প্রকাশ রাজ
বাংলাদেশের বা নেপালের মতো গণবিক্ষোভের মাধ্যমে নয়, বরং গণতান্ত্রিক উপায়ে ও ভোটের মাধ্যমেই ভারতের বর্তমান সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।
দিল্লিতে তিরাঙ্গা মার্চ কর্মসূচির আগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ অন্যান্য আন্দোলনকারীদের আটকের তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকাশ রাজ বলেন, ভারত কোনো বাংলাদেশ বা নেপাল নয়, কারণ এ দেশের জনগণের হাতে সংবিধান, মহাত্মা গান্ধী, বি আর আম্বেদকর ও ভগত সিংয়ের আদর্শের পাশাপাশি ভোটাধিকার রয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা আন্দোলনে পুলিশের বলপ্রয়োগ ও দমনপীড়নের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা না করে শক্তি প্রয়োগ করছে, যা জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘হর ঘর তিরাঙ্গা’ স্লোগানকে স্মরণ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের যুবসমাজ জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে পথে নামলে কেন তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।
সংবিধান প্রদত্ত প্রতিবাদের অধিকারের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বলপ্রয়োগ করে আন্দোলন থামানো যাবে না এবং আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে বিরোধী দলগুলোর এই বিষয়ে সোচ্চার হওয়া উচিত। কৃষক সংগঠন ও সুশীল সমাজের সহযোগিতায় এই আন্দোলন আরও বেগবান হবে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইং ও যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল ভ্যান্স
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী-সমর্থিত সরকারের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে জাপানের রাজধানী টোকিওতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এক মাসের মধ্যে দুই পক্ষের এটি দ্বিতীয় বৈঠক। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের জেনারেলদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেও এখন ফের যোগাযোগ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন।
বৈঠক সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তির বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
তাদের মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা। বৈঠকটি সংবেদনশীল হওয়ায় তারা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে দুই পক্ষের বৈঠক হয়েছিল। রয়টার্সের আগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই আলোচনায় একজন মার্কিন ব্যবসায়ীর মুক্তি নিশ্চিত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত প্রতারণাকেন্দ্র বন্ধের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তবে এর মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা খনিজের মজুতসহ আরও বিস্তৃত বিষয়ে আলোচনার পথ খুলতে পারে বলেও ধারণা করা হয়েছিল।
গত সপ্তাহের টোকিও বৈঠকে ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বৈঠকে আবারও নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল ভ্যান্স। তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজনের বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন বলে সূত্রগুলোর একজন জানিয়েছেন। মিয়ানমারের পক্ষে কারা উপস্থিত ছিলেন, তা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।
ভ্যান্সের অংশগ্রহণ নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
তবে দপ্তরটি জানিয়েছে, মিয়ানমারবিষয়ক মার্কিন নীতি নির্ধারণে ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা ও গবেষণা ব্যুরো মুখ্য ভূমিকা পালন করছে না।
পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক ব্যুরোই মিয়ানমার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও যোগাযোগের কাজ করছে। অন্যদিকে গোয়েন্দা ও গবেষণা ব্যুরো নীতিনির্ধারকদের তথ্য সরবরাহ করে, তবে নীতি নির্ধারণে নেতৃত্ব দেয় না।
মুখপাত্র আরও বলেন, সংবেদনশীল বলে বিবেচিত আলোচনার বিষয়বস্তু ও পরিধি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মন্তব্য করে না। তবে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের জন্য বাস্তব সুফল নিশ্চিত করা, বিশেষ করে আন্তদেশীয় অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা করা
