আলহাজ্ব হাতেম খান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৫ মে, ২০২৬, সময় : ১০:৩৪ এএম

আসন্ন ভালুকা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে উত্তাপ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপের মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও ভালুকা পৌর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব হাতেম খানের নাম। 


মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ, তৃণমূলের সক্রিয়তা ও অতীত নির্বাচনী অভিজ্ঞতা তাকে সম্ভাব্য শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সামনে আনছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠলেও স্থানীয়দের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে হাতেম খানের নাম। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে তিনি আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


স্থানীয়দের মতে, হাতেম খান নিজেকে কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং “পৌরবাসীর সেবক” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন সংকটে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে তার একটি মানবিক ইমেজ তৈরি হয়েছে।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাতেম খানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো তিনি এর আগেও দুইবার বিএনপির দলীয় প্রতীক “ধানের শীষ” নিয়ে ভালুকা পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। 


দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, উভয় নির্বাচনেই তিনি জনসমর্থনের দিক থেকে শক্ত অবস্থানে ছিলেন এবং বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত নানা রাজনৈতিক সমীকরণ, অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেননি।


তবে সেই অভিজ্ঞতা তাকে রাজনৈতিকভাবে আরও পরিণত করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অতীতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার আরও সুসংগঠিতভাবে মাঠে কাজ করছেন তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নিয়মিত জনসম্পৃক্ততার কারণে এবারের নির্বাচনেও তাকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলাদা প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।


আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ইতোমধ্যে পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডজুড়ে গণসংযোগ জোরদার করেছেন। ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, ভ্যান ও রিকশাচালক, চা-দোকানীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করছেন। দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে নিজের প্রার্থিতার কথাও তুলে ধরছেন সরাসরি জনসংযোগে।


এছাড়াও তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করছেন, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সমস্যা, চাহিদা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন। এসব বৈঠকে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে তার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।


পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রিপন খান বলেন, “মানুষ এখন শুধু রাজনীতি দেখে না, কে বিপদে পাশে থাকে সেটাও দেখে। হাতেম খান সেই জায়গায় এগিয়ে।”


ভালুকা বাজারের ব্যবসায়ী রহমান মিয়া মন্তব্য করেন, “তিনি মানুষের খোঁজখবর নেন এটা ভোটের সময় বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।”

পৌরসভার শ্রমজীবী ভোটার আক্কাস আলী বলেন, “আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ আছে।”


রাজনৈতিকভাবে হাতেম খান বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে বর্তমানে জেলা ও পৌর পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। 


দলীয় সূত্র বলছে, তৃণমূলের ওপর তার প্রভাব ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন ও জোট-সমীকরণই নির্ধারণ করবে তার নির্বাচনী ভাগ্য।


ভালুকা পৌরসভার এই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পৌর এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় (২৮৬৩৪) জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার প্রায় (১৩৯৫০) জন এবং নারী ভোটার প্রায় (১৪৬৮৪) জন। নারী-পুরুষ ভোটারের এই ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থিতি নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, এবারের নির্বাচনে নতুন ভোটারদের উপস্থিতিও লক্ষণীয়, যা নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের ভোটের ধরণ কোন দিকে যায়, সেটি প্রার্থীদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত ইমেজ, দলীয় অবস্থান, জাতীয় রাজনীতির প্রভাব এবং স্থানীয় ইস্যুর সমন্বয়েই নির্ধারিত হবে এই নির্বাচনের ফলাফল। তারা বলছেন, জনপ্রিয়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও সেটি কতটা ভোটে রূপ নেবে সেটিই এখন দেখার বিষয়।


এদিকে পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি সড়ক উন্নয়ন, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সুপেয় পানির নিশ্চয়তা, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং স্বচ্ছ প্রশাসন। এসব মৌলিক নাগরিক সমস্যার সমাধানে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ভোটারদের প্রত্যাশা অনেক বেশি।


এই প্রেক্ষাপটে হাতেম খান উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। সুযোগ পেলে ভালুকাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”


তবে মাঠে অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীরাও সক্রিয় থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনই হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একতরফা কোনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম এমনটাই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।


