জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান

  • প্রকাশ : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৭ পিএম

দেশের মানুষ বর্তমান সরকারের কাছ থেকে মুক্তি চায় মন্তব্য করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া কথা রক্ষা করেনি।


আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লার পদুয়া বাজার এলাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন শফিকুর রহমান। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি কুমিল্লা বিভাগ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি কুমিল্লা বিমানবন্দর চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের আহ্বান জানান।


শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৯৪ সালে সিলেট বিভাগ হওয়ার সময় একই সঙ্গে কুমিল্লা বিভাগ করার দাবি উঠেছিল। কিন্তু তখন কুমিল্লা বিভাগ হয়নি। কুমিল্লাবাসীর অপরাধ কী—প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর ‘ধানাই-পানাই’ না করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, পাশের বৃহত্তর নোয়াখালীও বিভাগ দাবি করছে। তারাও বিভাগ পাওয়ার দাবিদার। তবে আগে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে।


কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই ভালো! চাঁদাবাজ নাই! আছে?’ এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে লংমার্চ যাবে। এরপর ঢাকায় মহাসমাবেশ হবে। দাবি আদায়ের জন্য ওই কর্মসূচিতেও কুমিল্লার মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


লংমার্চে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকারের মন্ত্রীদের সন্তান, পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের অনেকে দুর্নীতি ও বিভিন্ন সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।


এই সরকারের উপরে বিরক্ত মানুষ মন্তব্য করে নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ছয় মাসে সরকার দেশ পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর কোনোটি সরকার রাখতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, জনগণের বক্তব্য শুনতে হবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ বলছে, তারা বর্তমান সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, যেখানে যাওয়া যায়, সেখানেই দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাস্তানি, জায়গা দখল, নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও মাদকের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। দেশকে ‘জাহান্নামে’ পরিণত করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


বর্তমান সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন এলডিপির সভাপতি। তিনি বলেন, মানুষের মুখে মুখে আছে যে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের পতন হবে। তাঁর দাবি, সরকার কিছু করুক বা না করুক, ‘নিজের ভারে নিজেই পড়ে যাবে।’


বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, জনগণের রায় কার্যকর করে জনদুর্ভোগ কমানোর পদক্ষেপ নিতে সরকার ব্যর্থ হলে জনতার মিছিল আরও দীর্ঘ হবে। এই মিছিল বাড়তে বাড়তে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত গণজোয়ার তৈরি হবে এবং সেই গণস্রোতে সরকার ভেসে যেতে বাধ্য হবে।


মামুনুল হক অভিযোগ করেন, ভোট ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে সরকার ক্ষমতায় এসেছে। দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলার স্বার্থে তাঁরা তা মেনে নিয়েছেন। কিন্তু ৭০ শতাংশ মানুষের ‘হ্যাঁ’ ভোটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণার ধারাবাহিকতা চলতে থাকলে সরকারের পরিণতি অতীতের ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম প্রমুখ।


কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে পথসভা পরিচালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মো. মাহবুবুর রহমান। এতে ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:১৭ এএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।


বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।


নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।


নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।


তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।


মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।


পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।


কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।


সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে উপজেলা প্রশাসনের সচেতনতামূলক প্রচারণা!

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪০ পিএম

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, সন্ধ্যার পর বাইরে আড্ডা এবং মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করছে উপজেলা প্রশাসন। এ পরিস্থিতি উত্তরণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।


উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে এসব সচেতনতামূলক নির্দেশনা প্রচার করা হচ্ছে।


প্রচারণায় জানানো হয়, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী মাগরিবের পর কোনো শিক্ষার্থী বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। ১৮ বছরের কম বয়সী কারও কাছে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। এ ছাড়া বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষার্থীদের দোকানে বসে অযথা আড্ডা দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।


