রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ভিসিকে ঘেরাও করে পদত্যাগপত্রে সই নেওয়ার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন

  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:০৪ পিএম

‘মব’ করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হক ও সেকশন অফিসার নাজমুল হোসাইনকে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে।মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নগরীর রাজপাড়া থানায় অজ্ঞাত ৫০ থেকে ৬০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার ও ভিসির পিএস নাজমুল হোসাইন। এ মামলায় পুলিশ গভীর রাতে রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুস সালামকে নগরীর প্যারামেডিক্যাল এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।


‎রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার গাজীউর রহমান জানান, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, ভয়ভীতি প্রদর্শন, শারীরিকভাবে লাঞ্ছনা করা, সরকারি মালামাল লুট ও অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় ভিসির পিএস নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে রাজপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা রেকর্ডভুক্ত হওয়ার পর পুলিশ গভীর রাতে আব্দুস সালাম নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে অন্য আসামিদের ধরতেও চেষ্টা করছে পুলিশ।


এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে অপমান, অপদস্ত, লাঞ্ছিত এবং প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে অবৈধভাবে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি মানববন্ধন কর্মসূচি করেছেন। 


এ ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে এলেও কোনো কাজ করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. মো. মোফাখখারুল ইসলাম।


তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজের পরিবেশ তৈরি হয়নি। পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানের সাথে এমন ঘটনার পর থেকে সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।


মঙ্গলবার বিএনপি ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অফিসে গিয়ে তাদের লিখে নেওয়া পদত্যাগপত্রে জোর করে স্বাক্ষর নেন। পরে তাঁকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়। উপাচার্যকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁর একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকেও মারধর করে পদত্যাগ করানো হয়।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ‘রাজশাহীর আপামর ছাত্র-জনতা’ লেখা ব্যানার নিয়ে বিএনপি ও কৃষক দলের ৪০-৫০ নেতাকর্মী মিছিল করে উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। এতে নেতৃত্ব দেন মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শামীম। তাঁর সঙ্গে অন্যদের মধ্যে ছিলেন রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ। দরজায় ধাক্কা দিয়ে তারা উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। উপাচার্যের টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ান আব্দুস সালাম ও হারুনুর রশীদ। এ সময় সাগর নামে এক বিএনপিকর্মী আগে থেকে লেখা পদত্যাগপত্র এনে হারুনুর রশীদের হাতে দেন। হারুন ও সালাম উপাচার্যকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন।


তখন স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল, ‘জ্বালো জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও, আওয়ামী লীগের আস্তানা’ এবং ‘আওয়ামী লীগের ভিসি হুঁশিয়ার, সাবধান’।


পরে উপাচার্য ডা. জাওয়াদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঠিকাদার ও রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থাকা কিছু লোক এর আগেও আমার পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন করেছিল। বিভিন্ন সময় তারা আমার কাছে ঠিকাদারি কাজ চাইত। তাদের দাবি, আমি যেন জোর করে তাদের কাজ পাইয়ে দিই। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় তারা হঠাৎ আমার অফিসে জোর করে ঢুকে যায়। তারা অভিযোগ করে, তাদের কাজ না দিয়ে ঢাকার ঠিকাদারকে দিয়েছি। এ সময় তারা আমাকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে লাঞ্ছিত করে। তারা মব সৃষ্টি করে আমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়। প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাদের লেখা একটি পদত্যাগপত্রে জোর করে স্বাক্ষর নেয়।’ 


উপাচার্য আরও বলেন, ‘তারা পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে আমাকে বের করে দিয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয়। জোর করে এভাবে কখনও পদত্যাগ করানো যায় না। কিন্তু অফিসে যাওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। তারা আমার একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকে অবরুদ্ধ করে মানসিক ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। অফিসের সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক, কম্পিউটারের সিপিইউ নিয়ে গেছে। এটি কোনো নিয়মতান্ত্রিক পদত্যাগ নয়, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।’


উপাচার্যের একান্ত সচিব (সেকশন অফিসার অর্থ) নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। অস্ত্র ঠেকিয়ে তারা আমাকে স্বাক্ষর করায়। এটা কোনো ইস্তফা নয়, অস্ত্রের মুখে এটা করেছে।’


