জনপ্রিয় যুবদল নেতা সাজু
মশিউর রহমান রাসেল দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক ত্যাগ, মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে ঝালকাঠি জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক সাজুকে জেলা যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চান তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি অংশ।
ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এনামুল হক সাজু দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ঝালকাঠি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঝালকাঠি জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় এনামুল হক সাজু বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে মামলা ও কারাবরণের ঘটনাও রয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তা তাঁর রাজনৈতিক পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করছেন নেতাকর্মীরা।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে এনামুল হক সাজুর প্রতি দলের তরুণ নেতাকর্মীদের একটি অংশের আস্থা রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। জেলা যুবদলের নতুন নেতৃত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে তাঁর নামও সামনে এসেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনামুল হক সাজু বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলাম। এ সময়ে অসংখ্য মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়ে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে। বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে সবসময় রাজপথে ছিলাম। বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান যেভাবে, যখন যে নির্দেশনা দিচ্ছেন, সেভাবেই দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রেখে যাচ্ছি।
ভবিষ্যতেও জিয়া পরিবারের প্রতি আস্থা ও বিশ্বস্ততা রেখে রাজপথে থেকে দলের জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমি সবসময় বিশ্বাস করি, রাজনীতি করতে হলে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। ত্যাগ ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভূমিকার মূল্যায়ন একদিন অবশ্যই হবে-ইনশাআল্লাহ।”
তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা, ত্যাগ, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভূমিকা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তার যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে জেলা যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হোক।
ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ই নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভপিতিত্ব করেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতীক কুমার কুন্ডু।
সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান প্রতীক কুমার কুন্ডু।
বক্তব্য রাখেন নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো:আনিচুর রহমান (হেলাল) খান, নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: তৌহিদুজ্জামান সোহাগ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো:হাবিবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা প্রনীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আবু সালেহ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন আকতার, উপজেলা (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী, বীর মুক্তযোদ্ধা রুস্তম আলী খলিফা, নলছিটি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন ও নলছিটি প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মো: শাহাদাত হোসেন মনু।
৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন বক্তারা।
সভায় অন্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান পলাশ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: এনামুল হক, উপ পরিদর্শক (ডিএসবি) মো: আজিজুর রহমান, উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম আতিকুর রহমান সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রিশাল বিভাগ সমিতি ঢাকার কার্যকরি পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত। ছবি: সংগৃহীত
শনিবার (৭ই নভেম্বর) বিকালে মতিঝিল কিচেন ইয়ার্ডে ভিআইপি রুমে বরিশাল বিভাগ সমিতি ঢাকার কার্যকরি পরিষদের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নতুন কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন আয়োজন সিদ্ধান্ত আগামী ২৬ ডিসেম্বর শনিবার নির্ধারণ করা হয়েছে।
