• প্রকাশ : সোমবার ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৭:৫৫ এএম
  • আপডেট : সোমবার ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৭:৫৬ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৭:৫৫ এএম

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।


রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের সাদুল্লাচর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।




জানা যায়, রোববার রাতে সাদুল্লাচর বাজারের পূর্ব পাশে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নুর নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধনের কথা ছিল। উদ্বোধনের প্রস্তুতি হিসেবে কার্যালয়ে সাজসজ্জার কাজ চলছিল। এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও লতিফাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম শহীদ, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জুয়েল মেম্বার, বিএনপি নেতা নাসির উদ্দীন নাসির এবং ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা কার্যালয়ের চেয়ার ও সাউন্ড বক্স ভাঙচুর করেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক জাহাঙ্গীর আলম (৩৫)কে মারধর করে আহত করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৫) নামে আরেকজনকে লাঞ্ছিত করা হয়।


আহত জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “শহীদুল ইসলাম শহীদসহ কয়েকজন নেতাকর্মী এসে বলেন, এখানে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীর কার্যালয় হবে না। এরপর তারা আমাকে মারধর করে এবং কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”


লতিফাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি বোরহান উদ্দিন ভূইয়া বলেন, “দেশে কি একদলীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে? স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কি নির্বাচন করতে পারবে না, তাদের কি কার্যালয় থাকতে পারবে না? আমরা এই ঘটনার সঠিক বিচার চাই।”


বিএনপি নেতা শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, অফিসের সামনে দিয়ে বিএনপির মিছিল যাওয়ার সময় সাউন্ড বক্সের বাড়িয়ে দিয়ে মিছিলে সমস্যা সৃষ্টি করে। তখন জিজ্ঞেস করার সময় হালকা ধাক্কা ঠেলার ঘটনা ঘটে। অফিস ভাংচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। দোষ চাপানোর জন্য ওরা নিজেরাই নিজেদের অফিসের চেয়ার ভাংচুর করে। এটা ষড়যন্ত্র এবং উদ্দেশ্যমূলক।


এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসিকে প্রশ্ন করলে উনি বলেন, কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি এখনো। অভিযোগ দিলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:২৯ পিএম

পিরোজপুরে পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী মানিক পশারীর মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। 


শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে মরদেহটি দাফন করা হয়।


জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানিকের মরদেহ আসলে জেলা জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে তার স্বজনেরা। পুলিশের সহায়তায় মরদেহ সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশ লাইনসে। সেখানে বিকেল ৫টার দিকে গার্ড অব অনার শেষে নিরাপত্তা দিয়ে লাশ ঘিরে রাখে সদর থানা পুলিশ।


পরে রাত ১টার দিকে সদর থানা পুলিশ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সহায়তায় মরদেহ বাড়িতে পৌঁছে। রাত ২টার দিকে দাফন কাজ শেষ। এ সময় মানিক পশারীর স্ত্রী সন্তান সহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।


পিরোজপুর জেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে পিরোজপুর জেলা জামাত ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা কোনো প্রকার বাঁধা সৃষ্টি করেনি। জামায়াতে ইসলামী লাশের রাজনীতি করে না। তাই পিরোজপুর সদর থানা পুলিশকে পুরোপুরি সহায়তা করে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।


পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


‎মানিক পশারী পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। 


শনিবার সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। ২০০৯ সালের ১২ আগস্ট পিরোজপুর থানায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা করেন মানিক। পরবর্তী সময়ে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে চলা মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

টঙ্গীতে মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

শিক্ষককে মারধর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তারের দাবি


  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৪৯ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষককে মারধর, প্রহরীকে আহত করা, কার্যালয় ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশন শানে সাহাবা। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সংগঠনটি প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করেছে। ঘটনার সঙ্গে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিদেরও সম্পৃক্ততা ছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন সংগঠনটির নেতারা। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের সফিউদ্দিন সরকার রোডে ক্বরীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রথম শ্রেণির ছাত্রী মালিহাকে (৬) কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে তার বাবা শাহজালাল রুমি কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষক মুসলিম উদ্দিনকে মারধর করেন। এ ঘটনার ভিডিও শাহজালাল নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।


