নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকেলে উপজেলার গোলাকান্দাইল এলাকার ঐতিহাসিক কাচারী বাড়িতে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য শরিফ আহম্মেদ টুটুল, নাসির উদ্দিন, আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল হক রিপন, গোলাম ফারুক খোকন।
আরও উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী বাছির উদ্দিন বাচ্চু, কাঞ্চন পৌর বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মফিকুল ইসলাম খান, তারাবো পৌর বিএনপির সভাপতি তাশিক হক ওসমান ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান পিন্টু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাহিদ হাসান ভুঁইয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রফিকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু বলেন,বেগম খালেদা জিয়া দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেও তিনি কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অনন্য ভূমিকা রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে আবারও গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। তাই সকল ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।
এ সময় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মরহুম বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোসহ দেশের সকল কবরবাসীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার আহ্বান জানানো হয়।
শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী এক মাসের মধ্যে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে। একই সঙ্গে সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের কাজও দৃশ্যমানভাবে শুরু হবে।
আজ শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে জাফলংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রী সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের চলমান কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। পরে রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে জাফলং পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের সম্ভাব্য রুট পরিদর্শন ও সম্ভাব্যতা যাচাই করেন।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, জাফলংয়ের পাথর কোয়ারি উচ্চ আদালতের আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং অনেকটাই জটিলতা নিরসনের পর্যায়ে এসেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে সনাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সিলেট-জাফলং রেললাইন চালু হলে এ অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে নতুন গতি সৃষ্টি হবে। পর্যটন নির্ভর অর্থনীতি সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রবাসী কর্মসংস্থানের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের এক কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বিদেশে কর্মসংস্থানের আওতায় আনা হবে। এ লক্ষ্যে গোয়াইনঘাটে দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে স্থানীয় যুবকদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়ে দালালমুক্ত ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। এ সময় প্রতিনিধিদল সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের সম্ভাব্য রুট ও প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আমাদের কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। আমার বিশ্বাস অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও এ বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাবো। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও চাওয়া-পাওয়ার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটবে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তার নদী ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুড়ি তিস্তা পূর্নখননে বিগত সরকার ১৩০ কোটি টাকা দিয়ে পাঁচটি গ্রুপে কাজটা শুরু করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতায় তা আলোর মুখ দেখেনি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমরা ভুক্তভোগী মানুষ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে মামলা প্রত্যাহারসহ বুড়িতিস্তার এই সমস্যার সমাধান করব।
এছাড়াও তিস্তা নদী তীরবর্তী ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকার তীব্র নদী ভাঙন পরিস্থিতি দেখে দ্রুত জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের সম্পদ সুরক্ষায় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, আমাদের সরকারের কমিটমেন্ট একটাই, আমরা চাই না কোনো মানুষের একটি বাড়ি, একটি ঘর বা এক ইঞ্চি জমিও নদীতে বিলীন হয়ে যাক।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মোবাইল ফোনে পর্নোগ্রাফি তৈরি এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোবিন্দগঞ্জ পুলিশ। এ সময় পর্নোগ্রাফি তৈরিতে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশিদুল ইসলাম ওরফে রাশিদুলের মেয়ে মামুনী আক্তার (২৪), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর হাজীপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (৩০), সাদুল্লাপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রেজেনা খাতুন সাথী (২৮) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মামুন অর রশিদ (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতদের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের পলাতক সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়ায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে পর্নোগ্রাফি তৈরি ও প্রচারের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঐ বাসায় অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি তৈরির সরঞ্জামসহ চারজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। গোবিন্দগঞ্জ থানার (এসআই) উপপরিদর্শক আহসান হাবীব সরকার জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. আরিফুল্লাহ জেলিন (২৬) নিখোঁজ হওয়ার প্রায় তিন সপ্তাহ পার হলেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ ঘটনায় জিডিতে সময় উল্লেখ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তথ্য গোপনের অভিযোগ করেছে পরিবার। তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়ম অনুযায়ী সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, কোনো ধরনের গাফিলতি হয়নি।
শনিবার (১ আগস্ট) সিলেটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলিনের পরিবার তার জীবিত উদ্ধারের দাবি জানায় এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানায়।
পরিবার জানায়, গত ৮ জুলাই সিলেটের এয়ারপোর্ট থানাধীন খাদিমনগর ইউনিয়নের বিমানবন্দর আবাসিক এলাকার জি-টাইপ কোয়ার্টার থেকে আরিফুল্লাহ জেলিন নিখোঁজ হন। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে জেলিনের মা ফরিদা ইয়াসমীন অভিযোগ করেন, জিডিতে নিখোঁজের সময় উল্লেখে অসঙ্গতি রয়েছে। তিনি বলেন, “নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভিডিও কলে আমার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। অথচ জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে রাত ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় সে নিখোঁজ হয়েছে। তাহলে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কথা বলার পর কীভাবে আগে থেকেই নিখোঁজ দেখানো হলো?”
