নাটোরের লালপুর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত গৃহবধূর নাম ইসরাত জাহান খুশি (১৯)।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার মোহরকয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খুশি লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের মো. নাজিম উদ্দিনের মেয়ে এবং মোহরকয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সোহাগ আলীর স্ত্রী। তিনি এক কন্যা সন্তানের জননী।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। পরে খুশি রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রোববার ভোরে তার ঘুম না ভাঙায় বিষয়টি সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। পরে স্বজনরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই নাজমুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই তার বোনের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের পারিবারিক কলহ চলছিল। বিষয়টি একাধিকবার গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করা হয়। সংসারের শান্তির জন্য কয়েক মাস আগে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে আসবাবপত্র, গহনা ও নগদ এক লাখ টাকা দেওয়া হয়। এরপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। তিনি দাবি করেন, তিন মাস আগে শাশুড়ি খুশিকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, দাম্পত্য জীবনে খুশি প্রায়ই মানসিক ও পারিবারিক চাপের মধ্যে থাকতেন। তাদের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
খবর পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
এ বিষয়ে লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবর রহমান বলেন, “ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ট্রিপল টেস্টেড ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড সিমেন্ট আশা সিমেন্ট বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে এ উপলক্ষে নোয়াখালী মাইজদীর নোয়া কনভেনশন সেন্টারে “আশা সিমেন্ট: স্বপ্নযাত্রায় নব দিগন্ত” শীর্ষক প্রোডাক্ট লঞ্চিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আশা সিমেন্টের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. সজিবুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিন, আশা সিমেন্টের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মেহেরাজুল ইসলাম, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মাইন উদ্দিন হাসান জুয়েল এবং নোয়াখালী অঞ্চলের রিজিওনাল হেড মো. মুহাইমিনুন হক।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা, ডিলার, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আশা সিমেন্ট দেশের নির্মাণ খাতে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের সিমেন্ট ও নির্ভরযোগ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, ব্যবসায়িক মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র্যাফেল ড্র এবং অতিথিদের জন্য বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা ছিল। পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আশায় গড়ি আগামী” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণসামগ্রী ও সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে আশা সিমেন্ট।
নওগাঁর আত্রাইয়ে ভেজাল ও নিম্নমানের সার বিক্রির সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানের মোট তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার ব্রজপুর, সিংসাড়া ও ভবানীপুর বাজারে অভিযান চালানোর সময় ভেজাল ও নিম্নমানের দস্তা সার বিক্রি করতে দেখে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ লঙ্ঘনের দায়ে মেসার্স এগ্রীজয়েন্ট এন্টারপ্রাইজকে এক হাজার টাকা, মেসার্স আয়েন উদ্দিন ট্রেডার্সকে পাঁচশ’ টাকা এবং মেসার্স করবেল ইন্টারন্যাশনালকে এক হাজার পাঁচশ’ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মনিরুজ্জামান বলেন, “ভেজাল সার কৃষি উৎপাদনের জন্য বড় হুমকি। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমাদের এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।” কৃষকদের কোনো সন্দেহজনক সার বিক্রি হতে দেখলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।
এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইমদাদুল হকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত নগরী কক্সবাজারে উৎসবমুখর পরিবেশে গ্লোবাল উইনার গ্রুপের অন্যতম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্ট' এর তিন দিনব্যাপী প্রথম বর্ষপূর্তি সম্মেলন ও উদযাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজারের একটি ফাইভ স্টার হোটেল থেকে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি লাবণী বিচ পর্যন্ত গিয়ে সেখানে দ্বিতীয় দিনের উদযাপন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সেখানে খেলাধুলা ও কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এর আগে শুক্রবার কক্সবাজারের ওই হোটেলে বর্ষপূর্তির প্রথম দিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইব্রাহিম খলিল, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ফেরদৌসুর রহমান রুমীসহ মূল ৮ জন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, পরিচালনা পর্ষদের কর্মকর্তা, সম্মানিত পার্টনার এবং শেয়ারহোল্ডারগণ।
অনুষ্ঠানটিকে আরও মহিমান্বিত করেন সম্মানিত অতিথিবৃন্দ; এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ‘নওরোজ’ পত্রিকার সম্পাদক এবং বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ডিআইজি।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণের মধ্যে ছিল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত স্পেশাল মার্কেটিং ট্রেনিং।
