায় সলিংয়ের ইট বসানো হয়নি বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

রাস্তার দুই ধারে ইট খাড়া ভাবে বসানোর নিয়ম থাকলেও তা নিয়ম মানেনি প্রকল্প সভাপতি। রাস্তার দুই পাশে মাটি দিয়ে ভরাট করার থাকলেও তা না করার কারণে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরার করেন।

গাড়াগ্রাম বিএস পাড়ার কছির উদ্দিনের ছেলে সাদেকুল ইসলাম (৭০) ও অছিমুদ্দিনের ছেলে দবির উদ্দিন বলেন,আমাদের কথা কে শোনে। আমরা কথা বললে হয়তো এ কাজটাও করবে না তারা। অফিসের কোন লোকজন কেউ এসে এ কাজ দেখেনি বাবা। আবার কাজ শেষে রাস্তার দুই পাশে মাটি না দিয়ে গর্ত করে রেখে গেছে।

এ ব্যাপারে গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড সদস্য হাসিবুজ্জামান বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত কাজের জন্য ঢাকা এসেছি। বাড়িতে গিয়ে কাজের বিষয়ে ভাল করে দেখবো।

গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জোনাব আলী বলেন,এ কাজের ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না। এ কাজ করেছেন ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাসিবুজ্জামান, তার সাথে কথা বলেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান বলেন, কাজের মান খারাপ হলে আবার কাজ করে তারপর বিল দেয়া হবে।