নওরোজ সম্পাদক শামসুল হক দুররানীকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে দিনাজপুরে প্রতিবাদ সভা

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ১০:২১ এএম

ভুয়া, ষড়যন্ত্রমূলক ও বানোয়াট মামলায় দৈনিক নওরোজ সম্পাদক শামসুল হক দুররানীকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদ এবং তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এসব সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, কতিপয় আমলার বিরুদ্ধে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশ করায় এক ব্যক্তিকে বাদী বানিয়ে সম্পূর্ণ বানোয়াট একটি চাঁদাবাজির মামলায় জামিন না দিয়ে সিনিয়র একজন সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে যা স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়। 

তারা বলেন, একজন সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি করা সংবাদপেশার প্রতি চরম অবমাননা। এটি কণ্ঠরোধের একটি অন্যায় প্রয়াস, যা গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য হুমকি। প্রতিবাদ সমাবেশে সাংবাদিকরা একযোগে ঘোষণা দেন, ‘সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আমাদের কলম থামবে না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলবে। সত্যের পক্ষে কলম কখনও থামে না এই বিশ্বাসেই সাংবাদিক সমাজ আজ ঐক্যবদ্ধ।’

অনতিবিলম্বে নওরোজ সম্পাদককে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচি ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। তারা বলেন, সাংবাদিক শামসুল হক দুররানীকে মিথ্যা মামলায় যেভাবে নিপীড়ন করা হচ্ছে তাতে সাংবাদিকের তথ্য অধিকারই খর্ব নয়, এটি মুক্ত সাংবাদিকতার অন্তরায়। এভাবে কালাকানুন করে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ এবং সাংবাদিক নির্যাতন, মামলা, গ্রেপ্তার অব্যাহত থাকলে গণমাধ্যম তার অস্তিত্ব হারাতে বসবে। প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ-

নওরোজ সম্পাদকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কক্সবাজারে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সভা

.



কক্সবাজারে প্রতিবাদ সভায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

আবদুল্লাহ খাঁন, কক্সবাজার থেকে জানিয়েছেন, অবিলম্বে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কক্সবাজারে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কক্সবাজারে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সভায় বক্তারা নওরোজ সম্পাদকের মুক্তি দাবি করেন। দ্রুত মুক্তি না দিলে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। এ ঘটনাকে ‘স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকিস্বরূপ’ উল্লেখ করে স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা সাংবাদিক শামসুল হক দুররানীরকে নিঃশর্ত মুক্তি ও তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন।

প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কামাল হোসেন আজাদ। সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাভিশনের স্টাফ রিপোর্টার এম আর খোকন, মোহনা টিভির জেলা প্রতিনিধি আমানুল হক বাবুল, ভোরের আকাশ জেলা প্রতিনিধি ফয়সাল রিয়াদ, শাহ আমানত জেলা প্রতিনিধি অন্তর দে বিশাল, কক্সবাজার বাণীর স্টাফ রিপোর্টার মো. ফারুক, সাংবাদিক আশরাফ বিন ইউসুফ, মো আজিম, জাহাঙ্গীর, ফেরদৌস আলম প্রমুখ।



কিশোরগঞ্জে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন

মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় নওরোজ সম্পাদককে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে কিশোরগঞ্জে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা ও কিশোরগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিটির আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও দৈনিক নওরোজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি খায়রুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিটের সভাপতি ফাইজুল হক গোলাপ, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান জুয়েল, কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম নজরুল, দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাজন আহমেদ পাপন, দৈনিক কিশোরগঞ্জ এর নিউজ এডিটর রেজাউল করিম, দৈনিক মুক্ত খবরের জেলা প্রতিনিধি রঞ্জন মোদক রনি, দৈনিক লাল সবুজের দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শেখ আল আজহার, ফয়জুল কবির ভুঁইয়া, দৈনিক নওরোজের হোসেনপুর প্রতিনিধি এসকে শাহীন নবাব, দৈনিক নওরোজের তাড়াইল প্রতিনিধি মুজিবুল হক চুন্নু, দৈনিক সরেজমিন বার্তার জেলা প্রতিনিধি আজিজুল হক ফাহিম, আজকের খবরের জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান রিপন, কালের নতুন সংবাদ এর বার্তা সম্পাদক সোহেল রানা, স্টাফ রিপোর্টার রিতু আক্তার, রোজিনা আক্তার পলি, এমদাদুল হক, একুশে সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার সোহরাব হোসেন, জেলা প্রতিনিধি নার্গিস আক্তার মুন্নী, দৈনিক সারাদিন-এর স্টাফ রিপোর্টার আতাউর হাসান দিনার, ঢাকার ডাক জেলা প্রতিনিধি ও নাগরিক টিভির জেলা প্রতিনিধি মোস্তফা শাওন, দিন প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান হানিফ প্রমুখ।

