মঙ্গলবার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের হাতে রা পুলিশ সুপারের পুরস্কার তুলে দেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।
মাদকবিরোধী অভিযানে দেশসেরা হয়েছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। আর এই কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে সেরা পুলিশ সুপারের পুরস্কার পেয়েছেন মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠ-এ অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ অনুষ্ঠানে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
৪ মাসে ৪০৮ মামলা,আসামি ৬৯৬ জন,চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ মোট ৪০৮টি মামলা দায়ের করে।
এসব মামলায় ৬৯৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। মাসভিত্তিক চিত্র,জানুয়ারি: ১০৩ মামলা, ১৫৬ আসামি,ফেব্রুয়ারি: ৮৮ মামলা,১২৪ আসামি,মার্চ: ১১৪ মামলা, ২১৪ আসামি,এপ্রিল: ১০৩ মামলা, ২০২ আসামি গ্রেফতার।উদ্ধার হওয়া মাদকের ভয়ংকর তালিকা-চার মাসে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য।এর মধ্যে রয়েছে-৭৯ হাজার ২২২ পিস ইয়াবা,৪৬৬.০৫ গ্রাম হেরোইন,১৮৬ কেজি ২০১ গ্রাম গাঁজা,৪০টি গাঁজা গাছ,১৪ বোতল ফেনসিডিল,২,৯৭১ লিটার দেশীয় মদ,৪০০ লিটার ওয়াশ,৫২৪ বোতল বিদেশি মদ,১,৩৭৫ অ্যাম্পুল ইনজেকশন,৭১৮ পিস ট্যাপেন্টাডল নেশাজাত ট্যাবলেট।এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৬৯ লাখ ৫ হাজার ৮৫০ টাকা। শুধু জানুয়ারিতেই উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।
‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতেই সাফল্য-জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলার প্রতিটি থানা ও ইউনিট সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ধারাবাহিক কার্যক্রমের ফলেই এসেছে এ সাফল্য।
আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,“মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।মাদক নির্মূলে এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
সেরা পুলিশ সুপারের স্বীকৃতি পাওয়ার পর মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, “এই অর্জন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের নিষ্ঠা, সাহস ও কঠোর পরিশ্রমের ফল। মাদকমুক্ত ময়মনসিংহ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর।”
আগুনে পুড়ে গেছে ‘সৌখিন পরিবহনের’ এই বাসটি
ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ‘সৌখিন পরিবহন’ নামের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস।
এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুনের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত জব্দ করেছে। অধিকতর তদন্তে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম
মাথায় গুরুতর আঘাত ও পুরো শরীরে বেশ কিছু জখমের চিহ্ন মিলেছে স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে। পুলিশের ধারণা- মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হতে পারে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম। আজ রাত ১০টার দিকে তিনি বলেন, ‘অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শরীরের বিভিন্ন স্থানে আরও ছোটখাটো কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া একজন চিকিৎসক বলেন, ‘মাথায় আঘাতে মৃত্যু হয়েছে বলে আপাতত আমরা ধারণা করছি। তবে তাকে শ্বাসরোধ কিংবা হত্যার আগে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা- এটা নিশ্চিত হতে শরীর থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।’
রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ডিবি ও এসআরবি হেফাজতে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।’ এ ঘটনায় রোববার মামলা করবে অপ্রতিমের পরিবার।
কুমিল্লা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি মোহাম্মদ শামসুল আলম শাহ রাত পৌনে ১১টায় বলেন, স্কুলছাত্র হত্যার রহস্য বের করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের আটক করা হয়েছে। রোববার পুলিশ সুপার এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসের পাশের জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ সিসিটিভির ফুটেজ দেখে প্রথমে তুহিন নামের এক যুবককে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদ নামে দুজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিহত অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম
কুমিল্লায় নিহত স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আটক তুহিন নামে এক কিশোরের বাড়ি থেকে তার আইফোনটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোটবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মফিজ উদ্দিন ভূইয়া। শনিবার রাতে তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকায় ওই কিশোরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নিহত অপ্রতিমের আইফোনটি উদ্ধার করেছে জেলা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনিবার বিকেলে পুলিশ তাকে আটক করে।’
পরিদর্শক মফিজ উদ্দিন আরও বলেন, ‘ওই কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী- সন্ধ্যার পর অপর দুজনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলো-আনাস ও ফাহিম আহমেদ। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। তাদের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। এ ছাড়াও এসআরবি হেফাজতে আছেন সন্দেহভাজন আরও একজন।’
জানা গেছে, শনিবার রাত আটটার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন সালমানপুর এলাকায় ওই কিশোরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ফোনটি উদ্ধার করে জেলা পুলিশের একটি দল। অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশ। অপ্রতিম তার মায়ের এই ফোনটি নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ডিবি ও এসআরবি হেফাজতে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।’ এ ঘটনায় রোববার মামলা করবে অপ্রতিমের পরিবার। রাত পৌনে ১১টায় কুমিল্লা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি মোহাম্মদ শামসুল আলম শাহ বলেন, স্কুলছাত্র হত্যার রহস্য বের করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের আটক করা হয়েছে। রোববার পুলিশ সুপার এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রথমে এক কিশোরকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আরও দু’জনকে আটক করা হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস জানান, অপ্রতিম নিখোঁজের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে অপ্রতিমের সঙ্গে ওই কিশোরকে দেখা যায়। পরে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে।
অপ্রতিমের মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসের পাশের জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে। এর আগে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিহত অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