এ বিষয়ে জানতে কৃষক দলের রাজশাহী মহানগর শাখার আহ্বায়ক শরফুজ্জামান শামীমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম বলেন, ‘তাঁতী দলের মহানগর সভাপতি কাজল, কৃষক দলের আহ্বায়ক শামীম, জিয়া মঞ্চের মহানগর সভাপতি কামাল, হারুন এবং আমার নেতৃত্বে ভিসিকে পদত্যাগ করানো হয়েছে। এটার বিষয়ে আমাদের নেতা নজরুল হুদা (মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি) সব জানেন। কিছু জানার থাকলে নজরুল হুদার কাছে জানেন।’ 


এ বিষয়ে নজরুল হুদা বলেন, ‘এটা দলীয় সিদ্ধান্ত নয়, ছাত্র-জনতার ব্যানারে স্থানীয় বিএনপি ও এলাকাবাসী করেছে। এটা ভিসির কারণেই হয়েছে। ভিসি নিয়োগ বাণিজ্য, দুর্নীতি ও অনিয়ম করেছে। ঠিকাদারি কাজ নিয়েও ঝামেলা করে। এ নিয়ে মানববন্ধন করেছিল। পরে ভিসি পদত্যাগ করেছে শুনলাম।’


এটি ‘মব’ কিনা– জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটাকে মব বলা ঠিক হবে না। এটা প্রতিবাদ। জনগণ ব্যানার দিয়ে করেছে, এটা ৫ আগস্টের মতো ছোটখাটো আন্দোলন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যানার দিয়ে কিছু করলে মব বলা যাবে না। ৫ আগস্টও এভাবেই হয়েছে।’ 



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৪ পিএম

"নাটক মনুষ্যত্ব ও বিবেককে শাণিত  করে” -এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নুতন নাট্যকর্মী সৃষ্টির লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুল হক মিলনায়তনে এই কর্মশালা’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 


ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহি নাট্য সংগঠন শাপলা নাট্য গোষ্ঠী’র আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি ও নাট্য ব্যক্তিত্ব ফজলে এলাহী মুকুট চৌধুরী’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি জেলার প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও নাট্য ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক মনতোষ কুমার দে, বিশেষ অতিথি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক  এস, এম জসিম উদ্দিন প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সকলকে মোবাইলে অনলাইনে অযথা সময়  নষ্ঠ না করে আলোকিত মানবিক জীবন গড়তে নাটক বা সাংস্কৃতিক বা ক্রীড়া চর্চা বা পাঠ্যাভাষে নিজেদের সম্পৃক্ত করার আহবান জানান।


কর্মশালায় মুখ্য প্রশিক্ষক হিসেবে ঢাকা আরণ্যক নাট্য দলের সিনিয়র নাট্য শিল্পী ও মিউজিক ডিরেক্টর পরিমল মজুমদার এ  নাটকের মঞ্চে ও ব্যক্তি জীবনে নিজেদের উপযুক্ত ভাবে উপস্থাপন করতে প্রয়োজনীয় বিষয়ে ধারণা প্রদান করছেন। 


উন্মুক্ত এ কর্মশালায়  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-ছাত্র-ছাত্রী ও অন্যান্য  পেশাজীবীসহ ৫০জন কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। 

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:২৩ পিএম

দ্রুততম সময়ে বিচারসেবা পৌঁছে দিতে এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতির প্রয়োগ বাড়াচ্ছে নীলফামারীর বিচার বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় একদিনে পৃথক তিনটি মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করে তিন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।​গত (২৩ অক্টোবর)নীলফামারীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতের বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।


আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. রনি ইসলাম ও মো. রাজু নামের দুই ব্যক্তিকে মাদক সেবন করে প্রকাশ্যে জনউপদ্রব সৃষ্টির দায়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে, চুরির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় মো. শামীম নামে অপর এক আসামিকে সাজা প্রদান করা হয়।


আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে আইনি প্রক্রিয়া মেনে দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে যেমন বিচারিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আসে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদি মামলার জট কমে বিচারপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় হয়। আদালত অপরাধের ধরন, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট আইন বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

​

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের দ্রুত বিচারিক পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:১৮ পিএম

বিচ-কার্নিভালকে কেন্দ্র করে আজ শুক্র/শনি ২৩ ও ২৪ অক্টোবর পর্যটকদের পদচারনায় মুখর হয়ে উঠেছে পর্যটন কেন্দ্র সাগরকন্যা কুয়াকাটা। আবাসিক হোটেল মোটেল রিসোর্ট গুলো বুকিং হয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে রুম সংকট। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত পর্যটক দর্শনার্থীদের ভীড় 