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অসঙ্গতি থেকে তাদের সন্দেহ হচ্ছে, ঘটনার প্রকৃত তথ্য গোপন করা হচ্ছে। জিডিকারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তের দাবি জানান তিনি।
পরিবারের দাবি, তারা ঠাকুরগাঁও থেকে সিলেটে পৌঁছানোর আগেই জেলিনের সহকর্মী ও বন্ধু পরিচয়ে ধনঞ্জয় কুণ্ডু (পিয়াস) এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর ৪২৭, ট্র্যাকিং নম্বর W703Z3, যা ৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে নথিভুক্ত হয়।
পরিবারের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জেলিনের ব্যক্তিগত জীবনে পরিচিত কোনো শত্রু ছিল না। তবে কর্মস্থলে কোনো বিরোধ বা অন্য কোনো কারণে তিনি নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারেন বলে তাদের সন্দেহ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জিডিকারী ধনঞ্জয় কুণ্ডু কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অন্যদিকে, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমদ জানান, আরিফুল্লাহ জেলিন চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এখানে বদলি হয়ে আসেন। কিছুদিন আগে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় ছুটিতে বাড়িতে যান এবং পরে ফিরে এসে বাসায় অবস্থান করছিলেন।
তিনি বলেন, “ফেরার পরদিন সন্ধ্যার দিকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সহকর্মী ও পরিবারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরদিনই থানায় জিডি করা হয় এবং বিষয়টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে জানানো হয়।”
ব্যবস্থাপক আরও বলেন, বিভিন্ন সূত্র ধরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো চেষ্টা চালায়। জেলিনের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে সিলেটের সালুটিকর ও গোয়াইনঘাট এলাকাতেও অনুসন্ধান করা হয়।
তিনি জানান, কয়েকদিন আগে সালুটিকরের একটি ওয়ার্কশপের সামনে থেকে জেলিনের মোবাইল ফোন পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ওই ওয়ার্কশপের মালিক থানায় জমা দেন। এরপরও নতুন করে অনুসন্ধান চালানো হলেও এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সূত্র পাওয়া যায়নি।
জিডিতে বিলম্ব ও মানসিক ভারসাম্যহীনতার অভিযোগ প্রসঙ্গে হাফিজ আহমদ বলেন, “জিডিতে বিলম্বের কোনো সুযোগ ছিল না। রাতে খোঁজাখুঁজির পর পরদিনই জিডি করা হয়েছে। আর মানসিক ভারসাম্যহীন বলা হয়েছে- এমন কোনো বিষয় জিডিতে নেই।”
নিখোঁজের পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি নিয়ে গাফিলতি দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। আমরা নিয়ম অনুযায়ী সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এখনো কোনো সলিড ক্লু পাওয়া যায়নি।”
এদিকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ এই কর্মকর্তার কোনো সন্ধান না মেলায় রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
“জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নাটোরের লালপুরে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে হাসপাতাল চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র্যালী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোঃ মনজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় । এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এসময় বক্তারা বলেন, শিশুকে মাতৃদুগ্ধ পানে উৎসাহিত করতে পরিবার ও সমাজে একটি সহায়কমূলক পরিবেশ তৈরি এবং টেকসই উদ্যোগ জোরদার করা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের দেবীগঞ্জ উপজেলা সাধারন সম্পাদক হরিশ চন্দ্র রায়।
সম্প্রতি পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল নিয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে পঞ্চগড়ে সনাতনীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদ সমাবেশ এবং সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (০১ আগস্ট) দুপুরে সচেতন সনাতন ধর্মালম্বীদের আয়োজনে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে জেলার প্রায় পাঁচ শতাধিক সনাতনী নারী পুরুষ অংশ নেন। শনিবার বেলা ১২ টার দিকে প্রথমে জেলা বিএনপি কার্য্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে সনাতনীরা মিছিলটি পঞ্চগড় সেনালী ব্যাংকে গিয়ে আবার সেখান থেকে পঞ্চগড় সিনেমা হল সড়ক হয়ে পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবে শেষ হয়।
পরে পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের হল রুমে সনাতনী নেতারা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের দেবীগঞ্জ উপজেলা সাধারন সম্পাদক হরিশ চন্দ্র রায় বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সারাবাংলাদেশের সনাতনীদের একান্ত আস্থাভাজন নেতা প্রতিমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুন্ন এবং তার জনপ্রিয়তা নিয়ে ষড়যন্ত্র করে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে সনাতনী নারীর সাথে তথ্যপ্রুযুক্তি দিয়ে ভিডিও তৈরি করে সনাতনীদের মানহানি করা হচ্ছে। আমরা সনাতনীরা এর তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই সেই সাথে এই ভিডিও তৈরির সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তীর আওতায় আনার দাবী জানায়।