মাথায় গুরুতর আঘাত ও পুরো শরীরে বেশ কিছু জখমের চিহ্ন মিলেছে স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে। পুলিশের ধারণা- মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হতে পারে।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম। আজ রাত ১০টার দিকতিনি বলেন, ‘অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শরীরের বিভিন্ন স্থানে আরও ছোটখাটো কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।’
ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মাথায় আঘাতে মৃত্যু হয়েছে বলে আপাতত আমরা ধারণা করছি। তবে তাকে শ্বাসরোধ কিংবা হত্যার আগে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা- এটা নিশ্চিত হতে শরীর থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।’
অপ্রতিমের পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে বাড়ি থেকে হেঁটে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তাকে না পেয়ে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, ‘শুক্রবার জুমার নামাজের পর অপ্রতিম আমাদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খায়। পরে বন্ধুদের সঙ্গে আইফোন দিয়ে ছবি তুলতে বাইরে যেতে চায়। কিন্তু আর ফিরে আসেনি।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘সম্ভবত আইফোনটিই তার মৃত্যুর কারণ হয়েছে।’
বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এমপি মিলনের মতবিনিময়
গাজীপুরের কালীগঞ্জে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার নাগরী এলাকার স্বপ্ন কানন রিসোর্টে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
মতবিনিময় সভায় গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি কিংবা দায়িত্বশীল ব্যক্তির বক্তব্য, কর্মকাণ্ড বা সিদ্ধান্ত নিয়ে তথ্য ও যুক্তিনির্ভর গঠনমূলক সমালোচনা গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের মতপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। এখানে প্রত্যেকের মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে কাউকে হেয় করা, অশালীন ভাষা ব্যবহার কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণ করা কোনোভাবেই সুস্থ সামাজিক পরিবেশের জন্য সহায়ক নয়।
তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধির কর্মকাণ্ড নিয়ে মানুষের প্রশ্ন বা সমালোচনা থাকতেই পারে। ভুল-ত্রুটি থাকলে তা তথ্য ও যুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরা উচিত। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ পান এবং সমাজে গঠনমূলক আলোচনা তৈরি হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মিলন বলেন, কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলে যুক্তির মাধ্যমে বক্তব্য উপস্থাপন করা উচিত। ব্যক্তিগত কটূক্তি, অশ্লীল শব্দ বা অপমানজনক মন্তব্যের মাধ্যমে কোনো সমস্যার সমাধান হয় না।
সভায় অন্যান্যের মাঝে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোলেমান আলম, আশরাফী হাবিবুল্লাহ খোকা, মো. খায়রুল আহসান মিন্টু, কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন আরমান মাষ্টারসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম আরও সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধান অতিথি। সভায় নেতৃবৃন্দ স্থানীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম, পারস্পরিক সমন্বয় এবং দলীয় কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। প্রধান অতিথি তাদের বক্তব্য শোনেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আসন্ন কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ইছাখালী এলাকায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং কায়েতপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সেলিম আহমেদ।
সভায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল পর্যায়ে দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ সেলিম আহমেদ বলেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও সুসংগঠিত করে তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে দলীয় কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে কায়েতপাড়ার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রত্যেক ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের সক্রিয় হতে হবে। দলের প্রতি আনুগত্য ও ঐক্য বজায় রেখে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
দানবাক্সে মিলল প্রায় ৮৯ লাখ টাকা
সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের তিনটি ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্স খুলে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৮ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি স্বর্ণ এবং ১৫ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।
আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে সিলগালা অবস্থায় থাকা তিনটি ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্স খোলা হয়। এরপর পাওয়া নগদ অর্থ, স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব করা হয়। এ সময় সন্ধ্যা ৬ টার দিকে দানবাক্স থেকে পাওয়া টাকা ও বিভিন্ন সরঞ্জামের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
মাজার কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, দানবাক্স ও ডেগ থেকে পাওয়া নগদ অর্থের পরিমাণ ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৮ টাকা। স্বর্ণ পাওয়া গেছে ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি। পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে, যুক্তরাজ্যের ৫ পাউন্ড, ভারতের ৩ হাজার ৯৯৪ রুপি, থাইল্যান্ডের ৫ বাত, সৌদি আরবের ৯৯ রিয়াল ২৫ পয়সা, মালয়েশিয়ার ২৯ রিঙ্গিত, যুক্তরাষ্ট্রের ৮ ডলার ২ সেন্ট, ওমানের ৯০৩ বায়সা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫৭ দিরহাম ২৫ সেন, ইরাকের ১ দিনার, কাতারের ২১ রিয়াল ৫০ পয়সা, ইউরোপের ৩০ ইউরো ১০ সেন্ট, বাহরাইনের ০.০২৫ পয়সা, পাপুয়া নিউ গিনির ৫০ কিনা, চীনের ১৫ ইউয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার ৫ হাজার রুপিয়া।
এর আগে ১৫ আগস্ট সর্বশেষ দানবাক্স ও মানতের বাক্স খোলা হয়েছিল। সেদিন গণনা করে পাওয়া যায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা। এ সময় বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ছাড়াও স্বর্ণ ও রুপার সামগ্রী পাওয়া যায়। এর আগে ১১ জুলাই দানবাক্সের অর্থ গণনা করে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। সেবারও বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপার সামগ্রী পাওয়া যায়। আর ২২ জুন দানবাক্স খোলা হলে পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা যোগ হওয়ায় ওই দফায় মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা।
উল্লেখ্য, প্রায় একমাস ৪দিন পর আবার শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান বাক্সগুলো খোলা হয়েছে। এর আগে গত ২২শে জুন প্রথমবার, ১১ই জুলাই দ্বিতীয়বার ও গত ১৫ আগস্ট ৩৪ দিন পর তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়েছিল। ওইসময় পাওয়া গিয়েছিল ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।