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী-সমর্থিত সরকারের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য চেয়ে পাঠানো অনুরোধের জবাব দেননি। বৈঠক আয়োজনে জাপানের ভূমিকা সম্পর্কে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রয়োজন অনুযায়ী দুই পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কূটনৈতিক আলোচনা নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় মন্ত্রণালয়টি।
গত মাসে নেপিদোতে ভ্যান্স ও মিয়ানমারের অভ্যুত্থানের নেতা থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইংয়ের মধ্যে বৈঠকটি বৃহত্তর আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছিল বলে আগেই রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। অল্প সময়ের ব্যবধানে টোকিওতে আবার বৈঠক হওয়া থেকে বোঝা যায়, দুই পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যেতে আগ্রহী।
বিরল খনিজে নজর যুক্তরাষ্ট্রের
সূত্রগুলো জানিয়েছে, মিয়ানমারে পরিচালিত প্রতারণাকেন্দ্রগুলো বন্ধে দেশটির সহযোগিতা আদায় করা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এসব কেন্দ্র থেকে প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদসহ নানা ধরনের প্রতারণা চালিয়ে মার্কিন নাগরিকদের কাছ থেকে কয়েক শ কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
গবেষকদের মতে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী-সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অনেক প্রতারণাকেন্দ্র পরিচালিত হয়। এসব কার্যক্রমের আয় থেকে সামরিক বাহিনীর কাছেও অর্থ পৌঁছায় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রতারণা দমনে দেশটির নেতারা কতটা আন্তরিক, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী-সমর্থিত সরকার জানিয়েছে, প্রতারণাকেন্দ্র বন্ধে তারা বহুজাতিক উদ্যোগে অংশ নিচ্ছে।
এ ছাড়া মিয়ানমারের বিপুল ভারী বিরল মৃত্তিকা খনিজের মজুত ব্যবহারের সুযোগ নিয়েও মার্কিন কর্মকর্তারা আলোচনা করেছেন। বৈদ্যুতিক গাড়ি থেকে শুরু করে বায়ুবিদ্যুৎ টারবাইন তৈরিতে এসব খনিজ ব্যবহৃত হয়।
তবে এ ক্ষেত্রে বড় বাধা রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। বিরল খনিজের বড় অংশ এমন এলাকায় অবস্থিত, যেগুলো সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে। আবার মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা খনিজের প্রধান ক্রেতা চীন দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা মেনে না-ও নিতে পারে।
গত সপ্তাহে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মিয়ানমার নিয়ে নতুন নীতির অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে দপ্তরটি বলেছে, এই পদ্ধতি মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে জড়িত সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপ চালানোর গুরুত্ব তুলে ধরে। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক স্বার্থ এগিয়ে নিতে ঐতিহাসিকভাবে ব্যবহৃত বিভিন্ন পদক্ষেপও পুনর্বিবেচনার অঙ্গীকার করে।
তবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। ২০২১ সালের অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী গণ-অভ্যুত্থান দমনে তার ভূমিকার পাশাপাশি ২০১৬-২০১৭ সালে রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যা ও বিতাড়নের ঘটনায়ও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ওই ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে ব্যাপক গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান লোয়ি ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক পরিচালক হান্টার মার্সটন বলেছেন, জাপানে সর্বশেষ বৈঠকগুলো থেকে বোঝা যায়, ট্রাম্প প্রশাসন মিয়ানমারকে দেখছে ‘সম্পূর্ণ লেনদেনভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিতে’।
মার্সটনের মতে, মিয়ানমারেরহাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মৃত্তিকা সম্ভবত দেশটিতে ওয়াশিংটনের আগ্রহের প্রধান কৌশলগত সম্পদ।
মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াচ্ছে জাপানও?
