চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)

  • প্রকাশ : সোমবার ১৮ মে, ২০২৬, সময় : ৯:৪৩ এএম

অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারি, প্রাতিষ্ঠানিক বিশৃঙ্খলা, সংগঠিত চাঁদাবাজি, সাংবাদিক হেনস্তা এবং কোটি টাকার বিনিময়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদ বাগিয়ে নেওয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে এবার নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে প্রশাসনিক অঙ্গনে। আর এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস. এম. সরওয়ার কামাল।


অভিযোগের গুরুত্ব ও বিস্তৃতি এতটাই প্রকট হয়ে উঠেছে যে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করতে বাধ্য হয়েছে। 


অভিযোগ উঠেছে, কুমিল্লা জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে পদায়ন নিশ্চিত করতে আট কোটি টাকার বিনিময়ে তিনি একটি গোপন অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।


গত বুধবার (১৩ মে) স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি কর্পোরেশন-২ শাখা থেকে জারি করা ওই নোটিশে সরওয়ার কামালকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে আট কোটি টাকার বিনিময়ে ডিসি পদ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চুক্তিপত্র ও সম্মতিপত্র স্বাক্ষরের নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া গেছে।


এ ঘটনায় প্রশাসনিক অঙ্গনে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। চসিকের অভ্যন্তর ও বাইরে এখন ঘুরপাক খাচ্ছে একটাই প্রশ্ন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদ কি তবে এখন প্রকাশ্য দর-কষাকষির পণ্যে পরিণত হয়েছে?


বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেনও। তিনি বলেন, “আট কোটি টাকার চুক্তির বিষয়টি আমিও শুনেছি। যেহেতু মন্ত্রণালয় বিষয়টি তদন্ত করছে, তাই আমি আর হস্তক্ষেপ করছি না।” তবে তিনি নিরপেক্ষ ও গভীর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।


চসিকের একাধিক অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই সরওয়ার কামাল কার্যত রাজস্ব বিভাগকে ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণ বলয়ে নিয়ে গেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে যত গুরুতর অভিযোগই উঠুক না কেন, রহস্যজনকভাবে প্রতিবারই তিনি দায় এড়িয়ে যান। অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভাষ্য, চসিকে তিনি যেন “অঘোষিত সম্রাট”, যার সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ কথা বলার সাহস পান না।


এরই মধ্যে সামনে এসেছে সাংবাদিক হেনস্তা ও অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগও। অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি মাসের ৭ মে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিবেদক ওমর ফারুক চসিকের রাজস্ব বিভাগের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ বাণিজ্যের বিষয়ে বক্তব্য নিতে চসিক ভবনে যান। প্রথমে তিনি রাজস্ব কর্মকর্তা সাব্বির রহমান সানির সঙ্গে কথা বলেন। পরে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে সরওয়ার কামালের কক্ষে প্রবেশ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, কক্ষে প্রবেশের পরই তাকে উদ্দেশ্য করে অপমানজনক, তাচ্ছিল্যপূর্ণ ও হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার করা হয়। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক আটকে রাখা হয় এবং প্রায় ৪৫ মিনিটের বেশি সময় কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যক্তিগত চ্যাট, এমনকি গ্যালারির ব্যক্তিগত ছবিও তল্লাশি করা হয়।


শুধু তাই নয়, মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের নম্বর সংগ্রহ করে ফোন দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন, সাংবাদিককে “চাঁদাবাজ” আখ্যা দিয়ে পুলিশে সোপর্দ কিংবা মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।


সাংবাদিক ওমর ফারুক বলেন, “পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের ন্যক্কারজনক আচরণ শুধু সাংবাদিকতার জন্য নয়, পুরো গণমাধ্যম অঙ্গনের জন্যই হুমকিস্বরূপ। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”


ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, তথ্য অধিকার আইনের আওতায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে কোনো সাংবাদিককে এভাবে অপদস্থ, অবরুদ্ধ ও হুমকি দেওয়া স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত এবং এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।


এদিকে সরওয়ার কামালের কথিত অঙ্গীকারনামা ও সম্মতিপত্র সামনে আসার পর বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই নথিতে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন নিশ্চিত হলে নগদ আট কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা এবং মনোনীত রাজনৈতিক ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় করে চলার অঙ্গীকারও সেখানে উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গেছে।


সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, এসব অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তা শুধু প্রশাসনিক দুর্নীতির নজিরই হবে না; বরং রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোর ভয়াবহ নৈতিক অবক্ষয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।


অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, চসিকের রাজস্ব বিভাগকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা কথিত “অর্থ আদায়ের সিন্ডিকেট”। একাধিক লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরওয়ার কামালের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে টিও, ডিটিও, কর আদায়কারী ও অনুমতি পরিদর্শকদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হয়।