 বৃহস্পতিবার পুজার ছুটি শেষ হলেও ২৩ ও ২৪ অক্টোবর বীচ কার্নিভাল উৎসবকে কেন্দ্র করে অসংখ্য পর্যটক দর্শনার্থীদের আগমন ঘটেছে কুয়াকাটায়। বিপুল সংখ্যক পর্যটক দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশের সমন্নয়ে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।


আগত পর্যটক দর্শনার্থীরা সমুদ্রের নোনাজলে গোসল, খেলাধুলা সহ হৈ হুল্লোড়ে মেতে উঠেছে। তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, শুটকি পল্লী, ঝাউ বাগান, গঙ্গামতি ও লাল কাকঁড়ার চর সহ সকল পর্যটন স্পটে রয়েছে পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি। সৈকতের জিরো পয়েন্টে হৈ-হুল্লোড় ও সমুদ্রে সাতার কেটে আনন্দ উন্মাদনায় মেতেছেন শিশু কিশোর সহ নানা বয়সী ভ্রমণ প্রিয়সী মানুষ। কেউ সৈকতের বেঞ্চিতে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছে। কেউবা আবার প্রিয়জনের হাতে হাত রেখে সৈকতের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউবা আবার মোবাইলে কিংবা ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরায় বন্ধী হয়ে এমন সুখকর মুহুর্ত গুলোকে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখছেন। সূর্যোদয় সূর্যাস্ত উপভোগের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি বীচ কার্নিভাল উৎসব পর্যটক দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ বলে জানিয়েছেন আগতরা।


বীচ কার্নিভাল উৎসবকে ঘিরে কুয়াকাটায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সড়ক ও বীচ এলাকায় তোরণ, ব্যানার ফেস্টুন, এলইডি টিভি স্থাপন সহ নানা সাজসজ্জা করা হয়েছে। দুইদিন ব্যাপী বীচ কার্নিভাল উৎসবকে কেন্দ্র করে বীচ ফুটবল, বীচ ম্যারাথন, ঘুরি উৎসব, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুথিপাঠ, সাংস্কৃতিক সন্ধা, বাউল গান,পর্যটন বিষয়ক প্রমান্য চিত্র,ভলিবল খেলা, সেলিব্রিটি বীচ ক্রিকেট, ফ্যাশন শো,আতশবাজি সহ নানা আয়োজন করেছে। 


সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত শিল্পী আরমান আলিফ, হাসান (আর্ক), ঐশি সহ দেশের খ্যতনামা শিল্পীরা গান পরিবেশন করবেন। এর পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীরাও গান পরিবেশন করবেন কার্নিভাল উৎসবে। বীচ কার্নিভাল উৎসব উপভোগ সহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে প্রায় লক্ষাধিক পর্যটক দর্শনার্থীরা রেজিষ্ট্রেশন করেছেন।


বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এ বীচ কার্নিভাল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।বীচ কার্নিভাল উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বীচ কার্নিভালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি। বিশ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এমপি, পটুয়াখালী-১ আসনের এমপি ও সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপি, স্থানীয় সাংসদ এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি, সংরক্ষিত নারী আসনের মিজ সুলতানা জেসমিন জুঁই, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী এনডিসি প্রমুখ।


এদিকে কুয়াকাটার ৩ শতাধিকেরো বেশি আবাসিক হোটেল মোটেল রিসোর্ট থাকলেও তা আগাম বুকিং হয়ে যাওয়ায় বুকিং ছাড়া এসে রুম সংকটে পরেছেন পর্যটকরা।পর্যটকদের  ভীড়কে পুঁজি করে চা ১০ টাকা,ডাব ২৫০ টাকা পিচ,ভ্যান-আটো ভাড়া ইচ্ছেমতো,খাবার হোটেলে অতিরিক্ত খাবার বিল ও আবাসিক হোটেলে বেশি ভাড়া আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে অনেক হোটেলের বিরুদ্ধে।


পূজার ছুটি এবং বীচ কার্নিভাল উৎসবকে কেন্দ্র করে পর্যটন নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোতে বিক্রি বেড়েছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে ব্যবসায়ীদের মাঝে। আগতদের সার্বিক নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক জেলা পুলিশ, থানা পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিষ্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। কার্নিভালের দুই দিনে ৩ লাখ পর্যটক আগমনের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


