গাজীপুরের কালীগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে ডিজিটাল শ্রেণীকক্ষ বাস্তবায়ন ও সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থী, দুঃস্থ নারী, সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগী ব্যক্তি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে পানির ফিল্টার, ডিজিটাল স্মার্ট বোর্ড, বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন, ছাগল, গৃহনির্মাণ সামগ্রী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সরঞ্জামসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে কালীগঞ্জ আর.আর.এন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী ও সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলা উন্নয়ন সহায়তার বরাদ্দ থেকে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একেএম ফজলুল হক মিলন এমপি।
অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত ১৫৭ জন অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল, ১৫০জন দুঃস্থ নারীকে সেলাই মেশিন, গরীব অসহায় ২০টি পরিবারকে ছাগল, ১০টি পরিবারকে গৃহনির্মাণ সামগ্রী, ৯৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল স্মার্ট বোর্ড, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সরঞ্জাম ও পানির ফিল্টার বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউর ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাকির হোসেন, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবুল হোসেন আকাশ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হুমায়ুন কবির মাষ্টার, সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, তুমলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর বাক্কু, বাহাদুরসাদী ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন আহমেদ, জামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল আলম, মোক্তারপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আইয়ুব বাগমার, নাগরী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোহিনুর বেগম, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ।
নওগাঁর পোরশায় বিষধর সাপের কামড়ে ফৌজিয়া বেগম (৪৬) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ধুলাডাঙ্গা গ্রামের ওসমান আলীর স্ত্রী।
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে তেঁতুলিয়া ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে ফৌজিয়া বেগম তার শোবার ঘরের মেঝেতে জোহরের নামাজ শেষে জায়নামাজের উপর ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর তার ছেলের বউ তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। এসময় সেখানে থাকা একটি বিষধর সাপ তাকে ছোবল দেয়। বাড়ির লোকজন সাথে সাথেই তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়ে দেন।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে আসে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী
সিলেটের জৈন্তাপুরে জনসভা শেষ করে নগরীতে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বহন কারীতে গাড়িতে হামলা ও ঢিল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং দলটির আহবায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে একটি ভিডিও সহ পোস্ট দেন নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি লিখেন, ‘তারেক রহমান, আমাকে রক্তাক্ত করে আপনি একটি ভয়াবহ ভুল করেছেন। আপনি সন্ত্রাসের পথে গেলেন। জৈন্তাপুর পদযাত্রার শেষ কর্মসূচি শেষ করে ফেরার পথে…’ এরপর রাত ১১টা ১১ মিনিটে একই ভিডিওসহ পোস্ট দেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি লিখেন, ‘সিলেটের জৈন্তাপুরে জুলাই পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে এনসিপির গাড়িবহরে আবারও হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী। হামলাকারীরা গাড়ির কাঁচ ভাঙচুর করে। ভাঙা কাঁচে আহত হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দুইজন আহত হন।’দুটি পোস্টেই চলতি গাড়ির ভিতর থেকে ধারণকৃত একটি ভিডিওতে গাড়ির কাঁচ ভাঙা দেখা যায় এবং গাড়ির অভ্যন্তরে দুইজন ব্যক্তির রক্তাক্ত হাত দেখা যায়। তবে কারো চেহারা দেখা যায়নি।
এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন যে জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর বাজার এলাকায় তাদের উপর এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এনসিপির গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছেন জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা। তিনি বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ পুলিশ প্রটোকলের মধ্যে তাদের গাড়িগুলো উপজেলার শেষ সীমানায় পার্শ্ববর্তী থানার প্রটোকলে তুলে দিয়ে এসেছি। এ সময় যদি তাদের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটতো, তাহলে তারা অবশ্যই আমাদের অবগত করতেন কিংবা গাড়ি হাসপাতালে নেয়ার জন্য থামাতেন। কিন্তু সেরকম কিছু ঘটেনি।’
এদিকে,সিলেটের জৈন্তাপুরে জনসভা শেষে নগরীতে ফেরার পথে হরিপুর এলাকায় এনসিপির গাড়িবহরে ঢিল নিক্ষেপ এবং দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ ২জন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছে পুলিশ।
জৈন্তাপুর থেকে নগরীতে ফিরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “আজকে আমাদের তিনটি প্রোগ্রাম ছিল। স্টেজ থেকে নেমে গাড়ি কয়েক মিনিট ক্রস করার পর বিকট একটি শব্দ হয়। আমাদের গাড়ির কাঁচ ভেঙে গিয়েছে, বড় একটি ইট পড়েছে, আমার হাতে ইটের আঘাতের দাগ আছে। মাথায় পড়লে মাথা ফাটতো নিশ্চিত।’ তিনি বলেন, “আজকে ইশরাক উস্কানি দিয়েছেন, রাশেদ খান উস্কানি দিয়েছেন। আমি জীবন নিয়ে শঙ্কা বোধ করছি, আমি নিরাপদ নয়। তবে আমি দলকে বলে দিয়েছি যে তারেক রহমান আজকে রাজনৈতিক ভাবে একটি মস্তবড় ভুল করেছেন।’
তিনি আরো বলেন, “শেখ হাসিনা আমাদের রিমাণ্ডে নিয়েছিলো। তাকে আমরা দেশ থেকে তাড়িয়েছি। তারেক রহমান আপনি মস্তবড় ভুল করেছেন, এজন্য আপনাকে কাফফারা দিতে হবে। এমন কাফফারা যা আপনি এক্সপেক্ট করবেন না। আপনি আমাকে পার্সোনাল রক্ত ঝরিয়েছেন। আপনি আমার বয়সে বড়, ছোট ভাইয়ের রক্ত প্রতিশোধ নিবে। আপনার থেকে আমি পার্সোনালি রক্তের প্রতিশোধ নিবো।’
“যার আসনে গিয়েছিলাম, তাকে বলেছিলাম, পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। সালাউদ্দিন সাহেবকে বলেছিলাম নিরাপত্তার শঙ্কার কথা, তিনি বলেছেন যে নিরাপত্তা দেয়া যাবে না। ঠিক আছে, মারা যাবো।"
পুলিশের অস্বীকার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার পিছনে এএসপির গাড়ি ছিল, সামনে পুলিশের গাড়ি ছিল। পাশে মোটরকেড ছিল। এখনো গাড়ি ভাঙা আছে, ইট আছে, আঘাত আছে। আমরা আশা করবো যে পুলিশ ভাইয়েরা তাদের চরিত্র পরিবর্তন করবে। আমরা এসপিকে জানিয়েছি, পুলিশকে জানিয়েছি। আমি আদালতে বা কোথাও যাবো না, এটাকে পার্সোনালি নিলাম।’
ছবি : সংগৃহীত
বগুড়ার কাহালুতে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার নাম লুৎফর রহমান। তিনি হলেন ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে লুৎফর রহমান(৫০)। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। অন্য নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ থেকে মাছ বিক্রি শেষে একটি পিকআপ বগুড়ার দিকে ফিরছিল। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা নওগাঁগামী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে কাহালু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা এবং কাহালু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক হেলপার পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে কাহালু থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও পিকআপ সরিয়ে নেয় এবং চারজনের মরদহ উদ্ধার করে।
কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি তিনজনের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
দিনাজপুরের বিরলে তরুণ সমাজকে মাদক ও অন্যান্য সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে বিরল সরকারী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মাদক ও মোবাইলভিত্তিক জুয়ার আসক্তি থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই ক্রীড়াচর্চা সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষ অতিথি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি বলেন, একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি শুধু নিজের নয়, একটি পরিবার ও সমাজের জন্যও হুমকি হয়ে ওঠে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি তরুণদের মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, যুবসমাজকে মাদকের ছোবল থেকে দূরে রাখতেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন।
