ধনবাড়ীতে মেলায় জুয়া অশ্লীলতা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারী প্রশাসনের

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১১:৫১ এএম

বাঙ্গালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ এ উপলক্ষ্যে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর নওয়াব ইনস্টিটিউশন মঠে বসেছে তিন দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা। এ মেলায় সরকারী নিদের্শনা সকাল থেকে চলবে সন্ধ্যা ৭ সাত টা পর্যন্ত। মেলায় কোন প্রকার জুয়া অশ্লীলতা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারী দিয়েছেন প্রশাসন।


মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে তিন দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী এ মেলা। এছাড়া উপজেলার বীরতারার রাজার হাট, কেন্দুয়া বাজার, বানিয়াজান ইউনিয়নের পঞ্চাশী বটতলা এলাকা ও বলিভদ্র ইউনিয়নের কেরামজানি বাজারে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই চলছে মেলা। তবে সুশীল সমাজ বলছে গ্রামীণ মেলার নামে সন্ধ্যার পর থেকেই চলে রমরমা জুয়ার আসর। রাত গভীর হলে পুতুল নাচের নামে মেয়ে দিয়ে অর্ধউলঙ্গ করে অশ্লীল মানব নৃত্য পরিবেশন করিয়ে কমিটির লোকজন শত টাকা জন প্রতি টিকিট বিক্রি করে।


এতে করে স্থানীয় এলাকার ছাত্র ও যুব সমাজ খারাপের দিকে ধাবিত হয়। এমন চিত্রই ফুটে উঠেছিলো গত ২১মার্চ তারিখে বানিয়াজানের পঞ্চাশী বটতলা এলাকায় আনন্দ মেলার নামে স্থানীয় বিএনপি’র কয়েক নেতা কর্মীরা তারা এমন কর্মকান্ড চালায়। শুধু তাই নয় ২৫ শে মার্চ কালো রাত্রি তে চালায় অশ্লীল নৃত্য ও জুয়া। এঘটনায় ধনবাড়ীর বীরমুক্তিযোদ্ধারা ক্ষোভে ফুসে উঠেন।


উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সংর্ধ্বধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চে বুকফাটা ক্ষোভে ফুলের মালার বদলে জুতার মালা দিয়ে বের করে দেয়ার কথার বলে বন্ধে প্রশাসন ও বর্তমান সরকারসহ সাংবাদিকদের দৃষ্টি আর্কষণ করেন ধনবাড়ী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা শাহাজান আলী, হযরত আলীসহ অন্যরা।


এনিয়ে জাতীয় দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় গত ২৭ শে মার্চ “ধনবাড়ীতে মেলায় জুয়ার আসর ক্ষোভে ফুসছেন মুক্তিযোদ্ধা” শিরোনামে ও নাগরিক টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে বিভিন্ন শিরোনোমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে মেলা বন্ধ করে দেন ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ্ নূরজাহান আক্তার সাথী। বর্তমানেও শুরু হয়েছে ধনবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী তিন দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা। এবারো অনুমতিবিহীন মেলায় যাতে অশ্লীল কোন নৃত্য বা জুয়া মাদক কেনাবেচাসহ লটারি না চলে এমন দাবী ধনবাড়ীবাসীর।


ধনবাড়ীর জুলাই যোদ্ধা রেজাউল করিম জানান, ধনবাড়ীর মেলা একটি পুরনো ঐতিহ্য। এ মেলায় যাতে কোন প্রকার জুয়া বা অশ্লীল কোন কর্মকান্ড না ঘটে এজন্য প্রশাসনের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


উপজেলা প্রশাসন কৃর্তৃক আয়োজিত মেলার প্রস্তুতি সভায় বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ভিপি তার বক্তব্যে বলেন, মেলাটি প্রাচীন ঐতিহ্য ধনবাড়ীর। এ মেলায় কোন প্রকার জুয়া বা অশ্লীন কোন কিছু না হয় এজন্য প্রশাসনকে সার্বিক খোঁজ খবর রেখে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করছি।


ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি অধ্যক্ষ এম আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ধনবাড়ীর মেলা একটি ঐতিহ্যবাহিবাহী মেলা। এ মেলাটি জমিদারী আমল থেকেই যুগযুগে চলে আসছে। মেলায় সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। তবে, মেলায় যদি কেউ কোন ধরণের অশ্লীল কোন কিছু চালায় সে দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে। এ মেলায় যাতে কোন প্রকার জুয়া, অশ্লীল নৃত্য মাদক কেনা বেচাসহ অনৈতিক অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংগঠিত না হয় এজন্য উপজেলা ও থানা প্রশাসন কে ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানান তিনি।  


ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম স্বপন বলেন, মেলা একটি প্রাচীন এতিহ্য বহন করে। তবে মেলায় যাতে কোন প্রকার জুয়া,মাদকসহ অশ্লীল কিছু না ঘটে এজন্য প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।


থানার ওসি নুরুস সালাম সিদ্দিক মেলার প্রস্তুতি সভায় তিনি বলেন, গত ২৫ মার্চের রাতে বানিয়াজানের পঞ্চাশীতে আনন্দ মেলার নামে যা ঘটনা ঘটেছিলো তা খুবই ন্যাক্কারজনক। খবর পাওয়া মাত্রই মেলাটি বন্ধ করে দেয়া হয়। আমরা জানতে পারছি যে, ধনবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট আকারে মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। যাতে করে সেই মেলায় কোন প্রকার জুয়ার আসর বা অশ্লীল নৃত্য বা অনৈতিক কিছু না হয় তার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। এরকম কিছু ঘটা মাত্রই দ্রæত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ্ নূরজাহান আক্তার সাথী সাংবাদিকদের কে জানান, মেলায় কোন ধরণের যাতে জুয়া, লটারি বা অশ্লীল নৃত্য না হয় এজন্য মেলা কমিটিকে বলা হয়েছে।



সেই সাথে প্রশাসনিক ভাবে বিষয়টি নজরদারিতে রাখতে থানা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭ পর্যন্ত মেলা চালানোর জন্য কমিটিকে বলা হয়েছে। এবং কী ধনবাড়ীর বীরতারার রাজার হাট, কেন্দুয়া বাজার, বানিয়াজানের পঞ্চাশী বটতলা, বলিভদ্রের কেরামজানি মেলার কোন অনুমতি নেই।



সর্বশেষ সব খবর

আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেন।

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:২৭ এএম

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের মাছের আড়ত থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগে আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে গ্রেপ্তারের পর সামনে আসছে তার একাধিক অপরাধের চিত্র। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেবল কারওয়ান বাজারই নয়, নিজের এলাকা আদাবরেও চাঁদাবাজি, জোরপূর্বক কাজ হাতিয়ে নেওয়া এবং ভবন দখলের মতো নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন এই ছাত্রদল নেতা। ডিবি পুলিশ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তারের খবর জানায়। এরপর আদাবরের মনসুরাবাদ হাউজিং এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নয়ন ও তার অনুসারীদের নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ ছিলেন স্থানীয় অধিবাসীরা।


বর্তমানে আদাবর মনসুরাবাদ হাউজিংয়ের ৬ নম্বর সড়কে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় সড়ক সংস্কারের কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সড়কের ৫০ থেকে ৬০টি ভবনের পানি ও পয়েন্টনিষ্কাশন লাইনের কাজ জোর করে নিজেদের লোক দিয়ে করাতে ভবনমালিকদের বাধ্য করেছেন নয়নের সমর্থকরা। কাজ শেষে বাড়িপ্রতি ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত বিল দাবি ও জোরপূর্বক আদায় করা হয়।


