তরুন প্রজন্মের সাথে ফজলুল হক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ, পুবাইল ও বাড়ীয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলন আসনের তরুণ প্রজন্মের সাথে মতবিনিময় করেছেন।
আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারী) বিকালে উপজেলার বালীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘তরুন প্রজন্মের প্রথম ভোট, ধানের শীষের পক্ষে হউক’ স্লোগান সামনে রেখে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন।
বিশেষ অতিথি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাষ্টার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিক এর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও কালীগঞ্জ রাজা রাজেন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কৃষাণ সাহা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার,
কালীগঞ্জ বিডি ক্লিন সমন্বয়ক আশিক রহমান (সৈকত), কালীগঞ্জ মহিলা উদ্যোক্তা ফারজানা আক্তার পলি, ঢাকা বিভাগের এফ ফিল গবেষক মুফতী আব্দুল্লাহ আল মামুন, গ্রামীণ ফোন এক্সিকিউটিভ অফিসার সোহান মোল্লা, কালীগঞ্জ বাজারের তরুণ ব্যবসায়ী সাব্বীর আহমেদ, কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজের প্রভাষক নুশরাত জাহান (মুনা),
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. নাজমুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রো বায়োলজির শিক্ষার্থী রিহান, জুলাই যোদ্ধা রানা সরকার, ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী মাহফুজা বিন সুস্মিতা প্রমূখ।
প্রধান অতিথি বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলন বলেন, অতীতে আমার এবং আমার পরিবারের উপর হামলা মামলা সহ সব কিছুই আমি সাধারণ ক্ষমা করে দিয়েছি। কারণ ক্ষমা মহত্নের লক্ষণ।
আমি নির্বাচিত হলে কালীগঞ্জে সবাই মুক্তভাবে বিচরণ করতে পারবে। কালীগঞ্জের শান্তি, পরিবেশের উন্নতি, চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করে কালীগঞ্জকে একটি আধুনিক কালীগঞ্জ হিসেবে তৈরী করব। আমি কালীগঞ্জকে একটি গোলাপ ফুলের বাগান তৈরি করতে চাই।
আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে স্বাধীনতার পক্ষে সুন্দর বাংলাদেশ এবং সুন্দর কালীগঞ্জ তৈরি করার লক্ষ্যে আমাকে কাজ করার সুযোগ দিন।
এ সময় অন্যান্যের মাঝে কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. লুৎফর রহমান, মোন্তাজ উদ্দিন মাষ্টার, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, মনির উদ্দিন পাঠান (মিঠু), গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী (শাওন),
উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আলী নুর হাসান, সদস্য সচিব হাসানুর রহমান (জুয়েল), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম (সুমন), সদস্য সচিব জুবায়ের আহমেদ, ডাক্তার হোসনে মোবারক উপস্থিত ছিলেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আমাদের কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। আমার বিশ্বাস অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও এ বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাবো। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও চাওয়া-পাওয়ার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটবে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তার নদী ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুড়ি তিস্তা পূর্নখননে বিগত সরকার ১৩০ কোটি টাকা দিয়ে পাঁচটি গ্রুপে কাজটা শুরু করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতায় তা আলোর মুখ দেখেনি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমরা ভুক্তভোগী মানুষ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে মামলা প্রত্যাহারসহ বুড়িতিস্তার এই সমস্যার সমাধান করব।
এছাড়াও তিস্তা নদী তীরবর্তী ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকার তীব্র নদী ভাঙন পরিস্থিতি দেখে দ্রুত জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের সম্পদ সুরক্ষায় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, আমাদের সরকারের কমিটমেন্ট একটাই, আমরা চাই না কোনো মানুষের একটি বাড়ি, একটি ঘর বা এক ইঞ্চি জমিও নদীতে বিলীন হয়ে যাক।