অভিযোগকারীদের ভাষ্য, মাস শেষে অনেক কর্মচারী বেতন হাতে পেলেও নানা অজুহাতে সেই অর্থের বড় অংশ কেটে নেওয়া হয়। এমনকি “স্কেল প্রদান”-এর নামে প্রায় ৬০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। একই সঙ্গে স্থায়ী পদে না থাকা ব্যক্তিদের অবৈধভাবে পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগ পুরো প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।


এছাড়া প্রতি মাসে সভা ও মিটিংয়ের নামে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিটি সভায় আপ্যায়নের অজুহাতে প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয় এবং মাসে গড়ে ২২টি সভার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতবদল হয়।


বিভিন্ন ব্যক্তির নামে পার্সেল এনে অতিরিক্ত বিল প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের একটি কৌশলী প্রক্রিয়াও পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।


‘পিকনিক’ আয়োজনের নামেও নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এতে অংশগ্রহণ না করলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের নানা উপায়ে হয়রানি ও চাপ প্রয়োগ করা হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।


অভিযোগ আরও রয়েছে, তথাকথিত “সার্কেল ভিজিট” কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রতিবার ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। একই সঙ্গে বড় অঙ্কের হোল্ডিং চেক নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা দিয়ে সেখান থেকে ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ, এমনকি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে কম্পিউটার, এলইডি টিভিসহ মূল্যবান উপঢৌকন গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে।


রাজস্ব বিভাগে ভয় ও আতঙ্কের সংস্কৃতি তৈরি করতে বিভিন্ন সার্কেলে দালাল নিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব দালাল কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।


তথ্য অনুযায়ী, সরওয়ার কামাল বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ২৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা। উপসচিব পদমর্যাদার এই কর্মকর্তা বর্তমানে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি তিনি ডেপুটেশনে এ পদে যোগ দেন। এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ মাঠ ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।


তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন এস. এম. সরওয়ার কামাল। তার দাবি, কথিত অঙ্গীকারনামা ও চুক্তিপত্র সম্পূর্ণ ভুয়া এবং সেখানে তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।


অন্যদিকে, আট কোটি টাকার চুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। যে বিভাগ থেকে নোটিশ ইস্যু হয়েছে, আপনারা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।


এছাড়াও তিনি দাবি করেন, চসিকের সরওয়ার কামাল নামের কাউকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:১০ এএম

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবি ইউনিয়নের ভূইয়াকান্দা গ্রামে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা  হয়েছে। এ মামলায় মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 


বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দুপুরে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


গ্রেফতার জাহাঙ্গীর উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের ভূইয়াকান্দা গ্রামের আক্কেল  আলী হাওলাদারের ছেলে।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত ১৮ জুলাই তিনি তার মাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যান। 


এজাহারে বলা হয়,  ১৯ জুলাই রাত আনুমানিক ১টার দিকে জাহাঙ্গীর পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের বসতঘরের পেছনের জানালা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় ভুক্তভোগী তাকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে জাহাঙ্গীর তাকে জাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় ভুক্তভোগীর ১০ মাস বয়সী শিশুর গায়ে অভিযুক্তের পা লাগলে শিশুটি কান্না শুরু করে। পরে চার বছর বয়সী অপর সন্তানও জেগে কান্নাকাটি শুরু করে। এ সময় জাহাঙ্গীর শিশুটির মুখ চেপে ধরেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে জাহাঙ্গীর ঘরের পেছন দিয়ে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন ওই গৃহবধূ।


ঘটনার পর ভুক্তভোগী তার স্বামী ও স্বজনদের বিষয়টি জানান। পরে অভিযুক্ত ও তার স্বজনদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য হুমকি ও চাপ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।


রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় মামলা করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করে। দুপুরে তাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


সর্বশেষ সব খবর

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে মহাদেবপুরে শোভাযাত্রা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:০৪ এএম

"প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে নওগাঁর মহাদেবপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এর আয়োজন করা হয়।


এ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলা কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানজুরা মুশাররফ এতে সভাপতিত্ব করেন।


উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ খুরশিদুল ইসলাম, সাংবাদিক লিয়াকত আলী বাবলু আজাদ হোসেন মুরাদ প্রমুখ। 


শোভাযাত্রায় অন্যদের অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল, হাতুড় ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী, একাডেমিক সুপারভাইজার ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ অংশ নেন।


বক্তব্য দানকালে ইউএনও উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড, হাসপাতাল গেটের সামনে ও বিভিন্ন জনসমাবেশস্থলে প্রকাশ্যে ধূমপানকারিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।



সর্বশেষ সব খবর

শিক্ষকের পিটুনির শিকার শিক্ষার্থীদের একাংশ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৫৫ এএম