আধুনিক বিপণন কৌশল ও পেশাগত দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে এই বিশেষ সেশনটি পরিচালনা করেন দেশের জনপ্রিয় লার্নিং প্ল্যাটফর্ম স্কিলস রাইডার’ (Skills Rider)-এর ফাউন্ডার ও এমডি রাশেদুল ইসলাম।
সম্মেলনে প্রজেক্টের ভবিষ্যৎ মেগা পরিকল্পনা তুলে ধরে উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমানে ১৭ একর জমিতে বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে।
পর্যায়ক্রমে জমি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই প্রজেক্টটিকে মোট ২০০০ একর জমিতে বিস্তৃত করার এক বিশাল মাস্টারপ্ল্যান হাতে নেওয়া হয়েছে, যা দেশের পরিবেশবান্ধব এগ্রো-ট্যুরিজমে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বিনিয়োগকারী ও গ্রাহকদের সুবিধার্থে অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কিছু শেয়ার প্যাকেজ উন্মোচন করা হয়। একই সাথে, যেসকল বিনিয়োগকারী সফলভাবে তাঁদের বিনিয়োগ সম্পন্ন করেছেন, অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদান রাখায় সেরা পারফর্মকারী প্রতিনিধিদের বেস্ট মার্কেটার’ সম্মাননা ও বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
সম্মেলনের সমাপনী দিনে সফল পার্টনারদের মাঝে সম্মাননা স্মারক বিতরণ এবং এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে ৩ দিনব্যাপী এই স্মরণীয় উদযাপনের সফল সমাপ্তি ঘটে।
প্রতিমন্ত্রী টুকু
শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে এবং ভবিষ্যতে একাধিক পেশায় নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে, সে লক্ষ্যেও সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।
আজ শনিবার (১ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ইছাপুর শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য এবং পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিড-ডে মিল একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু করতে হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, যা পরে ডিগ্রি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের সরকার বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি কার্যক্রমও চালু করেছে। কাজেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রাথমিক ধাপ থেকে শুরু করতে হবে। ধীরে ধীরে সব পর্যায়েই হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পুষ্টির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। বিদ্যালয়গুলোতে কীভাবে শিক্ষার্থীদের প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মাদকবিরোধী অবস্থানের কথা তুলে ধরে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কোনোভাবেই টাঙ্গাইলে মাদক চলতে দেওয়া হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেব। যে মাদক যুবসমাজ ও ছাত্রসমাজকে ধ্বংস করে, তার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, সন্তানের লেখাপড়ার জন্য বাবা-মা অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। অনেক পরিবার ধান, জমি কিংবা গবাদিপশু বিক্রি করেও সন্তানের শিক্ষার ব্যয় বহন করে। সেই সন্তান যদি মাদকে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে পরিবারের সব ত্যাগ ব্যর্থ হয়ে যায়। তাই পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে মাদকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী মাদক, সন্ত্রাস ও সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে মনোযোগসহকারে লেখাপড়া করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. লুৎফুর রহমান মতিন, কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান মোল্লা বক্তব্য রাখেন।
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়ন, ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, মিড-ডে মিল কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশিত খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় হোটেল ব্লু পেয়ার এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল আল ইউসুফ খান টিপু।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম মারুফ হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রধান উপদেষ্টা ডা. মুজিবুর রহমান। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. শাহ আলম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুল ইসলাম স্বপন, সাংবাদিক এস এম শাহাদাত, পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম দুলাল, জাকির হোসেন জুয়েল সহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং পল্লী চিকিৎসকরা।
বক্তারা বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় পল্লী চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার এবং জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা। সম্মেলনে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, পল্লী চিকিৎসকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
নওগাঁর পোরশায় বিষধর সাপের কামড়ে ফৌজিয়া বেগম (৪৬) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ধুলাডাঙ্গা গ্রামের ওসমান আলীর স্ত্রী।
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে তেঁতুলিয়া ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে ফৌজিয়া বেগম তার শোবার ঘরের মেঝেতে জোহরের নামাজ শেষে জায়নামাজের উপর ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর তার ছেলের বউ তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। এসময় সেখানে থাকা একটি বিষধর সাপ তাকে ছোবল দেয়। বাড়ির লোকজন সাথে সাথেই তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়ে দেন।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে আসে।