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মোবাইল ফোনে পর্নোগ্রাফি তৈরি এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোবিন্দগঞ্জ পুলিশ। এ সময় পর্নোগ্রাফি তৈরিতে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশিদুল ইসলাম ওরফে রাশিদুলের মেয়ে মামুনী আক্তার (২৪), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর হাজীপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (৩০), সাদুল্লাপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রেজেনা খাতুন সাথী (২৮) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মামুন অর রশিদ (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতদের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের পলাতক সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়ায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে পর্নোগ্রাফি তৈরি ও প্রচারের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঐ বাসায় অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি তৈরির সরঞ্জামসহ চারজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। গোবিন্দগঞ্জ থানার (এসআই) উপপরিদর্শক আহসান হাবীব সরকার জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. আরিফুল্লাহ জেলিন (২৬) নিখোঁজ হওয়ার প্রায় তিন সপ্তাহ পার হলেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ ঘটনায় জিডিতে সময় উল্লেখ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তথ্য গোপনের অভিযোগ করেছে পরিবার। তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়ম অনুযায়ী সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, কোনো ধরনের গাফিলতি হয়নি।
শনিবার (১ আগস্ট) সিলেটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলিনের পরিবার তার জীবিত উদ্ধারের দাবি জানায় এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানায়।
পরিবার জানায়, গত ৮ জুলাই সিলেটের এয়ারপোর্ট থানাধীন খাদিমনগর ইউনিয়নের বিমানবন্দর আবাসিক এলাকার জি-টাইপ কোয়ার্টার থেকে আরিফুল্লাহ জেলিন নিখোঁজ হন। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে জেলিনের মা ফরিদা ইয়াসমীন অভিযোগ করেন, জিডিতে নিখোঁজের সময় উল্লেখে অসঙ্গতি রয়েছে। তিনি বলেন, “নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভিডিও কলে আমার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। অথচ জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে রাত ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় সে নিখোঁজ হয়েছে। তাহলে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কথা বলার পর কীভাবে আগে থেকেই নিখোঁজ দেখানো হলো?”
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অসঙ্গতি থেকে তাদের সন্দেহ হচ্ছে, ঘটনার প্রকৃত তথ্য গোপন করা হচ্ছে। জিডিকারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তের দাবি জানান তিনি।
পরিবারের দাবি, তারা ঠাকুরগাঁও থেকে সিলেটে পৌঁছানোর আগেই জেলিনের সহকর্মী ও বন্ধু পরিচয়ে ধনঞ্জয় কুণ্ডু (পিয়াস) এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর ৪২৭, ট্র্যাকিং নম্বর W703Z3, যা ৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে নথিভুক্ত হয়।
পরিবারের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জেলিনের ব্যক্তিগত জীবনে পরিচিত কোনো শত্রু ছিল না। তবে কর্মস্থলে কোনো বিরোধ বা অন্য কোনো কারণে তিনি নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারেন বলে তাদের সন্দেহ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জিডিকারী ধনঞ্জয় কুণ্ডু কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অন্যদিকে, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমদ জানান, আরিফুল্লাহ জেলিন চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এখানে বদলি হয়ে আসেন। কিছুদিন আগে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় ছুটিতে বাড়িতে যান এবং পরে ফিরে এসে বাসায় অবস্থান করছিলেন।
তিনি বলেন, “ফেরার পরদিন সন্ধ্যার দিকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সহকর্মী ও পরিবারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরদিনই থানায় জিডি করা হয় এবং বিষয়টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে জানানো হয়।”
ব্যবস্থাপক আরও বলেন, বিভিন্ন সূত্র ধরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো চেষ্টা চালায়। জেলিনের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে সিলেটের সালুটিকর ও গোয়াইনঘাট এলাকাতেও অনুসন্ধান করা হয়।
তিনি জানান, কয়েকদিন আগে সালুটিকরের একটি ওয়ার্কশপের সামনে থেকে জেলিনের মোবাইল ফোন পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ওই ওয়ার্কশপের মালিক থানায় জমা দেন। এরপরও নতুন করে অনুসন্ধান চালানো হলেও এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সূত্র পাওয়া যায়নি।