নওগাঁয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৭ শিশুশিক্ষার্থীকে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে পিটানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে অভিভাবকেরা এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেছেন। তবে ওই শিক্ষক দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে পার পাবার চেষ্টা করছেন। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সদর উপজেলার নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল সম্পর্কে ব্যঙ্গ করার জেরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আব্দুস সালাম।


অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস নেবার জন্য কোন শিক্ষক ছিলেন না। এসময় এক শিক্ষার্থী ‘আর্জেন্টিনা স্পেনের কাছে বাঁশ খাইছে’ বলে গান গাওয়া শুরু করেন। গানের শব্দে শিক্ষক আব্দুস সালাম ক্ষিপ্ত হয়ে একখন্ড বৈদ্যুতিক তার দিয়ে শিক্ষার্থীদের এলাপাথারি পিটাতে থাকেন। এতে ওই শ্রেণির ২৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থী আহন হন।


শিশুরা বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। সন্ধ্যায় তারা বিদ্যালয় সংলগ্ন নারচী মোড়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। 


চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার বলেন, ‘সালাম স্যার আর্জেন্টিনা সাপোর্ট করেন। দল হেরে যাওয়ায় আমরা কয়েকজন মিলে ক্লাসে গান গাইছিলাম ব্যঙ্গ করে। এরপর স্যার এসে আমাদের সবাইকে ইচ্ছেমতো মারধর করেন।’


আরেক শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, ‘আর্জেন্টিনা স্পেনের কাছে বাঁশ খাইছে’ এইটা বলে আমরা তিনজন গান গেয়েছিলাম। তারপর স্যার রেগে গিয়ে আমাদের পিঠে বেধড়ক মারধর করেন।’


স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অন্যায়ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’


জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবো।’


জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছানাউল হাবিব বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে লিখিতভাবে অভিযোগ দিলে আমরা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবো।’



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৪৪ এএম

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন আবাসিক হোটেলে গৃহবধূ খুনের প্রধান আসামী স্বামী সাইফুল ইসলামকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার দক্ষিণখান থানাধীন ফায়দাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করলে স্ত্রী হত্যার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। 


বিকেলে গাজীপুর পিবিআই কার্য়ালয়ে পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তার স্বামী মো: সাইফুল ইসলাম (৩৮) জামালপুরের ইসলামপুর থানার বেনুয়ারচর এলাকার বাসিন্দা।


গাজীপুর পিবিআই পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, মহানগরের বাসন থানার চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে থেকে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে গলায় ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতযুক্ত এক অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সংবাদ পেয়ে পিবিআই গাজীপুর জেলার ক্রাইমসিন টিম অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় সনাক্ত করে। নিহত শান্তা বেগম (৩৩) নাটোর সদরের চরলক্ষীকোল এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় ভাড়া থেকে পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পরে নিহতের পিতা বাসন থানায় মামলা করেন।


তিনি বলেন, বাসন থানা পুলিশ একদিন মামলাটি তদন্ত করে। মামলাটি পিবিআই এর সিডিউলভুক্ত হওয়ায় ২৩ জুলাই পিবিআই গাজীপুর জেলা মামলাটি স্ব-উদ্দোগে গ্রহণ করে। এদিকে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে পিবিআই গাজীপুর জেলার টিম প্রথম থেকেই ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় সকাল সাড়ে ৭ দিকে ফায়দাবাদ এলাকার ট্রান্সমিটার মোড় থেকে হত্যাকান্ডের জড়িত আসামি সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার হেফাজত থেকে নিহত শান্তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।


পুলিশ সুপার আরো বলেন, সাইফুল আগে একটি বিয়ে করেছিল। সেই সংসারে দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। পরে গাজীপুরে গার্মেন্টসে চাকুরি করাবস্থায় শান্তার সাথে সম্পর্ক হয় এবং পরে তারা বিয়ে করে। বিয়ের এক বছর পরে জানতে পারে শান্তার পর্বে আরো দুইটি বিয়ে হয়েছিল। শান্তার প্রথম স্বামী জুয়েল এবং দ্বিতীয় স্বামী সবুজের ঘরে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। এছাড়াও সাইফুল ইসলাম বিভিন্ন কারনে শান্তাকে সন্দেহ করতে থাকে শান্তার যে অন্য কারো সাথেও বিবাহ বহির্ভত সম্পর্ক থাকতে পারে। এ বিষয়গুলি জানতে পেরে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয় এবং এক পর্যায়ে শান্তা আসামী সাইফুলকে ডিভোর্স দেয়। এরপর আবার আসামীকে একদিন শান্তা ফোন দিয়ে গাজীপরে আসতে বললে আসামী গাজীপুরে এসে শান্তাকে আবার বিয়ে করার পর প্রায় ২/৩ মাস তাদের ভালো চলে। কিন্তু এরপরেও সাইফলের মনে শান্তার প্রতি সন্দেহ থেকেই যায়। এর জেরে ঝগড়া ঝাটি করে সাইফল তার খালুর বাড়ীতে চলে যায়। 