৬ নম্বর সড়কের ৬৯ ও ৭০ নম্বর বাড়ির নালার কাজের জন্য ৫৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। স্বনামধন্য মিস্ত্রি দিয়ে কাজ করাতে চাইলে চার-পাঁচজন ব্যক্তি নিজেদের ছাত্রদল নেতা নয়নের লোক পরিচয় দিয়ে চাপ সৃষ্টি করেন। অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়িমালিককে হুমকি দেয়া হয়, যা পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়। একই সড়কের আরেকটি ভবনের নিরাপত্তাকর্মী জানান, অন্য মিস্ত্রি দিয়ে যে কাজ ১০ হাজার টাকায় করা যেত, সেখানে তিন ধাপে জোর করে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা হয়েছে।


স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেন এবং সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মজুমদার জসিমের নেতৃত্বে এমব্রয়ডারি কারখানা, ফুটপাতের দোকান এবং নির্মাণাধীন ভবনগুলো থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলা হতো।


এমনকি ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় আদাবর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম বাবুলের একটি বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে নয়ন ও জসিমের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। দখল করতে না পেরে বাড়িটিতে ভাঙচুর চালানো হয়। সিসিটিভি ফুটেজে ছাত্রদলের একাধিক স্থানীয় নেতাকে হামলার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।


তবে সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান জসিম চাঁদাবাজি ও দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি বিষয়টি মীমাংসার জন্য গিয়েছিলেন এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।


উল্লেখ্য, গত মাসে মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলার ঘটনায় ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের আওতাধীন আদাবর থানা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।কমিটির বিলুপ্ত হওয়া সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ দাবি করেছেন, নয়নকে আদাবরের কথা বলে আটক করলেও পরে কারওয়ান বাজারের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, যা তার মতে এক ধরণের চক্রান্ত।


তবে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মো. জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও সন্দেহের ভিত্তিতেই নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নয়নের বিরুদ্ধে আসা আদাবরের অন্যান্য চাঁদাবাজির অভিযোগগুলোও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে অন্য কারও নাম বা সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে : নাহিদ ইসলাম

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৭ এএম

বিএনপি সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং জ্বালানিমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আগামী ৩০ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে গণবিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।


শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে এনসিপির সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে এ ঘোষণা দেন তিনি। স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং সাইবার আইনসহ কর্তৃত্ববাদী আইন বাতিল।


বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক। এ সময় এনসিপির দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর মানুষের সমস্যা বেড়েছে, অথচ সমাধানে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেই।


আর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিএনপি সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা যাচ্ছে না। 

সর্বশেষ সব খবর

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ জয়পুরহাটে। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৩৬ এএম

জয়পুরহাটের কালাইয়ে সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের এক তরুণীর সিঁথিতে জোরপূর্বক সিঁদুর পরানোর চেষ্টাকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নারীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।



এ সময় একপক্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ তুললেও অপরপক্ষ তা অস্বীকার করে নিজেদের ওপর হামলার দাবি করেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার পুনট ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মালিপাড়া গ্রামে এক তরুণীর সিঁথিতে জোর করে সিঁদুর দিতে চাওয়ার অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহূর্তেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত এসে আহতদের উদ্ধার করেন এবং রাতেই তাদের জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। গুরুতর আহত চিচোরন চন্দ্র মালীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।



সংঘর্ষের ঘটনায় আহতরা হলেন— সুবর্ণা রাণী (৪০), মলিনা রানী (৫৫), গোবিন্দ চন্দ্র মালী (৪৫), জয় চন্দ্র মালী (২৫) ও চিচোরন চন্দ্র মালী (৪৬)। এদের মধ্যে সুবর্ণা রাণী, মলিনা রানী ও গোবিন্দ চন্দ্র মালী হলেন তরুণীর পক্ষের এবং জয় চন্দ্র মালী ও চিচোরন চন্দ্র মালী হলেন অপরপক্ষের লোক।



স্থানীয়রা জানান, ১৫ বছরের এক তরুণীকে দোলন (১৭) নামের এক যুবক শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীর দিনে সিঁথিতে সিঁদুর দিতে চেয়েছিল। বিষয়টি ওই তরুণী তার পরিবারকে জানায়। পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে মালিপাড়ায় সালিশ ডাকা হয়। সালিশ চলাকালে দুইপক্ষ তর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং বিরোধ সৃষ্টি হয়।



একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে তরুণীর পক্ষের তিনজন এবং যুবকের পক্ষের দুজন আহত হন। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।



এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক দোলন বলেন, পল্লবীর সিঁথিতে সিঁদুর দেওয়ার কথা বলেছি। এর জন্য পল্লবীর বাবা-মা অন্য লোকজনকে নিয়ে তিনজনের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। একজনের পায়ের রগ কেটে দিয়েছে, আরও একজনকে মারধর করে আহত করেছে। হামলার সময় বাড়িঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ অনেক মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।



তবে তরুণীর বাবা শতুঘোন মালী বলেন, মীমাংসার জন্য সালিশ বসে। কথা শুরু হওয়ার একপর্যায়ে দুইপক্ষ তর্কে জড়ালে প্রতিপক্ষ তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তাদের পক্ষের তিনজন আহত হয়। একজনের অবস্থা ভালো না।



কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, আমরা ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

ইসমাইল মাহমুদ পাটওয়ারীউত্তাল সৈকত। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১৯ এএম

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইসমাইল মাহমুদ পাটওয়ারী নামে এক আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


বৃহ্স্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকালে শহরের দেনায়েতপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে রায়পুর থানা পুলিশ।


তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  গ্রেফতার ইসমাইল মাহমুদ পাটওয়ারী রায়পুর উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত আছেন। তিনি পৌর শহরের ধানহাটা সংলগ্ন নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।  এ বিষয়ে জানতে তার স্ত্রী রায়পুর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তারের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।


রায়পুর থানার ওসি মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁঞা বলেন, রাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অভিযোগে ইসমাইল মাহমুদ পাটওয়ারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে শুক্রবার সকালে আদালতে পাঠান হবে।

সর্বশেষ সব খবর

জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৮ পিএম

‎শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে রামগতি ও কমলনগরের বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় দেওয়া বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে ক্ষমা চেয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ-সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান।



‎শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ক্ষমা প্রার্থনা ও দুঃখ প্রকাশ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে হুইপ নিজান লেখেন, ‘শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষ্যে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে আমার বক্তব্যের কিছু অংশের কয়েকটি বাক্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আপনারা অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।’



তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার নির্বাচনি এলাকা লক্ষ্মীপুর-৪ এর রামগতি ও কমলনগরের বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজ, তরুণ-তরুণী, আমার বিপক্ষ দলের রাজনৈতিক নেতা এবং অন্য শুভাকাঙ্ক্ষীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই- আমার বক্তব্যের যে অংশটুকু আসলে ধর্মীয়ভাবে বিভিন্ন বিতর্কের জন্ম দেয়, সে অংশটুকুর জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনাদের কাছেও দুঃখ প্রকাশ করছি।’



বর্তমানে পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন জানিয়ে আশরাফ উদ্দিন নিজান লেখেন, ‘আমি বর্তমানে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবের মদীনায় অবস্থান করছি। এ পবিত্র স্থানে এসে আমি কায়মনোবাক্যে দোয়া করি আল্লাহ যেন আমার ঈমানকে আরও সুদৃঢ় ও মজবুত করেন। মহান আল্লাহ যেন আমাকে সবার কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত রাখেন, আপনাদের কাছে সে দোয়া চাই।’



উল্লেখ্য, সম্প্রতি রামগতি ও কমলনগরের দুর্গা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় দেওয়া তার একটি বক্তব্যের কিছু অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সুশীল ও তরুণ সমাজ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সর্বশেষ সব খবর

পাহাড়ে অবরোধ ঘিরে গোলাগুলি

থমথমে সাজেকে আতঙ্ক, পর্যটন ব্যবসায় ধস


  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৫ পিএম

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে আঞ্চলিক সংগঠনের অবরোধ কর্মসূচি ঘিরে পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। বৃহস্পতিবার অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও সংঘর্ষের পাশাপাশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে গোলাগুলির পর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আটকা পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপত্তা দিয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। 