কিশোরগঞ্জে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন


দিনাজপুরে প্রতিবাদ

নওরোজ পত্রিকার সম্পাদককে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে দিনাজপুরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে সাংবাদিক, সংস্কৃতিজন ও নওরোজ পত্রিকার পাঠক সমাজের ব্যানারে এই প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভে অংশ নেন নওরোজ সাহিত্য ও পাঠক ফোরাম, দিনাজপুর এবং জাতীয় রিপোর্টার্স ক্লাব কল্যাণ ট্রাস্ট, দিনাজপুর জেলা শাখার সদস্যরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন নওরোজ সাহিত্য ও পাঠক ফোরামের সভাপতি এবং চ্যানেল আইয়ের স্টাফ রিপোর্টার শাহ্ আলম শাহী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক নওরোজ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার ও সাপ্তাহিক দিনাজপুর এক্সপ্রেস পত্রিকার সম্পাদক এবং জাতীয় রিপোর্টার্স ক্লাব কল্যাণ ট্রাস্ট, দিনাজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক বাবু আহমেদ বাব্বা ও সদস্য সচিব মো. আইনুল ইসলাম, সাংবাদিক সাইফুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, আল মনসুর, জাহাঙ্গীর আলম, হাবিবুল হক তুষার, ইমরান হোসেন, ফারজানা মনি, মো. অনিক, মো. ভীম মো. রাজু, মো. হাবলু, মো. আতিউর রহমানসহ দৈনিক নওরোজ পত্রিকার শুভানুধ্যায়ীরা। বক্তারা বলেন, একজন সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি করা সংবাদপেশার প্রতি চরম অবমাননা। এটি কণ্ঠরোধের একটি অন্যায় প্রয়াস, যা গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য হুমকি।


ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে নিন্দা-উদ্বেগ 

জাতীয় দৈনিক নওরোজ পত্রিকার সম্পাদক শামসুল হক দুররানীকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা-উদ্বেগ জানিয়েছে প্রেসক্লাব পীরগঞ্জ। পৌর শহরের চৌরাস্তায় প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান মানিক অবিলম্বে সাংবাদিক শামসুল হক দুররানীর নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, এ ধরনের নিপীড়ন সাংবাদিকের তথ্য অধিকারই খর্ব নয়, এটি মুক্ত সাংবাদিকতায় অন্তরায়। 

এ ঘটনাকে ‘স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকিস্বরূপ’ উল্লেখ করে স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা সাংবাদিক শামসুল হক দুররানীরকে নিঃশর্ত মুক্তি এবং তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। 





  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৫০ পিএম

নোয়াখালীর চাটখিলে ইতালি প্রবাসী মো.সোলায়মানকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র নিয়ে হামলা, নির্যাতন ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে ফারুক, আজাদ ও শাহপরান নামে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তারা মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পরিবারটি।


শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের শংকুর গ্রামের নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।


সংবাদ সম্মেলনে সোলায়মানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস অভিযোগ করেন, ইতালিতে নেওয়ার কথা বলে তার স্বামীকে ২০২৩ সালে লিবিয়ায় আটকে রেখে স্থানীয় আজাদ. শাহপরানের যোগসাজশে লিবিয়ায় জিম্মি করে নির্যাতন চালায় মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য প্রবাসী ফারুকসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এ সময় কয়েক ধাপে তার কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যে আজাদ নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে অন্য মাধ্যমে ইতালি গিয়ে গত মাসে দেশে ফেরেন সোলায়মান। দেশে ফেরার পর ২৯ আগস্ট সন্ধ্যায় উপজেলার খিলপাড়া বাজারের যুবরত্ন ক্লাবের সামনে তার ওপর অস্ত্রের মুখে হামলা ও নির্যাতন চালানো হয়। এ সময় তার স্বামীর স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং চাঁদা দাবি করা হয়। এরপর প্রাণভয়ে তার স্বামী দেশ ছেড়ে ইতালি চলে গেছেন। বর্তমানে পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।


সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।


এ সময় ভুক্তভোগী প্রবাসীর বোন মোবাশারা বেগম সোহাগী, কন্যা নাবিলা সুলতানা নোবা উপস্থিত ছিলেন।  


অভিযোগের বিষয়ে জানতে শাহপরানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।


চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোন্নাফ বলেন, প্রবাসীর ওপর হামলা, চাঁদা দাবি এবং ২০২৩ সালে বিদেশে আটকে রেখে টাকা আদায়ের ঘটনায় মানব পাচার আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলার আসামিদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চার আসামি হাইকোর্ট থেকে জামিনে রয়েছেন। আরেক আসামি আত্মগোপনে রয়েছেন। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  