পাশাপাশি ছোট শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ডোবা, পুকুর, খাল ও নদী থেকে তাদের দূরে রাখতে অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।


ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পরীক্ষার ফলাফলের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এ ধরনের সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রচারিত নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সর্বশেষ সব খবর

৩য় আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরি-২৬। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৬ পিএম

শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের গুণাবলি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে ছয় দিনব্যাপী ‘৩য় আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরি-২৬’। এতে রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে ১৩০টি ইউনিটের প্রায় ১ হাজার ২শ কাব স্কাউট, গার্ল-ইন-কাব স্কাউট, ইউনিট লিডার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ স্কাউটস, দিনাজপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার ও ক্যাম্পুরির ক্যাম্প চিফ মো. আখতারুজ্জামান।


বাংলাদেশ স্কাউটস, দিনাজপুর অঞ্চলের উদ্যোগে ৪ থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত এ ক্যাম্পুরি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে নীল আকাশ, সবুজ বন, স্কাউটিংয়ে গড়ি জীবন’।


প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলার স্কাউটরা এতে অংশ নিচ্ছেন। ক্যাম্পুরিতে শিশুদের জন্য থাকছে ১০টি চ্যালেঞ্জভিত্তিক স্কাউটিং কার্যক্রম। এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থাপন করা হয়েছে দুটি ভিলেজ ও চারটি সাব-ক্যাম্প।


অংশগ্রহণকারী শিশুদের আবাসন, খাবার, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ আয়োজন সফল করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী সংগঠন সহযোগিতা করছে।


আয়োজকরা জানান, ক্যাম্পুরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর। আর মহাতাঁবুজলসা ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলমের।


আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশুদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ, শৃঙ্খলা, আত্মনির্ভরশীলতা, পরোপকারিতা ও পরিবেশ সচেতনতা বাড়বে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের দক্ষ, দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে তারা অনুপ্রাণিত হবে।

সর্বশেষ সব খবর

নীলফামারী সদরের পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কিসামত ভুটিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৪ পিএম

নীলফামারী সদরের পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কিসামত ভুটিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দ্বিজেন্দ্রনাথ রায়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনা স্থানীয়ভাবে মীমাংসার মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।


সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, গত দুই দিন ধরে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে এসে শুধু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই শিক্ষা অফিসে চলে যাচ্ছেন। তবে বিদ্যালয়ের দায়িত্ব অন্য কোনো শিক্ষকের কাছে বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। এমনকি মুভমেন্ট রেজিস্টারেও নিয়ম অনুযায়ী কোনো তথ্য লিখে যাচ্ছেন না বলে অভিযোগ সহকারী শিক্ষকদের।


স্থানীয় এক দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত পরশু দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এর আগেও পঞ্চম শ্রেণিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই ধরনের ঘটনার অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিচার হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার পর আবারও স্বাভাবিকভাবে ক্লাস করছিলেন ওই শিক্ষক। এবারও বিষয়টি মীমাংসার পর্যায়ে রয়েছে বলে সহকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে শুনেছেন তিনি।


স্থানীয় যুবক পলাশ চন্দ্র রায় বলেন, দুই-তিন দিন ধরে এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। শিশুরা বিদ্যালয়ে যেতে ভয় পাচ্ছে। তিনি নিজের ভাতিজিকেও অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছেন। একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বারবার এমন অভিযোগ উঠলে শিশুদের নিরাপত্তা কোথায় ? এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।


এছাড়াও এলাকায় অসংখ্য মানুষের ভুঁড়ি ভুঁড়ি অভিযোগ ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সকলেই বলছেন, বাবা-মায়ের পরে আমরা শিশুদের ভরসার জায়গা মনে করি শিক্ষকদের কাছে । কিন্তু শিক্ষকরাই যদি এরকম কর্মকাণ্ড করে। তাহলে আমরা তাদের কোথায় পাঠাবো। তদন্ত সাপেক্ষে এর উপযুক্ত বিচারের দাবি জানাচ্ছি। 


বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অনিমেষ চন্দ্র রায় বলেন, তিনি এখনো কমিটির দায়িত্ব বুঝে পাননি। তবে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগের বিষয়টি শুনেছেন। দায়িত্ব বুঝে না পাওয়ায় এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছেন না।


এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাচ্ছে না। তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।


প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে পাওয়া না গেলেও সহকারী শিক্ষক সুধেন রায় জানান, গত দুই দিন ধরে প্রধান শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে শিক্ষা অফিসে যাওয়ার কথা বলে বিদ্যালয় ত্যাগ করছেন। তবে বিদ্যালয়ের দায়িত্ব কাউকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন না এবং মুভমেন্ট খাতায়ও স্বাক্ষর করছেন না।


এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জছিজুল আলম মণ্ডল বলেন, গত দুই দিন ধরে প্রধান শিক্ষক দ্বিজেন্দ্রনাথ রায় সংসদ সদস্যের ডিও লেটার নিয়ে বদলির বিষয়ে শিক্ষা অফিসে আসছেন এবং এ নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে লিখিত অভিযোগ প্রয়োজন। অন্যদিকে, নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ের দায়িত্ব ফেলে শিক্ষা অফিসে আসার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার প্রতিবাদে মানববন্ধন

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৭ পিএম

পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।


মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পৌর শহরের চৌরাস্তায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন পালন করা হয়। মানববন্ধনে বীর মুক্তিযোদ্ধা, তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর করিম, যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুল হক চৌধুরী, সদর উপজেলা কমান্ডার আনোয়ার হোসেন ও সাবেক উপজেলা কমান্ডার সুবোধ চন্দ্র রায়।




বক্তারা অভিযোগ করেন, পিরোজপুরের চিতলিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর গার্ড অব অনার, জানাজা ও দাফনে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বাধা দিয়েছেন। দেশের স্বাধীনতার জন্য যাঁরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, তাঁদের শেষ বিদায়েও এমন বাধা দেওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তাঁরা।


বক্তারা আরও বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় সম্মান ও মর্যাদা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তাঁর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।


মানববন্ধন থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে যাতে কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:২৫ পিএম

নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুলের বিরুদ্ধে ব্যাংক ড্রাফট ও খাদ্য গুদাম থেকে অর্থ আত্মসাৎ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম বুলেট। গত আট-নয় মাসে এমপি কোথা থেকে কত টাকা নিয়েছেন, কোন ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংক ড্রাফট জমা হয়েছে, তার সব তথ্য-প্রমাণ ও ব্যাংক ড্রাফটের নম্বর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে এমপির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কথাও বলেছেন বুলেট।


সম্প্রতি বিএনপি নেতার এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে রবিউল আলম বুলেটকে বলতে শোনা যায়, মহাদেবপুরে বিএনপির নামে আলাদা সাইনবোর্ড লাগিয়ে কার্যালয় করা হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বরের কর্মসূচি শেষে ওই সাইনবোর্ড টেনে খুলে ফেলে দেওয়া হবে।


বক্তব্যে তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান (তারেক রহমান) তাঁদের সুসংগঠিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। জনগণের বিশ্বাস অর্জন করতে হলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলতে হবে। তাঁরা সেই নিয়ম মেনেই চলছেন। এতদিন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা বিবেচনা করে মুখ খোলেননি। সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বুলেট বলেন, ‘আমি শুনেছি, একটি প্রোগ্রামে উনি (এমপি) নাকি বক্তব্য দিয়েছেন, আমরা প্রত্যেকটি ইউনিয়নে চিঠি দিয়ে টাকা চেয়েছি। আমাদের চিঠির বিনিময়ে জবাব দিক, কোন ইউনিয়নের কাছে আমরা টাকা চেয়েছি? আর এমপি সাহেব কার কাছে টাকা চেয়েছেন, তার প্রমাণসহ হাজির হব মহাদেবপুরের মানুষের কাছে। অপেক্ষা করেন, ওঁর (এমপি) প্যান্ট–টাই এই মহাদেবপুরের মাটিতে আমি যদি খুলে নিতে না পারি, আর কোনো দিন রাজনীতি করব না।’