ভিডিওতে শিক্ষককে ধরে রেখে মারধরের দৃশ্য দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, একপর্যায়ে শিক্ষক মাটিতে পড়ে গেলে তাঁকে মাথা, বুক ও পিঠে লাথি মারা হয়। এতে তিনি রক্তাক্ত হন। এ ঘটনায় মাদ্রাসার এক প্রহরীও গুরুতর আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।


এ ঘটনায় মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মাওলানা ক্বারি আলমাস হোসেন টঙ্গী পশ্চিম থানায় শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মারধর, ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে মামলা করেছেন।


সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশন শানে সাহাবার নেতারা বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে দলবদ্ধভাবে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।


সংগঠনটির নেতাদের অভিযোগ, ঘটনার সময় শাহজালাল রুমির সঙ্গে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিরাও ছিলেন। তাঁদের দাবি, ঘটনাটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণার অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁরা আরও বলেন, মাদ্রাসাটিতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট সব তথ্য যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা হোক।


সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, শ্রেণিকক্ষে ভালো ফলাফলের জন্য ছয় বছর বয়সী ওই শিশুকে আদর করে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত। তবে শিশুটির প্রতি শিক্ষকের আচরণ নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।


এদিকে শিশুটির বাবা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকির অভিযোগও রয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অর্থ লুট ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হলেও শাহজালাল রুমি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


টঙ্গী পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আরিফুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে মাদ্রাসার শিক্ষককে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের মামলার আবেদনও গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৩৯ এএম

যশোরের ঝিকরগাছায় একটি আবাসিক মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির দুই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে।


২০২১ সালে নিজ বাড়িতে পদ্মপুকুর গ্রামের রওজাতুল জান্নাত বালিকা হাফেজিয়া মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে ৬৫ জন ছাত্রী রয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৫ জন আবাসিক। শিক্ষক রয়েছেন পাঁচজন।


ভুক্তভোগী শিশুদের অভিযোগ, বিকালের দিকে বিভিন্ন সময়ে তাদের আলাদাভাবে পরিচালকের কক্ষে ডেকে নেওয়া হতো। সেখানে শরীর ও হাত-পা টিপে দেওয়ার কথা বলে জামা ও পায়জামার ভেতরে হাত দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করা হতো। এসব ঘটনা কাউকে না বলার জন্য মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হতো। এক ছাত্রীকে জোর করে শোয়ানোর চেষ্টা করা হলে সে কৌশলে পালিয়ে আসে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। শিশুদের অভিভাবক জানান, মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পর মেয়েরা আর সেখানে যেতে চাইত না।


এর আগে কোচিং না করার অভিযোগে তাদের মারধর করা হলেও আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তখন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেননি। পরে ১৯ অক্টোবর এক শিশুর পায়ে পেরেক ফুটলে মেয়েরা বাড়িতে এসে সব ঘটনা জানায়। শিশুদের সৎ বাবা জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি তাদের নিজের সন্তানের মতো বড় করেছেন। গত বছর মাদ্রাসায় ভর্তি করানোর তিন-চার মাস পর থেকেই এ ধরনের নিপীড়ন চলে আসছে বলে মেয়েরা তাকে জানিয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।


মাদ্রাসার পরিচালক ও শ্রীরামপুর আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রীরা দুষ্টু প্রকৃতির হওয়ায় তাদের মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।


ঝিকরগাছা থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, এ পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পরিবারকে দ্রুত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৩১ এএম

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে কালো পোশাক ও হেলমেট পরে এসে চায়ের দোকানে বসে থাকা জামাল উদ্দিন (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে লক্ষ্য করে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে তার বাম পা ও রানে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষকামতা গ্রামের বটতলী এলাকার সালাউদ্দিনের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।