যুক্তরাষ্ট্র ও মিয়ানমারের আলোচনায় বৈঠকের আয়োজন করা ছাড়া জাপানের অন্য কোনো স্বার্থ রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে জুন মাসে টোকিওতে আগের বৈঠক আয়োজনের পর জাপানও মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে জাপানের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী-সমর্থিত সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। দুই পক্ষের মধ্যে এটিই প্রথম প্রকাশ্যে আসা বৈঠক। তবে টোকিও আনুষ্ঠানিকভাবে মিয়ানমারের বর্তমান প্রশাসনকে স্বীকৃতি দেয়নি।
এর আগে সেপ্টেম্বরে জাপানের ক্ষমতাসীন দলের আইনপ্রণেতা হিরোমিচি ওয়াতানাবে নেপিদো সফর করেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা পুনরায় চালু করা এবং মিয়ানমারে উন্নয়ন সহায়তা ফিরিয়ে আনার পরিবেশ তৈরিই ছিল তার সফরের উদ্দেশ্য।
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মিয়ানমারে জাপানি নাগরিকদের সুরক্ষা এবং জাপানি কোম্পানিগুলোকে সহায়তার মতো বিষয় উত্থাপন করেছেন। ওয়াতানাবের সফরটি ছিল একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হিসেবে। এর মাধ্যমে জাপান সরকারের অবস্থান আগাম নির্ধারিত হয়ে যায় না বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
ওয়াতানাবে রয়টার্সকে বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই তিনি সফর করেছেন। তবে এ পথে এখনও বাধা রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।
২০২১ সালে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের নিন্দা জানিয়েছিল জাপান। তবে জান্তা নেতা ও সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেয়নি টোকিও।
এশিয়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে মিয়ানমারে চীনের প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যেও দেশটিতে বড় বিনিয়োগকারী ছিল জাপান। অভ্যুত্থানের পর অস্থিরতা সত্ত্বেও পশ্চিমা অনেক প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে জাপানের বহু কোম্পানি মিয়ানমারে কার্যক্রম চালিয়ে গেছে।
জাপানের বৈদেশিক বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা জেট্রোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে মিয়ানমারে ৪০০টির বেশি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম চালাত। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৩০০টি জাপানি কোম্পানি রয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে চেন্নাইতে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)। বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ইন্ডিয়া’তে ৩ অক্টোবর যোগ দেওয়ার পর সিইসিবিরোধী কোনো বিক্ষোভে মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের দলের এটিই প্রথম অংশগ্রহণ।
ভোটার তালিকায় নানা অনিয়ম এবং বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে এ ‘গণতন্ত্র রক্ষা’ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। কংগ্রেসের সংসদ সদস্য বি মানিকাম ঠাকুর ও তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটির (টিএনসিসি) যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতেও বিক্ষোভ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে চেন্নাইয়ের এ কর্মসূচিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শরিক সাতটি দলের নেতারা অংশ নেন।
রাহুল-বিজয় বৈঠক
১০ অক্টোবর চেন্নাইতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও টিভিকে প্রধান সি জোসেফ বিজয়ের একটি বৈঠক হয়। বৈঠকের মাত্র কয়েক দিন পর দলটি কংগ্রেসের ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিল।
কংগ্রেসের নেতৃত্বের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ‘সাউথ ফার্স্ট’ জানিয়েছে, ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে বিভিন্ন আলোচনা, প্রচার ও বিক্ষোভে অংশ নিতে বিজয় এবং তাঁর দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন রাহুল।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের শহরতলির নীলাঙ্করাইয়ে বিজয়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাহুল। বৈঠকে দুই নেতা বেশ কিছু রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা করেন।
সম্প্রতি ধারাপুরাম ও মাদুরান্তাকাম উপনির্বাচনে টিভিকের বিজয়ের জন্য বিজয়কে অভিনন্দন জানান রাহুল। তামিলনাড়ুতে ‘সেক্যুলার সোশ্যাল জাস্টিস ভিক্টরি অ্যালায়েন্স’ গঠনের পর এটিই ছিল দুই নেতার প্রথম বৈঠক।
এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি ভোটারকে সুপরিকল্পিতভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের বড় অংশই মুসলিম, ক্ষুদ্র-জাতিসত্তা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ। শুধু তামিলনাড়ু থেকেই ৯৭ লাখের বেশি ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