জিডিতে বিলম্ব ও মানসিক ভারসাম্যহীনতার অভিযোগ প্রসঙ্গে হাফিজ আহমদ বলেন, “জিডিতে বিলম্বের কোনো সুযোগ ছিল না। রাতে খোঁজাখুঁজির পর পরদিনই জিডি করা হয়েছে। আর মানসিক ভারসাম্যহীন বলা হয়েছে- এমন কোনো বিষয় জিডিতে নেই।”
নিখোঁজের পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি নিয়ে গাফিলতি দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। আমরা নিয়ম অনুযায়ী সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এখনো কোনো সলিড ক্লু পাওয়া যায়নি।”
এদিকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ এই কর্মকর্তার কোনো সন্ধান না মেলায় রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
“জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নাটোরের লালপুরে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে হাসপাতাল চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র্যালী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোঃ মনজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় । এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এসময় বক্তারা বলেন, শিশুকে মাতৃদুগ্ধ পানে উৎসাহিত করতে পরিবার ও সমাজে একটি সহায়কমূলক পরিবেশ তৈরি এবং টেকসই উদ্যোগ জোরদার করা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের দেবীগঞ্জ উপজেলা সাধারন সম্পাদক হরিশ চন্দ্র রায়।
সম্প্রতি পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল নিয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে পঞ্চগড়ে সনাতনীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদ সমাবেশ এবং সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (০১ আগস্ট) দুপুরে সচেতন সনাতন ধর্মালম্বীদের আয়োজনে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে জেলার প্রায় পাঁচ শতাধিক সনাতনী নারী পুরুষ অংশ নেন। শনিবার বেলা ১২ টার দিকে প্রথমে জেলা বিএনপি কার্য্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে সনাতনীরা মিছিলটি পঞ্চগড় সেনালী ব্যাংকে গিয়ে আবার সেখান থেকে পঞ্চগড় সিনেমা হল সড়ক হয়ে পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবে শেষ হয়।
পরে পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের হল রুমে সনাতনী নেতারা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের দেবীগঞ্জ উপজেলা সাধারন সম্পাদক হরিশ চন্দ্র রায় বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সারাবাংলাদেশের সনাতনীদের একান্ত আস্থাভাজন নেতা প্রতিমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুন্ন এবং তার জনপ্রিয়তা নিয়ে ষড়যন্ত্র করে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে সনাতনী নারীর সাথে তথ্যপ্রুযুক্তি দিয়ে ভিডিও তৈরি করে সনাতনীদের মানহানি করা হচ্ছে। আমরা সনাতনীরা এর তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে এই ভিডিও তৈরির সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তীর আওতায় আনার দাবী জানায়।
আশা সিমেন্ট: স্বপ্নযাত্রায় নব দিগন্ত
বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ট্রিপল টেস্টেড ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড সিমেন্ট আশা সিমেন্ট বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।
আজ শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে এ উপলক্ষে নোয়াখালী মাইজদীর নোয়া কনভেনশন সেন্টারে “আশা সিমেন্ট: স্বপ্নযাত্রায় নব দিগন্ত” শীর্ষক প্রোডাক্ট লঞ্চিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আশা সিমেন্টের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. সজিবুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিন, আশা সিমেন্টের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মেহেরাজুল ইসলাম, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মাইন উদ্দিন হাসান জুয়েল এবং নোয়াখালী অঞ্চলের রিজিওনাল হেড মো. মুহাইমিনুন হক।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা, ডিলার, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আশা সিমেন্ট দেশের নির্মাণ খাতে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের সিমেন্ট ও নির্ভরযোগ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, ব্যবসায়িক মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র্যাফেল ড্র এবং অতিথিদের জন্য বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা ছিল। পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আশায় গড়ি আগামী” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণসামগ্রী ও সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে আশা সিমেন্ট।