সব মিলিয়ে, ভালুকা পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে যে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে, সেখানে আলহাজ্ব হাতেম খানের অবস্থান নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। এখন দেখার বিষয় জনপ্রিয়তা, সংগঠন এবং নির্বাচনী কৌশলের সমন্বয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত কতটা এগিয়ে যেতে পারেন।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩৭ পিএম

বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ট্রিপল টেস্টেড ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড সিমেন্ট আশা সিমেন্ট বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।


শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে এ উপলক্ষে নোয়াখালী মাইজদীর নোয়া কনভেনশন সেন্টারে “আশা সিমেন্ট: স্বপ্নযাত্রায় নব দিগন্ত” শীর্ষক প্রোডাক্ট লঞ্চিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আশা সিমেন্টের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. সজিবুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিন, আশা সিমেন্টের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মেহেরাজুল ইসলাম, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মাইন উদ্দিন হাসান জুয়েল এবং নোয়াখালী অঞ্চলের রিজিওনাল হেড মো. মুহাইমিনুন হক।


এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা, ডিলার, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।


বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আশা সিমেন্ট দেশের নির্মাণ খাতে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের সিমেন্ট ও নির্ভরযোগ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, ব্যবসায়িক মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র‍্যাফেল ড্র এবং অতিথিদের জন্য বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা ছিল। পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।


প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আশায় গড়ি আগামী” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণসামগ্রী ও সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে আশা সিমেন্ট।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩৩ পিএম

নওগাঁর আত্রাইয়ে ভেজাল ও নিম্নমানের সার বিক্রির সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানের মোট তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।


আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার ব্রজপুর, সিংসাড়া ও ভবানীপুর বাজারে অভিযান চালানোর সময় ভেজাল ও নিম্নমানের দস্তা সার বিক্রি করতে দেখে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ লঙ্ঘনের দায়ে মেসার্স এগ্রীজয়েন্ট এন্টারপ্রাইজকে এক হাজার টাকা, মেসার্স আয়েন উদ্দিন ট্রেডার্সকে পাঁচশ’ টাকা এবং মেসার্স করবেল ইন্টারন্যাশনালকে এক হাজার পাঁচশ’ টাকা জরিমানা করা হয়।


ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মনিরুজ্জামান বলেন, “ভেজাল সার কৃষি উৎপাদনের জন্য বড় হুমকি। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমাদের এই নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।” কৃষকদের কোনো সন্দেহজনক সার বিক্রি হতে দেখলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।


এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইমদাদুল হকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০৪ পিএম

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত নগরী কক্সবাজারে উৎসবমুখর পরিবেশে গ্লোবাল উইনার গ্রুপের অন্যতম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্ট' এর তিন দিনব্যাপী প্রথম বর্ষপূর্তি সম্মেলন ও উদযাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায়  কক্সবাজারের একটি ফাইভ স্টার হোটেল থেকে একটি র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি লাবণী বিচ পর্যন্ত গিয়ে সেখানে দ্বিতীয় দিনের উদযাপন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সেখানে খেলাধুলা ও কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 


এর আগে শুক্রবার কক্সবাজারের ওই হোটেলে বর্ষপূর্তির প্রথম দিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। 


সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইব্রাহিম খলিল, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ফেরদৌসুর রহমান রুমীসহ মূল ৮ জন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, পরিচালনা পর্ষদের কর্মকর্তা, সম্মানিত পার্টনার এবং শেয়ারহোল্ডারগণ। 


অনুষ্ঠানটিকে আরও মহিমান্বিত করেন সম্মানিত অতিথিবৃন্দ; এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ‘নওরোজ’ পত্রিকার সম্পাদক এবং বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ডিআইজি। 


তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণের মধ্যে ছিল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত স্পেশাল মার্কেটিং ট্রেনিং।


আধুনিক বিপণন কৌশল ও পেশাগত দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে এই বিশেষ সেশনটি পরিচালনা করেন দেশের জনপ্রিয় লার্নিং প্ল্যাটফর্ম স্কিলস রাইডার’ (Skills Rider)-এর ফাউন্ডার ও এমডি রাশেদুল ইসলাম।


