বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৪০ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলতি বছরের শেষের পর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়া বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র।


টেলিফোনে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরায়েলকে টাকা দেওয়ার বিষয়ে বিবি (বেনিয়ামিন) নেতানিয়াহু এবং আমি একটি চুক্তি করেছি। আমরা ইসরায়েলকে এক বছরে ৪০০ কোটি ডলার দিই। আমরা কয়েক মাস আগেই চুক্তি করেছি যে আমরা এটি বন্ধ করে দিচ্ছি।’ 


তিনি আরও বলেন, ‘এতে তাদের কোনো সমস্যা নেই, কারণ তারা এখন খুব সফল একটি দেশ হয়ে উঠেছে। তাদের এই টাকার দরকার নেই। আর আমরাও ইসরায়েলকে আর টাকা দেব না।’


ট্রাম্প বলেন, ‘কাজেই এটা শুধুই অর্থের অপচয়। কারণ, আমরা আগেই একমত হয়েছি যে এই বছরের শেষ থেকে আমরা ইসরায়েলকে আর টাকা দিচ্ছি না।’


মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তাদের প্রয়োজন হলে আমরা ইসরায়েলকে সাহায্য করব। তারা একটি দারুণ মিত্রদেশ। আর আমরাও সবার চেয়ে সেরা মিত্র।’


যুক্তরাষ্ট্র অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে ইসরায়েলকে সবচেয়ে বেশি সামরিক সহায়তা দেয়। তবে চুক্তি অনুযায়ী, এই তহবিলের বেশির ভাগ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অস্ত্র কিনতেই খরচ করতে হয়।


ট্রাম্পের এই ঘোষণা প্রায় পুরোপুরি মিথ্যা বলেই মনে হচ্ছে। কারণ, ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সামরিক সহায়তার ১০ বছর মেয়াদি চুক্তিটি ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বরের আগে শেষ হবে না। এই চুক্তির আওতায় ইহুদি রাষ্ট্রটি বছরে ৩৮০ কোটি ডলার পেয়ে থাকে।


নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে এবং বারবার ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের কথা বলেছেন ঠিকই। তবে তিনি আগামী দশকে ধাপে ধাপে এটি করার কথা বলেছেন, ট্রাম্পের মতো হঠাৎ করেই সব বন্ধের কথা বলেননি।


প্রেসিডেন্ট তাঁর এই ঘোষণাকে ঠিক প্রমাণ করতে জোর দিয়ে বলেন যে ইসরায়েল একটি ভালো মিত্র এবং তারা এই নীতিকে সমর্থন করে। কিন্তু কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের সকালে তাঁর এমন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই দলের কাছেই ইসরায়েলকে সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি কতটা অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সহায়তা বন্ধের আকস্মিক ঘোষণায় ইসরায়েলের অর্থ মন্ত্রণালয়ে চরম বিস্ময়।


ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলের অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, বছরের শেষে ইসরায়েলকে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধ করার ঘোষণায় তাঁরা অবাক হয়েছেন।


সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লা জানিয়েছে, একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সহায়তা বন্ধের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়নি।’ ইসরায়েলি ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘মন্ত্রণালয় এটি বন্ধের ইচ্ছার কথা জানত। কিন্তু হঠাৎ করেই এখনই এটি বন্ধ করার সিদ্ধান্তে আমরা অবাক হয়েছি।’


সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নাম প্রকাশ না করে শীর্ষস্থানীয় একজন ইসরায়েলি  কর্মকর্তার কথা তুলে ধরেছে। তিনি বলেছেন, এই ঘোষণার কারণে অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে। 


তিনি বলেন, ‘দুই বছরের সহায়তা ছেড়ে দেওয়ার মানে হলো ৮০০ কোটি ডলার হারানো। আমরা এই অর্থ কোথায় পাব? এটা পরিষ্কার—নাগরিকদের করের টাকা থেকে নিতে হবে।’


ট্রাম্পের এই বক্তব্যের বিষয়ে শিগগিরই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



সর্বশেষ সব খবর

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৭ এএম

স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৬৯ জন নিহত হওয়ার ছয় দিন পর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দেশটির আইনপ্রণেতাদের সামনে দুর্ঘটনা নিয়ে দীর্ঘ শুনানিতে বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান।

অস্কার পুয়েন্তে বলেন, এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এত বড় দুটি দুর্ঘটনার পর স্পেনের মতো একটি দেশের পরিবহনমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা সম্ভব নয়।