বিরল ও বোচাগঞ্জ এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খেলাধুলার প্রসারই সুস্থ সমাজ বিনির্মাণের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোঃ জেদান আল মুসা (পিপিএম), জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বখতিয়ার আহমেদ কচি, বিরল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুলতান মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তারা, সাংবাদিক এবং বিপুলসংখ্যক দর্শক।
উদ্বোধনী ম্যাচে বিরল উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ২-১ গোলে হারায় নীলফামারী অভিনন্দন ফুটবল একাডেমি। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ম্যাচে নীলফামারী দলের আল আমিন ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।
এছাড়া গোলদাতা খেলোয়াড়দেরও পুরস্কৃত করা হয়।
পুরো অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
আয়োজকদের আশা, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন তরুণদের খেলাধুলামুখী করে তুলবে এবং মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করবে।
শরীয়তপুরের জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ ও স্ট্যাটাসের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) কলেজে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেন। এ সময় বক্তব্য দেন গভর্নিং বডির সভাপতি মো. বজলুর রশিদ সিকদার।
লিখিত বক্তব্যে কলেজ কর্তৃপক্ষ দাবি করে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কলেজে চুরি, চাঁদাবাজি, নিয়মবহির্ভূত অধ্যক্ষ নিয়োগ এবং আর্থিক অনিয়মের যেসব অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা, শিক্ষাকে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করা এবং অপপ্রচার, চাঁদাবাজি ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের পরিবর্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য প্রচার শিক্ষা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বলেও তারা মন্তব্য করেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন, ‘তারেক রহমানের কাছে এত বড় গ্যাংস্টার বাংলাদেশে আছে। কি নাই তার কাছে? জিকে গউসের মত অস্ত্র আছে, আব্বাস সাহেবের মত অস্ত্র আছে, বুলু সাহেবের মত অস্ত্র আছে, সালাউদ্দিনের মতো অস্ত্র তার কাছে আছে। কে কার চেয়ে কোন র্যাংকিংয়ে কম? কারো কারো কাছে মাদক, কারো কাছে টেন্ডার, সালাউদ্দিনের সাহেবের ছেলেরা এক জায়গায় বসা, খসরু ভাই আছে। এগুলো র্যাংকিং করলে ইতালির যেকোনো মাফিয়াকেও হার মানাবে।’ শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথাগুলো বলেন।
কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন বলেন, ‘তারেক রহমান বাংলাদেশে যা করতেছে, সেটা বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য লজ্জার। তিনি রাজনীতির সংস্কৃতিকে অসংস্কৃত ও সহিংসতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হয়, তার রাজনীতি করা ইচ্ছা নাই। ইতালিতে বড় বড় মাফিয়া গ্যাং থাকে না উনি সেই গ্যাংবাজি করছেন। তাহলে উনি বলে দিক যে, আমি আজকে থেকে গ্যাংবাজি করব, আমি রাজনীতি করব না। রাজনীতিতে গ্যাংবাজি করার কি দরকার?
আপনি কি ভয় পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভয় তো পাবোই। এত বড় গ্যাংস্টার বাংলাদেশে আছে। কি নাই তার কাছে? জিকে গউসের মত অস্ত্র আছে, আব্বাস সাহেবের মত অস্ত্র আছে, বুলু সাহেবের মত অস্ত্র আছে, সালাউদ্দিনের মতো অস্ত্র তার কাছে আছে। কে কার চেয়ে কোন র্যাংকিংয়ে কম? কারো কারো কাছে মাদক, কারো কাছে টেন্ডার, সালাউদ্দিনের সাহেবের ছেলেরা এক জায়গায় বসা, খসরু ভাই আছে। এগুলো র্যাংকিং করলে ইতালির যেকোনো মাফিয়াকেও হার মানাবে।’
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের এই ধরনের মাফিয়াগুলাকে ছেড়ে দিয়েছে, সন্ত্রাসের রাজত্ব ছেড়ে দিয়েছে। আমার তো ভয় পাওয়া, মানুষও ভয় পাইতেছে, সবাই আমরা ভয় পাইতেছি । আমরা একটা টেরর রাজ্যে আসছি। মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে পাটওয়ারী বলেন, ‘মামলায় হামলা, হয়রানি ও ছিনতাইয়ের মতো অভিযোগ আনা হলেও সেসবের কোনো সত্যতা নেই।
তিনি বলেন, আমি যে মামলাগুলো দেখেছি, সেখানে অনেক ইন্টারেস্টিং বিষয় লেখা হয়েছে। বলা হয়েছে আমরা হামলা করেছি, হয়রানি করেছি, ছিনতাই করেছি। এসব কতটুকু সত্য, সেটা দেশবাসী দেখেছে।
মামলায় ছিনতাইয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা বলছে আইফোন ছিনতাই হয়েছে। সেটি কি জি কে গাউসের আইফোন, নাকি তারেক রহমানের আইফোন ছিল? এসব অভিযোগ অত্যন্ত লজ্জাজনক।’