  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৭ এএম

পঞ্চগড় সদর উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


শনিবার (১৭ অক্টোবর) আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি মো. বেনাজির হাবিব তপন মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আনছারুল ইসলাম (হিমু) স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।


অনুমোদিত কমিটিতে অ্যাডভোকেট আলহাজ মো. ফজলে রাব্বীকে আহ্বায়ক এবং মো. নওশাদ আলমগীরকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।


জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাজিউর রহমান দীপকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও সম্মেলন আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া একই সময়ের মধ্যে পঞ্চগড় সদর উপজেলার অধীন ১০টি ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।


বাঁ থেকে নিহত পর্যটক রোহান, জিসান ও আকাশ। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৮ পিএম

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী এসএম নাফিসুর রহমান নিবিড়ের (২৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় পাঁচ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।


বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে কলাতলী ভাঙার মোড় এলাকার সৈকত পয়েন্টে সাগরের জোয়ারের পানিতে মরদেহটি ভেসে আসে। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও সৈকতের উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা তা উদ্ধার করেন।


নিহত নাফিসুর রহমান নিবিড় রাজধানীর আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা থেকে আসা একদল পর্যটক হিমছড়ির পেঁচারদ্বীপ জাদুঘর সংলগ্ন সৈকত পয়েন্টে সাগরে গোসল করতে নামেন। এ সময় সাগরের উত্তাল ঢেউ ও প্রবল স্রোতের তোড়ে তারা ভেসে যান। ঘটনার দিনই তাৎক্ষণিকভাবে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন উদ্ধারকারীরা। তবে সে সময় আরও দুই পর্যটক নিখোঁজ ছিলেন। পরবর্তীতে নিখোঁজদের মধ্যে হারুন নামের এক তরুণের মরদেহ বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নিবিড়ের মরদেহ ভেসে উঠলে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হয়।


কক্সবাজারের কলাতলী ও হিমছড়ি এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্তের জন্য তা উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হবে। 


বেলাভূমি ভিলা অ্যান্ড রিসোর্ট। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৩ পিএম

কক্সবাজারের কলাতলী থেকে টেকনাফের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিনড্রাইভ সড়কের পাশে উখিয়ার ইনানী সৈকতের প্রায় ৮০০ মিটার অংশ দখল করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ উঠেছে ‘বেলাভূমি ভিলা অ্যান্ড রিসোর্ট’-এর বিরুদ্ধে। পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে চিহ্নিত সৈকতের এই অংশকে নিজেদের ‘প্রাইভেট বিচ’ বা ব্যক্তিগত সৈকত হিসেবে প্রচার করছে প্রতিষ্ঠানটি। 


বুধবার (২২ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, রিসোর্টটির সামনের বালিয়াড়ি থেকে সৈকতে যাওয়ার জন্য অতিথিদের সুবিধার্থে দুটি পথ তৈরি করেছে কর্তৃপক্ষ। সেখানে কয়েকটি মাছ ধরার ট্রলার সাজিয়ে জায়গাটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সাম্পান বিচ’।


প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে ‘আওয়ার প্রাইভেট বিচ, আওয়ার স্কেপ’ শিরোনামে ওই স্থানের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘জাস্ট মালিহা থিং’ নামের এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর তার একটি প্রচারমূলক ভিডিওতে জায়গাটিকে বেলাভূমির ‘প্রাইভেট বিচ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ভিডিওটি রিসোর্টটির ফেসবুক পেজেও শেয়ার করা হয়েছে।


স্থানীয়দের ভাষ্য, শুরুতে ওই স্থানে ‘স্যালমন রেস্টুরেন্ট’ নামে একটি খাবারের দোকান চালু করা হয়। পরে এর পেছনে গড়ে তোলা হয় রিসোর্ট। গত দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করছে। অভিযোগ রয়েছে, ‘প্রাইভেট বিচ’ পরিচয় দিয়ে পর্যটকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি বিচ ক্যাম্পিংয়ের নামে বালিয়াড়িতে তাবু স্থাপন করে ভাড়াও দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিম বলেন, সৈকতের পরিবেশ নষ্ট করে সংকটাপন্ন এলাকাকে নিজেদের বলে চালিয়ে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত।


জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাসান আল মারুফ বলেন, সৈকত কারও প্রাইভেট বিচ বা ব্যক্তিগত বলে প্রচার করার অর্থ হলো ভোক্তাসাধারণের সঙ্গে সুকৌশলে প্রতারণা করা। এমন বিভ্রান্তিকর প্রচারের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


কউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, মেরিনড্রাইভে যেসব অনুমোদনহীন অবকাঠামো গড়ে উঠেছে, সেগুলো ডিজিটাল জরিপের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হচ্ছে। সতর্কীকরণ নোটিশ পাঠানোসহ এ-সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যক্রম চলমান আছে।