এর মধ্যে ঘটনার প্রতিবাদে আবারও রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দিয়েছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ। ফলে পাহাড়ের পর্যটন, জনজীবন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।




এদিকে সাজেকে অবরোধকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ আজ রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দিয়েছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন সংর্শ্লিষ্টরা। 


গোলাগুলির ঘটনায় সেনাবাহিনীর দাবি, এতে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা গুলি চালালে আত্মরক্ষায় পালটা গুলি চালানো হয়। তবে ইউপিডিএফ এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, নিরাপত্তা বাহিনীই একতরফা গুলি চালিয়েছে।


অবরোধকারী সংগঠনগুলোকে ইউপিডিএফ-ঘনিষ্ঠ হিসাবে বিভিন্ন মহল থেকে উলে­খ করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, কারা গুলি চালিয়েছে এবং সহিংসতা কীভাবে শুরু হয়েছে, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। 


জনশূন্য গঙ্গারাম, শুক্রবারও চলে অবরোধ


বৃহস্পতিবারের ঘটনার পর সাজেক গঙ্গারাম এলাকায় জনশূন্যতা দেখা দিয়েছে। আতঙ্কে বাড়িঘর, দোকানপাট ছেড়ে সাধারণ মানুষজন প্রায় নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন বলে জানান সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা। তবে শুক্রবারও সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে সড়কে টায়ার ও গাছের গুঁড়ি জ্বালিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এদিকে শুক্রবার সাজেক সড়কে অবরোধের ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।


পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে 


রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুর রকিব বলেন, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর টহল জোরদারের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং যৌথবাহিনীর (পুলিশ ও সেনাবাহিনী) অভিযান চলছে।  


বন্ধ সাজেক, বড় ক্ষতিতে ব্যবসায়ীরা


নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় রাঙামাটির জেলা প্রশাসনের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। এতে পর্যটননির্ভর রিসোর্ট, কটেজ, পরিবহণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসা ক্ষতির মুখে পড়েছে। শুধু পর্যটন নয়, সড়ক অবরোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহণ এবং জুমের ফসল বাজারজাতকরণও ব্যাহত হচ্ছে। জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেছেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। 


সাজেকের পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, এখন পর্যটনের ভরা  মৌসুম। অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে সব বুকিং বাতিল করে পর্যটকদের টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত ক্ষতির শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি পর্যটকবাহী জিপ চলাচল করত, কিন্তু বর্তমানে সেগুলো বন্ধ। এছাড়া খাদ্যসামগ্রী আনা-নেওয়া এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে বিক্রি করতে না পেরে স্থানীয় সাধারণ মানুষও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সহসাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা বলেন,  কোটি কোটি টাকার আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পর্যটন বন্ধ থাকায় কটেজ মালিকদের পাশাপাশি পরিবহণ খাত, স্থানীয় রেস্তোরাঁ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবন-জীবিকাও চরম সংকটে পড়েছে। একই কথা জানান সাজেক পর্যটন ভ্যালির কুঁড়েঘর রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী যতেন ত্রিপুরা। 


সাজেক খুলে দিতে আলটিমেটাম


পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ব্যবসায়ীরা। শক্রবার বিকালে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের সরকারি কলেজ গেটের সামনে থেকে মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে এসে শেষ হয়। যানবাহন মালিক সমিতির সভাপতি আয়ুস চাকমা বলেন, পর্যটন এখানকার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। পর্যটন বন্ধ হলে অনেক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে। দ্রুত সাজেক খুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ইটাব) সদস্য উজ্জ্বল দে বলেন, ‘আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর বিরোধের কারণে পর্যটকরা আতঙ্কের মধ্যে আছে। দ্রুত অবরোধ প্রত্যাহার না করলে আমরা বড় আন্দোলনে যাব।’ 

সর্বশেষ সব খবর