বক্তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের এ প্রক্রিয়া সংবিধানের চেতনাকে ক্ষুণ্ন করছে। পুরো বিষয়টিকে ‘গণতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে ক্ষমতাসীন বিজেপির সুবিধা করে দিতেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারসাজি করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মুসলিম বিশ্বের অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় ‘মোহাম্মদ’ নাম নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডালটনে এক নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যের কারো নাম জানা না থাকলে কেবল ‘মোহাম্মদ’ বলে ডাকলেই চলে, কারণ শতকরা ৬৫ ভাগ ক্ষেত্রে এই নাম দিয়ে তিনি কখনো ভুল করেননি। মূলত আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থনে ডালটন মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরে আয়োজিত জনসভায় তিনি এই কথা বলেন।
ভাষণে ইরানের প্রসঙ্গ টেনে এনে ট্রাম্প রসিকতা করে বলেন, ইরান একমাত্র দেশ যেখানে কেউ দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে চায় না। এ কথা বলার পর তিনি বেশ কয়েকজন কাল্পনিক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে ব্যঙ্গ করে জিজ্ঞাসা করেন যে তারা কেউ প্রেসিডেন্ট পদের দায়িত্ব নিতে চান কি না। উল্লেখ্য, ২০২৪ সাল থেকে মাসুদ পেজেশকিয়ান ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনসভায় উপস্থিত শ্রোতাদের কাছ থেকে এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সামান্য প্রতিক্রিয়া আসলেও মানবাধিকার সংস্থা এবং আমেরিকান মুসলিম অধিকার রক্ষা দলগুলো মুসলিম ও অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্পের বারবার এমন অসম্মানজনক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে।
কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী অবস্থান এবং দ্বিতীয় মেয়াদের নীতিমালার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামোফোবিয়া ও বিদ্বেষ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
ছবি : সংগৃহীত
দিল্লিতে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ (পতাকা ওড়াও) মিছিলের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কনট প্লেসের কাছে মান্ডি হাউস থেকে পুলিশ আটক করেছে বামপন্থী ছাত্র নেতা নেহা বোরাকে। এর আগে নিজ বাসা থেকে আটক হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে অভিজিৎ দীপকে তার বাসা এবং নেহা বোরাকে যন্তর মন্তরের কাছ থেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে কারচুপির অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে সিজেপির দুই সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে মূলত এই পতাকা মিছিল কর্মসূচি।
১৩ অক্টোবর জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে তারা দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। এর একদিন আগে ঐতিহাসিক স্থানটিকে প্রতিবাদ স্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।পরে তাদের পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়। শুক্রবার দীপকে-কে আটকের আগে দিল্লি পুলিশ তার বাসায় গিয়ে মিছিল না করার বিষয়ে একটি নোটিশ দেয়।
ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএস) ১৬৩ ধারায় জারি করা ওই নোটিশে বলা হয়, দিল্লির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা কর্নাট প্লেসের আশপাশে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ কার্যকর রয়েছে। এতে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত তিরঙ্গা যাত্রার জন্য নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (এনডিএমসি) অনুমতি দেয়নি। এ অবস্থায় সিজেপি মিছিল করলে তা আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
গান্ধীর ছবি সংবলিত সাদা টি-শার্ট ও জিনস পরা ৩১ বছর বয়সী এই নেতাকে পুলিশ জানায়, জাতীয় পতাকা ওড়ানো আইনবিরুদ্ধ নয়। তবে অনুমতি ছাড়া মিছিল করা এবং লোকসমাগম ঘটানো নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের শামিল। এক্ষেত্রে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
এ ছাড়া জাতীয় পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয়ে পতাকা বিধি মেনে চলার বিধিনিষেধ সম্পর্কেও তাকে জানানো হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং
ভারতে চলমান আন্দোলন নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, ‘কেউ প্রকাশ্যে বাংলাদেশকে অনুসরণের কথা বলছেন। কেউ সরকার বদলের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন। উদ্দেশ্য পরিষ্কার। তারা অরাজকতা তৈরি করে সরকার বদল করতে চায়। ঠিক যেমন বাংলাদেশে হয়েছে।’সম্প্রতি অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরার একটি মন্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যম। এতে নেহার উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে হওয়া আন্দোলন তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে।
আইসা সভাপতির ওই মন্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শেয়ার করেন বিজেপি নেতারা। সিইসির পদত্যাগ দাবির আন্দোলনের পেছনে সরকার বদলের উদ্দেশ্য থাকা নিয়ে তারা সন্দেহ প্রকাশ করেন।