সম্মেলনে প্রজেক্টের ভবিষ্যৎ মেগা পরিকল্পনা তুলে ধরে উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমানে ১৭ একর জমিতে বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে।


পর্যায়ক্রমে জমি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই প্রজেক্টটিকে মোট ২০০০ একর জমিতে বিস্তৃত করার এক বিশাল মাস্টারপ্ল্যান হাতে নেওয়া হয়েছে, যা দেশের পরিবেশবান্ধব এগ্রো-ট্যুরিজমে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।


১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বিনিয়োগকারী ও গ্রাহকদের সুবিধার্থে অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কিছু শেয়ার প্যাকেজ উন্মোচন করা হয়। একই সাথে, যেসকল বিনিয়োগকারী সফলভাবে তাঁদের বিনিয়োগ সম্পন্ন করেছেন, অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদান রাখায় সেরা পারফর্মকারী প্রতিনিধিদের বেস্ট মার্কেটার’ সম্মাননা ও বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।


সম্মেলনের সমাপনী দিনে সফল পার্টনারদের মাঝে সম্মাননা স্মারক বিতরণ এবং এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে ৩ দিনব্যাপী এই স্মরণীয় উদযাপনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতিমন্ত্রী টুকু

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:২২ পিএম

শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। 


তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে এবং ভবিষ্যতে একাধিক পেশায় নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে, সে লক্ষ্যেও সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।


আজ শনিবার (১ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ইছাপুর শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য এবং পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিড-ডে মিল একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে।




তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু করতে হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, যা পরে ডিগ্রি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের সরকার বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি কার্যক্রমও চালু করেছে। কাজেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রাথমিক ধাপ থেকে শুরু করতে হবে। ধীরে ধীরে সব পর্যায়েই হবে।


প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পুষ্টির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। বিদ্যালয়গুলোতে কীভাবে শিক্ষার্থীদের প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।


মাদকবিরোধী অবস্থানের কথা তুলে ধরে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কোনোভাবেই টাঙ্গাইলে মাদক চলতে দেওয়া হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেব। যে মাদক যুবসমাজ ও ছাত্রসমাজকে ধ্বংস করে, তার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।


তিনি বলেন, সন্তানের লেখাপড়ার জন্য বাবা-মা অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। অনেক পরিবার ধান, জমি কিংবা গবাদিপশু বিক্রি করেও সন্তানের শিক্ষার ব্যয় বহন করে। সেই সন্তান যদি মাদকে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে পরিবারের সব ত্যাগ ব্যর্থ হয়ে যায়। তাই পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে মাদকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।


শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী মাদক, সন্ত্রাস ও সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে মনোযোগসহকারে লেখাপড়া করার আহ্বান জানান।


অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. লুৎফুর রহমান মতিন, কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান মোল্লা বক্তব্য রাখেন।


বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়ন, ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।


অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, মিড-ডে মিল কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশিত খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।


এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:১৪ পিএম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় হোটেল ব্লু পেয়ার এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।


সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল আল ইউসুফ খান টিপু।


অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম মারুফ হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রধান উপদেষ্টা ডা. মুজিবুর রহমান। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. শাহ আলম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুল ইসলাম স্বপন, সাংবাদিক এস এম শাহাদাত, পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম দুলাল, জাকির হোসেন জুয়েল সহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং পল্লী চিকিৎসকরা।


বক্তারা বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় পল্লী চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার এবং জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা। সম্মেলনে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, পল্লী চিকিৎসকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৩০ পিএম

নওগাঁর পোরশায় বিষধর সাপের কামড়ে ফৌজিয়া বেগম (৪৬) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ধুলাডাঙ্গা গ্রামের ওসমান আলীর স্ত্রী।


নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে তেঁতুলিয়া ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে ফৌজিয়া বেগম তার শোবার ঘরের মেঝেতে জোহরের নামাজ শেষে জায়নামাজের উপর ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর তার ছেলের বউ তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। এসময় সেখানে থাকা একটি বিষধর সাপ তাকে ছোবল দেয়। বাড়ির লোকজন সাথে সাথেই তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়ে দেন। 


সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে আসে।

সর্বশেষ সব খবর