সংস্থাটির কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আইন না মানায় গত এক বছরে কক্সবাজারের ৫৫টি হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁকে মোট ১ কোটি ২৭ লাখ ৩৪ হাজার ১৫৮ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।


কার্যালয়ের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জমির উদ্দিন বলেন, নিয়ম না মেনে ইসিএভুক্ত এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণ এবং সৈকত দখলে নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করার তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা এসব ক্ষেত্রে জরিমানা ও মামলা করে থাকি। বিধিলঙ্ঘন দেখলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।


হলিডে ট্যুরিজম লিমিটেড নামের একটি কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে ‘বেলাভূমি ভিলা অ্যান্ড রিসোর্ট’। প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) আরিফুল ইসলাম আরিফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি মাত্র কিছুদিন হলো এখানে যোগ দিয়েছি। আমাদের অতিথিদের কেউ কেউ সামনের সৈকতকে ভিডিওতে ‘প্রাইভেট বিচ’ বলেন। সেটি তাদের ব্যাপার।


রিসোর্টটির মালিকানা ও অনুমোদনের বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী মিলে এটি গড়ে তুলেছেন। অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:১২ পিএম

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধের জেরে মর্ণেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় দুপক্ষের সংঘর্ষে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাসেম মিঠুসহ তিনজন আহত হয়েছেন। 


সংঘর্ষ চলাকালে বিএনপির কার্যালয়ে তাকা চেয়ার, টেবিল, ব্যানারসহ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়।


আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রংপুরের গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি আব্দুস সবুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার কামদেব শেখপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আফিজ, আকিব ও নিবিড় ব্র্যান্ডের বিড়ির স্বত্বাধিকারী মীর কাসেম মিঠুর সঙ্গে ফ্রেশ বিড়ির স্বত্বাধিকারী রমজান আলী জিকুর বিড়ির বাজার নিয়ে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। বিরোধের জেরে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলাকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে মীর কাসেম মিঠু, ছোট আসাদ ও তৌফিক হোসেন বাবলু আহত হন।


মীর কাসেম মিঠুর দাবি, মর্ণেয়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে মাদক কারবারিদের তৎপরতা বন্ধ করে দেওয়ায় তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।


রমজান আলী জিকু বলেন, বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, দলীয় কার্যালয়ে তার ছেলেরাই হামলা চালিয়েছে। এর আগেও বিড়ির বাজার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।


এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে বুধবার ১১টার দিকে মর্ণেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, মর্ণেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাবুদ এবং জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা রুহুল আমীনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ সম্মেলনে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও মীর কাসেম মিঠুর ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানান উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার।


রংপুরের গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি আব্দুস সবুর বলেন, এ ঘটনায় এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৩১ পিএম

রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালি থেকে ফেরার পথে পর্যটকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে ‘ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ’।


বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই অবরোধের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। বিবৃতিতে আগামী শনিবার রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় আধাবেলা সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়।


ওই দিন সকাল ৫টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে সড়ক ও নৌপথ অবরোধ চলবে বলে জানানো হয়।


সংগঠনটি ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটির সাজেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ডাকা শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধে হামলা, লাঠিচার্জ ও ঘরবাড়ি-দোকান, ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির সমর্থনে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় আধাবেলা শান্তিপূর্ণ সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দিয়েছে। ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ও কাউখালী উপজেলার ফটিকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান উষাতন চাকমা রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় অবরোধ ঘোষণার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অবরোধের সময় অ্যাম্বুলেন্স, রোগী ও লাশবাহী যান, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন ও সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে।


উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবার ‘সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের’ ডাকা অবরোধের কারণে সাজেক পর্যটন ভ্যালিতে আটকে পড়েন প্রায় তিন হাজার পর্যটক।


পুলিশ জানায়, এসব পর্যটককে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি সদরে ফিরিয়ে নিয়ে আসার পথে সাজেক উজো বাজার এলাকায় আসলে অবরোধকারীরা আটকে দেয়। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ব্যাপী আটকা পড়েন সাজেকে ঘুরতে আসা পর্যটকরা। এসময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে তাদের উপর অবরোধকারীরা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে এক পর্যায়ে পর্যটক ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করে ইউপিডিএফ’র সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা। পরে পর্যটক ও সরকারি সম্পত্তি ও জানমাল  রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পাল্টা গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়। এসময় বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা থেমে থেমে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তবে গোলাগুলিতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গোলাগুলির ঘটনার পরে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব।


তিনি আরও জানান, গোলাগুলির ঘটনার আগে অবরোধকারীদের এলোপাতাড়ি ইট-পাটকেল নিক্ষেপের আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ৬ সদস্য আহত হন।