উক্ত সভায় সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিয়াউল কবির দুলু'র সভাপতিত্ব ও সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আবদুছ ছোবাহান এর সঞ্চালনায় কার্যকরি পরিষদের ২৫ জন কর্মকর্তা ও নির্বাহী সদস্য উপস্থিত ছিলেন ও প্রস্তাবনা পেশ করেন। সভায় আগামী ২৬ ডিসেম্বর শনিবার সম্মেলন ও নির্বাচনে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারন করা হয় এবং মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে একই অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় শের ই বাংলা এ কে ফজলুল হক এর ১৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান শৃঙ্খলার সাথে সুসম্পন্ন হওয়ায় সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয় এবং স্মরনিকা প্রকাশ সহ অনুষ্ঠানের সর্বমোট খরচ ১,৫০,৫৩০ টাকা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীরকে জানাযা ও দাফনে বাধা দেয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বর্তমান অমানবিক পরিস্থিতিতে তাঁর পরিবারের পাশে দাড়ানো ও সমিতির পক্ষ থেকে আর্থিকভাবে ১০,০০০/(দশহাজার) টাকা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় এইচএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল খারাপ হওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করা হয় এবং আগামীতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল আরও ভালো করতে সভা থেকে সমিতির সভাপতি সরাসরি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এর সাথে কথা বলে পরামর্শ প্রদান করেন এবং অতি শীঘ্রই সমিতির একটি প্রতিনিধি দল বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করে শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে মত বিনিময় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় প্রতি বছরের মতো আসন্ন শীতে সমিতির মাধ্যমে শীতবস্ত্র/কম্বল বিতরন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং দুঃস্থ মানুষকে শীতবস্ত্র দিতে কম্বল ক্রয়ের জন্য সমিতির সদস্য, উপদেষ্টা ও সম্পদশালী ব্যক্তিদের নিকট থেকে আর্থিক অনুদানের অনুরোধ জানায় এবং সভাপতি মোবাইল ০১৭১০৯২৯৯৫৭ (বিকাশ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. মো: রুবেল হাওলাদার মোবাইল ০১৭৩০৮৮৭৭৭৭ পাঠাতে অনুরোধ করা হয়। সভায় সমিতির নির্বাচনকে সফল করার জন্য বরিশাল বিভাগের প্রত্যেক উপজেলার প্রতিনিধি নিশ্চিত ও সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপি পদস্থ কর্মকর্তাদেরকে সম্পৃক্ত করতে সভায় গুরুত্ব দেয়া হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর শওকত ইসলাম, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এড. মো: রুবেল হাওলাদার, সাংবাদিক কায়কোবাদ মিলন, সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম সুলতান আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এনায়েত হোসেন আকন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক, আনিসুর রহমান, আসাদুজ্জামান খান, মো: আবুল কালাম, ড. নাঈম হোসেন,খন্দকার আবুজাফর মো: সালেহ, মো: জাকারিয়া মোল্লা, মো: আবদুল মান্নান প্রমুখ।
সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিয়াউল কবির দুলু সকলকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে সমিতি ও এলাকার উন্নয়নে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান এবং সমিতির আসন্ন নির্বাচন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করে উপস্থিত কর্মকর্তা ও নির্বাহী সদস্যগনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।। ছবি: সংগৃহীত
গ্রেপ্তার মো. ফরিদ। ছবি: সংগৃহীত
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও ভাষণ প্রচারের কর্মসূচি নিয়েছিল চট্টগ্রাম নগর বিএনপি।। ছবি: সংগৃহীত
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও ভাষণ প্রচারের কর্মসূচি নিয়েছিল চট্টগ্রাম নগর বিএনপি। নগরের অন্যান্য এলাকার মতো আজ শনিবার সকাল থেকে আগ্রাবাদেও মাইকে গান বাজানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে মাইকে বেজে ওঠে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গানটি।
মাইকে গানটি বাজানোর ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ বলছে, বিএনপির কর্মসূচিতে অসতর্কতাবশত গানটি বেজে উঠেছিল। তবে বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দেখলেও ঘটনার বিস্তারিত তাঁদের জানা নেই। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাইকে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গানটি বাজছে। পাশের সড়কে চলাচল করছে রিকশা, অটোরিকশা, সাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।
জানতে চাইলে নগরের ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ ফয়সাল প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির কর্মসূচিতে অন্য একটি গান বাজানোর ভিডিও তাঁদের নজরে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কর্মসূচির আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলেছে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ইউটিউব থেকে দলীয় গান বাজানো হচ্ছিল। একের পর এক গান চলার মধ্যেই এক পর্যায়ে ওই গানটি বেজে ওঠে। তবে দ্রুত গানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে গানটি বাজানো হয়নি।
চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। সারা দিন দলীয় কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তবে কারা গানটি বাজিয়েছেন, তা খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
দলের যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) শওকত আজম খাজা বলেন, ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও ভাষণ প্রচারের কর্মসূচি ছিল। আগ্রাবাদে দলের কর্মসূচিতে অন্য দলের গান বাজানোর একটি ভিডিও তাঁর নজরে এসেছে। তবে কারা গানটি বাজিয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।