গাজীপুরের কালীগঞ্জে নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে আল্লামা আবু নসর সৈয়দ মো. আবিদ শাহ্ মোজাদ্দেদী আল-মাদানী’র (রা.) চতুর্থ সাহেবজাদা আওলাদে রাসুল (দ.) আল্লামা সৈয়দ জাহের শাহ্ মোজাদ্দেদী’র (রা.) চতুর্থ ওফাত দিবস উপলক্ষে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান ও ইমামে রাব্বানী দরবার শরীফের পীরে কামিল আল্লামা সৈয়দ মো. বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী আল আবেদী (মা.জি.আ.)’র নির্দেশে ওফাত দিবস পালিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে উপজেলার সোমবাজারস্থ আবেদীয়া বাহাদুর শাহ্ মোজাদ্দেদীয়া খানকা শরীফে পবিত্র খতমে কোরআন, খতমে ইয়াসিন, খতমে শেফা ও খতমে খাজেগান শরীফ অনুষ্ঠিত হয়। বাদ আসর বাংলাদেশ হিজবুর রাসুল (দ.) উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব দেওয়ান শফিউদ্দিন আহমেদ’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. আওলাদ হোসেন এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামাত গাজীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক ও কালীগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা মো. আল-আমিন দেওয়ান আল-আবিদী।
বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ হিজবুর রাসুল (দ.) উপজেলা সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মো. রেজাউল করিম ভূইয়া, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ উপজেলা সভাপতি আবু তাহের খান মো. আলমগীর, সোমবাজার ঐতিহাসিক সুন্নী মহাসম্মেলনের সভাপতি মো. আরব আলী।
সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. মেজবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামাত উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন ভূইয়া খোকন, মো. আবু বকর ছিদ্দিক মানিক, বাংলাদেশ যুব হিজবুর রাসুল (দ.) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মতিন, ইসলামিক যুব ফ্রন্ট গাজীপুর জেলা সভাপতি মো. শাকিল আহমদ দরাই প্রমূখ।
এ সময় অন্যান্যের মাঝে বায়তুণ আমান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আমির হোসেন, সোমবাজার ঐতিহাসিক সুন্নী মহাসম্মেলনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রউফ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. মঞ্জুর হোসেন, মাওলানা মুফতি মো. জহিরুল ইসলাম আল কাদরী, হাফেজ মাওলানা মো. আনিছুর রহমান, হাফেজ মাওলানা মো. নুর উদ্দিন, হাফেজ মাওলানা মো. আল-মামুন আল-আবেদী, ইসলামি ছাত্রসেনা উপজেলা সভাপতি মো. ফজলে রাব্বী খান, সাধারণ সম্পাদক মো. তানবীর হাসান সহ ইমামে রাব্বানী দরবার শরীফের আশেকগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরিশেষে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লামা সৈয়দ জাহের শাহ্ মোজাদ্দেদী (রা.) এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা সহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও মুক্তি কামনা করা হয়।
কেক কেটে স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলেন অত্র সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
আজ শনিবার (১লা আগষ্ট) বিকেলে টাঙ্গাইল সদরস্থ পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৮ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কেক কেটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম।
এছাড়াও বৃক্ষরোপণ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মাধ্যমে মাসব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্ভোদন করেন তিনি প্রতিমন্ত্রী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম, সংগঠনের উপদেষ্টা সালেহ মোহাম্মদ শাফি ইথেন, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, তানভীর হাসান খান রুবেল, অত্র সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোহিদুল ইসলাম মোহিত, সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদ মিয়া, কোষাধ্যক্ষ শারমিন শিমু, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, অনিক সরকার অভি, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক, আসাদ হোসেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বাবুল হোসেন, সদস্য জাহিদুল ইসলাম, আসিফ, জাহিদ বিন সুলতান, তারিকুল ইসলাম শাওন ও মোঃ সিয়াম।
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা (মেডিকেল ক্যাম্পেইন) ও ঔষধ বিতরণ করেছে পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।
আজ শনিবার (০১আগষ্ট) সকাল থেকে দিনব্যাপী আটোয়ারী উপজেলার ধামোরহাট আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১৮ বিজিবির ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে এই চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সুরুজ মিয়া। এসময় পঞ্চগড় ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লে কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস সহ বিজিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক ও জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বিজিবি নিয়মিতভাবে ত্রাণ বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও খাদ্য সহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ প্রদানসহ নানা সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে আসছে।
মেডিক্যাল ক্যাম্পেইনে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রায় ৪৫০-৫০০ জন দুঃস্থ, হতদরিদ্র ও অসহায় নারী, পুরুষ এবং শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ বিতরণ করা হয়।
স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয় রংপুরে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে।
এ
লক্ষ্যে শনিবার (১ আগস্ট) সকালে
হাসপাতালের আউটডোর, ইনডোর ভবন, হাসপাতালের প্রবেশ দ্বার, অক্সিজেন প্লান্ট পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রণালয়ের বাজেট শাখার অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ।
তিনি
রংপুরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কাছে হাসপাতাল চালুর লক্ষ্যে নানা সংকটের কথা শোনেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন, রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডাঃ
ওয়াজেদ আলী, সিভিল সার্জন শাহীন সুলতানাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন
শেষে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে রংপুরসহ সারাদেশে নির্মিত শিশু হাসপাতাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র ক্রয়,
জনবল নিয়োগের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ।
তিনি
বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অচিরেই রংপুরসহ সারাদেশে নির্মিত শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন। এ লক্ষ্যে যন্ত্রপাতি
কেনার জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। সেটির টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ মাসের মধ্যে