গত ২১ জুলাই সকাল শান্তা সাইফুলকে ফোন করে গাজীপুর চৌরাস্তায় আসতে বলে। এসময় সাইফুল শান্তাকে বাসা থেকে ফল কাটার ছুরি নিয়ে আসতে বলে। পরে তারা গাজীপুর চৌরাস্তায় একাটি হোটেলে খাওয়া দাওয়া ওই আবাসিক হোটেলে রুমে অবস্থান কালীন সময় পুরনো কথাবার্তা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এসময় তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে সাইফুল শান্তার আনা ছুরি দিয়ে শান্তার গলায় ও বুকে আরো আঘাত করে মোবাইল ও আইডি কার্ড নিয়ে পালিয়ে যায়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৩১ এএম

গাজীপুরে মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় পিতার যাবজ্জীন সশ্রম কারাদন্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনাল, গাজীপুর মহানগরের বিচারক মো. আবুবক্কর সিদ্দিক বৃহস্পতিবার আদালতে আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। এসময় রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি আইনজীবী (পিপি) মোছাম্মৎ সেলিনা বেগম এবং আসামি পক্ষের আনজীবী মো. সোহেল জামিন সরকারসহ অন্যান্য আইনজীবীগণ উপস্থিত ছিলেন।


রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি আইনজীবী (পিপি) মোছাম্মৎ সেলিনা বেগম জানান, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার পুরাতন দোহারো খুলুমবাড়ি এলাকার স্থানীয় রিপন হোসেনের স্ত্রী মোসা. জোসনা বেগম (৩৯) এবং মেয়ে (১৫)কে নিয়ে গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন মাধবপুরের বরিশালের টেক এলাকায় বসবাস করতেন। গত বছরের ২৬ মার্চ রাত ১০টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পরেন। পরে ওই রাতেই ভিকটিমের পিতা মো. রিপন হোসেন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় ভিকটিমের মা জোসনা বেগম পিতাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন এবং পুলিশ পাষণ্ড পিতাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন। পরে কাশিমপুর থানার এস আই রোকন মিয়া তদন্ত শেষে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জসীট দাখিল করেন। পরে আদালত গত ১১ মে চার্জ গঠন করেন এবং সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। চার্জ গঠনের দুই মাসের মধ্যে বিজ্ঞ বিচারক এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন। 


আসামী পক্ষের আনজীবী মো. সোহেল জামিন সরকার বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ যে কয়জন সাক্ষীর সাক্ষা গ্রহণ করেছেন আমি তাদেরকে যথেষ্ট জেরা করেছি। তাদের একজনের সাথে আরেক জনের সাক্ষয় অনেক অমিল রয়েছে। তারপরেরও বিজ্ঞ বিচারক যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন। লিগ্যাল এ্যাড কতৃক নিযুক্ত বিবাদী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে আমি এ রায়ে সংক্ষুব্ধ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:২৬ এএম

গোপালদী বাজারের থাই অ্যালুমিনিয়াম ব্যবসায়ী রক্তদাতা, মানবিক সংগঠক জহিরুল ইসলামের ওপর বর্বরোচিত ও নৃশংস হামলার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো গোপালদী পৌরসভা। 


হামলায় জড়িত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে গোপালদী পৌরসভার ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


গোপালদী পৌরসভার উলুকান্দী পশ্চিম পাড়া কবরস্থান সংলগ্ন খেলার মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি গোপালদী বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গলি প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ড দিয়ে শেষ হয়। এ সময় অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মিছিলে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ।


মানববন্দনে বক্তব্য রাখেন বাজারের ব্যবসায়ী আমির হোসেন,রনি খন্দকার,মিয়া চাঁন,আমিন মিয়া,জামাল মিয়া। 


এ সময় বক্তারা বলেন, গত ২১ জুন সন্ধ্যায় চাঁদার দাবিতে গোপালদী বাজার বালুর মাঠে ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম,ফারুক,আলমগীর সহ কয়েকজন ব্যবসায়ীদের উপর হামলা করে একই এলাকার মাদককারবারী আক্তার হোসেন,কামাল হোসেন,বিল্লাল হোসেন,জুবায়ের,সুজন,সোহাগ,সিয়াম,ফাহিমসহ আন্তত ৭/৮জন সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। 


এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত হন ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম,ফারুক,আলমগীর হোসেন। হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হলেও ঘটনার ১ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো আসামী গ্রেফতার হয়নি। 


পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করতে না পারায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপস্থিত ব্যবসায়ীরা। দ্রুতই আসামীদের গ্রেফতারের দাবি জানান তারা। ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে ব্যবসায়ীরা বৃহৎ আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন।

সর্বশেষ সব খবর