কুয়াকাটা আবাসিক হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ জানান, ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল মোটেল রিসোর্ট গুলোর অধিকাংশই বুকিং হয়ে গেছে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত পর্যটক দর্শনার্থীদের আগমনে কিছুটা রুম সংকট দেখা দিতে পারে। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, এসোসিয়েশন ভূক্ত আবাসিক হোটেল গুলোতে নির্ধারিত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। এসোসিয়েশন আওতাভুক্ত নয় এমন হোটেল মোটেল রিসোর্ট অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে প্রশাসনের দ্বারস্থ হবার পরামর্শ দেন তিনি।


কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ মো. ইনস্পেক্টর নাজমুল ইসলাম জানান, আগত পর্যটক দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা পুলিশ, এসআরবি সহ গোয়েন্দা সদস্য সাদা পোশাকে বিশেষ নজরদারি রাখবেন। এছাড়াও সড়ক ও মহাসড়কে শৃঙ্খলা রাখতে কুয়াকাটা পৌরসভা সহ ট্রাফিক পুলিশ টহল থাকবে। 


কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো ইয়াসিন সাদেক বলেন, পৌর প্রশাসন পর্যটকদের নিরাপত্তা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক অবস্থা অব্যাহত আছে।কুয়াকাটায় কোন আইন অমান্যকারির ক্ষমা নেই। 


কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফুজ্জামান জানান, পর্যটকদের উপর কোন অন্যায় আচরন বরদাস্ত করা হবে না। বীচ কার্নিভালের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে বিপুল সংখ্যক পর্যটক দর্শনার্থীদের কথা মাথায় রেখে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে অতিরিক্ত নজরদারি করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস, মেডিক্যাল টিম সহ তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।পর্যটকদের নিরাপত্তায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। 

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০০ পিএম

দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় রাতব্যাপী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা।


শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) বিজিবির দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এ অভিযান পরিচালনা করে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ধর্মজান, রামচন্দ্রপুর ও চাপসার বিওপির সদস্যরা দিনাজপুর জেলার বিরল এবং ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালান। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় মদগুলো উদ্ধার করা হয়।


বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি অভিযানের সময় পালিয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও চোরাচালানমুক্ত সীমান্ত গড়ে তুলতে বিজিবি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ। সীমান্ত অপরাধ দমনে ভবিষ্যতেও কঠোর অবস্থান বজায় রেখে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা ও গোয়েন্দা নজরদারী আরও জোরদার করা হবে।


সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।

সর্বশেষ সব খবর

সুগন্ধা পয়েন্টে ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ নামের এই আবাসিক হোটেলের নিচতলার পার্কিং এলাকায় আগুন লাগে

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:০২ পিএম

কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পর সকলেই নিরাপদে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান।


শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস ও হোটেল কর্তৃপক্ষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পার্কিং এলাকার জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আগুনের পর হোটেল থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন পর্যটকেরা

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুতই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ধারণা করা হচ্ছে, জেনারেটরের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। তবে কেউ হতাহত হননি।


দ্য সি প্রিসেন্স- এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের জানান, আমাদের যথেষ্ট অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে। কর্মীদের দক্ষতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। পর্যটকেরা নিরাপদে আছেন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা

এর আগে ১৭ অক্টোবর কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের ইনানী পাটুয়ারটেক এলাকায় ‘টুপটুপ রিসোর্ট’ নামের একটি আবাসিক প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার এক সপ্তাহের ব্যবধানে কক্সবাজারের আরেকটি হোটেলে আগুনের ঘটনা ঘটল।



সর্বশেষ সব খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৫ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) রুমিন ফারহানা ও সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওসির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে তাঁর নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকেরা জানান, কয়েক দিন ধরে সংসদ সদস্যের সঙ্গে সরাইল থানার ওসির দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সংসদ সদস্য ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জাকির হোসেন ফোন করলেও ওসি সাড়া দেন না। এমনকি তাঁদের ফোনও ধরেন না। ওসির কাছে নিরাপত্তা চেয়েও পাননি সংসদ সদস্য। এ পরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সরাইল থানায় যান রুমিন ফারহানা।