সকল হাসপাতালে যন্ত্রপাতি চলে আসবে। পদ সৃজনের বিষয়টি
অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এটির কাজও প্রায় শেষ হয়েছে। হাসপাতালে আসবাবপত্রের জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। এখন স্যাম্পল যাচাই বাছাই চলছে। আশা করছি এ মাসের মধ্যে
অগ্রগতি দেখতে পারবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দু-এক মাসের
মধ্যে শিশু হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এর আগেই হাসপাতালের
সকল কাজ শেষ হবে।
অতিরিক্ত
সচিব আরিফ আহমদ রংপুর মা ও শিশু
হাসপাতাল এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
নোয়াখালীতে ইসলামী মহাসমাবেশে লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমানের সমাগমে ‘হিজবুত তাওহীদ’-কে কালো তালিকাভুক্ত ঈমান বিধ্বংসী জঙ্গি সংগঠন উল্লেখ করে সংগঠনটি নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে জমইয়্যাতুল মাদারিসিল কওমিয়া নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর ও ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মহাসমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান।
ইসলামী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি অভিযোগ করে বলেন- ঈমান বিধ্বংসী জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তওহীদ সেবার আড়ালে সুকৌশলে হাজার হাজার মুসলমানদেরকে ঈমানহারা করছে। যার কারণে এদেশের হক্কানি ওলামায়ে কেরাম ও তাওহিদী জনতার চেতনা ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছে। দেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হচ্ছে। স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হচ্ছে। সর্বস্তরের তাওহিদী জনতা বিক্ষুব্ধ হচ্ছে ও তাদের ভিনদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কারণে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ছে। তাই সরকারের নিকট ‘হেযবুত তওহীদ’ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানান তিনি ।
সমাবেশের দুই অধিবেশনে জমাইয়াতুল মাদারিসিল কওমিয়া নোয়াখালী-লক্ষীপুরের সভাপতি মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলার আমির মাওলানা নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মুফতি মুঈনুদ্দিন তৈয়বপুরী ও মাওলানা মহিউদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামিয়া আহলিয়া দারুল উলুম হাটহাজারীর মহাপরিচালক আল্লামা খলিল আহমদ কুরাইশী, খতমে নবুওত সংরক্ষণ কমিটির আমির আল্লামা আব্দুল হামিদ মধুপুরী, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরার মহাপরিচালক মুফতি আরশাদ রহমানী, জামেয়া ওবায়দিয়া নানুপুরের মুহতামিম আল্লামা সালাউদ্দিন নানুপুরী, ইসলামী মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক আল্লামা মুফতি মুস্তাকুন্নবী কাসেমী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব শায়খ সাজিদুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, মাওলানা আজিজুল্লাহ নবাব, মাওলানা সিদ্দিক আহমদ নোমান, মাওলানা নুরুল ইসলাম প্রমূখ।
সমাবেশে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ আজাদ, নোয়াখালীর ব্যবসায়ী নেতা মো. ইকরাম উল্লাহ ডিপটি’সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করেন।
সমাবেশে বক্তাগণ সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে বলেন, অনতিবিলম্বে হিজবুত তাওহীদকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তাদের প্রণীত বইপত্র, প্রচারিত পত্রপত্রিকা প্রকাশ ও ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ করতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে পরিচালিত তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো জব্দ করতে হবে। সারাদেশে ‘হেযবুত তওহীদ’ কর্তৃক বিভিন্ন নিরীহ মুসলমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে হবে।
মহাসমাবেশে ঘোষিত দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ওলামায়ে কেরাম ও তাওহিদী জনতার সমন্বয়ে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলার জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি পেশ ও আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হেজবুত তওহীদের স্বরূপ উন্মোচনে পর্যায়ক্রমে সেমিনার, মাহফিল ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ট্রিপল টেস্টেড ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড সিমেন্ট আশা সিমেন্ট বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে এ উপলক্ষে নোয়াখালী মাইজদীর নোয়া কনভেনশন সেন্টারে “আশা সিমেন্ট: স্বপ্নযাত্রায় নব দিগন্ত” শীর্ষক প্রোডাক্ট লঞ্চিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আশা সিমেন্টের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. সজিবুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিন, আশা সিমেন্টের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মেহেরাজুল ইসলাম, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মাইন উদ্দিন হাসান জুয়েল এবং নোয়াখালী অঞ্চলের রিজিওনাল হেড মো. মুহাইমিনুন হক।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা, ডিলার, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আশা সিমেন্ট দেশের নির্মাণ খাতে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের সিমেন্ট ও নির্ভরযোগ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, ব্যবসায়িক মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র্যাফেল ড্র এবং অতিথিদের জন্য বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা ছিল। পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আশায় গড়ি আগামী” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণসামগ্রী ও সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে আশা সিমেন্ট।
নওগাঁর আত্রাইয়ে ভেজাল ও নিম্নমানের সার বিক্রির সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানের মোট তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার ব্রজপুর, সিংসাড়া ও ভবানীপুর বাজারে অভিযান চালানোর সময় ভেজাল ও নিম্নমানের দস্তা সার বিক্রি করতে দেখে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ লঙ্ঘনের দায়ে মেসার্স এগ্রীজয়েন্ট এন্টারপ্রাইজকে এক হাজার টাকা, মেসার্স আয়েন উদ্দিন ট্রেডার্সকে পাঁচশ’ টাকা এবং মেসার্স করবেল ইন্টারন্যাশনালকে এক হাজার পাঁচশ’ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মনিরুজ্জামান বলেন, “ভেজাল সার কৃষি উৎপাদনের জন্য বড় হুমকি। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমাদের এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।” কৃষকদের কোনো সন্দেহজনক সার বিক্রি হতে দেখলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।
এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইমদাদুল হকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।