তিনি আরও বলেন, গত আট-নয় মাসে সংসদ সদস্য কোথা থেকে কত টাকা নিয়েছেন এবং কোন ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংক ড্রাফট জমা হয়েছে, তার সব হিসাব ব্যাংক ড্রাফটের নম্বরসহ তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করবেন। মহাদেবপুর থানা এলাকায় ব্যাংক ড্রাফটসংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলেও রাজনীতি করবেন না বলে জানান তিনি।


ভিডিওতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের উদাহরণ টেনে বুলেট বলেন, শেখ হাসিনার কাছে পুলিশ, আর্মি, বিজিবি, প্রশাসন ও ক্ষমতা ছিল। কিন্তু জনগণের কাছে তিনি টিকে থাকতে পারেননি। সংসদ সদস্য যত ক্ষমতাধরই হোন না কেন, তাঁর সঙ্গে পুলিশ কিংবা সিভিল প্রশাসন থাকলেও জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কিছু নয়।


বর্তমান সংসদ সদস্যের সমালোচনা করে উপজেলা বিএনপি সভাপতি আরও বলেন, আট-নয় মাসের সংসদ সদস্য হয়ে জেল থেকে বাঁচতে তাঁর প্রতিনিধিকে ইউএনওর পা ধরতে হয়েছে। সেই ইতিহাস সবার জানা। ইউএনও ওই প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর পা ধরে ক্ষমা চাওয়া হয়। এখন বাইরে এসে বড় বড় কথা বা ‘লম্বাগিরি’ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


এমপির টকশোতে দেওয়া বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন বুলেট। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য টকশোতে দাবি করেন, ডিসি তিন কোটি টাকা নিয়েছেন। কিন্তু ডিসি কি সংসদ সদস্যের অধীন? সরকার কি সংসদ সদস্যের? ডিসি টাকা নিয়ে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না কেন? এসব কথা টকশোতে বলা গেলেও জনগণকে বোঝানো যাবে না, এমনটি ভাবার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।


স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য সেলিমের সময়ের সঙ্গে তুলনা করে রবিউল আলম বুলেট বলেন, বিগত পাঁচ বছরে সেলিম যা করেননি, তাঁর ধারণা, গত আট-নয় মাসেই বর্তমান সংসদ সদস্য তার চেয়ে বেশি দুর্নীতি করেছেন। একটি খাদ্য গুদাম থেকেই তিনি তিন কোটি টাকার বেশি নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন বুলেট। কোনো কাজ না করেই কীভাবে কাজের বিল তোলা হয়েছে, তার সব হিসাব সময়মতো জনগণের সামনে তুলে ধরার কথাও জানান তিনি।


এদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম বুলেট বলেন, এ বিষয়ে সময়মতো কথা বলবেন।


অন্যদিকে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল বলেন, রাজনীতিতে থাকলে মানুষ এমন রাজনৈতিক কথা বলবেই। বাংলাদেশ এখন তথ্যপ্রবাহের ক্ষেত্রে স্বাধীন এবং বিএনপি সবকিছু উন্মুক্ত করে দিয়েছে। তাই লুকোচুরির কিছু নেই। যার কাছে অডিও বা বক্তব্য রয়েছে, তিনি প্রমাণসহ জাতির সামনে আসুন।


তিনি আরও বলেন, ‘আমি রাজনীতিতে নতুন নই। রাজনীতি করতে গেলে অনেকেই অনেক কথা বলবে। আপনারা স্বাধীনভাবে খোঁজ নিয়ে নিজেদের মতো রিপোর্ট করতে পারেন।’

সর্বশেষ সব খবর