থানার ওসির কক্ষে দুই পক্ষের উত্তপ্ত কথোপকথনের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ছড়িয়ে পড়া তিনটি ভিডিওর একটি ৭ মিনিট ৮ সেকেন্ডের, আরেকটির ৫৭ সেকেন্ড এবং অন্যটির ২ মিনিট ২৩ সেকেন্ড।


ভিডিওগুলোয় দেখা যায়, ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া তাঁর কক্ষে বসে আছেন। তাঁর পাশেই বসা ছিলেন রুমিন ফারহানা। ওসির টেবিলের চারপাশে সংসদ সদস্যের নেতা-কর্মীরা ঘিরে ছিলেন।


সংসদ সদস্য, তাঁর পিএস ও নেতা-কর্মীরা একসঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওসিকে প্রশ্ন করছিলেন। বারবার ফোন করেও সংসদ সদস্যের ফোন না ধরা এবং তাঁকে কেন নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি, এসব বিষয় নিয়ে ওসির সঙ্গে ওই সংসদ সদস্য ও তাঁর নেতা-কর্মীদের বিতণ্ডা হয়।


একপর্যায়ে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ওসি ইটভাটা, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন থেকে টাকা নেন। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত কথোপকথন চলতে থাকে। একপর্যায়ে ওসি পুলিশ সুপারকে ফোন করে বিষয়টি জানান। তিনি মব সৃষ্টির কথা বলেন এবং ভিডিও কলে কক্ষে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের এসপিকে দেখান। এ সময় সংসদ সদস্য এসপির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে ওসি কোনো সাড়া দেননি।


পরে কথোপকথনের একপর্যায়ে ওসিকে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আপনি (ওসি) যখন বলতেছেন, ওনার নিরাপত্তা ওনার লোকজন দিবেন। তার মানে আমি দিব না।’ উত্তরে ওসি বলেন, ‘এটাই তো স্বাভাবিক। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে রাস্তাঘাটে হাঁটি বেড়ায়...।’ তখন রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। জি স্যার, আপনার হিস্ট্রি তো আমি জানি।’


ওই ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘নানান অভিযোগ ওনার (ওসি) বিরুদ্ধে। এসব নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েছিলাম। আমি একটা তালিকাও নিয়ে গিয়েছিলাম। উনি কোনো মন্তব্যও করেন নাই। দুই পাতার তালিকা ছিল যে এই তারিখে এই অপরাধ, ওই তারিখে ওই অপরাধ। উনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।’


মবের অভিযোগ প্রসঙ্গে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘মব সাধারণত যায় থানায় আসামি ছিনাইয়া আনতে। আমি কি কোনো আসামি ছিনাইয়া আনছি, এক। আমি কি ওনার কাছে টাকা দাবি করেছি, দুই। আমি কি বলেছি আমাকে কিছু দিতে হবে, তিন। আমি তিনটার একটাও বলিনি। তাহলে মব হলো কোথা থেকে।’


ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দুর্গাপূজার সময় আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরে আমাকে পুলিশ নিরাপত্তা দিলেও সরাইলে কোনো নিরাপত্তা দেয়নি। আমার পিএস ১২ বার ফোন দিলেও তিনি (ওসি) ধরেননি। উনি বলেছেন, আমার নিরাপত্তা আমাকে ব্যবস্থা করতে হবে। আমি আমার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি। এখন থেকে ১০ হাজার লোকজন নিয়েই চলব।’


ঘটনার বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ‘সংসদ সদস্য মহোদয় এসেছিলেন। তিনি শত শত লোক নিয়ে থানার মধ্যে হইচই করে একটি অস্থিরতা তৈরি করে আমার কক্ষে। একটা বিব্রতকর অবস্থা।’


নিরাপত্তা ঘাটতির বিষয়ে ওসি বলেন, ‘আমরা পূজাকেন্দ্রিক সামগ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা করেছি। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য উনি গানম্যান চাইবেন। সেটা আলাদা বিষয়। একটা দল ওই সময় তাঁর সঙ্গে রাখা আমার পক্ষে অসম্ভব ছিল।’


ওই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে মব তৈরির অভিযোগ তুলে ওসি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকজনকে গ্রেপ্তার না করার জন্য আমাকে সব সময় চাপ প্রয়োগ করেন তিনি (রুমিন ফারহানা)। আমি নোটডাউন করে রেখেছি। উনি রুদ্রমূর্তি ধারণ করে এখানে এসেছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সব মিথ্যা।’

সর্বশেষ সব খবর