গত ২৮ অক্টোবর মাদ্রিদের দক্ষিণে একটি দ্রুতগতির ট্রেনের সঙ্গে রেললাইনে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণ হারান ৬৯ জন। দুর্ঘটনার সূত্রপাত হয় মাদ্রিদ-সেভিয়া রেলপথে নিরাপত্তাব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত যোগাযোগব্যবস্থা বিকল হয়ে পড়ার পর।

এ অবস্থায় মাদ্রিদের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে দায়িত্ব নিয়ে রাষ্ট্রীয় রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রেনফের একটি দ্রুতগতির ট্রেনকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। অথচ একই লাইনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইরিও পরিচালিত আরেকটি ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল। পরবর্তী সময়ে ট্রেন দুটির সংঘর্ষে এই ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ বছর মাদ্রিদ-সেভিয়া রেলপথে এটি দ্বিতীয় বড় দুর্ঘটনা। এর আগে গত জানুয়ারিতে একই রেলপথের আরও দক্ষিণে একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। ওই ঘটনায় প্রাণ হারান ৪৬ জন। দুর্ঘটনাটির তদন্ত এখনো চলছে।

পুয়েন্তে জানান, ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরপরই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে এত দিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি।

পরপর দুটি বড় দুর্ঘটনায় স্পেনের রেল যোগাযোগব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের মাত্র চার সপ্তাহ আগে সর্বশেষ দুর্ঘটনাটি দেশটির পরিবহন খাতকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

বিশ্বে দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের দিক থেকে চীনের পরই স্পেনের অবস্থান। তিন দশকেরও বেশি সময় আগে চালু হওয়ার পর চলতি বছরের আগে দেশটির এই রেল নেটওয়ার্কে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে মঙ্গলবার রেল নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা জোরদারে বেশ কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে স্পেন সরকার। এর মধ্যে নিয়ন্ত্রণকক্ষের পরিবেশ ও কার্যক্রমের উন্নয়ন এবং ইউরোপীয় মানসম্মত রেল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সিগন্যালিং প্রযুক্তি দ্রুত চালুর উদ্যোগ রয়েছে। 

সর্বশেষ সব খবর

ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে চলছে উদ্ধারকাজ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪১ এএম

উক্রেনের খারকিভ শহরের একটি হাসপাতালে রাশিয়ার বোমা হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।


সোমবার (২ অক্টেবর) রাতে চালানো এ হামলায় খারকিভের একটি নগর ক্লিনিক্যাল হাসপাতাল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাসপাতালটির হৃদ্‌রোগ বিভাগেও হামলার প্রভাব পড়েছে। ওই বিভাগে তখন রোগীদের চিকিৎসা চলছিল।


ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘রুশ বাহিনী সরাসরি একটি নগর ক্লিনিক্যাল হাসপাতালে আঘাত হেনেছে। এতে ৭৩ জন আহত হয়েছেন। হাসপাতালের হৃদ্‌রোগ বিভাগও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।’ খারকিভের মেয়র ইহোর তেরেখভও টেলিগ্রামে হাসপাতালটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হামলায় হাসপাতালটির এক হাজারের বেশি জানালার কাচ ভেঙে গেছে।


এদিকে, ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। জেলেনস্কি এ হামলাকে ‘সমন্বিত ও ব্যাপক আক্রমণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।


তিনি জানান, ওদেসা, চেরকাসি, জিতোমির, ভিনিতসিয়া, খারকিভ, দিনিপ্রো, চেরনিভৎসি, চেরনিহিভ ও রিভনে অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র এবং সাবস্টেশনগুলো ছিল হামলার প্রধান লক্ষ্য।


জেলেনস্কির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাতভর ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে ২৮৯টি আক্রমণকারী ড্রোন, ১৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৯টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া।


এর এক দিন আগেই ইউক্রেনের একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রে রুশ হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

নেপালের এভারেস্ট বেস ক্যাম্পের কাছে দুটি হেলিকপ্টার সংঘর্ষ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৩৪ এএম

নেপালের মাউন্ট এভারেস্ট অঞ্চলে অবতরণের প্রস্তুতির সময় দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে এক ভারতীয় পর্যটক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন এক নিউজিল্যান্ডের নাগরিক। মঙ্গলবার এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।


সোলুখুম্বু জেলার প্রধান জেলা কর্মকর্তা কামান সিং থাপা মাগার রয়টার্সকে বলেন, এভারেস্ট বেস ক্যাম্প এলাকায় হেলিকপ্টার দুটি সংঘর্ষে জড়ায়। আহত নিউজিল্যান্ডের নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি সংবাদমাধ্যমটি। ভিডিওতে অবতরণের মুহূর্তে হেলিকপ্টার দুটির পাখায় সংঘর্ষের পর সেগুলো বরফে ঢাকা মাটিতে আছড়ে পড়তে দেখা যায়।