গুলিবিদ্ধ জামাল উদ্দিন একই গ্রামের মিজি বাড়ির মৃত সাখায়েত উল্যার ছেলে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামাল উদ্দিন একসময় প্রবাসে ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি নাটেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে এলাকায় পোস্টারিং করেন। বর্তমানে তার একাধিক ছেলে প্রবাসে রয়েছেন। শনিবার রাতে তিনি বাড়ির পাশে বটতলী এলাকার সালাউদ্দিনের চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। ওই সময় কালো পোশাক ও হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দোকানের সামনে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তার বাম পা ও রানে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, রাত ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ জামাল উদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হন। তার বাম পা ও রানে বুলেটের আঘাত রয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং আশঙ্কামুক্ত।


সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই বৃদ্ধ একটি দোকানে বসে ছিলেন। ওই সময় দুজন ব্যক্তি হঠাৎ এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। তবে কী কারণে তাকে গুলি করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।


  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৩১ এএম

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে কালো পোশাক ও হেলমেট পরে এসে চায়ের দোকানে বসে থাকা জামাল উদ্দিন (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে লক্ষ্য করে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে তার বাম পা ও রানে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষকামতা গ্রামের বটতলী এলাকার সালাউদ্দিনের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।


গুলিবিদ্ধ জামাল উদ্দিন একই গ্রামের মিজি বাড়ির মৃত সাখায়েত উল্যার ছেলে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামাল উদ্দিন একসময় প্রবাসে ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি নাটেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে এলাকায় পোস্টারিং করেন। বর্তমানে তার একাধিক ছেলে প্রবাসে রয়েছেন। শনিবার রাতে তিনি বাড়ির পাশে বটতলী এলাকার সালাউদ্দিনের চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। ওই সময় কালো পোশাক ও হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দোকানের সামনে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তার বাম পা ও রানে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, রাত ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ জামাল উদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হন। তার বাম পা ও রানে বুলেটের আঘাত রয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং আশঙ্কামুক্ত।


সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই বৃদ্ধ একটি দোকানে বসে ছিলেন। ওই সময় দুজন ব্যক্তি হঠাৎ এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। তবে কী কারণে তাকে গুলি করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।


ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:২৪ এএম

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ঐতিহাসিক ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্স পঞ্চমবারের মতো গণনা হয়েছে। এবার নগদ ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৪০৮ টাকা, এক ভরির বেশি স্বর্ণ, তিন ভরির বেশি রুপা ও প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। এছাড়াও মানত করা শতাধিক গরু-ছাগলের হিসাব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে দানবাক্সের টাকার স্তূপের মধ্য থেকে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত হরেকরকম চিঠির পাশাপাশি বিএনপির চেয়ারম্যানের উদ্দেশে লেখা রাজনীতি সংস্কার বিষয়ক এক ব্যতিক্রমী বেনামী আবেদনপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।


শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সিলেট জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মাজার পরিচালনা কমিটি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যৌথ তদারকিতে এই গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিকালে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বিক অর্থমূল্যের তথ্য প্রকাশ করেন। উদ্ধারকৃত চিঠির মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত চিঠিটি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে লেখা।


যেখানে কোনো নাম পরিচয় না লিখে বিএনপিতে কর্মী হতে এইচএসসি (জিপিএ ৩.৫) এবং সদস্য হতে এসএসসি (জিপিএ ২.৫) পাশের বাধ্যবাধকতা আরোপসহ পরীক্ষা দেওয়ার পূর্বে কোনো কিশোরকে দলে যুক্ত না করার আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয় ‘আই ওয়ান্ট দ্য চেঞ্জ টু কাম থ্রু ইউ’। 


উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে গত ১৮ জুন তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগে নতুন সিলগালাকৃত দানবাক্স স্থাপনের পর ২২ জুন প্রথম দফায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা, ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফায় ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকাসহ চার দফায় মোট ২ কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল।


অর্জিত মোট দানের অর্থের ৩৫ শতাংশ মাজারের সার্বিক উন্নয়নকাজে সোনালী ব্যাংকের যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা এবং অবশিষ্ট ৬৫ শতাংশ অর্থ দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় ব্যয় করার নতুন নীতিমালা করা হয়েছে।