শুক্রবার লখনউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাজনাথ সিং বলেন, ভারতে বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য তরুণদেরকে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। কেউ কেউ বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনার আদলে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। অনুপ্রাণিত হওয়ার কথা স্বীকার করছেন। একটি পক্ষ প্রকাশ্যেই সরকার ফেলে দেওয়ার ডাক দিচ্ছে।
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ থেকেই স্পষ্ট, তাদের একমাত্র লক্ষ্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে ফেলে অশান্তি ছড়ানো। এই আন্দোলন নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য নয়। এসআইআর বা জ্ঞানেশ কুমারকে কেন্দ্র করেও নয়। বরং দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র চলছে।’
ভোটার তালিকা নিয়ে বিরোধী দলের অভিযোগ প্রসঙ্গে রাজনাথ সিং বলেন, রাহুল গান্ধী একবার দাবি করেছিলেন, ৭০ বছরের এক মহিলা দ্বৈত ভোটার। আরেক সময়ে তিনি অভিযোগ করেন, ৩৫ বছরের এক মহিলা ১২৪ বছরের ভোটার। কখনও কখনও সাধারণ নাগরিকদের ভুয়া ভোটার বলে চিহ্নিত করে তিনি সম্মানহানির চেষ্টা করেছেন।
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও জেন-জি বিক্ষোভকে শুরু থেকেই বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রচার করছেন বিজেপি সমর্থকরা। তাদের দাবি, বাংলাদেশ ও নেপালের মতো ভারতেও সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করছে ‘ডিপ স্টেট’।
প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের এক মন্তব্যের পর বিজেপি সমর্থকদের বয়ান আরও তীব্র হয়েছে। সম্প্রতি নেতা বোরা ও সিজেপির অভিজিত দীপকের উপস্থিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশান্ত ভূষণ বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা কেন্দ্র সরকারে বদল চাই।’
প্রশান্ত ভূষণ বলেন, ‘আমরা সবাই কেন্দ্র সরকারে বদল চাই। এতে কোনো সমস্যা আছে?’ বিজেপিও অতীতে সরকার বদলের লক্ষ্যে একাধিক আন্দোলন করেছে বলে দাবি করেন এই আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘ওদের মুখে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব মানায় না।’
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক কিশোরের গুলিতে তিন শিশু ও এক শিক্ষক নিহত হয়েছে। এ সময় সেখানে থাকা এক ব্যক্তির গুলিতে ওই কিশোরও প্রাণ হারিয়েছে।
বিবিসি লিখেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ওরেগনের বেন্ড শহরের ‘সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে’ এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিশুদের বয়স ৫, ৮ ও ১১ বছর।
গুলিতে সাত বছর বয়সি আরেক শিশু ও ৫৪ বছর বয়সি এক শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারী ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল কি না কিংবা স্কুলটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বেন্ড পুলিশ জানায়, দুপুর একটার কিছু আগে জরুরি সেবা ৯১১ নম্বরে ফোন করে এক ব্যক্তি জানান, স্কুলের বাইরে তার গাড়ি লক্ষ্য করে লম্বা বন্দুক দিয়ে গুলি ছুড়ছে একজন।
এর কয়েক মিনিটের মাথায় স্কুলভবন থেকেও একাধিক কল আসতে থাকে। হামলাকারী বন্ধ দরজার লক লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেছিল। স্কুলের ভেতরে এমন পরিস্থিতি দেখতে পেয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা হামলাকারীকে ধাওয়া করে স্কুলের ভেতরে ঢোকেন এবং পাল্টা গুলি চালিয়ে তাকে প্রতিহত ও হত্যা করেন।
খবর পাওয়ার তিন মিনিটের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং হামলাকারী কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী স্থানীয় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর। তবে তার নাম বা নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
নিহত ও আহতদের নাম কিংবা বন্দুকধারীকে গুলি করা সেই বাসিন্দার পরিচয়ও গোপন রাখা হয়েছে।
নির্মম এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে স্থানীয় স্কুল ডিস্ট্রিক্টের প্রশাসনিক প্রধান স্টিভেন কুক বলেন, “এমন বিবেকহীন এক ট্র্যাজেডিতে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত ও স্তব্ধ। আমাদের কমিউনিটি যে শোকের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।”
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে সাড়ে চারশ শিক্ষার্থীর এই স্কুলটিতে বিশেষ নিরাপত্তা দরজা লাগানো হয়েছিল, যা মাত্র একটি সুইচের সাহায্যে ক্লাসরুম ভেতর থেকে লক করে দেওয়া যায়।
মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের পর শুক্রবার বেন্ড শহরের সব বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
কে-১২ স্কুল শুটিং ডেটাবেইসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্কুলে গুলির ২৩৫টি ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত এমন ঘটনার সংখ্যা অন্তত ১৪০টি।