হেলিকপ্টার দুটি পরিচালনা করছিল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফিশটেল এয়ার ও ডাইনেস্টি এয়ার। ফিশটেল এয়ার জানিয়েছে, তাদের হেলিকপ্টারটি এভারেস্ট অঞ্চল থেকে উদ্ধার করা যাত্রীদের নিয়ে অবতরণের সময় দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে থাকা ভারতীয় ও নিউজিল্যান্ডের নাগরিক দুজনই পর্যটক ছিলেন। অন্যদিকে ডাইনেস্টি এয়ারের হেলিকপ্টারটিতে শুধু মালামাল ছিল বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা।


নেপালে এখন পর্বতারোহণ ও ট্রেকিংয়ের ব্যস্ত মৌসুম। এ সময় পর্যটক, পর্বতারোহী ও উদ্ধারকাজে হেলিকপ্টার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন এবং উচ্চতায় বাতাসের ঘনত্ব কম থাকায় সেখানে উড়োজাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ।


নেপালে বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতের আটটি অবস্থিত। প্রতিবছর হাজারো বিদেশি পর্বতারোহী ও পর্যটক দেশটিতে যান।


এর কয়েক দিন আগে ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের বদ্রীনাথে উড্ডয়নের পরপরই একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এতে পাইলটসহ ছয়জন নিহত হন।

সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাজ্যের পতাকা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:১৬ এএম

যুক্তরাজ্যের ‘হাই পটেনশিয়াল ইন্ডিভিজুয়াল’ (এইচপিআই) ভিসার যোগ্য বিশ্বের ৮২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্প্রতি স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এ ভিসায় যুক্তরাজ্যে বসবাস ও কাজের সুযোগ পেতে পারেন।

যদিও এই তালিকায় বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই। তালিকায় থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চলতি নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এইচপিআই ভিসার জন্য যোগ্য ধরা হবে। এইচপিআই ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের বাইরে যোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে সম্প্রতি স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা দেশটিতে যাওয়া, কাজ বা চাকরি খোঁজার সুযোগ পান। আবেদনের আগে চাকরির প্রস্তাব কিংবা স্পনসরশিপের প্রয়োজন নেই।

তবে তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক মানেই ভিসা নিশ্চিত নয়। আবেদনকারীদের যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে প্রয়োজনীয় ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা এবং আর্থিক সক্ষমতার শর্তও রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:২২ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পরও ইরানের প্রতি ওয়াশিংটনের শত্রুতামূলক নীতিতে পরিবর্তন আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ক্ষমতার সমীকরণ বদলালেও তেহরানের প্রতি দেশটির নীতির মৌলিক পরিবর্তন হবে না।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রকাশিত খামেনির এক বার্তায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ‘দলীয় মেরুকরণের পরিবর্তন’ ইরানি জনগণের প্রতি দেশটির শত্রুতা থেকে ওয়াশিংটনকে বিরত রাখতে পারবে না। 


খামেনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি জনগণের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চায়। তার দাবি, নিজেদের তৈরি করা এক কেলেঙ্কারির পর যুক্তরাষ্ট্রের পতন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব নয়। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশটির পতনের প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়কে ইরানের নেতারা ট্রাম্প প্রশাসনের পরাজয়ের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছেন। তাদের বক্তব্য, এই নির্বাচনের ফল ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।তবে খামেনির বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তনকে ইরানের প্রতি দেশটির নীতিতে পরিবর্তনের সংকেত হিসেবে দেখছে না তেহরান। অর্থাৎ, ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাচনে রাজনৈতিক ধাক্কা খেলেও ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিরোধ কমবে, এমন প্রত্যাশা করছে না দেশটির নেতৃত্ব।

সর্বশেষ সব খবর

আবদুল আল-সাইদ

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটপ্রার্থী আবদুল আল–সাইদ রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সিনেটে যাচ্ছেন তিনি।


আল–সাইদ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রজার্সকে দুই লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন।


মিসরীয় বংশোদ্ভূত আবদুল আল-সাইদ গত নভেম্বরে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করেছিলেন।


প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান সহযোগীরা জোর দিয়ে প্রচার চালিয়েছিলন, আল-সাইদের মুসলিম পরিচয়, ইসরায়েল ইস্যুতে অবস্থান এবং প্রগতিশীল নীতিগুলো তাদের সম্প্রদায়গুলোকে ঝুঁকিতে ফেলবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দেবে।


তবে এ প্রচারণায় কান দেননি মিশিগানের ভোটারেরা

সর্বশেষ সব খবর